ইস্টবেঙ্গল ক্লাব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ইষ্টবেঙ্গল
ইস্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাবের লোগো.png
ক্লাব লোগো
পূর্ণ নামস্পোর্টিং ক্লাব ইষ্টবেঙ্গল [১]
ডাকনামলাল - হলুদ ব্রিগেড
সংক্ষিপ্ত নামEB, SCEB
প্রতিষ্ঠিত১ আগস্ট ১৯২০; ১০০ বছর আগে (1920-08-01)
মাঠসল্টলেক স্টেডিয়াম
ইষ্টবেঙ্গল মাঠ
ধারণক্ষমতাসল্টলেক স্টেডিয়াম: ৮৫,০০০
ইষ্টবেঙ্গল মাঠ: ২৩,৫০০
Ownerশ্রী সিমেন্ট ইষ্টবেঙ্গল ফাউন্ডেশন[২]
(Shree Cement Ltd.:76%;
East Bengal Club Pvt. Ltd.: 24%)
হেড কোচরবি ফাউলার[৩]
২০১৯–২০
২০১৯–২০
আই-লিগ, দ্বিতীয়
সিএফএল, তৃতীয়
ওয়েবসাইটক্লাব ওয়েবসাইট
বর্তমান মৌসুম

ইষ্টবেঙ্গল বা স্পোর্টিং ক্লাব ইষ্টবেঙ্গল কলকাতাস্থিত শতবর্ষ প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী ভারতের পেশাদারী ফুটবল ক্লাব (প্রধানত), এছাড়াও অন্যান্য ক্রিয়া বিভাগে ক্লাবটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। পূর্ববঙ্গের বাঙ্গালী ভাবাবেগকে প্রাধান্য দিয়ে ১৯২০ সালের ১লা আগষ্ট সুরেশচন্দ্র চৌধুরী জোড়াবাগানের নিমতলা ঘাট স্ট্রিটের তার বাড়িতে ইষ্টবেঙ্গল ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯২২ সালে ভারতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভ্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত হয়ে ১৯২৪ সালে কলকাতা ফুটবল লিগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ১৯৪২ সালে সর্বপ্রথম লীগ জয় লাভ করে এবং বর্তমানে রেকর্ড সংখ্যক ৩৯টি লীগ জয় করে শীর্ষ স্থান অধিকার করেছে। ইষ্টবেঙ্গল জাতীয় লীগের (NFL) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং তিন বার জাতীয় লীগ জয় করেছে। এছাড়াও ৮ বার ফেডারেশন কাপ (ফেড কাপ), তিনবার সুপার কাপ, রেকর্ড সংখ্যক ২৯বার আইএফএ শীল্ডরেকর্ড সংখ্যক ১৬ বার ডুরান্ড কাপ জয় করেছে।

ইষ্টবেঙ্গল ক্লাব মূলত ১৯৪৭ সালে ভারত স্বাধীনের প্রাক্কালে দেশ ভাগের সময় পূর্ববঙ্গের উদ্বাস্তু বাঙ্গালী হিন্দুদের (মূলত বাঙাল নামে অধিক পরিচিত) সমর্থিত ক্লাব। তাদের কাছে ইষ্টবেঙ্গল ক্লাব পরিচিতি ও আশার প্রতীক। পূর্ববঙ্গের শরনার্থীরা দেশভাগ ও ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসলে পশ্চিমবঙ্গের আর্থ-সামাজিকতাতেও প্রভাব পরে। শরণার্থীরা পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরী ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদ অধীনস্থ করলে এবং তাদের সন্তানেরা পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় বিদ্যালয়ে ভর্তি হলে পশ্চিমবঙ্গের অধিবাসীরা মনক্ষুণ্ন হয় এবং সেখান থেকেই বাঙাল-ঘটি প্রতিদ্বন্দ্বীতা শুরু হয়, যা ফুটবল মাঠেও ইষ্টবেঙ্গল - মোহনবাগান প্রতিদ্বন্দ্বিতা (কলকাতা ডার্বি) বা বড় ম্যাচ হিসাবে প্রতিফলিত। কলকাতা ডার্বি এশিয়ার প্রাচীনতম ডার্বি এবং ইষ্টবেঙ্গল জয়ের নিরীখে ১২৯টি ম্যাচে জয়লাভ করে মোহনবাগানের (১২১টি জয়) থেকে এগিয়ে রয়েছে। মোহনবাগান ছাড়াও মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সমর্থিত মহামেডান ক্লাবের সাথেও প্রতিদ্বন্দ্বীতা হয়। কলকাতার এই তিন ক্লাব তিন প্রধান নামে বেশি পরিচিত। ক্লাবের জার্সির লাল-হলুদ রঙের জন্য ইষ্টবেঙ্গল ক্লাব লাল - হলুদ ব্রিগেড নামেও সমধিক পরিচিত।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রতিষ্ঠা[সম্পাদনা]

