কচ্ছপ
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
| কচ্ছপ জীবাশ্মের ব্যপ্তি: 215–0 Ma Triassic to Recent |
|
|---|---|
| Florida Box Turtle Terrapene carolina | |
| জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ/রাজ্য: | Animalia |
| পর্ব: | কর্ডাটা |
| উপপর্ব: | Vertebrata |
| শ্রেণী: | Reptilia |
| বর্গ: | Testudines |
| Suborders | |
|
Cryptodira |
|
| Diversity | |
| 14 extant families with ca. 300 species | |
| blue: sea turtles, black: land turtles | |
কচ্ছপ একধরনের সরীসৃপ যারা পানি এবং ডাঙা দুই জায়গাতেই বাস করে। এদের শরীরের উপরিভাগ শক্ত খোলসে আবৃত থাকে যা তাদের শরীরকে বিভিন্ন পরিস্থিতিতে রক্ষা করে। কচ্ছপ পৃথিবীতে এখনও বর্তমান এমন প্রাচীন প্রাণীদের মধ্যে অন্যতম। বর্তমানে কচ্ছপের প্রায় ৩০০ প্রজাতি পৃথিবীতে রয়েছে, এদের মধ্যে কিছু প্রজাতি মারাত্মক ভাবে বিলুপ্তির পথে রয়েছে। কচ্ছপ বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তার নিজের শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা পরিবর্তন করতে পারে, সাধারণত এ ধরনের প্রাণীদের ঠান্ডা-রক্তের প্রাণী বলে অভিহিত করা হয়। অন্যান্য প্রাণীর মত এরা নিশ্বাস গ্রহণ করে। কচ্ছপের অনেক প্রজাতি পানিতে বা পানির আশেপাশে বাস করলেও এরা ডাঙায় ডিম ছাড়ে।
পরিচ্ছেদসমূহ |
[সম্পাদনা] পাহাড়ি তরুণাস্থি কাছিম
পাহাড়ি তরুণাস্থি কাছিম একটি বিশেষ কচ্ছপ যার ইংরেজি নাম Asiatic Softshell Turtle এবং বৈজ্ঞানিক নাম Amyda cartilaginea। তবে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে এ প্রজাতির প্রথম বৈজ্ঞানিক নামকরণ হয়েছিল Testudo cartilaginea। বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ রেজা খান ‘পাহাড়ি তরুণাস্থি কাছিম’ নামটি র কর্তৃক প্রদত্ব। এটি নিশাচর প্রাণী। এটি বাংলাদেশের মিঠাপানিজাত ধুম কচ্ছপ এবং কালুয়া কচ্ছপের মতো দেখতে হলেও পাহাড়ি তরুণাস্থি কাছিম আকারে বেশ ছোট ও চ্যাপ্টা আকৃতির। এর দৈর্ঘ্য সর্বোচ্চ ৮৩ সেন্টিমিটার। খোলসের ওপরের অংশের সামনের প্রান্তে অবস্থিত এক সারি গোলাকার গুটিকা (টিউবারকল) এবং সরু ও লম্বা নাক দেখে সহজেই অন্য সব কাছিম প্রজাতি থেকে একে আলাদা করে চেনা সম্ভব। পাহাড়ি তরুণাস্থি কাছিমের ওপরের অংশ ধূসর থেকে জলপাই রং হয়ে থাকে; নিচের অংশ সাদা অথবা হালকা ধূসর হয়ে থাকে। কম বয়সী কাছিমের ওপরের অংশে অনেক কালো ও হলদে ফোটা এবং উঁচু উঁচু লম্বাটে দাগ থাকে। এই দাগ কালক্রমে ধীরে ধীরে খোলসের ওপরের ত্বকের সঙ্গে মিশে যায়। এর প্রধান খাদ্য পাহাড়ি নদী ও জলাশয়ের মাছ, ব্যাঙ, ব্যাঙাচি, চিংড়ি ও বিভিন্ন প্রকার জলজ পোকামাকড়। এরা নদী বা জলাশয়ের ধারে গর্ত খুঁড়ে বছরে তিন-চারবার ডিম পাড়ে। ডিমের সংখ্যা ৫থেকে ৩০টি। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হতে সময় লাগে ১৩০ দিনে থেকে১৪০ দিন পর্যন্ত অথ্যাৎ ৪ থেকে ৫ মাস। । [১]
[সম্পাদনা] আরও পড়ুন
Iskandar, DT (2000). Turtles and Crocodiles of Insular Southeast Asia and New Guinea. প্রকাশক: Palmedia – ITB. (Bandung).
Pritchard, Peter Charles Howard (1979). Encyclopedia of turtles. প্রকাশক: T.F.H. Publications. (Neptune, NJ). আইএসবিএন 0-87666-918-6.
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
সংজ্ঞা, উইকিঅভিধান হতে
পাঠ্যবই, উইকিবই হতে
উক্তি, উইকিউক্তি হতে
রচনা সংকলন, উইকিউৎস হতে
ছবি ও অন্যান্য মিডিয়া, কমন্স হতে
সংবাদ, উইকিসংবাদ হতে
- UC Berkeley Museum of Paleontology
- Chelonian studbook Collection and display of the weights/sizes of captive turtles
- Biogeography and Phylogeny of the Chelonia (taxonomy, maps)
- The word 'turtle' in different languages
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |