ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্ট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান

স্থানাঙ্ক: ৩৫°৫৭′১″ উত্তর ৩৯°০′৩″ পূর্ব / ৩৫.৯৫০২৮° উত্তর ৩৯.০০০৮৩° পূর্ব / 35.95028; 39.00083

ইসলামিক স্টেট অব ইরাক এন্ড দ্য লেভান্ট
الدولة الإسلامية في العراق والشام  (আরবি)
ad-Dawlah al-Islāmīyah fī al-‘Irāq wash-Shām

Participant in the Iraq War (2003–2011) and Insurgency (2011–present), the Syrian Civil War and its spillover, the 2014 Libyan Civil War, the Sinai insurgency, the War in Afghanistan (2015–present), the War in North-West Pakistan, the Moro insurgency in the Philippines, the Insurgency in the Maghreb (2002–present), and the al-Qaeda insurgency in Yemen.


Primary target of the Military intervention against ISIL, the interventions in Iraq, the interventions in Syria, and the Global War on Terrorism
Black Standard adopted by ISIL
পতাকা
নীতিবাক্যباقية وتتمدد
Bāqiyah wa-Tatamaddad
"Remaining and Expanding"[১]
জাতীয় সঙ্গীত: أمتي قد لاح فجر
Ummatī, qad lāha fajrun
"My Nation, Dawn Has Appeared"[২][৩]
Military situation as of July 8, 2016, in Iraq and Syria (minus the Golan Heights).
  Controlled by the Islamic State of Iraq and the Levant
  Controlled by al-Nusra
  Controlled by other Syrian rebels
  Controlled by Syrian government
  Controlled by Iraqi government
  Controlled by Syrian Kurds
  Controlled by Iraqi Kurds
Note: Syria and Iraq contain large desert areas with limited population. These areas are mapped as under the control of forces holding roads and towns within them.
Map of the current military situation in Iraq
Map of the current military situation in Syria
Administrative center Ar-Raqqah, Syria (de facto)[৪][৫]
৩৫°৫৭′ উত্তর ৩৯°১′ পূর্ব / ৩৫.৯৫০° উত্তর ৩৯.০১৭° পূর্ব / 35.950; 39.017
বৃহত্তম শহর Mosul, Iraq
Ideologies Wahhabism[৬]
Salafist Jihadism
Salafism[৭][৮]
ধরণ Rebel group controlling territory
Military strength & operation areas Inside Iraq and Syria
200,000[১২] (Kurdish claim)
20,000–31,000 (CIA estimate) Outside Iraq and Syria
20,700–35,500 (See Military of ISIL for more-detailed estimates.)
নেতৃবৃন্দ
 •  Leader Abu Bakr al-Baghdadi[১৩]
 •  Deputy leader in Iraq Abu Muslim al-Turkmani  [১৪][১৫]
 •  Deputy leader in Syria Abu Ali al-Anbari[১৫]
 •  Head of Military Shura Abu Ayman al-Iraqi[১৬]
 •  Spokesman Abu Muhammad al-Adnani[১৭][১৮]
 •  Field commander Abu Omar al-Shishani [১৯]
Establishment
 •  Formation (as Jamāʻat al-Tawḥīd wa-al-Jihād) 1999[২০] 
 •  Joined al-Qaeda October 2004 
 •  Declaration of an Islamic state in Iraq 13 October 2006 
 •  Claim of territory in the Levant 8 April 2013 
 •  Separated from al-Qaeda[২১][২২] 3 February 2014[২৩] 
 •  Declaration of "Caliphate" 29 June 2014 
 •  Claim of territory in Libya, Egypt, Algeria, Saudi Arabia, Yemen, Afghanistan and Pakistan 13 November 2014 

ইসলামিক স্টেট অব ইরাক এন্ড দ্য লেভান্ট (সংক্ষেপে আইসিল) ইরাকসিরিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারকারী একটি তথাকথিত ইসলামিক সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী। এছাড়াও তারা লিবিয়ার পূর্বাঞ্চল, মিশরের সিনাই উপদ্বীপ এবং মধ্যপ্রাচ্য,[২৪] উত্তর আফ্রিকা, দক্ষিণ এশিয়া[২৫]দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার[২৫][২৬] বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় রয়েছে। খিলাফত ঘোষণার পর তারা বিশ্বব্যপী মুসলিমদের উপর ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সামরিক কর্তৃত্ব দাবি করে। আইসিল ঘোষিত খিলাফত ও বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। এসব কাজের মধ্যে রয়েছে বিনাবিচারে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ হত্যা, শিরশ্ছেদ ও আগুনে পুড়িয়ে প্রতিপক্ষ ও বেসামরিক ব্যক্তিদের হত্যা দৃশ্যের ভিডিও প্রকাশ, প্রাচীন পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন ধ্বংস ইত্যাদি।এরা ইসলামের নামে বিভিন্ন আধিপত্যবাদি মানবতা বিরোধী কাজ শুরু করলে সৌদি আরবের মসজিদুল হারাম এর গ্রান্ড মুফতি এদেরকে ইসলামের প্রধান শত্রু হিসাবে ঘোষণা করেন [২৭]