২৮ শে জুলাই ১৯২০ সালে কোচবিহার কাপের একটি ম্যাচে মোহনবাগান ও জোড়াবাগান ক্লাব পরস্পর প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছিল। সেই ম্যাচে জোড়াবাগান অন্তিম দলে এক অজানা কারণে তাদের ডিফেন্ডার শৈলেশ বসুকে না নিয়েই মাঠে টিম নামায়। দলের তৎকালীন সহ-সভাপতি সুরেশ চৌধুরী দলের কর্মকর্তাদের কাছে শৈলেশ বসুকে দলে না নেওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করেন এবং শৈলেশ বসুকে দলে নেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু তার কথা রাখা হয়নি। তিনি ও শৈলেশ বসু বুঝতে পারেন শৈলেশ বসু পূর্ববঙ্গীয় হওয়ার কারণেই বিদ্বেষ বসতই তাকে দলে নেওয়া হয় নি। এরপরই সুরেশ চৌধুরী, রাজা মন্মথ নাথ চৌধুরী, রমেশ চন্দ্র সেন, অরবিন্দ ঘোষকে নিয়ে ক্লাব ত্যাগ করেন এবং বাঙাল (পূর্ববঙ্গীয়) ভাবাবেগকে প্রাধান্য দিয়ে তিনদিনের মধ্যে ১লা আগষ্ট ১৯২০ সালে ক্রীয়া এবং সাংস্কৃতিক ক্লাব হিসাবে ইষ্টবেঙ্গল ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন। [৪][৫][৬]

সারদা রঞ্জন রায় নব প্রতিষ্ঠিত ক্লাবের প্রথম সভাপতির দ্বায়িত্বভার গ্রহণ করেন, অন্যদিকে সুরেশ চন্দ্র চৌধুরী ও তড়িৎ ভূষণ রায় ক্লাবের প্রথম যুগ্ম-সম্পাদকের পদ গ্রহণ করেন।[৭] নগেন কালী, এম. তালুকদার, বি. সেন, এন. গোঁসাই, গোষ্ঠ পাল, পি. বর্ধন, এস. ঠাকুর, জে. মুখার্জী, রমেশ চন্দ্র সেন, এস. বসু, সি. বসু, এ. রায় এবং এ. ব্যানার্জী ক্লাবের প্রথম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। [৮]

১৯২০ - ১৯৪০[সম্পাদনা]

ইষ্টবেঙ্গল ফুটবল ক্লাব হিসাবে আত্মপ্রকাশ করে ওই মাসেই হারকিউলাস কাপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ১১ আগষ্ট ১৯২০ ইষ্টবেঙ্গলের প্রথম ম্যাচে মেট্রোপলিটন কলেজের বিরুদ্ধে ৪-০ গোলের ব্যবধানে জয় লাভ করে যাত্রা শুরু করে এবং হারকিউলাস কাপ জয় করে। ১৯২১ সালে খগেন্দ্র শীল্ড প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়।

এরপরই ভারতীয় ফুটবল অ্যাসসিয়েশনের সদস্যতা পায় এবং আইএফএ-র দ্বিতীয় ডিভিশনে লীগ খেলার অধিকার অর্জন করে। তারা তাদের উদ্বোধনী লীগে তৃতীয় স্থান অধিকার করে। ইষ্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের মধ্যে ১৯২১ সালে ৮ আগষ্ট কোচবিহার কাপের সেমি ফাইনালে প্রথম অনুনমোদীত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গোল শূণ্য ভাবে ড্র হয়।[৪][৯] ১৯২৪ সালে আইএফএ দ্বিতীয় ডিভিশনে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করলেও ইষ্টবেঙ্গল আইএফএ প্রথম ডিভিশনে খেলার সুযোগ পেয়ে যায়। ''ক্যামেরুন এ '' আগে থেকেই প্রথম ডিভিশনে থাকায় ''ক্যামেরুন বি '' প্রথম হয়েও প্রথম ডিভিশনে সুযোগ ছিল না, তাই ইষ্টবেঙ্গলের কাছে প্রথম ডিভিশনে খেলার দরজা খুলে যায়।[৪][১০]

