হক কাপ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

হক কাপ (ইংরেজি: Hawke Cup) নিউজিল্যান্ডের জেলা সংস্থা কর্তৃক আয়োজিত ক্রিকেট প্রতিযোগিতাবিশেষ। ১৯১০-১১, ১৯১২-১৩ ও ২০০০-০১ মৌসুম বাদে প্রতিযোগিতাটি সর্বদাই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হবার জন্য আহ্বান জানানোর মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়। হক কাপের শিরোপা জয়ের জন্য নির্দিষ্ট দলকে পূর্ববর্তী বছরের শিরোপাধারী দলের নিজ মাঠে পরাজিত করার শর্ত আরোপ করা হয়ে থাকে।

নিউজিল্যান্ডের প্রধান চারটি প্রধান কেন্দ্র - অকল্যান্ড, ওয়েলিংটন, ক্রাইস্টচার্চ ও ডুনেডিন সচরাচর হক কাপে অংশ নেয়নি। তবে, ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তারা অংশ নিচ্ছে। ২০০০-০১ মৌসুম থেকে দলগুলো পুণরায় বাদ পড়ে যায়। এরপর থেকে নিউজিল্যান্ডের চতুর্থ বৃহত্তম ঘনবসতিপূর্ণ নগর এলাকা হ্যামিল্টন থেকে আগত দল প্রতিযোগিতায় সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী দলরূপে আবির্ভূত হয়ে আসছে।

প্রবর্তন কাল[সম্পাদনা]

১৯০৭ সালে প্রবর্তিত প্লাঙ্কেট শীল্ডে নিউজিল্যান্ডের প্রধান ক্রিকেট সংস্থাগুলো অংশগ্রহণ করে। ১৯১০ সালে লর্ড হক ক্ষুদ্রতর সংস্থাগুলো নিয়ে গঠিত চ্যালেঞ্জ কাপ প্রতিযোগিতার জন্য অনুদান প্রদান করেন।[১] ডিসেম্বর, ১৯১০ সালে ওয়াইরারাপার বিপক্ষে মানাওয়াতো জয় করে। আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম শিরোপাধারী দল হিসেবে ১৯১০-১১ মৌসুমে সাউথল্যান্ড চূড়ান্ত খেলায় জয় পায়।[২]

এক মৌসুমেই একাধিকবার শিরোপা স্থানান্তরের ঘটনা ঘটেছে। ১৯২৭-২৮ মৌসুমে প্রথম খেলায় টারানাকির বিপক্ষে জয় পেয়ে ওয়াগানুই শিরোপা জয় করে।[৩] তিন খেলার পর পঞ্চম খেলায় মানাওয়াতোর কাছে হেরে তা স্থানান্তরিত হয়। মৌসুমের শেষ খেলায় পুণরায় তা কুক্ষিগত করে তারা।

বিজয়ী দলের তালিকা[সম্পাদনা]