পটভূমি[সম্পাদনা]

আরবিতে এর নাম আদ দাওলাহ আল ইসলামিয়া ফি আল ইরাক ওয়াশ শাম। এছাড়াও এই দল ইসলামিক স্টেট অব ইরাক এন্ড সিরিয়া বা ইসলামিক স্টেট অব ইরাক এন্ড আল শাম (সংক্ষেপে আইসিস) নামেও পরিচিত। ২০১৪ সালের জুনে দলটি তাদের নাম বদলে ইসলামিক স্টেট (আইএস) রাখে। তবে মুসলিম বিশ্বে এই নতুন নাম ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়।

জাতিসংঘ আইসিলকে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও যুদ্ধাপরাধের জন্য দায়ী করেছে এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল তাদের বিরুদ্ধে জাতিগত হত্যাকান্ডের অভিযোগ আরোপ করেছে। জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, ভারতরাশিয়া আইসিলকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করেছে। আইসিলের বিরুদ্ধে ৬০টির বেশি দেশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুদ্ধরত।

১৯৯৯ সালে এই গোষ্ঠী জামাত আল তাওহিদ ওয়াল জিহাদ নামে আত্মপ্রকাশ করে, পরে ২০০৪ সালে তা তানজিম কাইদাত আল জিহাদ ফি বিলাদ আল রাফিদাইন বা সাধারণভাবে আল কায়েদা ইরাক (একিউআই) নামে নাম বদল করে। এসময় তারা আল কায়েদার সাথে তাদের মৈত্রী জানান দেয়। ২০০৩ ইরাক আক্রমণের পর তারা যুদ্ধে অংশ নেয়। ২০০৬ সালে আইসিল আরেকটি সশস্ত্র গোষ্ঠী মুজাহিদিন শুরা কাউন্সিলের সাথে যোগ দেয় এবং পরে তারা ইসলামিক স্টেট অব ইরাক (আইএসআই) নামক ইসলামি রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা দেয়। আইএসআই ইরাকের আল আনবার, নিনেভেহ, কিরকুক ও অন্যান্য স্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান লাভ করে। তবে ২০০৮ সাল নাগাদ তাদের আত্মঘাতি হামলাসহ অন্যান্য সহিংসতার কারণে সুন্নি ইরাকি ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠীর সাথে তাদের নেতিবাচক অবস্থার সৃষ্টির হয়।

এই দল আবু বকর আল-বাগদাদীর নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণভাবে বেড়ে উঠে। সিরিয়ান গৃহযুদ্ধে অংশ নেয়ার পর তারা সিরিয়ার সুন্নি অধ্যুষিত বিরাট অংশে তাদের আধিপত্য কায়েম করে।[২৮] সিরিয়ায় সম্প্রসারণের পর ২০১৩ সালের এপ্রিলে দলের নাম বদলে ইসলামিক স্টেট অব ইরাক এন্ড দ্য লেভান্ট রাখা হয়। এসময় আল বাগদাদী সিরিয়া ভিত্তিক গোষ্ঠী আল নুসরা ফ্রন্টের সাথে যুক্ত হওয়ার ঘোষণা দেন। ২০১৪ সালে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত আল কায়েদার সাথে আইসিলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল তবে আট মাস ক্ষমতাকেন্দ্রিক লড়াইয়ের পর আল কায়েদা তাদের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করে।[২৩][২৯]

