অং সান সু চি
| Daw অং সান সু চি MP AC |
|
|---|---|
| ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসি'র সভাপতি | |
| দায়িত্ব | |
| অধিকৃত অফিস ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮ |
|
| পূর্বসূরী | Position established |
| Member of the Pyithu Hluttaw for Kawhmu |
|
| দায়িত্ব | |
| অধিকৃত অফিস 2 May 2012 |
|
| পূর্বসূরী | Soe Tint |
| সংখ্যাগরিষ্ঠ | 46,730 (71.38%)[১] |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ১৯ জুন ১৯৪৫ Rangoon, British Burma (now Yangon) |
| রাজনৈতিক দল | National League for Democracy |
| দাম্পত্য সঙ্গী | Michael Aris (1972–1999) |
| সম্পর্ক | Aung San (father) Khin Kyi (mother) |
| সন্তান | Alexander Kim |
| অধ্যয়নকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান |
University of Delhi St Hugh's College, Oxford University of London |
| ধর্ম | Theravada Buddhism |
| Awards | রাফতো পুরস্কার নোবেল শান্তি পুরস্কার জওহরলাল নেহরু পদক আন্তর্জাতিক সিমন বলিভার পুরস্কার ওলফ পালমে পুরস্কার ভগবান মহাবীর বিশ্ব শান্তি |
অং সান সূ চি (ইংরেজি: Aung San Suu Kyi, বর্মী ভাষায়:
আউন্ স্হান্ সু চি আ-ধ্ব-ব: [àunsʰánsṵtʃì]); ১৯৪৫ সালের ১৯শে জুন মায়ানমারের ইয়াংগুনে (তৎকালীন বার্মার রেঙ্গুনে) জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন তার পরিবারের ৩য় সন্তান। তিনি অহিংস গণতন্ত্রবাদী আন্দোলনকারী হিসেবে পরিচিত এবং মায়ানমারের ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির নেতা। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এই নেতা ১৯৯০ সালে রাফতো পুরস্কার এবং শাখারভ পুরস্কার লাভ করেন। সামরিকতন্ত্রের বিপক্ষে অহিংস ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের জন্য ১৯৯১ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯২ সালে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জন্য ভারত সরকার তাকে "জওহরলাল নেহেরু" পুরস্কার প্রদান করে।
পরিচ্ছেদসমূহ |
নামকরণ [সম্পাদনা]
অং সান সু চি নিজ পরিবারের তিন সদস্যদের কাছ থেকে তার নামের পদবী গ্রহণ করেন। তার পিতার কাছ থেকে "অং সান", তার পিতার নানী থেকে "সু" এবং "চি" তার মা খিন চির থেকে। তাকে প্রায়শই ডাউ অং সান সু চি নামে ডাকা হয়।
ব্যক্তিগত জীবন [সম্পাদনা]
রাজনীতিবিদ নন, সাধারণ গৃহবধূ হিসেবেই জীবন শুরু করেছিলেন সু চি। ব্রিটিশ নাগরিক মাইকেল অ্যারিসকে বিয়ে করেন ১৯৭১ সালে। বিয়ের এক বছর পরই প্রথম সন্তান আলেক্সান্ডারের জন্ম। দ্বিতীয় সন্তান কিমের জন্ম ১৯৭৭ সালে। ১৯৮৮ সালে তার মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরলে তাঁকে দেখতে ছুটে আসেন দেশে। তখন দেশজুড়ে চলছিল গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন। সেই আন্দোলন থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখতে পারেননি নিজেকে। গঠন করলেন এনএলডি-ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি। রাজনৈতিক দল গঠন করে মুহূর্তেই চক্ষুশূলে পরিণত হলেন সামরিক জান্তার। ১৯৮৯ সালে গৃহবন্দী করা হলো তাঁকে। পারিবারিক জীবনেরও সমাপ্তি ঘটল সেখানেই। এরপর প্রায় দুই দশক গৃহবন্দী ও কারাগারে কাটালেন তিনি। স্বামীর