থ্রি ইডিয়টস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
থ্রি ইডিয়টস
থ্রি ইডিয়টস পোস্টার.jpg
পোস্টার
পরিচালকরাজকুমার হিরানী
প্রযোজকবিধু বিনোদ চোপড়া
রচয়িতাসংলাপ
অভিজাত যোশি
রাজকুমার হিরানী
চিত্রনাট্যকারঅভিজাত যোশি
রাজকুমার হিরানী
বিধু বিনোদ চোপড়া
উৎসচেতন ভগত কর্তৃক 
ফাইভ পয়েন্ট সামওয়ান - হোয়াট নট টু ডো অ্যাট আইআইটি!
শ্রেষ্ঠাংশেআমির খান
কারিনা কাপুর
আর মাধবন
শারমান যোশি
বোমান ইরানি
ওমি বৈদ্য
মোনা সিং
পরীক্ষিত সাহনী
বর্ণনাকারীআর মাধবন
সুরকারশান্তনু মৈত্র
চিত্রগ্রাহকসি কে মুরালিধরন
সম্পাদকরঞ্জিত বাহাদুর
রাজকুমার হিরানী
প্রযোজনা
কোম্পানি
পরিবেশকবিনোদ চোপড়া প্রোডাকশনস
মুক্তি২৫ ডিসেম্বর ২০০৯; ৯ বছর আগে (2009-12-25)
দৈর্ঘ্য১৭১ মিনিট[১]
দেশভারত
ভাষা
  • হিন্দি
  • ইংরেজী
নির্মাণব্যয়৩৫ কোটি (US$৪.৮৭ মিলিয়ন)[২]
আয়৩৮৫ কোটি (US$৫৩.৫৭ মিলিয়ন)[৩]

থ্রি ইডিয়টস একটি ভারতীয় চলচ্চিত্র। ২০০৯ সালে এটি মুক্তি পায়। এর পরিচালক রাজকুমার হিরানী, চিত্রনাট্য লিখেছেন অভিজাত যোশি এবং প্রযোজনা করেছেন বিধু বিনোদ চোপড়া। থ্রি ইডিয়টস এ অভিনয় করেছেন আমির খান, কারিনা কাপুর, আর মাধবন, শারমান যোশি। মুক্তির পর এটি ভারতে সব ওপেনিং বক্স অফিস রেকর্ড ভঙ্গ করে। মুক্তির দিন এবং সপ্তাহে এটি বলিউডের সর্বোচ্চ আয় করা সিনেমা। থ্রি ইডিয়টস ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ আয় করা চলচ্চিত্র। এই সিনেমাটি ছয়টি ফিল্ম ফেয়ার, দশটি স্টার স্ক্রিন এবং ষোলটি আইফা অ্যাওয়ার্ড জিতে নেয়। চলচ্চিত্রটি তামিল ভাষায় পুনঃনির্মিত হয়ে নানবান নামে ২০১২ সালে মুক্তি পেয়েছিলো।

কাহিনী[সম্পাদনা]

ইম্পেরিয়াল কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং দেশসেরা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন দুই ছাত্র, ফারহান কুরেশী এবং রাজু রাস্তোগী দশ বছর পর এক ফোনকল পেয়ে ফিরে আসে তাদের প্রিয় ক্যাম্পাসে। প্রাণের শত্রু এবং পুরোনো সহপাঠী চতুর রামলিঙ্গম তাদের স্মরণ করিয়ে দেয় দশ বছরের পুরোনো এক বাজির কথা। অগাধ অর্থবিত্তের মালিক চতুর রামলিঙ্গম ওরফে সাইলেন্সার জানতে চায়, কেমন আছে থ্রী ইডিয়টসরা ?

ফ্ল্যাশব্যাকে দেখা যায় ভার্সিটির ডিন ভীরু সাহাস্ত্রাবুদ্দকে ( আড়ালে সবাই যাকে “ভাইরাস” নামে ডাকে)। যিনি কঠোর নিয়মের বেড়াজালে পুঁথিগত পড়াশোনার কবলে তার বিশ্ববিদ্যালয়কে ছাত্রদের জন্যে করে রেখেছেন এক নিরানন্দের জায়গা। হল জীবনেই তিন রুমমেট রাজু, চতুর এবং রাঞ্চোরদাস শ্যামলদাস চাঁচর(আমির খান) ওরফে থ্রী ইডিয়টসের পরিচয় ঘটে পরষ্পরের সাথে।

ফারহানের ইচ্ছে ছিল সে ‘ওয়াইল্ড লাইফ’ ফটোগ্রাফার হবে, কিন্তু সেই স্বপ্নকে জলাঞ্জলি দিয়ে বাবার ইচ্ছা পূরণ করতে সে ইঞ্জিরিয়ারিংয়ে ভর্তি হয়। রাজুর স্বপ্ন সে পড়াশোনা করে বড় চাকরী করবে এবং পরিবারের দরিদ্রতা দূর করবে। মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের স্বপ্ন বহন করে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে আসা ফারহান এবং রাজু অচিরেই আবিষ্কার করে তাদের রুমমেট রাঞ্চোর চিন্তা আর কাজে বাদবাকি সকলের চেয়ে আলাদা। রাঞ্চো ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তো ভালবেসে, যন্ত্রপাতির প্রতি তার ছিল অদম্য কৌতূহল। রাঞ্চো বিশ্বাস করতো যে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সফল হতে হলে এর সম্পর্কিত বিষয় গুলোর বাস্তব প্রয়োগ ঘটাতে হবে, পাঠ্যবই এবং প্রফেসর কর্তৃক প্রদত্ত বিষয়গুলো ভালভাবে না বুঝে শুধু মুখস্ত করলেই ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সফল হওয়া যায় না। সফলতার নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে উৎকর্ষের পেছনে ছোটা উচিত, তাহলে সফলতা এমনিতেই চলে আসবে।

আজ দশবছর পর, আজ থ্রি ইডিয়টসেরা কে কোথায় আছে?? তৃতীয় ইডিয়ট রাঞ্চোকে খোঁজার অভিযানে বেরোয় রাজু, ফারহান এবং চতুর। সঙ্গে যুক্ত হয় পিয়া (কারিনা কাপুর), ভিরু সাহাস্ত্রাবুদ্দের মেয়ে।

অভিনয়[সম্পাদনা]

প্রযোজনা[সম্পাদনা]

বিনোদ চোপড়া ফিল্মস'র প্রযোজনায় এই চলচ্চিত্রের অভিনয় কাজ শুরু হয় ২০০৮ সালের ২৮ জুলাই।

পুরষ্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

মুভিটি ভারতের ৫২টি পুরষ্কার লাভ করে। এর মধ্যে রয়েছে ৩ টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (ভারত), ৬টি ফ্লিমপ্লেয়ার পুরষ্কার, ১০টি স্টার স্ক্রিন পুরষ্কার অন্য ভাষায় পড়ুন,১৬টি আইফা পুরষ্কার , ৫টি গ্লাম পুরষ্কার, ২টি আপ্সরা পুরষ্কার।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "3 IDIOTS (12A)"British Board of Film Classification। ১৭ ডিসেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ৫ অক্টোবর ২০১২ 
  2. "'3 Idiots' grosses Rs.125570 crore in opening weekend"। The Economic Times। ২৮ ডিসেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১০ [অকার্যকর সংযোগ]
  3. "Top Worldwide Grossers ALL TIME: 37 Films Hit 100 Crore"। Boxofficeindia.com। ২ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:রাজকুমার হিরানী

টেমপ্লেট:ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পুরস্কার