বিষয়বস্তুতে চলুন

লিথুয়ানিয়া জাতীয় ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লিথুয়ানিয়া
ডাকনামরিঙ্কটাইন (জাতীয় দল)
অ্যাসোসিয়েশনলিথুয়ানীয় ফুটবল ফেডারেশন
কনফেডারেশনউয়েফা (ইউরোপ)
প্রধান কোচভালদাস উরবোনাস
অধিনায়কফেদোর চেরনিচ
সর্বাধিক ম্যাচসাউলিউস মিকোলিউনাস (৯০)
শীর্ষ গোলদাতাতমাস দানিলেভিচিউস (১৯)
মাঠএলএফএফ স্টেডিয়াম
ফিফা কোডLTU
ওয়েবসাইটlff.lt
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
ফিফা র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১৩৮ অপরিবর্তিত (২১ ডিসেম্বর ২০২৩)[]
সর্বোচ্চ৩৭ (অক্টোবর ২০০৮)
সর্বনিম্ন১৪৮ (নভেম্বর ২০১৭)
এলো র‌্যাঙ্কিং
বর্তমান ১৩২ বৃদ্ধি ১৮ (১২ জানুয়ারি ২০২৪)[]
সর্বোচ্চ৪৭ (সেপ্টেম্বর ২০০৮)
সর্বনিম্ন১৫০ (মে ১৯৯০)
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 লিথুয়ানিয়া ০–৫ এস্তোনিয়া 
(কাউনাস, লিথুয়ানিয়া; ২৪ জুন ১৯২৩)
বৃহত্তম জয়
 লিথুয়ানিয়া ৭–০ এস্তোনিয়া 
(রিগা, লাতভিয়া; ২০ মে ১৯৯৫)
বৃহত্তম পরাজয়
 মিশর ১০–০ লিথুয়ানিয়া 
(প্যারিস, ফ্রান্স; ২৭ মে ১৯২৪)
১৯২৪ সালে লিথুয়ানিয়ার অলিম্পিক ফুটবল দল

লিথুয়ানিয়া জাতীয় ফুটবল দল (লিথুয়ানিয়ান: Lietuvos nacionalinė futbolo rinktinė) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে লিথুয়ানিয়ার প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম লিথুয়ানিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা লিথুয়ানীয় ফুটবল ফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯২৩ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং ১৯৯২ সাল হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা উয়েফার সদস্য হিসেবে রয়েছে। ১৯২৩ সালের ২৪শে জুন তারিখে, লিথুয়ানিয়া প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; লিথুয়ানিয়ার কাউনাসে অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে লিথুয়ানিয়া এস্তোনিয়ার কাছে ৫–০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে।

৫,০০০ ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট এলএফএফ স্টেডিয়ামে রিঙ্কটাইন নামে পরিচিত এই দলটি তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় লিথুয়ানিয়ার রাজধানী রিগায় অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন ভালদাস উরবোনাস এবং অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন জাগেলোনিয়া বিয়াউইস্টকের আক্রমণভাগের খেলোয়াড় ফেদোর চেরনিচ

লিথুয়ানিয়া এপর্যন্ত একবারও ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। অন্যদিকে, উয়েফা ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপেও লিথুয়ানিয়া এপর্যন্ত একবারও অংশগ্রহণ করতে সক্ষম হয়নি।

আন্দ্রিউস স্কেরলা, সাউলিউস মিকোলিউনাস, দেইভিদাস সেম্বেরাস, তমাস দানিলেভিচিউস এবং আরভিদাস নোভিকোভাসের মতো খেলোয়াড়গণ লিথুয়ানিয়ার জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।

র‌্যাঙ্কিং

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে, ২০০৮ সালের অক্টোবর মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে লিথুয়ানিয়া তাদের ইতিহাসে সর্বপ্রথম সর্বোচ্চ অবস্থান (৩৭তম) অর্জন করে এবং ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে প্রকাশিত র‌্যাঙ্কিংয়ে তারা ১৪৮তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে লিথুয়ানিয়ার সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ৪৭তম (যা তারা ২০০৮ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ১৫০। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:

ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং
২১ ডিসেম্বর ২০২৩ অনুযায়ী ফিফা বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১৩৬অপরিবর্তিত  কুয়েত১০৯৮.০৭
১৩৭অপরিবর্তিত  লাতভিয়া১০৯৭.৮৪
১৩৮অপরিবর্তিত  লিথুয়ানিয়া১০৮৬.৯৩
১৩৯অপরিবর্তিত  বুরুন্ডি১০৮৬.৬২
১৪০অপরিবর্তিত  ফিলিপাইন১০৮৬.১৭
বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং
১২ জানুয়ারি ২০২৪ অনুযায়ী বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং[]
অবস্থান পরিবর্তন দল পয়েন্ট
১৩০হ্রাস  জাঞ্জিবার১৩২৬
১৩১হ্রাস ১৪  সাইপ্রাস১৩২২
১৩২বৃদ্ধি ১৮  লিথুয়ানিয়া১৩২০
১৩৩বৃদ্ধি  মাদাগাস্কার১৩১৬
১৩৩বৃদ্ধি  সুদান১৩১৬

প্রতিযোগিতামূলক তথ্য

[সম্পাদনা]

ফিফা বিশ্বকাপ

[সম্পাদনা]
ফিফা বিশ্বকাপবাছাইপর্ব
সালপর্বঅবস্থানম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগোম্যাচজয়ড্রহারস্বগোবিগো
উরুগুয়ে ১৯৩০অংশগ্রহণ করেনিআমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান
ইতালি ১৯৩৪উত্তীর্ণ হয়নি
ফ্রান্স ১৯৩৮
ব্রাজিল ১৯৫০সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিলসোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল
সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪
সুইডেন ১৯৫৮
চিলি ১৯৬২
ইংল্যান্ড ১৯৬৬
মেক্সিকো ১৯৭০
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭৪
আর্জেন্টিনা ১৯৭৮
স্পেন ১৯৮২
মেক্সিকো ১৯৮৬
ইতালি ১৯৯০
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৪উত্তীর্ণ হয়নি১২২১
ফ্রান্স ১৯৯৮১০১১
দক্ষিণ কোরিয়া জাপান ২০০২২০
জার্মানি ২০০৬১০
দক্ষিণ আফ্রিকা ২০১০১০১০১১
ব্রাজিল ২০১৪১০১১
রাশিয়া ২০১৮১০২০
কাতার ২০২২অনির্ধারিতঅনির্ধারিত
মোট০/১০৭৩১৭১৬৪০৫৯১১১

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "ফিফা/কোকা-কোলা বিশ্ব র‍্যাঙ্কিং"ফিফা। ২১ ডিসেম্বর ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০২৩
  2. 1 2 গত এক বছরে এলো রেটিং পরিবর্তন "বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিং"eloratings.net। ১২ জানুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১২ জানুয়ারি ২০২৪

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]