যদিও সেই সময় প্রথম ডিভিশনে খেলার ছাড়পত্র পাওয়া নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছিল। সেই সময় আইএফএ ব্রিটিশ সংস্থা ছিল। তৎকালীন আইএফএর নিয়মানুশারে আইএফএ প্রথম ডিভিশনে শুধুমাত্র দুটি ভারতীয় দল খেলতে পারতো। এই নিয়মানুসারে আগে ''কুমারটুলি '' ও ''টাউন ক্লাব '' প্রথম ডিভিশনে খেলার ছাড়পত্র থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। আইএফএর পরিচালন কমিটির আলোচনায় নয়টি ব্রিটিশ ক্লাব ইষ্টবেঙ্গলের প্রথম ডিভিশনে খেলার প্রস্তাবটি অনুমোদন করে। হাস্যকর ভাবে ''মোহনবাগান '' ও ''এরিয়ান ক্লাব '' ইষ্ট বেঙ্গলের খেলার প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেছিল। ইষ্টবেঙ্গলের জেদের কাছে প্রথম ডিভিশনে ভারতীয় ক্লাবের সীমিত সংখ্যক খেলার দমনমূলক নিয়মটি আইএফএকে অবলপন করতে বাধ্য করে।[৪][১১]

১৯২৫ সালে ইষ্টবেঙ্গল প্রথমবার প্রথম ডিভিশনে আত্মপ্রকাশ করে। মনা দত্ত ইষ্টবেঙ্গলের পক্ষে প্রথম গোল করেন। ১৯২৫ সালের ২৮শে মে ইষ্টবেঙ্গল প্রথমবার অফিসিয়ালি মোহনবাগানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে এবং নেপাল চক্রবর্তীর গোলে মোহনবাগান পরাজিত হয়।[৭][১২]

১৯৪০ - ১৯৭০[সম্পাদনা]

১৯৪২ পর্যন্ত ইষ্টবেঙ্গলকে প্রথম আইএফএ শীল্ড জয় লাভ করার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। ১৯৪৩ সালে ইষ্টবেঙ্গল প্রথম আইএফএ শীল্ড জয় লাভ করে। এরপর ১৯৪৫ সালে ইষ্ট বেঙ্গলের মাথায় দুটো মুকুট আসে। ওই বছর একই সাথে আইএফএ শীল্ড ও কলকাতা লীগ (CFL) জয় লাভ করে। ১৯৪৮ সালে চীনের অলিম্পিক একাদশকে ২ - ০ গোলে হারিয়ে স্বাধীন ভারতের প্রথম দল হিসেবে ভারতের মাটিতে বিদেশি দলকে হারায়।[১৩] ১৯৪৯ সালে ইষ্টবেঙ্গল প্রথম ভারতীয় দল হিসেবে ত্রিমুকুট অর্জন করে।[১৪] ওই বছর একই সাথে আইএফএ শীল্ড, কলকাতা লীগ ও রোভার্স কাপ জয় লাভ করে।[১৫] ১৯৪৯ সালে রোভার্স কাপ ও ১৯৫১ সালে ডুরান্ড কাপে জয় দিয়ে ইষ্টবেঙ্গলের সোনালী যুগ শুরু হয়। এই সময় ''পঞ্চ পাণ্ডবের '' উত্থান হয়। পি বি এ শৈলেশ, আহমেদ খান, পি. ভেঙ্কটেশ, আপ্পা রাও, কে. পি. ধনরাজ একত্রে ১৯৪৯ থেকে ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত ইষ্টবেঙ্গলে খেলেন। ১৯৫০ সালে প্রথমবার ডিসিএম ট্রফি জয় লাভ করে। ১৯৪৯, ১৯৫০, ১৯৫১ পর্যন্ত টানা তিনবার আইএফএ শীল্ড জয় লাভ করে। ইংলিশ ফুটবল অ্যাসসিয়েশন ১৯৫১-৫২ সালের বার্ষিক পঞ্জিকাতে সর্বশ্রেষ্ঠ ফুটবল ক্লাব বলে অভিহিত করে।[১৬]

ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রাজেন্দ্র প্রসাদের সুপারিশে রোমানিয়া ইয়ুথ ফেস্টিভ্যাল কমিটি ১৯৫৩ সালে একটু ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলার জন্য অভ্যর্থনা জানায়। ওই একই বছর ইষ্টবেঙ্গল সোভিয়েত ইউনিয়নও পরিভ্রমণ করেন এবং সোভিয়েত দলকে ১৩ - ১ গোলে পর্যযুস্ত করে। ফুটবল ছাড়াও হকিতে ১৯৫৭ সালে বেইটন টুর্নামেন্ট এবং ১৯৬০ সালে বেঙ্গল হকি অ্যাসোসিয়েশন লীগ জয়লাভ করে। এই সময় ১৯৬২, ১৯৬৭, ১৯৬৯, ১৯৭২, ১৯৭৩, ১৯৭৫ সালে রোভার্স কাপ ও ১৯৫২, ১৯৫৬, ১৯৬০, ১৯৬৭, ১৯৭০, ১৯৭২, এবং ১৯৭৮ সালে ডুরান্ড কাপ জয় লাভ করে।

১৯৬৮ সালে ইষ্টবেঙ্গল প্রথমবার সইত নাগজী ফুটবল টুর্নামেন্ট ও বরদলৈ ট্রফি জয়লাভ করে।[১৭] ১৯৭০ সালের আইএফএ শিল্ডের ফাইনালে কলকাতার ইডেন উদ্যানে ৬০,০০০ ফুটবলপ্রেমীর উপস্থিতিতে ইরানের শক্তিশালী দল, প্যাশ ক্লাবকে ১ - ০ গোলে হারিয়ে দর্শকদের স্তম্ভিত করে দেয়। এরপর ১৯৭৩ সালে উত্তর কোরিয়ার পয়ংযাঙ ক্লাবকে হারিয়ে আইএফএ শীল্ড জিতে নেয়। ১৯৭৮ সালে ইষ্টবেঙ্গল প্রথমবার ফেডারেশন কাপ জয় লাভ করে।

ক্রিকেটে ইষ্টবেঙ্গল মোহনবাগানের সাথে সিএবির সিনিয়র লীগসিনিয়র ডিভিশনের নকআউট প্রতিযোগিতায় যুগ্ম ভাবে জয় লাভ করে।[৬][১৮][১৯][৭]

ইষ্টবেঙ্গল টানা ১৯৭০ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত টানা ৬ বছর কলকাতা লীগ অপরাজিত ছিল।[১৮] ১৯৭০ সালের কলকাতা লীগে একটিও গোল হজম না করে লীগ জয় লাভ করে। এরমধ্যে ১৯৭৫ সালের কলকাতা ডার্বিতে ইষ্টবেঙ্গল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ডার্বির সর্বোচ্চ রেকর্ড ৫ - ০ গোলে হারিয়ে দেয়। এই ম্যাচটি ছাড়াও আরো কয়েকবার মোহনবাগানকে হারিয়ে দেয়। ১৯৭৫ সালের কলকাতা লীগে একটিও ম্যাচ না হেরে লীগ জয় লাভ করে। সত্তরের দশক ইষ্ট বেঙ্গলের ইতিহাসে সোনালী দশক নামে পরিচিত।[৭][২০][১৫]

সম্মান[সম্পাদনা]

বিশেষ দ্রষ্টব্য এখানে শুধু প্রধান টুর্নামেন্টেরই ফলাফল বর্ণিত হয়েছে।

ফুটবল[সম্পাদনা]

আন্তর্জাতিক[সম্পাদনা]

বিজয়ী (১): ২০০৩

জাতীয়[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় (২): ২০১০-১১, ২০১৩-১৪, ২০১৮-১৯
বিজয়ী (৩): ২০০০-০১, ২০০২-০৩, ২০০৩-০৪
দ্বিতীয় (৩): ১৯৯৭-৯৮, ১৯৯৮-৯৯, ২০০৫-০৬
বিজয়ী (৭): ১৯৭৮, ১৯৮০, ১৯৮৫, ১৯৯৬, ২০০৭, ২০০৯, ২০১০
দ্বিতীয় (৬): ১৯৮৪, ১৯৮৬, ১৯৯২, ১৯৯৫, ১৯৯৮, ২০১১
বিজয়ী (৩): ১৯৯৭, ২০০৬, ২০১১
দ্বিতীয় (৩): ২০০৩, ২০০৮, ২০১০
বিজয়ী (২৩): ১৯৬১, ১৯৬৫, ১৯৬৬, ১৯৬৭, ১৯৭০, ১৯৭২, ১৯৭৩, ১৯৭৪, ১৯৭৫, ১৯৭৬, ১৯৭৯, ১৯৮১, ১৯৮৩, ১৯৮৪, ১৯৮৬, ১৯৯০, ১৯৯১, ১৯৯৪, ১৯৯৫, ১৯৯৭, ২০০০, ২০০১, ২০০২
দ্বিতীয় (৪): ১৯৬৯, ১৯৭৭, ১৯৯৮, ২০০৩
বিজয়ী (১৫): ১৯৫১, ১৯৫২, ১৯৫৬, ১৯৬০, ১৯৬৭, ১৯৭০, ১৯৭২, ১৯৭৮, ১৯৮২, ১৯৮৯, ১৯৯০, ১৯৯১, ১৯৯৩, ২০০২, ২০০৪

