এমা ওয়াটসন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এমা ওয়াটসন
Emma Watson GoF Premiere Crop.jpg
২০০৫ সালে হ্যারি পটার এন্ড দ্য গবলেট অফ ফায়ার চলচ্চিত্রের প্রমিয়ারে এমা ওয়াটসন
জন্ম এমা শার্লট ডিউয়ার ওয়াটসন[১]
পেশা অভিনেত্রী, মডেল
কার্যকাল ২০০১ - বর্তমান
ওয়েবসাইট
http://www.emmawatson.com/

এমা শার্লট ডিউয়ার ওয়াটসন (ইংরেজী ভাষায়: Emma Charlotte Duerre Watson) (জন্ম ১৫ এপ্রিল ১৯৯০) একজন ব্রিটিশ অভিনেত্রী এবং মডেল। তিনি হ্যারি পটার চলচ্চিত্রে হারমায়োনি গ্রেঞ্জারের চরিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেন। ওয়াটসন নয় বছর বয়সে এই চরিত্রে প্রথম অভিনয় করেন। এর আগে তিনি বিদ্যালয়ের মঞ্চ নাটকে অভিনয় করেছিলেন।[২] ২০০১ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত ওয়াটসন ছয়টি হ্যারি পটার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এসব চলচ্চিত্রে তাঁর সহকর্মী ছিলেন ড্যানিয়েল রেডক্লিফ এবং রুপার্ট গ্রিন্ট। এছাড়া তিনি হ্যারি পটারের শেষ চলচ্চিত্র হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস-এও অভিনয় করেছেন।[৩] হ্যারি পটার চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি একাধিক পুরস্কার অর্জন করেন। এছাড়া এসব চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি ১০ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি পারিশ্রমিক পান।[৪] তিনি ২০০৯ সালে প্রথমবারের মত মডেলিং করেন।

২০০৭ সালে ওয়াটসন হ্যারি পটার চলচ্চিত্র ছাড়াও অন্য দুইটি চলচ্চিত্রের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততা ঘোষণা করেন। একটি হল শিশু-ঔপন্যাসিক নোয়েল স্ট্রিটফিল্ডের উপন্যাশ অবলম্বনে নির্মিত ব্যালেট সুজ এবং অন্যটি দ্য টেল অফ ডেসপ্যারক্স নামে একটি অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র। ব্যালেট সুজ ২০০৭ এর ডিসেম্বরে টেলিভিশনে প্রচারিত হয় যা বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫.২ মিলিয়ন দর্শক উপভোগ করেন। দ্য টেল অফ ডেসপারেক্স নামের অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রটি মার্কিন ঔপন্যাসিক কেট ডিক্যামিলোর একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়। এটি ২০০৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং বিশ্বব্যাপী ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি আয় করে।[৫][৬]

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

১৯৯০ সালের ৪ এপ্রিল প্যারিসে এমা ওয়াটসন জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম জ্যাকলিন লুসবি এবং মাতার নাম ক্রিস ওয়াটসন। তাঁরা উভয়ই ব্রিটিশ আইনজীবী।[৭][৮] এমা ওয়াটসনের একজন ফ্রেঞ্চ দাদি রয়েছে,[৯] তিনি ওয়াটসনের ৫ বছর বয়স পর্যন্ত প্যারিসে ছিলেন। পরবর্তিতে এমা ওয়াটসনের বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদ হলে তিনি তাঁর মা এবং ছোট ভাইসহ যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ডশায়ারে স্থানান্তরিত হন।[৭] ছয় বছর বয়স হতে ওয়াটসন অভিনেত্রী হতে চাইতেন।[১০] স্টেজকোচ থিয়েটার আর্টস-এর অক্সফোর্ড শাখায় তিনি কয়েক বছর সঙ্গীত, নাচ ও অভিনয়ের প্রশিক্ষণ নেন।[১১] দশ বছর বয়সের মধ্যে তিনি স্টেজকোচের বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল আর্থার: দ্য ইয়ং ইয়ার্স এবং দ্য হ্যাপি প্রিন্স[১২] কিন্ত্য পটার পটার চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পূর্ব পর্যন্ত তিনি কখনো পেশাগতভাবে অভিনয় করেননি। একটি ম্যাগাজিনে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ওয়াটসন বলেছেন, “হ্যারি পটার চলচ্চিত্র সিরিজের ব্যপ্তি সম্পর্কে পূর্বে আমার ধারণা ছিল না, যদি থাকত তবে আমি অত্যন্ত বিস্মিত হতাম।”[১৩]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

হ্যারি পটার[সম্পাদনা]

১৯৯৯ সালে হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোনের চিত্রগ্রহণ গ্রহণ শুরু হয়। ব্রিটিশ লেখিকা জে কে রাউলিং রচিত জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে এই চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে। নির্মাতা সংস্থা অক্সফোর্ডের স্টেজকোচ থিয়েটার আর্টসের এক শিক্ষকের মাধ্যমে এমা ওয়াটসনের খোঁজ পায়।[১০] তারা ওয়াটসনের আত্মবিশ্বাসে অভিভূত হয়ে যান। আটবার অডিশনের পর[১৪] চলচ্চিত্রটির প্রযোজক ডেভিড হেম্যান ওয়াটসন এবং তাঁর সহকর্মী অভিনেতা ড্যানিয়েল রেডক্লিফরুপার্ট গ্রিন্টকে বলে যে, তাঁরা চলচ্চিত্রের যথাক্রমে হারমায়োনি গ্রেঞ্জার, হ্যারি পটাররন উইজলি চরিত্রে অভিনয় করবে। জে কে রাউলিং ওয়াটসনকে তাঁর প্রথম যোগ্যতা পরীক্ষাতেই সমর্থন করেছিলেন।[১০]

