মাইকেল মধুসূদন স্মৃতি ভাস্কর্য

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মাইকেল মধুসূদন স্মৃতি ভাস্কর্য
মাইকেল মধুসূদন দত্ত.jpg
মধু কবির স্মৃতি ভাস্কর্য
সাধারণ তথ্য
অবস্থানসাগরদাড়ী গ্রাম, কেশবপুর উপজেলা
ঠিকানাযশোর জেলা
শহরখুলনা
দেশবাংলাদেশ
সম্পূর্ণ১৯৮৪ সাল
স্বত্বাধিকারীবাংলাদেশ প্রত্নতাত্বিক অধিদপ্তর
যে কারণে পরিচিতমাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতি ভাস্কর্য

মাইকেল মধুসূদন স্মৃতি ভাস্কর্য যশোর শহর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দূরে সাগরদাঁড়িতে কবির জন্মভিটায় স্থাপিত। এটি বাংলা ভাষায় সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক উনবিংশ শতাব্দীর বাঙ্গালী কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি আবক্ষ মূর্তি যা মধুকবির স্মৃতি ভাস্কর্য হিসেবেও পরিচিত। [১]

বিবরণ[সম্পাদনা]

মধুকবির বাড়ির প্রবেশ পথেই এই ভাস্কর্য অবস্থিত। এর চতুর্পাশে লোহার বেড়া দেওয়া। চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ছাত্র বিখ্যাত চিত্রশিল্পী বিমানেশ চন্দ্র বিশ্বাস এই আবক্ষ মূর্তিটি তৈরি করেন। যা ১৯৮৪ সালে স্থাপিত হয়। ভাস্কর্যের নিচে কবির জন্ম এবং মৃত্যু সাল ইংরেজিতে উল্লেখ আছে। এর একটু উপরের দিকে আছে ভাস্কর্য শিল্পীর নাম। ভাস্কর্যে কবির যুবক বয়স কে তুলে ধরা হয়েছে। কালো রঙের প্রিয় ওভারকোট পরা কবির পাশ্চাত্যজীবন কে ফুটিয়ে তুলেছেন শিল্পী। [২] বিশেষ দিবস সমূহে সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সুধীজন এবং কবির ভক্তরা অনেকে এই ভাস্কর্য বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। কংক্রিটের তৈরি ভাস্কর্যটিতে বিভিন্ন সময়ে রঙ এর পরিবর্তন করা হয়েছে। তবে এর নিচের শ্বেত পাথরের এবং উপরের কালো ফলকটিতে কোন পরিবর্তন আনা হয় নি। কবির বসত ভিটা কে জাদুঘরে রূপান্তরিত করার পর থেকে জাদুঘর কমিটি এর তদারকি করে থাকে।

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]