মায়ানমার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Myanmar long form.svg
পি দাউঁ জ়ু মিয়েঁ মা নাইঁ ঙান্‌ দ
রিপাবলিক অব দ্য ইউনিয়ন অব মায়ানমার
মায়ানমার-এর পতাকা
জাতীয় সঙ্গীত
Kaba Ma Kyei
মায়ানমার-এর অবস্থান
রাজধানী নেপিদ নে-প্‌য়ি-দ1
টেমপ্লেট:Coord/input/ERROR
বৃহত্তম নগরী ইয়াঙ্গুন
রাষ্ট্রভাষা (সমূহ) বর্মী
সরকার সামরিক একনায়কতন্ত্র
 -  চেয়ারম্যান, এসপিডিসি Than Shwe
 -  প্রধানমন্ত্রী Soe Win
 -  ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী Thein Sein
প্রতিষ্ঠা
 -  প্যাগান সম্রাজ্য ৮৪৯ - ১২৮৭ 
 -  Toungoo Dynasty ১৪৮৬ - ১৭৫২ 
 -  Konbaung Dynasty ১৭৫৩ - ১৮৮৫ 
 -  যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা জানুয়ারি ৪ ১৯৪৮ 
আয়তন
 -  মোট ৬৭৬,৫৭৮ বর্গকিমি (৪০তম)
২৬১,২২৭ বর্গমাইল 
 -  জলভাগ (%) ৩.০৬
জনসংখ্যা
 -  জুলাই ২০০৫ আনুমানিক ৫০,৫১৯,০০০ (২৪তম)
 -  ১৯৮৩ আদমশুমারি ৩৩,২৩৪,০০০ 
 -  ঘনত্ব ৭৫ /বর্গকিমি (১১৯তম)
১৯৩ /বর্গমাইল
জিডিপি (পিপিপি) ২০০৫ আনুমানিক
 -  মোট $৯৩.৭৭ বিলিয়ন (৫৯তম)
 -  মাথাপিছু $১,৬৯১ (১৫০তম)
মানব উন্নয়ন সূচক (২০০৪) Green Arrow Up Darker.svg০.৫৮১ (মধ্যম) (১৩০তম)
মুদ্রা কিয়াট (K) (এমএমকে)
সময় স্থান এমএমটি (ইউটিসি+৬:৩০)
ইন্টারনেট টিএলডি .এমএম
কলিং কোড +৯৫
1 ানেক সরকার ইয়াঙ্গুনকে রাজধানী মনে করে।
2 Estimates for this country take into account the effects of excess mortality due to AIDS; this can result in lower life expectancy, higher infant mortality and death rates, lower population growth rates, and changes in the distribution of population by age and sex than would otherwise be expected.

মায়ানমার (বর্মী ভাষায়: ပြည်ထောင်စု သမ္မတ မြန်မာနိုင်ငံတော်, প্রাক্তন নাম বার্মা, প্রাচীন নাম ব্রহ্মদেশ) দক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। মায়ানমারের রাজধানী নেপিদ (নেপ্‌য়িদ আইপিএ: [nèpjìdɔ̀])। তৎকালীন বার্মার গণতান্ত্রিক সরকারের উৎখাতের পর সেখানকার সামরিক সরকার বার্মার নতুন নামকরণ করে "মায়ানমার" এবং প্রধান শহর ও তৎকালীন রাজধানী রেঙ্গুনের নতুন নাম হয় "ইয়াঙ্গুন"। তবে গণতান্ত্রিক দলগুলোর অনেক অনুসারীই এই নামকরণের বিপক্ষে। ২১ অক্টোবর ২০১০ থেকে দেশটির সরকারী নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রিপাবলিক অব দ্য ইউনিয়ন অব মায়ানমার। এদিন দেশের নতুন জাতীয় সঙ্গীত ও নতুন জাতীয় পতাকা প্রবর্তন করা হয়।

সূচিপত্র

[সম্পাদনা] ইতিহাস

মন গোষ্ঠীকে ইরাওয়াদি (সংস্কৃত ইরাবতী) উপত্যকায় আবাস গড়া প্রথম জনগোষ্ঠী মনে করা হয়। খ্রীস্টপূর্ব নবম শতকের মাঝে তারা দক্ষিণ মায়ানমারে আধিপত্য বিস্তার করে। [১]

খ্রীস্টপূর্ব প্রথম শতকে পিউদের আগমন ঘটে। খ্রীস্টিয় অষ্টম শতকে তারা নানঝাও রাজ্যের আক্রমণের শিকার হয়। খ্রীস্টিয় নবম শতকের পূর্বে কোনসময়ে বর্মীরা বর্তমান তিব্বত থেকে ইরাওয়াদি উপত্যকায় আসা শুরু করে। ৮৪৯ সালের মধ্যে তারা পাগানকে কেন্দ্র করে শক্তিশালী রাজ্য গড়ে তোলে যা একসময় বর্তমান মায়ানমারের প্রায় সম্পূর্ণ এলাকাজুড়ে বিস্তার লাভ করে। ১১০০ সালের মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহৎ এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে আসে।

দ্বাদশ শতাব্দীর শেষাংশে কুবলাই খান পাগান রাজ্য দখল করেন। ১৩৬৪ সালে বর্মীরা রাজত্ব পুনরুদ্ধার করে।

