বিষয়বস্তুতে চলুন

মরিশাস জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মরিশাস
দলের লোগো
ডাকনামলেস দোদোস
অ্যাসোসিয়েশনমরিশাস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন
কনফেডারেশনক্যাফ (আফ্রিকা)
প্রধান কোচবুয়ালেম মঁকুর
অধিনায়ককেভিন ব্রু
সর্বাধিক ম্যাচঅঁরি স্পেভিল (৭২)
শীর্ষ গোলদাতাদানিয়েল ইমবের্ত (১৭)
মাঠপঞ্চম জর্জ স্টেডিয়াম
ফিফা কোডMRI
ওয়েবসাইটwww.mpfl.mu
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১৭৮ অপরিবর্তিত (২৫ জুলাই ২০২৬)[]
সর্বোচ্চ১১২ (ডিসেম্বর ১৯৯২)
সর্বনিম্ন২০৩ (নভেম্বর ২০১২)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১৭৬ হ্রাস ১ (২৫ জুলাই ২০২৬)[]
সর্বোচ্চ৪৬ (নভেম্বর ১৯৬৮)
সর্বনিম্ন১৮৭ (আগস্ট ২০১১)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 মরিশাস ২–১ রেউনিওঁ 
(মাদাগাস্কার; ১৯৪৭)
বৃহত্তম জয়
 মরিশাস ১৫–২ রেউনিওঁ 
(মাদাগাস্কার; ১৯৫০)
বৃহত্তম পরাজয়
 মিশর ৭–০ মরিশাস 
(সাইদ বন্দর, মিশর; ৮ জুন ২০০৩)
 সেশেলস ৭–০ মরিশাস 
(উইটব্যাংক, দক্ষিণ আফ্রিকা; ১৯ জুলাই ২০০৮)
 সেনেগাল ৭–০ মরিশাস 
(ডাকার, সেনেগাল; ৯ অক্টোবর ২০১০)
আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্স
অংশগ্রহণ১ (১৯৭৪-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যগ্রুপ পর্ব (১৯৭৪)

মরিশাস জাতীয় ফুটবল দল (ফরাসি: Équipe de Maurice de football) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে মরিশাসের প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম মরিশাসের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা মরিশাস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯৬৪ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং ১৯৬৫ সাল হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা আফ্রিকান ফুটবল কনফেডারেশনের সদস্য হিসেবে রয়েছে। ১৯৪৭ সালে, মরিশাস প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; মাদাগাস্কারে অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে মরিশাস রেউনিওঁকে ১–০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে।

৬,৫০০ ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট পঞ্চম জর্জ স্টেডিয়ামে লেস দোদোস নামে পরিচিত এই দলটি তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় মরিশাসের প্লেন উইলেমজে অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন বুয়ালেম মঁকুর এবং অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন ক্রেতেই-লুসিতানোসের মধ্যমাঠের খেলোয়াড় কেভিন ব্রু

মরিশাস এপর্যন্ত একবারও ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। অন্যদিকে, আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্সে মরিশাস এপর্যন্ত মাত্র ১ বার অংশগ্রহণ করেছে, যেখানে তারা শুধুমাত্র গ্রুপ পর্বে অংশগ্রহণ করেছে।

অ্যান্ডি সোফি, জিমি কুঁদাসামি, লেভিন জঁ-লুই, আদ্রিয়েঁ ফ্রঁসোয়া এবং জনাথন ব্রুর মতো খেলোয়াড়গণ মরিশাসের জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।

র‌্যাঙ্কিং

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে, ১৯৯২ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে মরিশাস তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থান (১১২তম) অর্জন করে এবং ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা ২০৩তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে মরিশাসের সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ৪৬তম (যা তারা ১৯৬৮ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ১৮৭। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং
২৫ জুলাই ২০২৬ অনুযায়ী ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১৭৬অপরিবর্তিত  মন্টসেরাট৯১৬.৭৫
১৭৭অপরিবর্তিত    নেপাল৯১৪.৫৪
১৭৮অপরিবর্তিত  মরিশাস৯১১.৪৯
১৭৯অপরিবর্তিত  বার্বাডোস৯০৯.৮৯
১৮০অপরিবর্তিত  বেলিজ৯০৭
বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং
২৫ জুলাই ২০২৬ অনুযায়ী বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১৭৪হ্রাস  গ্রেনাডা১০৯৮
১৭৫বৃদ্ধি  অ্যান্ডোরা১০৮০
১৭৬হ্রাস  মরিশাস১০৭৩
১৭৬হ্রাস ১৩  চাদ১০৭৩
১৭৬বৃদ্ধি  বেলিজ১০৭৩

প্রতিযোগিতামূলক তথ্য

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ

[সম্পাদনা]
ফিফা বিশ্বকাপবাছাইপর্ব
সালপর্বঅবস্থানম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগোম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগো
উরুগুয়ে ১৯৩০অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
ইতালি ১৯৩৪
ফ্রান্স ১৯৩৮
ব্রাজিল ১৯৫০
সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪
সুইডেন ১৯৫৮
চিলি ১৯৬২
ইংল্যান্ড ১৯৬৬
মেক্সিকো ১৯৭০
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪উত্তীর্ণ হয়নি
আর্জেন্টিনা ১৯৭৮অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
স্পেন ১৯৮২
মেক্সিকো ১৯৮৬উত্তীর্ণ হয়নি
ইতালি ১৯৯০ফিফা দ্বারা নিষিদ্ধফিফা দ্বারা নিষিদ্ধ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪অংশগ্রহণ করেনিঅংশগ্রহণ করেনি
ফ্রান্স ১৯৯৮উত্তীর্ণ হয়নি
দক্ষিণ কোরিয়া জাপান ২০০২
জার্মানি ২০০৬
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০১৭
ব্রাজিল ২০১৪প্রত্যাহারপ্রত্যাহার
রাশিয়া ২০১৮উত্তীর্ণ হয়নি
কাতার ২০২২অনির্ধারিতঅনির্ধারিত
মোট০/২১১৮১৪১৪৪৯

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "ফিফা/কোকা-কোলা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং"ফিফা। ২৫ জুলাই ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০২৬
  2. 1 2 গত এক বছরে এলো রেটিং পরিবর্তন "বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং"eloratings.net। ২৫ জুলাই ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০২৬

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]