২০০১ সালে প্রকাশিত হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন ছিল এমা ওয়াটসনের প্রথম অভিনিত চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটি প্রকাশের প্রথম দিনেই অসাধারণ ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করে এবং এটি ২০০১ এর সর্বাধিক সফল চলচ্চিত্রে পরিণত হয়।[১৫][১৬] সমালোচকগণ চলচ্চিত্রটির তিন প্রধান অভিনেতা-অভিনেত্রীর প্রশংসা করেন। এছাড়া এমা ওয়াটসনের অভিনয়ের বিশেষ প্রশংসা তাঁরা করেন। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ তাঁর অভিনয়কে “প্রশংসনীয়” আখ্যায়িত করে[১৭] এবং আইজিএন উল্লেখ করেছে, “তাঁর অভিনয় ছিল সবচেয়ে নজরকাড়া”।[১৮] এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ওয়াটসন পাঁচটি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন এবং ইয়ং আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।[১৯]

এক বছর পর ওয়াটসন আবার হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অফ সিক্রেটস-এ অভিনয় করেন। এটি হ্যারি পটার সিরিজের দ্বিতীয় চলচ্চিত্র। যদিও চলচ্চচিত্রটি মিশ্র প্রতিক্রিয়া লাভ করে, পর্যালোচকগণ প্রধান অভিনেতা-অভিনেত্রীর অভিনয়ের ব্যাপারে প্রশংসা করেন। লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস ওয়াটসন এবং তাঁর সহকর্মীদের ব্যাপারে বলেছে যা, তাঁরা পূর্বের তুলনায় অধিক পরিপক্কতার পরিচয় দিয়েছেন।[২০] এদিকে দ্য টাইমস চলচ্চিত্রের পরিচালক ক্রিস কলম্বাসকে সমালোচনা করে বলেছে, চলচ্চিত্রে ওয়াটসনের জনপ্রিয় চরিত্রকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া হয়নি।[২১] ওয়াটসনের এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য জার্মান ম্যাগাজিন ব্র্যাভো তাঁকে অটো অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করে।[২২]

২০০৪ সালে হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অফ আজকাবান প্রকাশিত হয়। এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য এমা ওয়াটসনের প্রশংসা করা হয় এবং বলা হয়, তাঁর চরিত্রটি “মনোমুগ্ধকর” এবং “অভিনয়ের জন্য একটি দারুণ চরিত্র”।[২৩] সমালোচকগণ রেডক্লিফের অভিনয়কে কদর্য বলে আখ্যায়িত করলেও ওয়াটসনের অভিনয়ের প্রশংসা করেছে। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস ওয়াটসনের অভিনয়ের গুণকীর্তন করে বলেছে, “সৌভাগ্যক্রমে রেডক্লিফের নম্র অভিনয় ওয়াটসনের তীক্ষ্ম অধীরতা দ্বারা ঢাকা পড়েছে। কিন্তু হারমায়োনি সবচেয়ে বেশি সাধুবাদ অর্জন করেছে।“[২৪] যদিও প্রিজনার অফ আজকাবা হ্যারি পটার সিরিজের সবচেয়ে কম ব্যবসায়িক সাফল অর্জনকারী চলচ্চিত্র, কিন্তু এতে ওয়াটসনের ব্যক্তিগত অভিনয় তাঁকে দুইটি অটো অ্যাওয়ার্ড এবং টোটাল ফিল্ম ম্যাগাজিনের চাইল্ড পারফরম্যান্স অফ দ্য ইয়ার এনে দিয়েছে।[২৫][২৬][২৭]

২০০৭ সালে গ্র্যাউম্যান চাইনিজ থিয়েটারে ওয়াটসন তাঁর ভক্তদের অটোগ্রাফের জন্য স্বাক্ষর দিচ্ছে।
গ্র্যাউম্যান চাইনিজ থিয়েটারের বাইরে কংক্রীট খন্ডে (বাঁ থেকে) এমা ওয়াটসন, ড্যানিয়েল রেডক্লিফরুপার্ট গ্রিন্টের হাতের ছাপ।
(বাঁ থেকে) এমা ওয়াটসন, ড্যানিয়েল রেডক্লিফরুপার্ট গ্রিন্টের হাতের, পায়ের এবং জাদুদন্ডের ছাপ।

২০০৫ সালে হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অফ ফায়ার প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে এমা ওয়াটসন এবং হ্যারি পটার সিরিজ উভয়ই নতুন মাইলফলক অর্জন করে। প্রকাশের প্রথম সপ্তাহেই চলচ্চিত্রটি রেকর্ড ভঙ্গ করে। সমালোচকগণ ওয়াটসন ও তাঁর সহ-অভিনেতাদের ক্রমাগত পরিপক্কতার প্রশংসা করেন। দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস ওয়াটসনকে অতি আন্তরিক বলে অভিহিত করেছে।[২৮] ওয়াটসন ও তাঁর প্রধান দুই সহ-অভিনেতাদের পরিপক্কতা বৃদ্ধির সাথে সাথে মানসিক অবস্থারও পরিবর্তন ঘটতে থাকে। ওয়াটসন বলেছে, “আমি সমস্ত তর্ক-বিতর্ক পছন্দ করতাম...আমি মনে করি এটা অনেক বেশি বাস্তবধর্মী যে তাঁরা তর্ক করবে এবং এক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি হবে।”[২৯] এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ওয়াটসন তিনটি পুরস্কারের জন্য মনোনীট হন এবং ব্রোঞ্জ অটো অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।[৩০][৩১][৩২] পরবর্তিতে ওয়াটসন সবচেয়ে কম বয়সী ব্যক্তি হিসেবে টিন ভগ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে উপস্থিত হন।[৩৩] ২০০৬ সালে ওয়াটসন বাকিংহাম প্রাসাদে রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথের ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত হ্যারি পটারের একটি ক্ষুদ্র সংস্করণে হারমায়োনির ভূমিকায় অভিনয় করেন।[৩৪]

হ্যারি পটার সিরিজের পঞ্চম চলচ্চিত্র হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্স ২০০৭ সালে প্রকাশিত হয়। চলচ্চিত্রটি বহুল পরিমাণে ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করে। অবমুক্তির প্রথম সপ্তাহেই চলচ্চিত্রটি বিশ্বব্যাপী ৩৩২.৭ মিলিয়ন ডলার আয় করে।[৩৫] এই চলচ্চিত্রে সবচেয়ে উত্তম নারী অভিনেত্রী হিসেবে এমা ওয়াটসন ন্যাশনাল মুভি অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে।[৩৬] ওয়াটসন ও হ্যারি পটার চলচ্চিত্রের খ্যাতি ক্রমেই বৃদ্ধি পেতে থাকে। ২০০৭ সালের ৯ জুলাই ওয়াটসন, ড্যানিয়েল রেডক্লিফ ও রুপার্ট গ্রিন্ট গ্র্যাউম্যান চাইনিজ থিয়েটারে তাঁদের হাত, পা ও জাদুদন্ডের ছাপ মুদ্রিত করে।[৩৭]

অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্স এর সাফল্য সত্ত্বেও হ্যারি পটার চলচ্চিত্রের সিরিজের ভবিষ্যৎ সন্দিহান হয়ে পড়ে। প্রধান তিন অভিনেতা-অভিনেত্রীই সিরিজের শেষ দুইটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য চুক্তির ব্যাপারে দ্বিধাদ্বন্দ অনুভব করেন।[৩৮] রেডক্লিফ অবশেষে ২০০৭ এর ২ মার্চে চুক্তি করে।[৩৮] কিন্তু ওয়াটসন তুলনামূলকভাবে অধিক দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন।[৩৯] তিনি বলেন যে, সিদ্ধান্তটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ; কারণ এই চুক্তির ফলে পরবর্তি চার বছর ধরে তাঁকে দুইটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সময় দিতে হবে। অবশেষে তিনি স্বীকার করেন যে, তিনি আর হারমায়োনির চরিত্র চালিয়ে যেতে দিবেন না।[৪০] ২৩ মার্চ ২০০৭ এ ওয়াটসন চুক্তি করেন।[৪১] এই দুইটি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ওয়াটসনের পারিশ্রমিক দ্বিগুণ করে ২ মিলিয়ন পাউন্ডে পরিণত করা হয়।[৪২] সিরিজের ষষ্ঠ চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণ ২০০৭ এর শেষের দিকে শুরু হয়। ওয়াটসন ২০০৮ এর ১৮ ডিসেম্বর থেকে ১৭ মে পর্যন্ত এই চলচ্চিত্রের অভিনয়ের কাজ করেন।[৪৩][৪৪]

হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্সের প্রথম অভিনয় শুরু হয় ১৫ জুলাই ২০০৯।[৪৫] তবে এর কার্যক্রম ২০০৮ এর নভেম্বরে শুরু হওয়ার কথা ছিল।[৪৬] এ সময়ে প্রধান তিন অভিনেতা-অভিনেত্রীই তাদের বয়ঃসন্ধিকালের শেষ পর্যায়ে উপনীত হন। সমালোচকগণ চলচ্চিত্রটির পর্যালোচনার জন্য ক্রমেই আগ্রহী হয়ে উঠছিলেন। লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস এই চলচ্চিত্রকে “যুক্তরাজ্যের সমকালীন অভিনয়ের সর্বাঙ্গীন নির্দেশিকা” বলে অভিহিত করে।[৪৭] ওয়াটসন তাঁর সবচেয়ে উত্তম অভিনয় এতে প্রদর্শন করবেন বলে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট আশা প্রকাশ করে।[৪৮] দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ প্রধান তিন অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সম্পর্কে বলে, “তাঁরা এখন নব-মুক্তির স্বাদপ্রাপ্ত ও উদ্দীপনাসম্পন্ন, তাঁরা তাদের সর্বোত্তম অভিনয় কুশলতা প্রদর্শন করতে আগ্রহী।“[৪৯]

ওয়াটসনের হ্যারি পটার সিরিজের সর্বশেষ চলচ্চিত্র হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস এ অভিনয়ের কাজ ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০০৯ এ শুরু হয়ে ১২ জুন ২০১০ এ শেষ হয়।[৫০] and ended on 12 June 2010.[৫১] আর্থিক ও পান্ডুলিপিগত কারণে মূল বইটির কাহিনীকে দুই খন্ডে বিভক্ত করে দুইটি চলচ্চিত্র নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।[৫২][৫৩] হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস এর প্রথম এবং দ্বিতীয় পর্ব যথাক্রমে নভেম্বর ২০১০ ও জুলাই ২০১১ এ প্রকাশিত হবে বলে নির্ধারিত হয়েছে।[৫৪]

অন্যান্য অভিনয় কর্ম[সম্পাদনা]

হ্যারি পটের ব্যতীত এমা ওয়াটসনের অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র হল ব্যালেট সুজ, যা ২০০৭ সালে প্রকাশিত হয়। ঔপন্যাসিক নোয়েল স্ট্রিটফিল্ড রচিত একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে এই চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়।[৫৫][৫৬] চলচ্চিত্রটির পরিচালক স্যান্ড্রা গোল্ডব্যাচার মন্তব্য করেছিলেন যে, চলচ্চিত্রের উচ্চাকাঙ্খী অভিনেত্রী পলিন ফিসেলের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ওয়াটসন “অত্যন্ত উপযুক্ত”; “সে তীব্র, সূক্ষ্ম মনোভাবের অধিকারী।“[৫৭] চলচ্চিত্রটি ২০০৭ সালে যুক্তরাজ্যে প্রচারিত হয়। সমালোচকদের পর্যালোচনায় এটি অপ্রশংসনীয় হওয়া সত্ত্বেও প্রায় ৫.৭ মিলিয়ন দর্শক চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন।[৫৮][৫৯][৬০][৬১][৬২]

ওয়াটসন অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র দ্য টেল অফ ডেসপ্যারক্স-এ প্রিন্সেস পী-এর চরিত্রে কন্ঠ দিয়েছেন। ম্যাথিউ ব্রোডরিক অভিনীত এই চলচ্চিত্রটি একটী শিশু-চলচ্চিত্র। এটি ২০০৮ এর ডিসেম্বরে প্রকাশিত হয় এবং বিশ্বব্যাপী প্রায় ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে।[৬৩] The Tale of Despereaux was released in December 2008 and grossed $87 million worldwide.[৫]

২০০৮ এর এপ্রিলে এমা ওয়াটসন নেপোলিয়ন এন্ড বেটসি নামক আসন্ন চলচ্চিত্রে “বেটসি” বোনাপার্ট-এর চরিত্রে অভিনয় করেছে বলে গুজব ছড়ায়। কিন্তু তাঁর ওয়েবসাইটে বলা হয় যে, এ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের ব্যাপারে ওয়াটসন কোন চুক্তি করেননি এবং চলচ্চিত্রটি প্রকাশে ব্যর্থ হয়।[৬৪][৬৫][৬৬] ওয়াটসন চলচ্চিত্রে বা টেলিভিশন নাটকে অভিনয়ের পরিবর্তে পড়ালেখার প্রতি অধিক মনোযোগ প্রদান করেন।[৬৭]

২০১০ সালের মে মাসে ওয়াটসন দ্য পার্কস অফ বিয়িং এ ওয়ালফ্লাওয়ার উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রে অভিনয় করবে বলে খবরে প্রকাশিত হয়।[৬৮] ওয়ান নাইট অনলি ব্যন্ডের প্রধান গায়ক জর্জ ক্রেইগের সাথে সাক্ষাতের পর একই মাসে তিনি ঘোষণা দেন যে, ব্যান্ডটির একটি সঙ্গীত ভিডিওতে তিনি অংশ নেবেন। হ্যারি পটার চলচ্চিত্র সিরিজে জরিত হওয়ার পর একটি গীতি চলচ্চিত্রে অভিনয়েরও ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন ওয়াটসন।[৬৯] ওয়াটসন অভিনীত “সে ইউ ডোন্ট ওয়ান্ট ইট” শীর্ষক সঙ্গীত ভিডিওটি ২০১০ এর ২৬ জুনে চ্যানেল ৪-এ প্রথম প্রচারিত হয় এবং ১৬ অগাস্টে অবমুক্ত হয়।[৭০]

ফ্যাশন ও মডেলিং[সম্পাদনা]

ওয়াটসন যতই বয়সে পরিণত হতে থাকে, ততই তিনি ফ্যাশন অনুরাগী হয়ে ওঠেন। তিনি বলেছেন যে, ফ্যাশনকে তিনি শিল্পের সদৃশ মনে করেন এবং এ বিষয়ে তিনি বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেছিলেন। ২০০৮ এর সেপ্টেম্বরে তিনি একটি ব্লগে উল্লেখ করেন যে, আমি শিল্পের প্রতি বেশি মনোযোগ প্রদান করছি এবং তার চেয়েও বেশি মনোযোগ প্রদান করছি ফ্যাশনে।[৭১]

২০০৮ সালে ব্রিটেনে সংবাদ প্রকাশিত হয় যে, ফ্যাশন হাউস চ্যানেলের বিপণন মডেল হিসেবে কিরা কিরা নাইটলির পরিবর্তে অভিনয় করবেন। কিন্তু পরবর্তিতে ওয়াটসন ও নাইটলি উভয়ই স্পষ্টভাবে এর অস্বীকার করেন।[৭২][৭৩] কয়েক মাসের অবিরত গুজবের পর ২০০৯ এর জুনে ওয়াটসন নিশ্চিত করেন যে, তিনি ফ্যাশন হাউস বারবারির বিপণন মডেল হবেন এবং তাকে নির্ধারিত পারিশ্রমিকের চেয়ে প্রায় ছয় গুণ পারিশ্রমিক প্রদান করা হবে।[৭৪][৭৫][৭৬] পরবর্তিতে ২০১০ সালে বারবারির বসন্ত/গ্রীষ্মের ক্যাম্পেইনে ছোট ভাই অ্যালেক্স, গায়ক জর্জ ক্রেইগ ও ম্যাট গিলমারের সাথে ওয়াটসন উপস্থিত হন।[৭৭][৭৮]

২০০৯ এর সেপ্টেম্বরে ওয়াটসন পিপল ট্রি নামক একটি বাণিজ্য মেলার ব্র্যান্ডের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততার ঘোষণা দেন।[৭৯] পিপল ট্রি-এর বসন্তকালীন পোশাক সম্ভার তৈরীতে ‘সৃজনশীল উপদেষ্টা’ হিসেবে কাজ করেন। এসব পোশাক ২০১০ এর ফেব্রুয়ারীতে অবমুক্ত করা হয়[৭৯][৮০] এবং এতে ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চল থেকে সিটি অফ লন্ডনের সমকালীন ফ্যাশনের ধারা ব্যবহৃত হয়।[৮০][৮১] দ্য টাইমস এই পোশাক সম্ভারকে “আটপিঠে” অভিহিত করে।[৮২] এছাড়া ইউ ম্যাগাজিন, হিট, টিন ভগ,[৮৩] কসমোপলিটন, পিপল সহ বিভিন্ন ট্যাবলয়েডে এসব পোশাক সম্বন্ধে তথ্য প্রচারিত হয়। তবে এতে কাজ করার জন্য ওয়াটসন কোনো পারিশ্রমিক পাননি।[৮৪] তিনি বলেছেন, “মানুষকে দক্ষ করতে এবং তাদের ক্ষমতায়নের জন্য ফ্যাশন একটি দারুণ উপায়। সাহায্যপ্রার্থী মানুষকে সহায়তার জন্য তাদেরকে নগদ অর্থ দান করার চেয়ে তাদের তৈরী পোশাক ক্রয় করা উত্তম।“[৮৫] তিনি আরো বলেন, “আমি মনে করি আমার মত তরুণেরা অগ্রসরমান ফ্যাশনকে ঘিরে মানবতাবাদের ব্যাপারে অধিক সচেতন হচ্ছে।“[৮২] পরবর্তিতে পিপল ট্রি-এর শরৎ/শীতকালীন পোশাক সম্ভারের নকশার জন্যেও ওয়াটসন কাজ করেন।[৮৬]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

২০০৯ এর জুলাইয়ে হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্সের প্রিমিয়ারে ওয়াটসন।