[সম্পাদনা] রাজনীতি

সামরিক শাসন জারি রয়েছে।

[সম্পাদনা] প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ

[সম্পাদনা] ভূগোল

মায়ানমার ৬৭৮,৫০০ বর্গকিলোমিটার (২৬১,৯৭০ বর্গমাইল) এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। মায়ানমারের পশ্চিমে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগ এবং ভারতের মিজোরাম, উত্তর-পশ্চিমে ভারতের আসাম, নাগাল্যান্ডমণিপুর অবস্থিত। মায়ানমারের সীমানার উত্তর-পূর্বাংশের ২,১৮৫ কিলোমিটার জুড়ে আছে তিব্বত এবং চীনের ইউনান প্রদেশ। দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে লাওসথাইল্যান্ড। দক্ষিণ-পশ্চিম এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরআন্দামান সাগরের সাথে মায়ানমারের ১,৯৩০ কিলোমিটার উপকূল রেখা রয়েছে।

মায়ানমারের অধিকাংশই কর্কটক্রান্তিবিষুবরেখার মাঝে অবস্থিত। ব-দ্বীপ অঞ্চলে বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ প্রায় ২,৫০০ মিলিমিটার (৯৮ ইঞ্চি), তবে মধ্য মায়ানমারের শুষ্ক এলাকায় তা ১,০০০ মিলিমিটারের কম। উত্তরের অপেক্ষাকৃত শীতল এলাকায় গড় তাপমাত্রা ২১ °সেলসিয়াস। উপকূলীয় ও ব-দ্বীপ এলাকায় গড় তাপমাত্রা ৩২ °সেলসিয়াস।

মূল্যবান সেগুন ও বিষুবীয় গাছপালায় ভরা বন মায়ানমারের শতকরা ৪৯ ভাগের বেশি এলাকা জুড়ে রয়েছে। অন্যান্য গাছের মধ্যে রাবার, বাবলা, বাঁশ, ম্যানগ্রোভ, নারিকেল উল্লেখযোগ্য। উত্তরাঞ্চলে ওক, পাইন ইত্যাদি রয়েছে বিপুল পরিমাণে।

বন্য জীবজন্তুর মধ্যে বাঘ, গন্ডার, বুনো মহিষ, বুনো শূকর, হাতি, হরিণ, বানর পাওয়া যায়। আটশ'রও বেশি প্রজাতির পাখি পাওয়া যায় যার মাঝে আছে তোতা, সারস, কাক প্রভৃতি। সরীসৃপের মাঝে রয়েছে কুমির, টিকটিকি, কচ্ছপ, অজগর, গোখরা প্রভৃতি। স্বাদু পানির মাছ পাওয়া যায় বিপুল পরিমাণে, যা এখানকার খাদ্যের গুরুত্বপূর্ণ উৎস।

[সম্পাদনা] অর্থনীতি

[সম্পাদনা] জনসংখ্যা

[সম্পাদনা] সংস্কৃতি

[সম্পাদনা] মায়ানমারের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক

[সম্পাদনা] চীনের সাথে সম্পর্ক

১৯৪৯ সালে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত চীনের সঙ্গে বৈরী সম্পর্ক ছিল মায়ানমারের[২]। মায়ানমারের অভ্যন্তরে বিদ্রোহী কমিউনিস্ট পার্টি অব বার্মা (সিপিবি)-এর মূল পৃষ্ঠপোষক ছিল চীন। ১৯৭৮ সালে চীনা নেতা দেং জিয়াও পেং মায়ানমার সফরে আসেন। ১৯৮৬ তে সিপিবির ওপর থেকে সম্পূর্ণ সমর্থন তুলে নেয় চীন। বৈরী সম্পর্ক দারুণভাবে সহযোগিতার দিকে নতুন মোড় নেয়। তারা তেল-গ্যাস, খনিজ সম্পদসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগসহ বাণিজ্যিক সুবিধা পায়। এ সময় চীন সামরিকভাবে মায়ানমারকে সহায়তা করতে থাকে। ১৯৮৯ সালে মায়ানমার চীন হতে ১.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় করে।[৩] ভারতের ওপর ভূরাজনৈতিক কৌশলগত সুবিধা বাড়াতে মায়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয় চীনের। মায়ানমারের অভ্যন্তরে জাতিগত বিদ্রোহ, বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন দমনে মায়ানমারকে বহুমুখী সাহায্যের হাত খুলে দেয় চীন। চীনের সমর্থন মায়ানমারের সামরিক জান্তাকে অধিকতর শক্তিশালী করে। তারা এই সুযোগকে ব্যবহার করে দেশের মধ্যে যেমন তাদের ক্ষমতা বাড়ায়, তেমনি একটি শক্তিশালী সমরশক্তির দেশ হিসেবে গড়ে উঠতে চীনের সর্বোচ্চ সহায়তা পেতে থাকে।

[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা] আরও দেখুন

[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ

নিজস্ব হাতিয়ারসমূহ
নামস্থান

বিকল্পসমূহ
কার্যক্রম
পরিভ্রমন
মুদ্রণ/এক্সপোর্ট
সরঞ্জাম
অন্যান্য ভাষাসমূহ