স্নায়ু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
বাহুতে স্নায়ু (হলুদ)

একটি স্নায়ু নিউরনের অ্যাক্সনের একগুচ্ছ বদ্ধ বান্ডিল,যা প্রান্তীয় স্নায়ু তন্ত্রের অংশ।এর মধ্য দিয়ে প্রান্তীয় অঙ্গে তড়িৎ-রাসায়নিক সংকেত আদান-প্রদান হয়।

কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে, অনুরূপ গঠনকে নিউরাল ট্র্যাক্ট বলে।[১][২] নিউরনকে কখনও কখনও স্নায়ু কোষ বলা হলেও এটি পুরোপুরি সঠিক নয়,যেহেতু অনেক নিউরনই স্নায়ু গঠন করে না,আবার স্নায়ুতে অ-নিউরন কোষ যেমন সোয়ান কোষ থাকে,যা অ্যাক্সনকে মায়েলিনে আবৃত করে রাখে।

প্রতিটি স্নায়ু রজ্জুর ন্যায় গঠন,যাতে অনেক অ্যাক্সন বা স্নায়ু তন্তু (nerve fibre)থাকে।একটি স্নায়ুর মধ্যে প্রতিটি অ্যাক্সন যোজক কলার একটি স্তর দ্বারা আবৃত থাকে,যাকে এন্ডোনিউরিয়াম বলে।এরকম অনেকগুলি অ্যাক্সন মিলে নার্ভ ফ্যাসিকল করে।প্রতিটি ফ্যাসিকল যোজক কলার একটি স্তর দ্বারা আবৃত থাকে,যাকে পেরিনিউরিয়াম বলে।শেষে,সমস্ত স্নায়ু যোজক কলার আরেকটি স্তর দ্বারা আবৃত থাকে,যাকে এপিনিউরিয়াম বলে।

শারীরতত্ত্ব[সম্পাদনা]

সংকেত পরিবহনের উপর নির্ভর করে স্নায়ুকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।

  • সংবেদী স্নায়ু , অন্তর্বাহী স্নায়ু বা Afferent nerve ঃ এরা রিসেপ্টর বা গ্রাহক কোশ থেকে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে উদ্দীপনা বহন করে নিয়ে যায়। সেনসরি নিউরোন বা স্নায়ুকোশ দিয়ে

এরা তৈরি বলে এদের সেনসরি নার্ভ বা সংজ্ঞাবহ স্নায়ুও বলা হয়। দর্শন অনুভূতির জন্য অপটিক নার্ভ, ঘ্রাণের জন্য অলফ্যাক্টরি নার্ভ এবং শ্রবণের জন্য অডিটরি নার্ভ এই শ্রেণিভূক্ত ।

  • চেষ্টীয় স্নায়ু , বহির্বাহী স্নায়ু বা Efferent nerve ঃ এরা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র থেকে অনুভূতি বয়ে নিয়ে যায় ইনফেক্টর বা কারক কোশে । মোটর নিউরনের স্নায়ুতন্র দিয়ে এরা

তৈরি বলে এদের মোটর নার্ভ বা চেষ্টীয় স্নায়ু বলে। তৃতীয় করোটি স্নায়ু বা অকুলোমোটর নার্ভ এবং ষষ্ঠ করোটি স্নায়ু বা অ্যাবডুসেনস নার্ভ এই গোত্রের ।

  • মিশ্র স্নায়ু বা Mixed nerve ঃ এরা একই সঙ্গে অন্তর্বাহী এবং বহির্বাহী । অর্থাৎ উভয়মুখে এরা স্নায়ু অনুভূতি বয়ে নিয়ে যায়। এরা সেনসরি ও মোটর দু-প্রকার স্নায়ুতন্ত্র দিয়ে তৈরি।

সপ্তম করোটি স্নায়ু বা ফেসিয়াল নার্ভ , দশম করোটি স্নায়ু বা ভেগাস নার্ভ হল এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত ।

একটি স্নায়ুর প্রস্থচ্ছেদ

কোষতত্ত্ব[সম্পাদনা]

ক্লিনিক্যাল গুরুত্ব[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Purves D, Augustine GJ, Fitzppatrick D; ও অন্যান্য (২০০৮)। Neuroscience (4th সংস্করণ)। Sinauer Associates। পৃষ্ঠা 11–20। আইএসবিএন 978-0-87893-697-7 
  2. Marieb EN, Hoehn K (২০০৭)। Human Anatomy & Physiology (7th সংস্করণ)। Pearson। পৃষ্ঠা 388–602। আইএসবিএন 0-8053-5909-5