ওয়াটসনের বিবাহবিচ্ছেদপ্রাপ্ত মা ও বাবা প্রত্যকেই ইতোঃমধ্যে তাদের অংশীদার জুটিয়ে ফেলেন। ওয়াটসনের বাবার টোবি নামে একটি পুত্র সন্তান এবং দুইজন জমজ কন্যা সন্তান হয়। কন্যা সন্তানদ্বয়ের একজনের নাম নিনা ও অন্যজনের লুসি।[৮৭] ওয়াটসনের মায়ের আবার দুইটি পুত্র সন্তান হয়। তাঁরা (ওয়াটসনের সৎ ভাইদ্বয়) প্রায়ই ওয়াটসনের সাথে থাকেন।[৮৮] ওয়াটসনের আপন ভাই, আলেকজান্ডার অতিরিক্ত অভিনেতা হিসেবে হ্যারি পটার সিরিজের দুইটি চলচ্চিত্রে আবির্ভূত হয়েছেন।[৭৮] এছাড়া ওয়াটসনের সৎ বোনদ্বয়ও বিবিসিতে প্রচারিত ব্যালেট সুজ-এ পলিন ফসিলের চরিত্রে অভিনয় করেন।[৮৭]

মা ও ছোটভাইসহ অক্সফোর্ডে স্থানান্তরের পর ওয়াটসন দ্য ড্রাগন স্কুলে ২০০৩ এর জুন পর্যন্ত পড়ালেখা করেছিলেন। পরবর্তিতে তিনি হেডিংটন স্কুলে ভর্তি হন। হেডিংটন স্কুল শুধু ছাত্রীদের জন্য পরিচালিত একটি ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্কুল, এটিও অক্সফোর্ডে অবস্থিত।[৭] চলচ্চিত্রের চিত্রগ্রহণের সময় ওয়াটসন ও তাঁর সহ-অভিনেতাগণ দিনে সর্বোচ্চ পাঁচ ঘন্টা পর্যন্ত পড়ালেখা করতেন।[৮৯] চলচ্চিত্রে অধিক সময় ব্যয় করলেও ওয়াটসন ভাল ফলাফল অব্যাহত রেখেছিলেন। ২০০৬ এর জুনে ওয়াটসন জিসিএসই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এতে তিনি ১০টি পাঠ্য বিষয়ের মধ্যে আটটিতে A* এবং দুইটিতে A গ্রেড অর্জন করেন।[৭][৯০] জিসিএসই পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্যে হ্যারি পটার সিরিজে অভিনয় সেটে তাকে নিয়ে সবাই ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করতো। ২০০৮ সালের এ লেভেল পরীক্ষাতে ওয়াটসন ইংরেজী সাহিত্য, ভূগোল ও মানবিকে A গ্রেড অর্জন করেন।[৯১] ২০০৭ সালে এএস (অ্যাডভান্সড সাবসিডিয়ারি) পরীক্ষাতে তিনি মানবিক ইতিহাস বিষয়েও A গ্রেড অর্জন করেন।[৭]

বিদ্যালয় ছাড়ার পর ওয়াটসন ২০০৯ এর ফেব্রুয়ারীতে[৫৩] হ্যারি পটার আন্ড দ্য দেথলি হ্যালোস এ অভিনয়ের জন্য এক বছরের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা হতে বিরতি নেন।[৯১] কিন্তু তিনি বলেছেন যে তিনি অবশ্যই সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চেয়েছিলেন।[৬৭] বিভিন্ন উৎস হতে খবর ছড়ায় যে তিনি নিশ্চিত ট্রিনিটি কলেজ, কেমব্রিজ;[৯২] কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটি;[৯৩][৯৪][৯৫] ব্রাউন ইউনিভার্সিটি বা ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে পরবেন।[৯৬] তবে ওয়াটসন এ ব্যাপারে জনস্মমুখে কোন মন্তব্য করতে অনাগ্রহী ছিলেন। তিনি আরো বলেন যে, তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাঁর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবেন।[৯৭] ২০০৯ এর জুলাই এ জোনাথোন রোস এবং ডেভিড লেটারম্যানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওয়াটসন বলেন যে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে লিবার‌্যাল আর্টস বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।[১] তিনি আরো বলেন, চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি বিদ্যালয়ে বেশি একটা সময় দিতে পারেননি। এজন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিস্তৃত পাঠ্যসূচি তাকে ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ে অধিক আকর্ষণ করেছে।[১৪] ২০০৯ এর জুলাই এ ওয়াটসনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয়বারের মত গুজব ছড়ায়।[৯৮] দ্য প্রোভিডেন্স জার্নাল খবরে প্রকাশ করে যা, অনিচ্ছা সত্ত্বেও ওয়াটসন রোড আইল্যান্ডের প্রোভিডেন্সে অবস্থিত ব্রাউন ইউনিভার্সিটি বেছে নিয়েছেন।[৯৯][১০০] কিন্তু সাক্ষাৎকারে ওয়াটসন তাঁর পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় সম্বন্ধে কিছু বলেননি। সাক্ষাৎকারে ড্যানিয়েল রেডক্লিফ বলেন যে, ২০০৯ এর সেপ্টেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবর্ষ শুরুর পরপরই হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স মুক্ত পাবে বলে নির্ধারিত হয়েছে।[১০১] ওয়াটসন বলেন, “আমি স্বাভাবিক থাকতে চাই...আমি এটা অন্যান্যদের মতই সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে চাই। যতক্ষণ না পর্যন্ত হ্যারি পটার-এর পোস্টার সর্বত্র দেখতে পাই, ততক্ষণ পর্যন্ত আমি স্বাভাবিক থাকবো।“[১০০]

