কান
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন
অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই নিবন্ধের ভূমিকাংশ, এর বিষয়বস্তুর যথাযথ সার-সংক্ষেপ নয়। (মে ২০১৪) |
| কান | |
|---|---|
মানবদেহের কান | |
| বিস্তারিত | |
| পদ্ধতি | শ্রবণ ও ভারসাম্য |
| শনাক্তকারী | |
| লাতিন | Auris |
| MeSH | D004423 |
| টিএ | A01.1.00.005 A15.3.00.001 |
| এফএমএ | FMA:52780 |
| অ্যানাটমিকল পরিভাষা | |
কর্ণ বা কান প্রাণিদেহের শ্রবণ অঙ্গ। এটি মানবদেহের একটি অঙ্গ, যা মাথার দুই দিকে অবস্থিত। এর দ্বারা মানুষ শ্রবণ করে।[১] এর সাহায্যে আমরা বহিরাগত শব্দ শুনি, তাই এটি একটি শ্রবণেন্দ্রিয়।
পরিচ্ছেদসমূহ
গঠন[সম্পাদনা]
মানুষের কানের প্রধান তিনটি[২] অংশ হল-
বহিকর্ণ[সম্পাদনা]
কর্ণছত্র , কর্ণকুহর ও কর্ণপটহ দ্বারা গঠিত। এদের কাজ হল শব্দতরঙ্গকে বাইরের থেকে মধ্যকর্ণে প্রবাহিত করা।
মধ্যকর্ণ[সম্পাদনা]
মেলিয়াস, ইনকাস ও স্টেপিস নামে তিনটি অস্থি দ্বারা গঠিত।এদের কাজ হল শব্দতরঙ্গকে কর্ণপটহ থেকে অন্তকর্ণে প্রবাহিত করা। স্টেপিস মানবদেহের সর্বাপেক্ষা ছোট অস্থি। স্টেপিস ত্রিকোণাকার অস্থি।
অন্তকর্ণ[সম্পাদনা]
ককলিয়া ও ভেস্টিবিউলার যন্ত্র দ্বারা নির্মিত।ককলিয়ার মধ্যেই শ্রুতি-যন্ত্র অবস্থিত।
কাজ[সম্পাদনা]
- শ্রবণ।
- দেহের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ।
- দেহের প্রতিরক্ষা।
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
জীবন বিজ্ঞান পরিচয় - দুলাল সাঁতরা
- ↑ "Ear"। Oxford Dictionary (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬।
- ↑ Standring, Susan (২০০৮)। Borley, Neil R., সম্পাদক। Gray's Anatomy: The Anatomical Basis of Clinical Practice (40 সংস্করণ)। Edinburgh: Churchill Livingstone/Elsevier। পৃষ্ঠা Chapter 36. "External and middle ear", 615–631। আইএসবিএন 978-0-443-06684-9। ১০ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা।