মিশ্রণ পৃথকীকরণ বিজ্ঞান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পাতলা স্তর ক্রোমাটোগ্রাফি উদ্ভিদের নিষ্কাশনের উপাদান পৃথক করতে ব্যবহৃত হয়

মিশ্রণ পৃথকীকরণ বিজ্ঞান (ইংরেজি: Separation science) বা ক্রোমাটোগ্রাফি হলো এক ধরনের বিশ্লেষণী পদ্ধতি, যাতে জৈব যৌগের দুই বা ততোধিক উপাদানের কোনো মিশ্রণকে একটি স্থির মাধ্যমে রেখে এবং অপর একটি সচল মাধ্যমকে ঐ স্থির মাধ্যমের সংস্পর্শে প্রবাহিত করে, মিশ্রণের উপাদানগুলোর অধিশোষণ মাত্রা বা বণ্টন সহগের উপর ভিত্তি করে এদেরকে বিভিন্ন স্তরে পৃথক করা সম্ভব হয়, তাকে মিশ্রণ পৃথকীকরণ বিজ্ঞান বলে।[১]

ব্যুৎপত্তি[সম্পাদনা]

গ্রিক শব্দ chroma (বর্ণ) ও graphein (রেখা) হতে ইংরেজি 'ক্রোমাটোগ্রাফি' শব্দের উৎপত্তি। সুতরাং, 'ক্রোমাটোগ্রাফি' শব্দের অর্থ দাঁড়ায় 'বর্ণ লিখন' বা 'বর্ণ চিত্রণ'। এর কারণ আদিতে রঞ্জক পদার্থের উপাদানগুলি পৃথকীকরণ করার মাধ্যমে এই বিদ্যার উৎপত্তি ঘটে।

গুরুত্ব[সম্পাদনা]

মিশ্রণ পৃথকীকরণ বিজ্ঞানের বিভিন্ন পদ্ধতি ও কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ বস্তু হলো একটি স্থির মাধ্যম (stationary phase) এবং একটি সচল মাধ্যম (mobile phase)। স্থির মাধ্যম কঠিন বা তরল হতে পারে এবং সচল মাধ্যম তরল বা গ্যাস হতে পারে। মিশ্রণ পৃথকীকরণ বিজ্ঞানে দুইটি ভৌত ধর্ম যথা - (ক) অধিশোষণ (adsorption) ও (খ) বণ্টন গুনাঙ্কের (distribution coefficient) ভূমিকাই মুখ্য। এই দুটি ধর্ম কখনো পৃথকভাবে বা কখনো একসঙ্গে কার্যকর হয়ে রাসায়নিক মিশ্রণের উপাদানগুলোর ভ্রমণ হারের পার্থক্য সৃষ্টি করে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. কবীর, আহসানুল; ইসলাম, রবিউল। রসায়ন প্রথম পত্র (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)। এ্যাবাকাস পাবলিকেশন্স লি:। আইএসবিএন 978-9843376725 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]