জুলাই ২০০৭ নাগাদ, হ্যারি পটারে অভিনয়ের মাধ্যমে ওয়াটসন ১০ মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি আয় করেছেন। তিনি স্বীকার করেছেন যে, অর্থের জন্য তাকে কখনোই অভিনয় করতে হবে না।[৪] ২০০৯ এর মার্চে ফোর্বস ম্যাগাজিন ওয়াটসনকে বিশ্বের ষষ্ঠ মূল্যবান তরুণ তারকার মর্যাদা দেয়।[১০২] ২০১০ এর ফেব্রুয়ারীতে তিনি হলিউডের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত নারী তারকা হন। ২০০৯ এ তিনি প্রায় ১৯ মিলিয়ন পাউন্ড আয় করেন।[১০৩] কিন্তু পড়ালেখা ছেড়ে পুরোদস্তর অভিনেত্রী হওয়ার ব্যাপারে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তিনি এ ব্যাপারে বলেন, “মানুষ বুঝতে পারে না, কেন আমি এটা চাই না...বিদ্যালয় জীবন আমাকে আমার বন্ধুদের সান্নিধ্যে রাখে, বাস্তবতার সান্নিধ্যে রাখে”[১৩] শিশু অভিনেত্রী হিসেবে কাজ করার ব্যাপারে ওয়াটসন ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। তিনি বলেছেন যে, তাঁর অভিভাবক ও সহকর্মীবৃন্দ তাকে এই ইতিবাচক অভিজ্ঞতা অর্জনে সহায়তা করেছেন।[৩৩][৮৮][১০৪] ওয়াটসনের সাথে তাঁর সহকর্মী হ্যারি পটার তারকা ড্যানিয়েল রেডক্লিফ ও রুপার্ট গ্রিন্টের ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব রয়েছে। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, “অভিনয়ের কাজের চাপের জন্য এবং তাদের সাথে দশ বছর চলচ্চিত্র সিরিজে অভিনয়ের কারণে এখন তারা প্রকৃত অর্থেই সহোদরের মত।“[১৪]

ওয়াটসনের শখের মধ্যে রয়েছে নাচ, সঙ্গীত, ফিল্ড হকি,[১২][১০৫] টেনিস, শিল্পকলা[৭১] এবং তিনি ওয়াইল্ড ট্রাউট ট্রাস্টকে সমর্থন করেন।[১০৬][১০৭][১০৮] তিনি নিজেকে কিছুটা নারীবাদী মনে করেন।[১৩][৮৮] ওয়াটসন সহকর্মী অভিনেতা জনি ডেপ এবং জুলিয়া রবার্টস-এর ভক্ত।[১০৯]

চলচ্চিত্র তালিকা[সম্পাদনা]

বছর চলচ্চিত্র চরিত্রের নাম টীকা
২০০১ হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন হারমায়োনি গ্রেঞ্জার যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য সরসারার্স স্টোন নামে প্রকাশিত হয়।
মনোনীত - বেস্ট পারফরম্যান্স বাই এ ইয়ং অ্যাক্টর স্যাটার্ন অ্যাওয়ার্ড
মনোনীত - এম্পায়ার অ্যাওয়ার্ডস-এ বেস্ট ডেবিউ পুরস্কার
মনোনীত - বেস্ট ইয়ুথ পারফরম্যান্স পিএফসিএস অ্যাওয়ার্ড
জিতেছেন - বেস্ট পারফরম্যান্স ইন এ ফিচার ফিল্ম – লিডিং ইয়ং অ্যাক্ট্রেস ইয়ং আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড
২০০২ হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অফ সিক্রেটস মনোনীত - বেস্ট ইয়ুথ পারফরম্যান্স পিএফসিএস পুরস্কার
২০০৪ হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অফ আজকাবান মনোনীত - বেস্ট ইয়ং অ্যাক্ট্রেস ক্রিটিক্স চয়েস পুরস্কার
২০০৫ হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অফ ফায়ার মনোনীত - বেস্ট ইয়ং অ্যাক্ট্রেস ক্রিটিক্স চয়েস পুরস্কার
মনোনীত - বেস্ট অন-স্ক্রিন অ্যাক্ট্রেস এমটিভি মুভি পুরস্কার
২০০৭ হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্স মনোনীত - এমপায়ার অ্যাওয়ার্ডস-এ বেস্ট অ্যাক্ট্রেস পুরস্কার
জিতেছেন - বেস্ট পারফরম্যান্স বাই এ ফিমেল ন্যাশনাল মুভি অ্যাওয়ার্ড
ব্যালেট সুজ পলিন ফসিল বিবিসি ওয়ান এ প্রদর্শিত টেলিভিশন চলচ্চিত্র
২০০৮ দ্য টেল অফ ডেসপ্যারক্স প্রিন্সেস পী কন্ঠ প্রদান
২০০৯ হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স হারমায়োনি গ্রেঞ্জার মনোনীত - বেস্ট অ্যাক্ট্রেস স্ক্রিম অ্যাওয়ার্ডস
২০১০/২০১১ হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোস প্রকাশের তারিখ: পর্ব ১: ১৯ নভেম্বর ২০১০ পর্ব ২: ১৫ জুলাই ২০১১ (যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য)

পুরস্কার[সম্পাদনা]

