মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি
মধুসূদন দত্তের বাড়ি.jpg
মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি
সাধারণ তথ্য
অবস্থানসাগরদাড়ী গ্রাম, কেশবপুর উপজেলা
ঠিকানাযশোর জেলা
শহরখুলনা
দেশবাংলাদেশ
স্বত্বাধিকারীবাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর
কারিগরী বিবরণ
তলার সংখ্যা
যে কারণে পরিচিতমাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি
অন্যান্য তথ্য
কক্ষ সংখ্যা

কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাড়িটি যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে অবস্থিত। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালে এই বাড়িতেই জন্ম নেন ।[১] তার শৈশবও এখানেই কাটে । এখানে রয়েছে তার ব্যবহার করা কয়েকটি ভবন, পুকুরঘাট এবং কবির নানা স্মৃতিবিজড়িত জিনিসপত্র যা নিয়ে বর্তমানে একটি জাদুঘর নির্মাণ করা হয়েছে । যশোর শহর থেকে মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ির দূরত্ব প্রায় ৪৫ কিলোমিটার।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মধুসূদন দত্তের বাড়ি.jpg

মাইকেল মধুসূদন ১৮২৪ খ্রিষ্টাব্দ ২৪ জানুয়ারি শনিবার কেশবপুর উপজেলার সাগরদাড়ী গ্রামের এই বাড়িতে এক ধনাঢ্য পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন । ১৮৩০ সালে এই বাড়ী ছেড়ে কলকাতার খিদিরপুর চলে যান । ১৮৬২ সালে কলকাতায় থাকাকালীন সময়ে তার মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে স্ত্রী-পুত্র, কন্যাকে নিয়ে নদীপথে আবার আসেন সাগরদাঁড়িতে[২] যখন তিনি সপরিবারে এখানে এসেছিলেন তখন ধর্ম পরিবর্তনের কারণে জ্ঞাতিরা তাকে এই বাড়িতে উঠতে দেননি । পরে তিনি কপোতাক্ষ নদের তীরবর্তী এক কাঠবাদাম গাছের তলায় তাঁবু খাটিয়ে ১৪ দিন অবস্থান করেছিলেন । পরে বিফল মনে সেখান থেকেই কলকাতায় চলে আসেন । এর পর কোনোদিন তিনি আর এ বাড়িতে ফিরে আসেন নি ।

বিবরণ[সম্পাদনা]

বর্তমানে কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর সাহায্যে কবির স্মৃতি নিদর্শন এবং আলোকচিত্র নিয়ে গড়ে উঠেছে একটি জাদুঘর । বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংস্কার করা এই দোতলা বাড়িটিতে রয়েছে মোট ছয়টি কক্ষ । এর মধ্যে উপরে রয়েছে তিনটি এবং নিচে রয়েছে তিনটি কক্ষ । এর নিচ তলায় রয়েছে কবি পরিবারের একটি মন্দির আর মধুসূদন জাদুঘর । মধুসূদন জাদুঘরে আছে কবির ব্যবহার করা খাট, চেয়ার ও আলমারি । এর পাশে রয়েছে একটি ছোট পাঠাগার । এই ভবনের একদম উত্তরদিকে আছে ছাদহীন-দেয়াল ঘেরা একটি অসাধারন নির্মাণশৈলীর একটি কক্ষ । এই কক্ষেরই কোণার দিকে রয়েছে তুলসী গাছ । মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাড়ির প্রবেশ পথের সামনে রয়েছে ১৯৮৪ সালের শিল্পী বিমানেশ চন্দ্র বিশ্বাসের নির্মিত কবি মধুসূদন দত্তের একটি ভাস্কর্য । [৩]

গ্যালারি[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]