মৌসুম আহুত খেলার সংখ্যা শিরোপাধারী দল
১৯১০-১১ সাউথল্যান্ড
১৯১১-১২ সাউথল্যান্ড
১৯১২-১৩ সাউথ অকল্যান্ড
১৯১৩-১৪ ওয়াঙ্গানুই
১৯১৪-১৫ ওয়াঙ্গানুই
১৯১৮-১৯ পোভার্টি বে
১৯১৯-২০ পোভার্টি বে
১৯২০-২১ পোভার্টি বে, ওয়াইরারাপা
১৯২১-২২ ওয়াইরারাপা, রঙ্গিটিকেই, নেলসন, ওয়াঙ্গানুই
১৯২২-২৩ ওয়াঙ্গানুই
১৯২৩-২৪ ওয়াঙ্গানুই, নেলসন
১৯২৪-২৫ নেলসন
১৯২৫-২৬ নেলসন, ওয়াঙ্গানুই
১৯২৬-২৭ ওয়াঙ্গানুই, টারানাকি
১৯২৭-২৮ টারানাকি, ওয়াঙ্গানুই, মানাওয়াতু
১৯২৮-২৯ মানাওয়াতু
১৯২৯-৩০ মানাওয়াতু, রঙ্গিটিকেই
১৯৩০-৩১ সাউথ অকল্যান্ড
১৯৩১-৩২ সাউথ অকল্যান্ড
১৯৩২-৩৩ সাউথ অকল্যান্ড, নেলসন
১৯৩৩-৩৪ নেলসন, টারানাকি
১৯৩৪-৩৫ টারানাকি, মানাওয়াতু
১৯৩৫-৩৬ মানাওয়াতু
১৯৩৬-৩৭ মানাওয়াতু
১৯৩৭-৩৮ মানাওয়াতু, ওয়াইকাতো
১৯৩৮-৩৯ ওয়াইকাতো
১৯৩৯-৪০ ওয়াইকাতো, মানাওয়াতু
১৯৪৫-৪৬ মানাওয়াতু
১৯৪৬-৪৭ মানাওয়াতু, হক’স বে
১৯৪৭-৪৮ হক’স বে, ওয়াঙ্গানুই
১৯৪৮-৪৯ হাট ভ্যালি
১৯৪৯-৫০ হাট ভ্যালি, হক’স বে
১৯৫০-৫১ হক’স বে, ওয়াইরারাপা, ওয়াইকাতো
১৯৫১-৫২ নেলসন
১৯৫২-৫৩ নেলসন, ওয়াঙ্গানুই
১৯৫৩-৫৪ ওয়াঙ্গানুই
১৯৫৪-৫৫ ওয়াঙ্গানুই
১৯৫৫-৫৬ ওয়াঙ্গানুই, হাট ভ্যালি, নর্থল্যান্ড
১৯৫৬-৫৭ ওয়াইকাতো
১৯৫৭-৫৮ ওয়াইকাতো
১৯৫৮-৫৯ নেলসন
১৯৫৯-৬০ নেলসন
১৯৬০-৬১ নেলসন
১৯৬১-৬২ নেলসন
১৯৬২-৬৩ নেলসন
১৯৬৩-৬৪ নেলসন
১৯৬৪-৬৫ নেলসন, মানাওয়াতু
১৯৬৫-৬৬ মানাওয়াতু
১৯৬৬-৬৭ মানাওয়াতু, নর্থ ক্যান্টারবারি, নেলসন
১৯৬৭-৬৮ হাট ভ্যালি, মার্লবোরা, হক’স বে
১৯৬৮-৬৯ হক’স বে, ওয়াইকাতো
১৯৬৯-৭০ ওয়াইকাতো, সাউথল্যান্ড
১৯৭০-৭১ টারানাকি
১৯৭১-৭২ টারানাকি
১৯৭২-৭৩ টারানাকি, সাউথল্যান্ড
১৯৭৩-৭৪ সাউথল্যান্ড
১৯৭৪-৭৫ সাউথল্যান্ড
১৯৭৫-৭৬ সাউথল্যান্ড
১৯৭৬-৭৭ সাউথল্যান্ড, ওয়াইরারাপা
১৯৭৭-৭৮ ওয়াইরারাপা
১৯৭৮-৭৯ ওয়াইরারাপা, নেলসন
১৯৭৯-৮০ নেলসন
১৯৮০-৮১ নেলসন
১৯৮১-৮২ নেলসন
১৯৮২-৮৩ নর্থল্যান্ড, হক’স বে
১৯৮৩-৮৪ হক’স বে, নর্থল্যান্ড, নেলসন
১৯৮৪-৮৫ নেলসন
১৯৮৫-৮৬ নেলসন, হক’স বে, বে অব প্লেন্টি
১৯৮৬-৮৭ বে অব প্লেন্টি, হক’স বে, বে অব প্লেন্টি, সাউথল্যান্ড
১৯৮৭-৮৮ সাউথল্যান্ড, নর্থ ক্যান্টারবারি, টারানাকি
১৯৮৮-৮৯ নর্থল্যান্ড, সাউথল্যান্ড
১৯৮৯-৯০ সাউথল্যান্ড
১৯৯০-৯১ সাউথল্যান্ড
১৯৯১-৯২ সাউথল্যান্ড, নর্থল্যান্ড, নেলসন
১৯৯২-৯৩ নেলসন, ক্যান্টারবারি কান্ট্রি, মানাওয়াতু
১৯৯৩-৯৪ মানাওয়াতু, মার্লবোরা, টারানাকি
১৯৯৪-৯৫ টারানাকি
১৯৯৫-৯৬ সেন্ট্রাল ওতাগো, নেলসন, হাট ভ্যালি
১৯৯৬-৯৭ নেলসন, অকল্যান্ড-মানুকাও, বে অব প্লেন্টি
১৯৯৭-৯৮ ওয়েলিংটন সিটি, মানাওয়াতু, অকল্যান্ড-ওয়াইতাকেরে, নর্থল্যান্ড
১৯৯৮-৯৯ নর্থল্যান্ড, ওয়েলিংটন সিটি, ক্যান্টারবারি কান্ট্রি
১৯৯৯-২০০০ সাউথ ক্যান্টারবারি, ডুনেডিন মেট্রোপলিটন