বছর পুরস্কার বিভাগ চলচ্চিত্র ফলাফল
২০০২ ইয়ং আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড বেস্ট পারফরম্যান্স ইন এ ফিচার ফিল্ম – লিডিং ইয়ং অ্যাক্ট্রেস হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন পুরস্কারপ্রাপ্ত[১৯]
২০০২ অ্যাকাডেমি অফ সাইন্স ফিকশন, ফ্যান্টাসি অ্যান্ড হরর ফিল্মস স্যাটার্ন অ্যাওয়ার্ড হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন মনোনীত[১১০]
২০০২ এম্পায়ার এম্পায়ার অ্যাওয়ার্ড হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন মনোনীত[১১১]
২০০২ অ্যামেরিকান মুভিগোর অ্যাওয়ার্ডস আউটস্ট্যান্ডিং সাপোর্টিং অ্যাক্ট্রেস হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন মনোনীত[১১২]
২০০২ ইয়ং আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড বেস্ট ইনসেম্বল ইন ফিচার ফিল্ম হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন মনোনীত[১৯]
২০০৩ অটো অ্যাওয়ার্ডস বেস্ট ফিমেল ফিল্ম স্টার (স্টার) হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অফ সিক্রেটস পুরস্কারপ্রাপ্ত[২২]
২০০৪ অটো অ্যাওয়ার্ডস বেস্ট ফিমেল ফিল্ম স্টার (স্টার) হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অফ আজকাবান পুরস্কারপ্রাপ্ত[২৫]
২০০৪ টোটাল ফিল্ম চাইল্ড পারফরম্যান্স অফ দ্য ইয়ার হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অফ আজকাবান পুরস্কারপ্রাপ্ত[২৭]
২০০৪ ব্রডক্যাস্ট ফিল্ম ক্রিটিক্স অ্যাসোসিয়েশন বেস্ট ইয়ং অ্যাক্ট্রেস হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অফ আজকাবান মনোনীত[১১৩]
২০০৫ অটো অ্যাওয়ার্ডস বেস্ট ফিমেল ফিল্ম স্টার (গোল্ড) হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অফ আজকাবান পুরস্কারপ্রাপ্ত[২৬]
২০০৫ ব্রডক্যাস্ট ফিল্ম ক্রিটিক্স অ্যাসোসিয়েশন বেস্ট ইয়ং অ্যাক্ট্রেস হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অফ ফায়ার মনোনীত[৩১]
২০০৬ অটো অ্যাওয়ার্ডস বেস্ট ফিমেল ফিল্ম স্টার (ব্রোঞ্জ) হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অফ ফায়ার পুরস্কারপ্রাপ্ত[৩০]
২০০৬ এমটিভি মুভি অ্যাওয়ার্ডস বেস্ট অন-স্ক্রিন টিম হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অফ ফায়ার মনোনীত[৩২]
২০০৭ আইটিভি ন্যাশনাল ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড বেস্ট ফিমেল পারফরম্যান্স হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্স পুরস্কারপ্রাপ্ত[৩৬]
২০০৭ নিকেলোডিয়ন কিডস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস বেস্ট মুভি অ্যাক্ট্রেস হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্স পুরস্কারপ্রাপ্ত[১১৪]
২০০৮ সনি এরিকসন এম্পায়ার অ্যাওয়ার্ডস বেস্ট অ্যাক্ট্রেস হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্স মনোনীত[১১৫]
২০০৮ কন্সটিলেশন অ্যাওয়ার্ড বেস্ট ফিমেল পারফরম্যান্স হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্স পুরস্কারপ্রাপ্ত[১১৬]
২০০৮ অটো অ্যাওয়ার্ডস বেস্ট ফিমেল ফিল্ম স্টার (গোল্ড) হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্স পুরস্কারপ্রাপ্ত[১১৭]
২০০৮ সিফি জেনার অ্যাওয়ার্ড বেস্ট অ্যাক্ট্রেস হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্স পুরস্কারপ্রাপ্ত[১১৮]
২০০৮ গ্ল্যামার অ্যাওয়ার্ডস বেস্ট ইউকে টিভি অ্যাক্ট্রেস ব্যালেট সুজ মনোনীত[১১৯]
২০০৯ স্ক্রিম অ্যাওয়ার্ডস বেস্ট ফ্যান্টাসি অ্যাক্ট্রেস হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স মনোনীত[১২০]
২০১০ ন্যাশনাল মুভি অ্যাওয়ার্ড পারফরম্যান্স অফ দ্য ইয়ার হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স মনোনীত[১২১]
২০১০ এমটিভি মুভি অ্যাওয়ার্ডস বেস্ট ফিমেল পারফরম্যান্স হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স মনোনীত[১২২]
২০১০ টিন চয়েস অ্যাওয়ার্ডস অ্যাক্ট্রেস ফ্যান্টাসি হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ-ব্লাড প্রিন্স মনোনীত[১২৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ "Emma Watson". The Late Show with David Letterman (CBS). 8 July 2009.
  2. Kehr, Dave। "Emma Watson"। The New York Times। সংগৃহীত 12 January 2008 
  3. "Daniel Radcliffe, Rupert Grint and Emma Watson to Reprise Roles in the Final Two Installments of Warner Bros. Pictures' Harry Potter Film Franchise" (Press release)। Warner Bros.। 23 March 2007। সংগৃহীত 23 March 2007 
  4. ৪.০ ৪.১ Stenzhorn, Stefan (27 July 2007)। "Potter star Watson "rich enough to retire""RTÉ.ie Entertainment। সংগৃহীত 27 July 2007 
  5. ৫.০ ৫.১ "The Tale of Despereaux"Box Office Mojo। সংগৃহীত 16 April 2010 
  6. Gould, Lara (5 August 2007)। "Hermione Set for BBC Role"The Sunday Mirror। সংগৃহীত 6 August 2007 
  7. ৭.০ ৭.১ ৭.২ ৭.৩ ৭.৪ "Life & Emma"Official website। সংগৃহীত 16 April 2010 
  8. "Warner Bros. Official site"(Flash: click appropriate actor's image, click "Actor Bio")। harrypotter.warnerbros.co.uk। সংগৃহীত 28 March 2006 
  9. Barlow, Helen। "A life after Harry Potter"The Sydney Morning Herald। সংগৃহীত 16 March 2006 
  10. ১০.০ ১০.১ ১০.২ Watson, Emma। "Emma"। Emma Watson's Official Website। সংগৃহীত 3 August 2007 
  11. Reece, Damian (4 November 2001)। "Harry Potter drama school to float"। London: Telegraph। সংগৃহীত 8 March 2010 
  12. ১২.০ ১২.১ Watson, Emma। "Emma & Screen"। Official Website। সংগৃহীত 16 April 2010 
  13. ১৩.০ ১৩.১ ১৩.২ Listfield, Emily (8 July 2007)। "We're all so grown up!"Parade। সংগৃহীত 3 August 2007 
  14. ১৪.০ ১৪.১ ১৪.২ "Emma Watson". Friday Night with Jonathan Ross (BBC One). 5 July 2009. http://www.bbc.co.uk/iplayer/episode/b00ldxcl/Friday_Night_with_Jonathan_Ross_Series_16_Episode_22/. 7:40–19:40 minutes in.
  15. "Harry Potter magically shatters records"Hollywood.com। 18 November 2001। আসল থেকে 30 May 2012-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 21 September 2007 
  16. "2001 Worldwide Grosses"Box Office Mojo। সংগৃহীত 29 May 2007 