২০১৪ সালের ২৯ জুন আইসিল খিলাফত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়[৩০][৩১] এবং আবু বকর আল-বাগদাদীকে খলিফা ঘোষণা করা হয়।[৩২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Colonial Caliphate: The Ambitions of the 'Islamic State'"। সংগৃহীত ১৬ ডিসেম্বর ২০১৪ 
  2. "How ISIS got its anthem"The Guardian। ৯ নভেম্বর ২০১৪। সংগৃহীত ১৬ নভেম্বর ২০১৪ 
  3. "LiveLeak.com - Islamic state caliphate anthem!Nasheed of Islamic state .. la ilàha illa Allàh" 
  4. "ISIS on offense in Iraq"Al-Monitor। ১০ জুন ২০১৪। সংগৃহীত ১১ জুন ২০১৪ 
  5. Kelley, Michael B. (২০ আগস্ট ২০১৪)। "One Big Question Surrounds The Murder Of US Journalist James Foley By ISIS"Business Insider। সংগৃহীত ২০ আগস্ট ২০১৪। "... the de facto ISIS capital of Raqqa, Syria ..." 
  6. "You Can't Understand ISIS If You Don't Know the History of Wahhabism in Saudi Arabia"। আগস্ট ২০১৪। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ২০১৫ 
  7. "Islamic State"Australian National Security। Australian Government। সংগৃহীত ২২ জুলাই ২০১৪ 
  8. Crooke, Alastair (৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪)। "You Can't Understand ISIS If You Don't Know the History of Wahhabism in Saudi Arabia"The Huffington Post 
  9. Ishaan Tharoor (১৬ জুলাই ২০১৪)। "This Canadian jihadist died in Syria, but his video may recruit more foreign fighters"The Washington Post। সংগৃহীত ৩০ নভেম্বর ২০১৪। "The Islamic State has de facto control of a whole swathe of territory stretching from eastern Syria to the environs of Baghdad and last month declared a caliphate..." 
  10. Paul Cruickshank; Nic Robertson; Tim Lister; Jomana Karadsheh (১৮ নভেম্বর ২০১৪)। "ISIS comes to Libya"। CNN। সংগৃহীত ৩০ নভেম্বর ২০১৪ 
  11. Zack Beauchamp (৪ আগস্ট ২০১৪)। "ISIS just took a town in Lebanon. Wait, Lebanon?"। Vox। সংগৃহীত ৩০ নভেম্বর ২০১৪ 
  12. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Kurdish নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  13. Rubin, Alissa J. (৫ জুলাই ২০১৪)। "Militant Leader in Rare Appearance in Iraq"The New York Times। সংগৃহীত ৬ জুলাই ২০১৪ 
  14. Matt Bradley and Ghassan Adnan in Baghdad, and Felicia Schwartz in Washington (১০ নভেম্বর ২০১৪)। "Coalition Airstrikes Targeted Islamic State Leaders Near Mosul"The Wall Street Journal 
  15. "Inside the leadership of Islamic State: how the new 'caliphate' is run"The Daily Telegraph। ৯ জুলাই ২০১৪। সংগৃহীত ১ অক্টোবর ২০১৪ 
  16. "Military Skill and Terrorist Technique Fuel Success of ISIS"The New York Times। ২৭ আগস্ট ২০১৪। সংগৃহীত ২১ অক্টোবর ২০১৪ 
  17. "Here's What We Know About the 'Caliph' of the New Islamic State"Business InsiderAgence France-Presse। ২৯ জুন ২০১৪। সংগৃহীত ১৮ জুলাই ২০১৪ 
  18. "ISIS Spokesman Declares Caliphate, Rebrands Group as Islamic State"। SITE Institute। ২৯ জুন ২০১৪। সংগৃহীত ২৯ জুন ২০১৪ 
  19. Akhmeteli, Nina (৯ জুলাই ২০১৪)। "The Georgian roots of Isis commander Omar al-Shishani"BBC News। সংগৃহীত ৯ জুলাই ২০১৪ 
  20. "The War between ISIS and al-Qaeda for Supremacy of the Global Jihadist Movement"Washington Institute for Near East Policy। জুন ২০১৪। সংগৃহীত ২৬ আগস্ট ২০১৪ 
  21. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; JamestownFoundation20041018 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  22. "Al-Qaeda disavows ISIS militants in Syria"BBC News। ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। সংগৃহীত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  23. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; npr.org নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  24. "Pakistan Taliban splinter group vows allegiance to Islamic State"Reuters। ১৮ নভেম্বর ২০১৪। সংগৃহীত ১৯ নভেম্বর ২০১৪ 
  25. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; ISIL_gains_supporters নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  26. "ISIS is enemy No. 1 of Islam,’ says Saudi grand mufti"। সংগৃহীত ৩০ এপ্রিল ২০১৭ 
  27. Sly, Liz (২৩ জুলাই ২০১৩)। "Islamic law comes to rebel-held Syria"The Washington Post 
  28. Sly, Liz (৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪)। "Al-Qaeda disavows any ties with radical Islamist ISIS group in Syria, Iraq"The Washington Post। সংগৃহীত ৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  29. Lawrence, Jessica। "Iraq crisis: Could an ISIS caliphate ever govern the entire Muslim world?"। ABC News (Australia)। সংগৃহীত ২২ নভেম্বর ২০১৪ 
  30. "What does ISIS’ declaration of a caliphate mean?"Al Akhbar English। সংগৃহীত ২৫ নভেম্বর ২০১৪ 
  31. Withnall, Adam (২৯ জুন ২০১৪)। "Iraq crisis: Isis changes name and declares its territories a new Islamic state with 'restoration of caliphate' in Middle East"The Independent। সংগৃহীত ২৯ জুন ২০১৪ 

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]