ক্রিকেট[সম্পাদনা]

  • সিএবি প্রথম ডিভিশন লিগ
বিজয়ী (১৬): ১৯৭৪-৭৫, ১৯৭৭-৭৮, ১৯৭৮-৭৯, ১৯৮০-৮১, ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৩-৯৪, ১৯৯৪-৯৫, ১৯৯৮-৯৯, ২০০০-০১, ২০০১-০২, ২০০৫-০৬, ২০০৬-০৭, ২০০৯-১০, ২০১১-১২, ২০১৩-১৪, ২০১৬-১৭
  • সিএবি সুপার লিগ
বিজয়ী (১): ২০১৬-১৭
  • সিএবি সিনিয়র নকআউট
বিজয়ী (১৩): ১৯৭৫-৭৬, ১৯৭৭-৭৮, ১৯৭৯-৮০, ১৯৮২-৮৩, ১৯৮৫-৮৬, ১৯৮৭-৮৮, ১৯৯৭-৯৮, ২০০৩-০৪, ২০০৪-০৫, ২০১০-১১, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; ISL01 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  2. Banerjee, Ritabrata (১ অক্টোবর ২০২০)। "East Bengal registered as Shree Cement East Bengal foundation with IFA"goal.com। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০২০ 
  3. "Fowler becomes coach at Indian side East Bengal" 
  4. "The Rise of East Bengal Club"East Bengal Football Club। ১৮ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১২ 
  5. "History of East Bengal"Thehardtackle.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২ মে ২০১০। ৮ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০২০ 
  6. "Club Day: East Bengal – The History"Goal.com। ৮ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০২০ 
  7. Sportstar, Team। "100 years of East Bengal: A timeline"Sportstar (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০২০ 
  8. "Team Archives of Quess East Bengal FC | Official Website"eastbengalfootballclub.com। ৯ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০১৯ 
  9. "East Bengal Story"। ১৮ অক্টোবর ২০১৮। ১৮ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০২০ 
  10. Chattopadhyay, Suhrid Sankar। "The Saga of East Bengal"Frontline (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০২০ 
  11. Chattopadhyay, Suhrid Sankar। "The Saga of East Bengal"Frontline (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুন ২০২০ 
  12. Das Sharma, Amitabha (১ এপ্রিল ২০১৬)। "The Kolkata Derby: They met as early as in 1921!"sportstar.thehindu.com। ৬ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভে ২০২০ 
  13. Kapadia, Novy (২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭)। Barefoot to Boots: The Many Lives of Indian Football (ইংরেজি ভাষায়)। Penguin Random House India Private Limited। আইএসবিএন 978-93-86815-65-1। ১০ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুন ২০২০ 
  14. Armband (৯ নভেম্বর ২০১৯)। "East Bengal Football Club : History and Emergence"Sports-nova (ইংরেজি ভাষায়)। ৯ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০২০ 
  15. Banerjee, Ritabrata (১২ এপ্রিল ২০২০)। "Indian Football: Down the memory lane – East Bengal's 'Golden era' of 1970s"www.goal.comGoal। সংগ্রহের তারিখ ১ আগস্ট ২০২০ 
  16. "History"eastbengalfootballclub.com। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০২০ 
  17. "1940S TO 1960S"East Bengal Football Club। ২৯ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১২ 
  18. "1970S TO 1990S"East Bengal Football Club। ২৪ জুলাই ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১২ 
  19. "I-League Special: The History Of East Bengal"www.goal.comGoal। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০২০ 
  20. "List of Winners/Runners-up of the IFA-Shield"www.indianfootball.de। সংগ্রহের তারিখ ১৮ জুন ২০২০