সঙ্গে শেষ দেখা ১৯৯৫ সালের বড়দিনে হলেও ছেলেদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। এর চার বছর পর স্বামী মারা যান। ২০১০ সালে ১২ বছরের মধ্যে প্রথম ছোট ছেলে কিমের সাক্ষাৎ পান। চাইলেই তিনি মুক্তি পেতে পারতেন। কিন্তু স্বামী-সন্তানকে দেখতে একবার দেশ ছাড়লে আর কখনোই তাঁকে দেশে ঢুকতে দেয়া হবে না। তাই দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে বন্দীজীবনকেই বেছে নিলেন। বিয়ের আগে স্বামী মাইকেলকেও বলে রেখেছিলেন সবকিছুর আগে তাঁর দেশ।[২]
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ "Myanmar election commission announces NLD wins overwhelmingly in by-elections"। Xinhua। 2 April 2012। http://news.xinhuanet.com/english/world/2012-04/02/c_131504585.htm। সংগৃহীত 2 April 2012।
- ↑ আমার ব্যক্তিগত আক্ষেপ আছে: সু চি, বিবিসি, দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ২৪-০৯-২০১২ খ্রিস্টাব্দ।
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
| উইকিমিডিয়া কমন্সে নিচের বিষয় সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে: অং সান সু চি |
| উইকিউক্তিতে নিচের বিষয় সম্পর্কে সংগৃহীত উক্তি আছে:: অং সান সু চি |
- অং সান সু চি - উন্মুক্ত নির্দেশিকা প্রকল্প
- Aung San Suu Kyi's website via the Internet Archive
- Nobel Peace Prize 1991, Aung San Suu Kyi at NobelPrize.org
- Aung San Suu Kyi – Summary, biography, excerpts from books
- অং সান সু চি এর কাজ — ওয়ার্ল্ডক্যাটের লাইব্রেরি ক্যাটালগ
- Burma's Suu Kyi, Free at Last – slideshow by Der Spiegel
- Peace Prize 2012 from India by Sarhad organization PUNE City
| পার্টির রাজনৈতিক কার্যালয় | ||
|---|---|---|
| নতুন রাজনৈতিক দল | ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসি নেতা ১৯৮৮–বর্তমান |
দায়িত্ব/অবশ্য কর্তব্য |
| বিধানসভার আসন | ||
| পূর্বসূরী সো টিন্ট |
বর্মী হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ফর কাওমুর সদস্য ২০১২–বর্তমান |
দায়িত্ব/অবশ্য কর্তব্য |
| পুরস্কার ও স্বীকৃতি | ||
| পূর্বসূরী মিখাইল গর্বাচেভ |
নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী ১৯৯১ |
উত্তরসূরী রিগোবার্তা মেঞ্চু |
- Articles containing explicitly cited English language text
- ১৯৪৫-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- সেন্ট হিউ কলেজ, অক্সফোর্ডের প্রাক্তন ছাত্রী
- বৌদ্ধ শান্তিবাদী
- বর্মী গণতন্ত্র কর্মী
- বর্মী মানবাধিকার কর্মী
- বর্মী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী
- বর্মী শান্তিবাদী
- বর্মী সমাজবাদী
- বর্মী থেরবাদী বৌদ্ধ
- রাজনীতিতে বর্মী নারী
- বর্মী মহিলা লেখক
- বর্মী লেখক
- নাগরিক অধিকার কর্মী
- কংগ্রেশনাল গোল্ড পদক প্রাপক
- ফ্রিডম ইউর মাইন্ড পুরস্কার বিজয়ী
- নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী
- ওলফ পালমে পুরস্কার বিজয়ী
- স্বাধীনতার রাষ্ট্রপতি পদক প্রাপক
- মায়ানমারের বন্দী এবং আটকরা
- শাখারভ পুরস্কার প্রাপক
- ইউনেস্কো-মাডানজিত সিংহ পুরস্কার বিজয়ী
- দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রী
- মহিলা নোবেল পুরস্কার বিজয়ী