বিষয়বস্তুতে চলুন

খালসা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
খালসা
ਖ਼ਾਲਸਾ
সক্রিয়১৩ এপ্রিল ১৬৯৯  বর্তমান
আনুগত্যওয়াহেগুরু
শাখা খালসা ফৌজ (১৬৯৯ – ১৭৩০'এর দশক)
দল খালসা (১৭৩০'এর দশক – ১৭৯৯)
শিখ খালসা সেনাবাহিনী (১৭৯৯ – ১৮৪৯)
অকালি-নিহাং (১৭০০'এর দশক – বর্তমান)
দমদমি টাকশাল (১৭০৬ - বর্তমান)
ধরনশিখ ধর্মীয় আদেশ
সদরদপ্তরপাঞ্জ তখত, অকাল তখত সাহিব,[] আনন্দপুর সাহিব[]
নীতিবাক্যদেগ তেগ ফাতেহ
রংনেভী ব্লু এবং হলুদ[][]
বার্ষিকীভৈশাখী, হোলা মোহাল্লা, বান্দি চোর দিভাস
কমান্ডার
প্রতিষ্ঠাতাগুরু গোবিন্দ সিংমাতা সাহিব কাউর
পাঞ্জ পেয়ারে
অকাল তখতের জথেদার

প্রতীকসমূহ
চিহ্নখাণ্ডা
একক/ব্যক্তিগত নির্দেশকপঞ্চ কে
দলীয়/পন্থী নির্দেশকনিশান সাহিব
পূর্বসুরি (সেনাদল) অকাল সেনা
5 early Akali Sikh warriors, one carrying a flag, one on horseback.
১৯শ শতকের অকালি শিখ যোদ্ধা

খালসা (গুরুমুখী: ਖ਼ਾਲਸਾ, Punjabi উচ্চারণ: [ˈkʰaːlsaː], আক্ষ. অনু.পরিশুদ্ধ হওয়া – lit.পরিচ্ছন্ন হওয়া) দ্বারা দুইটি দলকে নির্দেশ করে; প্রথমতঃ এমন একটি গোষ্ঠীকে যারা তাদের বিশ্বাস হিসেবে শিখধর্মকে গ্রহণ করেছে,[] অথবা, সুনির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদনের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত শিখদের বিশেষ একটি দল বা গোষ্ঠীকে।[] খালসা পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে ১৬৯৯ সালে দশম শিখ গুরু গুরু গোবিন্দ সিং কর্তৃক। এটির গঠনকে শিখধর্মের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।[] শিখরা খালসার গঠনের ঘটনাকে বৈশাখী উৎসবের সময় জাঁকজমকের সাথে উদযাপন করে।[][][১০]

মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনামলে ইসলামি শরীয়াহ আইন চালু করে নবম শিখ গুরু গুরু তেগ বাহাদুরকে শরীয়া আইনের অধীনে দোষি সাবস্ত করে শিরোচ্ছেদ করার প্রেক্ষিতে দশম শিখ গুরু গুরু গোবিন্দ সিং কর্তৃক খালসা পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়।[১১][১২][১৩] গুরু গোবিন্দ সিং কর্তৃক যোদ্ধা হিসাবে খালসাদের নির্বাচন ও দল গঠন করে এবং তাদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়ে দায়িত্ব দেয়া হয় নিরাপরাধীদের ধর্মান্তরিত করা হতে রক্ষা করার।[১৪] খালসা দলের গোড়াপত্তন শিখধর্মে এক নতুন যুগের সূচনা করে। এটি একটি নতুন উৎসব আয়োজনের মাধ্যমে সূচনা করা হয় এবং খালসা যোদ্ধাদের জন্য নীতিমালা প্রচলন করে। পূর্বতন মাসান্দ পদ্ধতির পরিবর্তে এটি শিখদের অস্থায়ী নেতৃত্বদানের জন্য একটি নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। তদুপরি, খালসা পদ্ধতি শিখ জনগোষ্ঠীকে একটি রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গী গঠনে তাড়িত করে।[][১৫][১৬]:১২৭

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. the seat of supreme temporal authority for Sikhs
  2. "Sikh Reht Maryada, The Definition of Sikh, Sikh Conduct & Conventions, Sikh Religion Living, India"Old.sgpc.net। ৯ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০২২
  3. Sikh Rehat Maryada: Section Three, Chapter IV, Article V, r. ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৮ মার্চ ২০২২ তারিখে
  4. Nishan Sahib (Sikh Museum)
  5. 1 2 Khalsa: Sikhism, Encyclopaedia Britannica
  6. Singh, Pashaura; Fenech, Louis E. (২০১৪)। The Oxford Handbook of Sikh Studies। Oxford University Press। পৃ. ২৩৭। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৯৬৯৯৩০-৮
  7. Singh, Nikky-Guninder Kaur (২০১২)। The Birth of the Khalsa : A Feminist Re-Memory of Sikh Identity। State University of New York Press। পৃ. xi। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৭৯১৪-৮২৬৬-৭
  8. Senker, Cath (২০০৭)। My Sikh Year। The Rosen Publishing Group। পৃ. ১০। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪০৪২-৩৭৩৩-৯, Quote: "Vaisakhi is the most important mela. It marks the Sikh New Year. At Vaisakhi, Sikhs remember how their community, the Khalsa, first began."
  9. Cole, p. 63: "The Sikh new year, Vaisakhi, occurs at Sangrand in April, usually on the thirteenth day."
  10. Jacobsen, Knut A. (২০০৮)। South Asian Religions on Display: Religious Processions in South Asia and in the Diaspora। Routledge। পৃ. ১৯২। আইএসবিএন ৯৭৮-১-১৩৪-০৭৪৫৯-৪, Quote: "(...) for the Sikhs, it [Baisakhi] celebrates the foundation of the Khalsa in 1699."
  11. Mandair, Arvind-Pal Singh (২০১৩)। Sikhism: A Guide for the Perplexed। Bloomsbury Academic। পৃ. ৫৩–৫৪। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪৪১১-০২৩১-৭, Quote: "The Guru's stance was a clear and unambiguous challenge, not to the sovereignty of the Mughal state, but to the state's policy of not recognizing the sovereign existence of non-Muslims, their traditions and ways of life".
  12. Seiple, Chris (২০১৩)। The Routledge handbook of religion and security। New York: Routledge। পৃ. ৯৬। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪১৫-৬৬৭৪৪-৯
  13. Singh, pp. 236–238
  14. Cole, p. 36
  15. Singh, Teja (২০০৬)। A Short History of the Sikhs: Volume One। Patiala: Punjabi University। পৃ. ১০৭। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১৭৩৮০০০৭৮
  16. Singh, Kartar (২০০৮)। Life of Guru Gobind Singh। Ludhiana, India: Lahore Bookshop।

উদ্ধৃতি উৎস

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]