কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের একটি চিত্র:
1. মস্তিষ্ক
2. কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র
    (মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ড)
3. সুষুম্নাকাণ্ড

কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র (ইংরেজি: Central nervous system, সংক্ষেপে CNS) প্রধানত মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকান্ড নিয়ে গঠিত। স্পঞ্জ ও ডিপ্লোব্লাস্ট ছাড়া সব বহুকোষী প্রাণী তথা ট্রিপ্লোব্লাস্টিক ও দ্বিপার্শীয় প্রতিসম প্রাণীর দেহের এই অংশটি সমস্ত তথ্য একত্র করে, সামঞ্জস্য বিধান করে এবং দেহের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে। এটি দেহের রোস্ট্রাল এক্সিস থেকে কডাল এক্সিস পর্যন্ত বিস্তৃত। শুধুমাত্র সন্ধিপদী, সেফালোপড ও মেরুদন্ডী প্রাণীদের সম্পূর্ণ সুগঠিত মস্তিষ্ক থাকে।

নিবন্ধের বাকি অংশে কেবল মেরুদন্ডী প্রাণীর মস্তিষ্ক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে যা বাকি সব প্রাণীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্য ভাবে আলাদা।

পরিদর্শন[সম্পাদনা]

মেরুদণ্ডী প্রাণীসমূহে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র মেনিনজেস নামক পর্দায় আবৃত থাকে। এই মেনিনজেস রক্তে মিশ্রিত বিবিধ রাসায়নিক পদার্থের মস্তিষ্কে অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ করে। এর মাধ্যমে মস্তিষ্ক, খাবার থেকে শরীরে প্রবিষ্ট নিউরোটক্সিন জনিত বিষক্রিয়া থেকে সুরক্ষিত থাকে। দ্বিপার্শীয় প্রাণীদের এই মেনিনজেসের মধ্যে সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড থাকে যা দেহরসের সঙ্গে তুলনীয়, কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র এতে নিমজ্জিত থাকে।

কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র দেহের পশ্চাৎ গহ্বরে অবস্থান করে। মস্তিষ্ক ক্রেনিয়াল বা খুলি গহ্বরে এবং সুষুম্নাকান্ড মেরুদণ্ডীয় গহ্বরে অবস্থান করে। এর মধ্যবর্তী স্থানগুলিতে অধিক পরিমাণে গ্লায়া কোষ নামক অন্য এক ধরনের কোষ দ্বারা পুর্ণ থাকে।

এছাড়া, মেরুদন্ডীদের ক্ষেত্রে অক্ষিপট বা রেটিনা, দর্শনস্নায়ু, ঘ্রাণস্নায়ু ও ঘ্রাণবহ আবরণী কলা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের অন্তর্গত। এই স্নায়ুগুলি মধ্যবর্তী গ্যাংলিয়া কোষ ছাড়াই সরাসরি মস্তিষ্কের নিউরোন বা স্নায়ুর সঙ্গে যুক্ত থাকে। এদের মধ্যে একমাত্র ঘ্রাণবহ আবরণী কলা মেনিনজেস এর বাইরে থাকে। একমাত্র এই পথেই ওষুধ মস্তিষ্কে পাঠানো সম্ভব। নয়তো মেনিনজেস আবরণটি সবরকম পদার্থের পক্ষে অভেদ্য।

গঠন[সম্পাদনা]

মস্তিষ্কসুষুম্নাকাণ্ড এর প্রধান দুটি অংশ। মাথার খুলি মস্তিষ্ককে এবং মেরুদণ্ড সুষুম্নাকাণ্ডের সুরক্ষা দেয়। [১] সুষুম্নাকান্ড মস্তিষ্কের সঙ্গে সংযুক্ত ও এর নীচে অবস্থান করে। মোটামুটিভাবে মেরুদন্ডীয় গহ্বরের ওপরের অংশ অর্থাৎ খুলির নীচ থেকে শুরু করে ফোরামেন ম্যাগনাম থেকে প্রথম/দ্বিতীয় লাম্বার ভার্টিব্রা পর্যন্ত এটি বিস্তৃত।

শ্বেত ও ধূসর পদার্থ[সম্পাদনা]

শ্বেতপদার্থ মূলত মায়েলিন আবরনযুক্ত স্নায়ুতন্তু দিয়ে গঠিত। এর লিপিডের উপস্থিতি এর সাদা রং এর জন্য দায়ী। ধূসর পদার্থ মায়েলিনবিহীন স্নায়ুতন্তু নিয়ে গঠিত। এই দুই অংশ মুখ্যত কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে দেখা যায়। এর সঙ্গে উভয় অংশেই গ্লায়া সেল ও দেখা যায় যদিও শ্বেতপদার্থে তা সংখ্যায় বেশী। আণুবীক্ষনিক ভাবে দেখলে নিউরোন, স্নায়ুকলা ও প্রান্তিক স্নায়ুতন্ত্রের মধ্যে পার্থক্য আছে।

সুষুম্নাকান্ড[সম্পাদনা]

ক্রেনিয়াল নার্ভ[সম্পাদনা]

মস্তিষ্ক[সম্পাদনা]

কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র ও প্রান্তিক স্নায়ুতন্ত্রের পার্থক্য[সম্পাদনা]

ডেভেলপমেন্ট[সম্পাদনা]

বিবর্তন[সম্পাদনা]

চিকিৎসাক্ষেত্রে এর তাৎপর্য[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Maton, Anthea (১৯৯৩)। Human Biology and Health। Englewood Cliffs, New Jersey, USA: Prentice Hall। পৃষ্ঠা 132–144। আইএসবিএন 0-13-981176-1  অজানা প্যারামিটার |coauthors= উপেক্ষা করা হয়েছে (|author= ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে) (সাহায্য)