খুবসুরত (১৯৮০-এর চলচ্চিত্র)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
খুবসুরত
খুবসুরত (১৯৮০-এর চলচ্চিত্র) পোস্টার.jpg
চলচ্চিত্রের পোস্টার
পরিচালকহৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়
প্রযোজকহৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়
এন. সি. সিপ্পি
চিত্রনাট্যকারশানু বন্দ্যোপাধ্যায়
অশোক রাওয়াত
গুলজার
কাহিনিকারডি. এন. মুখোপাধ্যায়
শ্রেষ্ঠাংশেঅশোক কুমার
রেখা
রাকেশ রোশন
সুরকাররাহুল দেব বর্মণ
চিত্রগ্রাহকজয়বন্ত পাথারে
সম্পাদকসুভাষ গুপ্ত
মুক্তি২৫ জানুয়ারি, ১৯৮০
দেশভারত
ভাষাহিন্দি

খুবসুরত (ইংরেজি: Beautiful) ১৯৮০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ভারতীয় হিন্দি ভাষার হাস্যরসাত্মক-নাট্য চলচ্চিত্র, ছবিটির পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়, সংলাপ রচনা করেছেন গুলজার। ছবিটিতে অভিনয় করেছেন রেখা, রাকেশ রোশন, অশোক কুমার, দীনা পাঠকশশীকলা। ছবিটি সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং এটি বক্স-অফিসে সাফল্য লাভ করে।

চলচ্চিত্রটি ১৯৮১ সালের শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেে। প্রধান অভিনেত্রী রেখা তার প্রথম শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতে মঞ্জু দয়াল চরিত্রে অভিনয়ের জন্য (তিনি একই বছর জুদাই ছবিতে অভিনয়ের জন্যও মনোনীত হয়েছিলেন)। ছবিটি তামিল ভাষায় লক্ষ্মী বাধাচু এবং মালায়লাম ভাষায় ভানু কান্দু কেঝাদাক্কি নামে পুনর্নির্মাণ করা হয়। ২০১৪ সালের চলচ্চিত্রটি একই নামে স্বল্প ভিত্তিতে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি ডিজনির প্রথম লাইভ-অ্যাকশন বলিউড চলচ্চিত্র ছিল।

কাহিনী সংক্ষেপ[সম্পাদনা]

দ্বারকা প্রসাদ গুপ্তের স্ত্রী (অশোক কুমার) এবং চার সন্তানের জননী মধ্যবয়সী নির্মলা গুপ্ত (দীনা পাঠক) একজন নিয়মানুবতী এবং নিয়মানুসারে তার পরিবার পরিচালনা করেন। স্বামী সহ সকলেই তার নিয়ম মেনে চলে যদিও তারা সর্বদা তার নিয়মসমূহ সমর্থন করে না। এমনকি তিনি নিজের ছেলের স্ত্রীও তিনি বেছে নেন এবং এখন অঞ্জুকে তাঁর দ্বিতীয় ছেলের জন্য বেছে নেন।

অঞ্জু এবং মঞ্জু (রেখা) ধনী বিপত্নীক রাম দয়াল (ডেভিড) এর কন্যা। বিয়ের পর মঞ্জু কিছুদিন তার বোনের সাথে থাকতে আসে। আমুদে এবং দুষ্টু মেয়ে হওয়ায় সে তৎক্ষণাত নির্মালাকে অগ্রাহ্য করে। তবে তার তৃতীয় পুত্র তরুণ চিকিৎসক ইন্দর (রাকেশ রওশন) ধীরে ধীরে মঞ্জুর কাছাকাছি আসে।

মঞ্জু দ্বারকা প্রসাদেরও মনোযোগ আকর্ষণ করেন, যিনি নিজেই এক মজাদার স্নেহময় সাথী ছিলেন। তিনি স্ত্রীর নিয়ন্ত্রিত আচরণে দীর্ঘকাল বাস করার পর আমোদপ্রিয় মঞ্জুর উপস্থিতিতে স্বস্তি বোধ করে। মঞ্জু ধীরে ধীরে নির্মালা বাদে বাড়ির সকলের বিশ্বাস অর্জন করে।

একদিন সে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপর নির্মলার কর্তৃত্ববাদকে তুলে ধরে একটি ছোট্ট নাটক উপস্থাপন করে। নির্মলা বাড়িতে ছিল না বলে মনে করা হয়ছিল কিন্তু নির্মলা দুর্ঘটনাক্রমে এটি দেখে ফেলে। সকলেই তাকে স্বৈরশাসক হিসাবে বিবেচনা করায় সে মনে আঘাত পায়, যদিও সে পরিবারের ভালর জন্যই সবকিছু করেছে। তদুপরি এই সত্যটি প্রত্যেকে মঞ্জু নামে একজন বহিরাগতের কাছে উপলব্ধ করে যা তাকে আরও বেশি কষ্ট দেয়।

মঞ্জু ক্ষমা চাইতে চেষ্টা করল কিন্তু নির্মলা তার সাথে কথা বলবে না। দ্বারাকা প্রসাদ তার জেদ দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে বিপর্যস্ত পড়ে এবং তার সাথে অর্থহীন বাক্য বলতে থাকে যার ফলে তার হার্ট অ্যাটাক হয়। মঞ্জু সময় মতো কাজ করে দ্বারকা প্রসাদকে বাঁচায়। অবশেষে নির্মলা মঞ্জুর চরিত্র বুঝতে পারে এবং সেও তাকে প্রশংসা করে। শেষ পর্যন্ত মঞ্জু ও ইন্দের বিয়ে হয়।

অভিনয়ে[সম্পাদনা]

  • রেখা - মঞ্জু দয়াল চরিত্রে
  • অশোক কুমার - দ্বারকা প্রসাদ গুপ্ত চরিত্রে
  • রাকেশ রোশন - ইন্দ্র গুপ্ত চরিত্রে
  • শশীকলা - বারী ভাবি চরিত্রে
  • আরাধনা - অঞ্জু গুপ্ত চরিত্রে
  • দীনা পাঠক - নির্মলা গুপ্ত চরিত্রে
  • ডেভিড - রাম দয়াল চরিত্রে
  • এসএন.বানার্জি - উমা শঙ্কর চরিত্রে
  • কেষ্ট মুখার্জী - আশরাফি লাল চরিত্রে
  • রঞ্জিত চৌধুরী - জগন গুপ্ত চরিত্রে
  • রুপিনী (কমল মাহুবাকর) - মুন্নী (শিশু কমল হিসাবে) চরিত্রে
  • ওম শিবপুরী - ডাক্তার জোশী (ক্যামিও উপস্থিতি) চরিত্রে

সঙ্গীত[সম্পাদনা]

# শিরোনাম গায়ক(সমূহ)
"সুন সুন সুন দিদি" আশা ভোঁসলে
"কায়দা কায়দা" স্বপন চক্রবর্তী, রেখা
"পিয়া বাওরি পিয়া বাওরি" অশোক কুমার, আশা ভোঁসলে
"সারে নিয়ম তোদ দো" আশা ভোঁসলে
"সারে নিয়ম তোদ দো" স্বপন চক্রবর্তী, রেখা

পুরষ্কার[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়