টেন্ডাই চাতারা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
টেন্ডাই চাতারা
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামটেন্ডাই ল্যারি চাতারা
জন্ম (1991-02-28) ২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১ (বয়স ২৮)
চিমানিমানি, জিম্বাবুয়ে
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি ফাস্ট মিডিয়াম
ভূমিকাবোলার
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
একমাত্র টি২০আই১৩ জুন ২০১০ বনাম ভারত
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছরদল
২০০৯-বর্তমানমাউন্টেনিয়ার্স
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই টি২০আই এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ১১ ৩৫
রানের সংখ্যা ৪১ ২৭ ২৯৮
ব্যাটিং গড় ৫.১২ ৯.০০ ৯.০৩
১০০/৫০ ০/০ ০/০ -/- ০/০
সর্বোচ্চ রান ৪১ ২৩ ৩৫*
বল করেছে ৮৮৯ ৫৯১ ৯০ ৬,১৫৫
উইকেট ১৫ ১৪ ১৩৪
বোলিং গড় ২৭.০০ ৩৩.৯২ ৩৩.২৫ ২১.৬৯
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ৫/৬১ ৩/৪৮ ২/৩০ ৬/৩৩
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং –/– ১/– ১/- ৮/-
উৎস: Cricinfo, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩

টেন্ডাই ল্যারি চাতারা (জন্ম: ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯১) চিমানিমানি জেলায় জন্মগ্রহণকারী জিম্বাবুয়ের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারজিম্বাবুয়ে জাতীয় ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য টেন্ডাই চাতারা ফাস্ট বোলিং করে থাকেন। লম্বাটে গড়নের অধিকারী হওয়ায় তিনি তার কার্যকরী পেস বোলিং করে ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের উপর আধিপত্য বিরাজ করছেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে মাউন্টেনিয়ার্স ক্রিকেট দলে খেলছেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

২০০৯ সালে মাউন্টেনিয়ার্স ক্রিকেট দলের হয়ে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। বিদ্যালয় জীবনে তেমন মেধাবীসম্পন্ন না হলেও নিজ দেশের সর্বাপেক্ষা প্রতিশ্রুতিশীল ও উদীয়মান পেসারের মর্যাদা লাভ করেছেন।[১] ক্রিকেট জগতে প্রবেশের পূর্বে প্রাকৃতিকভাবে গড়া শরীর নিয়ে নিজ শহর মনিকাল্যান্ডে ২০০ ও ৪০০ মিটার দৌঁড়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০১০ সালে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে জিম্বাবুয়ের অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলেন ও বড়দের দলে একটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নিয়েছেন। এছাড়াও, ২০০৯ সালের আইসিসি আন্তর্মহাদেশীয় কাপে জিম্বাবুয়ে একাদশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ২০১১ সালে জিম্বাবুয়েতে অনুষ্ঠিত ত্রি-দেশীয় সিরিজে অস্ট্রেলিয়াদক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের বিরুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।[২]

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

ঘরোয়া ক্রিকেটে সফলতা লাভ করায় জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের নির্বাচকমণ্ডলী তাকে বড়দের টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক দলে অন্তর্ভুক্ত করেন। ১৩ জুন, ২০১০ তারিখে হারারেতে অনুষ্ঠিত ২য় টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে সফরকারী ভারত দলের বিপক্ষে তার অভিষেক ঘটে। ইউসুফ পাঠানকে আউট করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তিনি তার প্রথম উইকেট লাভ করেন।[৩] ঐ সিরিজে ভারত ২-০ ব্যবধানে জয়ী হয়।[৪]

ক্রিকেট বিশ্বকাপ[সম্পাদনা]

জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ ৭ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে প্রকাশিত ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের জন্য চাতারা-সহ ১৫-সদস্যের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে।[৫] ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ তারিখে স্যাক্সটন ওভালে অনুষ্ঠিত গ্রুপ-পর্বের দ্বিতীয় খেলায় ১৯-বছর পর খেলতে আসা সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ৪ উইকেটে জয়ী জিম্বাবুয়ে দলে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি।[৬] খেলায় তিনি ৪২ রানে তিন উইকেট লাভ করেন। পরবর্তীতে তার এ অসামান্য নৈপুণ্যে জিম্বাবুয়ে দল সফলতার সাথে চতুর্থ সর্বোচ্চ রানকে তাড়া করে বিজয়ী হয়।

টেস্ট ৫ উইকেট লাভ[সম্পাদনা]

# পরিসংখ্যান খেলা প্রতিপক্ষ মাঠ শহর দেশ সাল
৫/৬১  পাকিস্তান হারারে স্পোর্টস ক্লাব হারারে জিম্বাবুয়ে ২০১৩

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Biography cricinfo. Retrieved 8 September 2011
  2. Zimbabwe name Pakistan-born in tri-series squad SuperSport. Retrieved 1 October 2011
  3. Zimbabwe vs. India at Harare, June 13, 2010 Match Scorecard cricinfo. Retrieved 21 September 2011
  4. Raina leads India to series sweep cricinfo. Retrieved 24 September 2011
  5. Moonda, Firdose। "Hamilton Masakadza Set for First World Cup"ESPNCricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০১৫ 
  6. Monga, Sidharth (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "Williams, Ervine ruin UAE's spirited comeback"ESPNCricinfo। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