১৯৮৫-৮৬ মৌসুম থেকে ১৯৯৪-৯৫ মৌসুম পর্যন্ত প্রতিযোগিতাটি ইউ-বিক্স কাপ; ১৯৯৫-৯৬ মৌসুম থেকে ১৯৯৭-৯৮ মৌসুম পর্যন্ত ফুজ জেরক্স কাপ ও ১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে জাতীয় জেলা চ্যাম্পিয়নশীপ নামে পরিচিত ছিল।

নেলসন সর্বাপেক্ষা অধিক সময় ও সর্বাধিকবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আহুত হয়েছিল। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত নেলসন ২৮বার প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখোমুখি হয়েছিল ও প্রতিহত করতে সক্ষমতা দেখায়।[৪]

সাম্প্রতিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

মৌসুম আহুত খেলার সংখ্যা শিরোপাধারী দল
২০০০-০১ সেমি-ফাইনাল হ্যামিল্টন ব ক্যান্টারবারি কান্ট্রি, হক’স বে ব বে অব প্লেন্টি, ফাইনাল হ্যামিল্টন ব হক’স বে হ্যামিল্টন
২০০১-০২ হ্যামিল্টন ব নর্থ ওতাগো, হ্যামিল্টন ব হক’স বে, হ্যামিল্টন ব নর্থল্যান্ড, হ্যামিল্টন ব ক্যান্টারবারি কান্ট্রি, হ্যামিল্টন বমানাওয়াতু হ্যামিল্টন, মানাওয়াতু
২০০২-০৩ মানাওয়াতু ব হক’স বে, হক’স বে ব নর্থল্যান্ড, নর্থল্যান্ড ব ক্যান্টারবারি কান্ট্রি হক’স বে, নর্থল্যান্ড
২০০৩-০৪ নর্থল্যান্ড ব হ্যামিল্টন, নর্থল্যান্ড ব মিড-ক্যান্টারবারি, মিড-ক্যান্টারবারি ব টারানাকি নর্থল্যান্ড, মিড-ক্যান্টারবারি
২০০৪-০৫ মিড-ক্যান্টারবারি ব ক্যান্টারবারি কান্ট্রি, ক্যান্টারবারি কান্ট্রি ব নেলসন, ক্যান্টারবারি কান্ট্রি ব হ্যামিল্টন ক্যান্টারবারি কান্ট্রি, হ্যামিল্টন
২০০৫-০৬ হ্যামিল্টন ব টারানাকি, হ্যামিল্টন ব নর্থল্যান্ড, হ্যামিল্টন ব সাউথল্যান্ড হ্যামিল্টন
২০০৬-০৭ হ্যামিল্টন ব নর্থল্যান্ড, হ্যামিল্টন ব ক্যান্টারবারি কান্ট্রি, হ্যামিল্টন ব টারানাকি হ্যামিল্টন, টারানাকি
২০০৭-০৮ টারানাকি ব ক্যান্টারবারি কান্ট্রি, ক্যান্টারবারি কান্ট্রি ব হক’স বে, ক্যান্টারবারি কান্ট্রি ব হ্যামিল্টন ক্যান্টারবারি কান্ট্রি, হ্যামিল্টন
২০০৮-০৯ হ্যামিল্টন ব হক’স বে, হক’স বে ব নর্থল্যান্ড, হক’স বে ব ক্যান্টারবারি কান্ট্রি হক’স বে
২০০৯-১০ হক’স বে বমানাওয়াতু, মানাওয়াতু ব বে অব প্লেন্টি,মানাওয়াতু ব মার্লবোরা, মানাওয়াতু ব নর্থ ওতাগো মানাওয়াতু, নর্থ ওতাগো
২০১০-১১ নর্থ ওতাগো ব ওতাগো কান্ট্রি, ওতাগো কান্ট্রি ব মার্লবোরা, মার্লবোরা ব হক’স বে, মার্লবোরা ব হ্যামিল্টন ওতাগো কান্ট্রি, মার্লবোরা, হ্যামিল্টন
২০১১-১২ হ্যামিল্টন ব কাউন্টিজ মানুকাও, হ্যামিল্টন ব ওয়াইরারাপা, হ্যামিল্টন ব নেলসন, হ্যামিল্টন ব সাউথল্যান্ড হ্যামিল্টন
২০১২-১৩ হ্যামিল্টন ব বে অব প্লেন্টি, বে অব প্লেন্টি বমানাওয়াতু, বে অব প্লেন্টি ব ক্যান্টারবারি কান্ট্রি, বে অব প্লেন্টি ব সাউথ ক্যান্টারবারি বে অব প্লেন্টি
২০১৩-১৪ বে অব প্লেন্টি ব হ্যামিল্টন, বে অব প্লেন্টি বমানাওয়াতু, মানাওয়াতু ব ক্যান্টারবারি কান্ট্রি, মানাওয়াতু ব সাউথল্যান্ড বে অব প্লেন্টি, মানাওয়াতু
২০১৪-১৫ মানাওয়াতু ব টারানাকি, মানাওয়াতু ব নর্থল্যান্ড, মানাওয়াতু ব ক্যান্টারবারি কান্ট্রি, ক্যান্টারবারি কান্ট্রি ব নর্থ ওতাগো মানাওয়াতু, ক্যান্টারবারি কান্ট্রি
২০১৫-১৬ ক্যান্টারবারি কান্ট্রি ব বুলার, বুলার ব নর্থ ওতাগো, নর্থ ওতাগো ব হক’স বে, হক’স বে ব বে অব প্লেন্টি বুলার, নর্থ ওতাগো, হক’স বে, বে অব প্লেন্টি
২০১৬-১৭ বে অব প্লেন্টি ব কাউন্টিজ মানুকাও, বে অব প্লেন্টি ব হক’স বে, বে অব প্লেন্টি ব নেলসন, বে অব প্লেন্টি ব সাউথল্যান্ড বে অব প্লেন্টি
২০১৭-১৮ বে অব প্লেন্টি ব কাউন্টিজ মানুকাও, কাউন্টিজ মানুকাও ব টারানাকি, কাউন্টিজ মানুকাও ব ক্যান্টারবারি কান্ট্রি, কাউন্টিজ মানুকাও ব সাউথল্যান্ড কাউন্টিজ মানুকাও, সাউথল্যান্ড
২০১৮-১৯ সাউথল্যান্ড ব মিড ক্যান্টারবারি, সাউথল্যান্ড ব নেলসন, নেলসন ব হকস বে, হকস বে ব হ্যামিল্টন সাউথল্যান্ড, নেলসন, হকস বে, হ্যামিল্টন

