রাসায়নিক গতিবিদ্যা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

রাসায়নিক গতিবিদ্যা ভৌত রসায়নের একটি শাখা যেখানে রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। একটি প্রক্রিয়া কোন দিকে ঘটবে তাপগতিবিদ্যা সেই কথা বললেও প্রক্রিয়াটি কি হারে ঘটবে সে কথা বলে না যা রাসায়নিক গতিবিদ্যার বিপরীত। পরীক্ষালব্ধ শর্তাদি কিভাবে একটি রাসায়নিক বিক্রিয়ার গতিকে প্রভাবিত করে এবং কিভাবে বিক্রিয়াটির ক্রিয়াকৌশল ও ট্রানজিশন অবস্থা সম্পর্কে তথ্য প্রদান করে সেই তত্ত্বানুসন্ধানগুলোই রাসায়নিক গতিবিদ্যা অন্তর্ভুক্ত। সেইসাথে একটি রাসায়নিক বিক্রিয়ার চরিত্র নির্ধারণ ও বর্ণনা করতে পারে যেসব গাণিতিক মডেল সেই মডেলগুলোর গাঠনিক প্রক্রিয়াও রাসায়নিক গতিবিদ্যার আলোচনার অন্তর্ভুক্ত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ভরক্রিয়ার সূত্র যা কোন রাসায়নিক বিক্রিয়ার হারের বিক্রিয়াধীন পদার্থের পরিমাণের সমানুপাতিক হওয়ার কথা বলে ১৮৬৪ সালে সেই সূত্রটির গঠনের মাধ্যমে পিটার ভাগে এবং কেটো এম. গুলবার্গ রাসায়নিক গতিবিদ্যার বিকাশে পথপ্রদর্শকের ভূমিকা পালন করেন।[১][২][৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. C.M. Guldberg and P. Waage,"Studies Concerning Affinity" Forhandlinger i Videnskabs-Selskabet i Christiania (1864), 35
  2. P. Waage, "Experiments for Determining the Affinity Law" ,Forhandlinger i Videnskabs-Selskabet i Christiania, (1864) 92.
  3. C.M. Guldberg, "Concerning the Laws of Chemical Affinity", Forhandlinger i Videnskabs-Selskabet i Christiania (1864) 111