বিষয়বস্তুতে চলুন

বুরুন্ডি জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বুরুন্ডি
দলের লোগো
ডাকনামইন্তাম্বা
অ্যাসোসিয়েশনবুরুন্ডি ফুটবল ফেডারেশন
কনফেডারেশনক্যাফ (আফ্রিকা)
প্রধান কোচজিমি এনদায়িজেয়ে
অধিনায়কসাইদ বেহারিনো
সর্বাধিক ম্যাচকারিম নিজিগিয়িমানা (৫৪)
শীর্ষ গোলদাতাফিস্তোন আব্দুল রাজ্জাক (১৯)
মাঠইন্তওয়ারি স্টেডিয়াম
ফিফা কোডBDI
ওয়েবসাইটffb.bi
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১৩৯ অপরিবর্তিত (২১ ডিসেম্বর ২০২৩)[]
সর্বোচ্চ৯৬ (আগস্ট ১৯৯৩)
সর্বনিম্ন১৬০ (জুলাই ১৯৯৮)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১৪৪ বৃদ্ধি ৩ (১২ জানুয়ারি ২০২৪)[]
সর্বোচ্চ৮৯ (ডিসেম্বর ১৯৯৮)
সর্বনিম্ন১৬৮ (ডিসেম্বর ২০১৯)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 উগান্ডা ৭–০ বুরুন্ডি 
(কাম্পালা, উগান্ডা; ৯ অক্টোবর ১৯৬৪)[]
বৃহত্তম জয়
 বুরুন্ডি ৭–০ জিবুতি 
(বুজুম্বুরা, বুরুন্ডি; ১১ মার্চ ২০১৭)
বৃহত্তম পরাজয়
 কঙ্গো ৮–০  বুরুন্ডি
(ক্যামেরুন; ২৪ ডিসেম্বর ১৯৭৭)[]
আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্স
অংশগ্রহণ১ (২০১৯-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যগ্রুপ পর্ব (২০১৯)

বুরুন্ডি জাতীয় ফুটবল দল (ইংরেজি: Burundi national football team) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বুরুন্ডির প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম বুরুন্ডির ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বুরুন্ডি ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯৭২ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং একই বছর হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের সদস্য হিসেবে রয়েছে। ১৯৬৪ সালের ৯ই অক্টোবর তারিখে, বুরুন্ডি প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; উগান্ডার কাম্পালায় অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে বুরুন্ডি উগান্ডর কাছে ৭–০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে।

১০,০০০ ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট ইন্তওয়ারি স্টেডিয়ামে ইন্তাম্বা নামে পরিচিত এই দলটি তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় বুরুন্ডির রাজধানী বুজুম্বুরায় অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন জিমি এনদায়িজেয়ে এবং অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন শার্লেরোয়ার আক্রমণভাগের খেলোয়াড় সাইদ বেহারিনো

বুরুন্ডি এপর্যন্ত একবারও ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। অন্যদিকে, আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্সে বুরুন্ডি এপর্যন্ত মাত্র ১ বার অংশগ্রহণ করেছে, যেখানে তারা শুধুমাত্র গ্রুপ পর্বে অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছে।

কারিম নিজিগিয়িমানা, ফিস্তোন আব্দুল রাজ্জাক, পিয়ের কুইজেরা, সেদ্রিক আমিসসি এবং জস্পিন এনশিমিরিমানার মতো খেলোয়াড়গণ বুরুন্ডির জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।

র‌্যাঙ্কিং

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে, ১৯৯৩ সালের আগস্ট মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে বুরুন্ডি তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থান (৯৬তম) অর্জন করে এবং ১৯৯৮ সালের জুলাই মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা ১৬০তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে বুরুন্ডির সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ৮৯তম (যা তারা ১৯৯৮ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ১৬৮। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং
২১ ডিসেম্বর ২০২৩ অনুযায়ী ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১৩৭অপরিবর্তিত  লাতভিয়া১০৯৭.৮৪
১৩৮অপরিবর্তিত  লিথুয়ানিয়া১০৮৬.৯৩
১৩৯অপরিবর্তিত  বুরুন্ডি১০৮৬.৬২
১৪০অপরিবর্তিত  ফিলিপাইন১০৮৬.১৭
১৪১অপরিবর্তিত  তুর্কমেনিস্তান১০৭৮.২৫
বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং
১২ জানুয়ারি ২০২৪ অনুযায়ী বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১৪২হ্রাস ১০  লেবানন১২৯৭
১৪৩হ্রাস ১৭  কিউবা১২৯১
১৪৪বৃদ্ধি  বুরুন্ডি১২৮৮
১৪৫হ্রাস ২৪  ফরাসি গায়ানা১২৮৫
১৪৬বৃদ্ধি  কোমোরোস১২৭৫

প্রতিযোগিতামূলক তথ্য

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ

[সম্পাদনা]
ফিফা বিশ্বকাপবাছাইপর্ব
সালপর্বঅবস্থানম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগোম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগো
উরুগুয়ে ১৯৩০অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
ইতালি ১৯৩৪
ফ্রান্স ১৯৩৮
ব্রাজিল ১৯৫০
সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪
সুইডেন ১৯৫৮
চিলি ১৯৬২
ইংল্যান্ড ১৯৬৬
মেক্সিকো ১৯৭০
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪
আর্জেন্টিনা ১৯৭৮
স্পেন ১৯৮২
মেক্সিকো ১৯৮৬
ইতালি ১৯৯০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪উত্তীর্ণ হয়নি
ফ্রান্স ১৯৯৮প্রত্যাহার
দক্ষিণ কোরিয়া জাপান ২০০২প্রত্যাহারপ্রত্যাহার
জার্মানি ২০০৬উত্তীর্ণ হয়নি
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০
ব্রাজিল ২০১৪
রাশিয়া ২০১৮
কাতার ২০২২অনির্ধারিতঅনির্ধারিত
মোট০/২১২০১০১৭২৬

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "ফিফা/কোকা-কোলা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং"ফিফা। ২১ ডিসেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৩
  2. 1 2 গত এক বছরে এলো রেটিং পরিবর্তন "বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং"eloratings.net। ১২ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৪
  3. 1 2 Barrie Courtney। "Burundi – List of International Matches"। RSSSF। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০১৩

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]