রেকর্ড[সম্পাদনা]

বর্তমান খেলোয়াড়েরা এক মৌসুমে কেবলমাত্র সর্বাধিক চারবার হক কাপ চ্যালেঞ্জ খেলায় অংশ নিতে পারেন। কেবলমাত্র হক কাপের শিরোপাধারী ও পরাজিত হওয়া আহুত দলের সদস্যদের মধ্যে সম্ভবপর। প্রথমতঃ তারা নিজের অঞ্চলে ও পরবর্তীতে অন্য তিন অঞ্চলের বিজয়ী দলকে পরাজিত করার মাধ্যমে এ সুযোগ পেতে পারেন। ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, প্রত্যেক বছর শিরোপাধারী দলকে মাত্র ২ থেকে ৬টি হক কাপ চ্যালেঞ্জ কাপ খেলায় অংশ নেয়। ফলে, খেলোয়াড়দের পক্ষে রেকর্ড গড়া বেশ দূরূহ হয়ে পড়ে। এ রেকর্ড গড়ার জন্য চাই শক্তিশালী দলের সদস্য হওয়া ও দীর্ঘকালের খেলোয়াড়ী জীবনে অগ্রসর হওয়া।

এ সকল বাধা-বিপত্তি থাকা স্বত্ত্বেও ১৮জন খেলোয়াড় সহস্রাধিক রান তুলতে পেরেছেন ও ৮জন খেলোয়াড় ৯০-এর অধিক উইকেট লাভে সক্ষমতা দেখিয়েছেন। এপ্রিল, ২০০৮ সাল পর্যন্ত মাত্র একজন খেলোয়াড় হ্যামিল্টনের জি.জি. রবিনসন বর্তমান খেলোয়াড় হিসেবে সহস্রাধিক রান তুলেছেন।

