রেজিস চাকাভা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
রেজিস চাকাভা
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামরেজিস উইরিরানাই চাকাভা
জন্ম (1987-09-20) ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭ (বয়স ৩১)
হারারে, জিম্বাবুয়ে
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
ভূমিকাউইকেট-কিপার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টেস্ট
(ক্যাপ ৮০)
১ নভেম্বর ২০১১ বনাম নিউজিল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক
(ক্যাপ ১০১)
১৯ অক্টোবর ২০০৮ বনাম কেনিয়া
শেষ ওডিআই২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০০৬-নর্দার্ন্স
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ১৭ ৬১ ৭৮
রানের সংখ্যা ১৬৩ ২৫০ ৩,২৬৪ ১,৪৭৭
ব্যাটিং গড় ২০.৩৭ ১৫.৬২ ৩২.৬৪ ২২.৭২
১০০/৫০ –/১ –/– ৪/১৯ ০/৫
সর্বোচ্চ রান ৬৩ ৪৫ ১৩১ ৭১*
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৫/– ১০/– ১৩৪/১৩ ৫৮/১৬
উৎস: Cricinfo, 03 May 2013

রেজিস উইরিরানাই চাকাভা (জন্ম: ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭) জিম্বাবুয়ের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। জিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য তিনি। মূলতঃ তিনি একজন উইকেট-কিপাররেজিস চাকাভা পাশাপাশি ডানহাতে ব্যাটিংয়ে পারদর্শী। ঘরোয়া ক্রিকেটে নর্দার্ন্সের হয়ে খেলছেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

এপ্রিল, ২০০৭ সালে অনুষ্ঠিত লোগান কাপে ইস্টার্নসের বিপক্ষে নর্দান্সের হয়ে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ব্যাটিং উদ্বোধনে নেমে ঐ খেলায় তিনি ১ম ও ২য় ইনিংসে যথাক্রমে শূন্য ও পাঁচ রান করেছিলেন।[১] এরপর মাত্র চারটি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে নিজ প্রদেশের হয়ে খেলার পর তাকে জিম্বাবুয়ে এ দলের সদস্য মনোনীত করা হয়। তখন তিনি মাত্র ৩৫ রানের সর্বোচ্চ সংগ্রহ করেছিলেন। আগস্ট, ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকান একাডেমি’র বিপক্ষে প্রথম অর্ধ-শতক করেন।[২] এরপর ২০০৭-০৮ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকান ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় চাকাভা জিম্বাবুয়ের প্রাদেশিক দলে খেলার যোগ্যতা লাভ করেন। ঐ প্রতিযোগিতায় নামিবিয়ার বিপক্ষে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে তার অভিষেক সেঞ্চুরি করেন।[৩]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

অক্টোবর, ২০০৮ সালে কানাডায় অনুষ্ঠিত চার-দেশীয় টুয়েন্টি২০ সিরিজে জাতীয় দলে খেলার জন্য মনোনীত হন।[৪] ১২ অক্টোবর, ২০০৮ তারিখে পাকিস্তানের বিপক্ষে টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে তার অভিষেক ঘটে। তখন তাতেন্ডা তাইবু উইকেট-কিপার ছিলেন। এসময় তিনি বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে মাঠে নামেন। কিন্তু এক রান নেয়ার পর তিনি রান-আউটের শিকার হন। ঐ খেলায় পাকিস্তান ৭ উইকেটে জয়লাভ করে।[৫] প্রতিযোগিতায় জিম্বাবুয়ে তৃতীয় স্থান দখল করে।[৬]

প্রতিযোগিতার পর জিম্বাবুয়ে দল নাইরোবি গমন করে। কেনিয়া ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজে অংশগ্রহণ করে। ১৯ অক্টোবর তারিখে চাকাভা তার প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেন। এসময় তাইবু উইকেট-কিপার ও বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যানরূপে মাঠে নামেন। চাকাভা ৪৪ বলে ৪১ রান করেন ও সর্বশেষ আউট হন। খেলায় জিম্বাবুয়ে দল ৯৫ রানে পরাজিত হয়।[৭]

২০১০ সালে চাকাভা জিম্বাবুয়ে দলের সাথে কানাডা ও নেদারল্যান্ডস সফর করেন। ২০১১ সালে জিম্বাবুয়ে টেস্ট ক্রিকেটে পদার্পণ করে। ঐ বছরের নভেম্বরে বুলাওয়েতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তার টেস্ট অভিষেক ঘটে। উইকেট রক্ষাসহ সাত নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৭ ও ৫ রান করেন।[৮][৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Easterns v Northerns in 2006/07"CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১০-৩০ 
  2. "Zimbabwe A v South Africa Academy in 2007/08"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১০-৩০ 
  3. "Namibia v Zimbabwe Provinces in 2007/08"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১০-৩০ 
  4. "Cricinfo – Zhuwawo a surprise pick for Zimbabwe tour"Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১০-৩০ 
  5. "Cricinfo – 5th Match: Pakistan v Zimbabwe at King City (NW), Oct 12, 2008"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১০-৩০ 
  6. "Cricinfo – Points table – T20 Canada, 2008/09"। Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১০-৩০ 
  7. "Kenya v Zimbabwe in 2008/09"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ২০০৮-১০-৩০ 
  8. "Regis Chakabva: Zimbabwe"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১২ 
  9. "New Zealand tour of Zimbabwe, 2011/12 / Scorecard: Only Test"ESPNcricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জানুয়ারি ২০১২ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]