খেলোয়াড় দল(সমূহ) সময়কাল খেলা ইনিংস অপরাজিত সর্বোচ্চ রান সংখ্যা গড়
লেগাট আই.বি. নেলসন ১৯৪৮–৬৮ ৩৮ ৫৬ ১৩০ ১৯৬৮ ৩৫.৭৮
রিড এল. বি. নেলসন ১৯৫৮–৭৩ ৩৫ ৫৭ ১১৭ ১৯৫১ ৩৫.৪৭
লোয়ান্স জি.ই. নেলসন ১৯৫৮–৭৩ ৩০ ৪৮ ১৩০ ১৮১১ ৩৮.৫৩
অ্যান্ডারসন আর.ডব্লিউ. নর্থল্যান্ড ও সাউথল্যান্ড ১৯৭০–৭৭ ১৬ ৩১ ২৫৫ ১৭৭৩ ৭০.৯২
ম্যাকভিকার সি.সি. মানাওয়াতু ১৯৩৫–৫৪ ২৮ ৪৪ ১৮০ ১৭৫৪ ৪০.৭৯
স্পেন্স ডি.ভি. হক’স বে ও নেলসন ১৯৪৯–৬৭ ৩৪ ৫১ ১৫১ ১৫৭৪ ৩৬.৬০
রবিনসন জি.জি. হ্যামিল্টন ২০০১–০৯ ১৪ ২২ ২৬৮ ১৪৮২ ৭৪.১০

বর্তমান কাঠামো[সম্পাদনা]

৪টি আঞ্চলিক পর্যায়ে হক কাপ অনুষ্ঠিত হয়।

১ম অঞ্চল ২য় অঞ্চল ৩য় অঞ্চল ৪র্থ অঞ্চল
হ্যামিল্টন হকস বে ক্যান্টারবারি কান্ট্রি ওতাগো কান্ট্রি
নর্থল্যান্ড ওয়াইরারাপা মার্লবোরা নর্থ ওতাগো
কাউন্টিজ-মানুকাও ওয়াঙ্গানুই নেলসন সাউথল্যান্ড
বে অব প্লেন্টি হোরোহয়েনোয়া কাপিতি বুলার সাউথ ক্যান্টারবারি
পোভার্টি বে মানাওয়াতু ওয়েস্ট কোস্ট মিড ক্যান্টারবারি
ওয়াইকাতো ভ্যালি টারানাকি

প্রত্যেক অঞ্চলে রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে খেলা আয়োজন করা হয়। এরপর প্রত্যেক অঞ্চলের বিজয়ী দল চ্যালেঞ্জ সিরিজের অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমিকভাবে বর্তমান শিরোপাধারী দলের বিপক্ষে খেলে। উদাহরণস্বরূপ: ২০১০-১১ মৌসুমের শিরোপাধারী দল নর্থ ওতাগো তাদের নিজ অঞ্চল ওতাগো কান্ট্রিতে অনুষ্ঠিত খেলায় প্রথম আহুত দল কিংবা নিজ অঞ্চলের দ্বিতীয় স্থান অধিকারী দলের বিপক্ষে খেলার পর ৩, ২ ও ১ অঞ্চলের বিজয়ী দলের বিপক্ষে লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়।

হক কাপের শিরোপাধারী দল শীতকালে অনুষ্ঠিত চ্যালেঞ্জ সিরিজে অংশ নেয়। ৩ দিনের অধিক সময় হক খেলার আয়োজন করা হয়। হক কাপের শিরোপা জয়ের জন্য শিরোপাধারী দলকে অবশ্যই শিরোপাধারী দলের মাঠে সরাসরি কিংবা প্রথম ইনিংসে জয়লাভ করতে হবে।[৫]

শতাব্দীর সেরা একাদশ[সম্পাদনা]

জানুয়ারি, ২০১১ সালে হক কাপ ক্রিকেটের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে শতাব্দীর সেরা দল ঘোষণা করে। হক কাপে খেলোয়াড়দের অসামান্য অবদানের উপর ভিত্তি করে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল। এছাড়াও ঐ সময়ে খেলোয়াড়দের জেলা পর্যায়ের অবদানকে এ মানদণ্ডে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছিল। ব্যাটিং অর্ডার অনুযায়ী খেলোয়াড়দের তালিকা নিম্নরূপ:[৬]

সাবেক দল[সম্পাদনা]

অতীতে হক কাপে অংশগ্রহণকারী দলের তালিকা:

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. The Marlborough Express, 10 October 1910, p. 7.
  2. Bell, Jamie। "How Southland Won The Hawke Cup"NZ Cricket Museum। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৮ 
  3. "Wairarapa v Manawatu 1910-11"। CricketArchive। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০১৫ 
  4. Martin, Wayne। "Nelson prominent in Hawke Cup top echelon"stuff.co.nz। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১৫ 
  5. "More information on the Hawke Cup"New Zealand Cricket। সংগ্রহের তারিখ ১৮ নভেম্বর ২০১৭ 
  6. "Hawke Cup Centennial cricket team named"New Zealand Cricket। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]