  17. Hiscock, John (4 November 2007)। "Magic is the only word for it"The Daily Telegraph (London)। সংগৃহীত 23 September 2007 
  18. Linder, Brian (17 November 2001)। "Review of Harry Potter and the Sorcerer's Stone"IGN। সংগৃহীত 23 September 2007 
  19. ১৯.০ ১৯.১ ১৯.২ "2002 nominations and winners"। Young Artist's Awards। সংগৃহীত 13 September 2007 
  20. Kenneth Turan (15 November 2002)। "Harry Potter and the Chamber of Secrets"Los Angeles Timesআসল থেকে 28 December 2005-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 22 September 2007 
  21. Ellen, Barbara (14 November 2002)। "Film of the week"The Times (London)। সংগৃহীত 23 September 2007 
  22. ২২.০ ২২.১ "Bravo Otto – Sieger 2003" (German ভাষায়)। Bravo magazine। সংগৃহীত 22 September 2007 
  23. Trout, Jonathon (1 June 2004)। "Daniel Radcliffe, Rupert Grint, Emma Watson"। BBC। সংগৃহীত 3 August 2007 
  24. A. O. Scott (3 June 2004)। "Harry Potter and the Prisoner of Azkaban: Film review"The New York Times। সংগৃহীত 23 September 2007 
  25. ২৫.০ ২৫.১ "Dan Wins Another Otto Award"। DanRadcliffe.com। সংগৃহীত 13 September 2007 
  26. ২৬.০ ২৬.১ "Bravo Otto Awards 2005" (Press release) (German ভাষায়)। Presseportal.com। আসল থেকে 2007-10-11-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 13 September 2007 
  27. ২৭.০ ২৭.১ "Emma Watson wins award"HPANA। 4 November 2004। সংগৃহীত 22 September 2007 
  28. Dargis, Manohla (17 November 2005)। "The Young Wizard puts away childish things"The New York Times। সংগৃহীত 24 September 2007 
  29. "Daniel Radcliffe, Emma Watson and Rupert Grint"। IGN। 15 November 2005। সংগৃহীত 3 August 2007 
  30. ৩০.০ ৩০.১ "Dan & Emma win Bravo Otto awards"। HPANA। 8 May 2006। সংগৃহীত 22 September 2007 
  31. ৩১.০ ৩১.১ "Goblet of Fire awards"Broadcast Film Critics Associationআসল থেকে 29 December 2007-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 13 September 2007 
  32. ৩২.০ ৩২.১ Carroll, Larry (24 April 2006)। "Alba, Carell, 'Crashers,' 'Virgin' Big Nominees For MTV Movie Awards"। MTV। সংগৃহীত 22 September 2007 
  33. ৩৩.০ ৩৩.১ Horn, Steven (26 June 2007)। "Interview with Emma Watson"। IGN। সংগৃহীত 30 September 2007 
  34. "New Harry Potter scene for queen"। BBC News। 12 June 2006। সংগৃহীত 6 August 2007 
  35. "All Time worldwide opening records"Box Office Mojo। সংগৃহীত 25 September 2007 
  36. ৩৬.০ ৩৬.১ Pryor, Fiona (28 September 2007)। "Potter wins film awards hat-trick"BBC News। সংগৃহীত 29 September 2007 
  37. Howell, Peter (11 January 2008)। "Stardom fades, but cement lives on"The Toronto Star। সংগৃহীত 22 January 2008 
  38. ৩৮.০ ৩৮.১ "Harry Potter Will Be Played By Daniel Radcliffe In Final Two Flicks"MTV.com। 2 March 2007। সংগৃহীত 18 April 2009 
  39. "Will Harry Potter lose one of its stars?"Newsweek। 2 October 2006। আসল থেকে 5 October 2006-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 25 September 2007 
  40. "Hermione is back"news.com.au। 25 March 2007। সংগৃহীত 12 April 2009 
  41. Edidin, Peter (24 March 2007)। "Gang's all here"New York Times। সংগৃহীত 12 April 2009 
  42. Boshoff, Alison (12 July 2007)। "Worth £8m and preparing to be the face of Chanel, Emma Watson is a girl with a magic touch"The Daily Mail (London)। সংগৃহীত 18 April 2009 
  43. Watson, Emma (28 November 2007)। "Ballet Shoes interviews"। Emma Watson's official website news। সংগৃহীত 12 April 2009 
  44. Watson, Emma (22 May 2008)। "Ballet Shoes interviews"। Emma Watson's official website news। সংগৃহীত 12 April 2009 
  45. "Harry Potter And The Half-Blood Prince Global Release Dates"। Warner Bros. Pictures। সংগৃহীত 14 August 2010 
  46. "Potter film release date delayed"। BBC News। 15 August 2008। সংগৃহীত 28 July 2009 
  47. Turan, Kenneth (14 July 2009)। "Review: 'Harry Potter and the Half-Blood Prince'"Los Angeles Times। সংগৃহীত 28 July 2009 
  48. Kois, Dan (14 July 2009)। "Critic Review for Harry Potter and the Half-Blood Prince"The Washington Post। সংগৃহীত 28 July 2009 
  49. Sandhu, Sukhdev (16 July 2009)। [newly-liberated and energized, eager to give all they have to what’s left of the series "Harry Potter and the Half-Blood Prince, review"] |url= স্কিম পরীক্ষা করুন (সাহায্য)The Daily Telegraph 
  50. Watson, Emma (17 February 2009)। "Filming begins"। Emma Watson's official website news। সংগৃহীত 12 April 2009 
  51. "Emmawatson.net your number 1 source for Emma Watson"। Emma-watson.net। 
  52. Jack Malvern (14 March 2008)। "Longer spell at box office for Harry Potter"। The Times। 
  53. ৫৩.০ ৫৩.১ Olly Richards (14 March 2008)। "Potter Producer Talks Deathly Hallows"। Empire। সংগৃহীত 14 March 2008 
  54. "Final 'Harry Potter' book will be split into two movies"। The Los Angeles Times। 12 March 2008। সংগৃহীত 12 March 2008 
  55. Warman, Matt (21 December 2007)। "Dancing towards their dreams"। London: The Daily Telegraph। সংগৃহীত 12 January 2008 
  56. Pielou, Adriaane (26 December 2007)। "Ballet Shoes saw me through"। London: The Daily Telegraph। সংগৃহীত 1 January 2008 
  57. "A Christmas treat for all the family" (Press release)। BBC। আসল থেকে 30 November 2007-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 1 January 2008 
  58. "BBC One Transmission Details, weeks 52/1" (Press release)। BBC। আসল থেকে 9 December 2007-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 1 January 2008 
  59. Tryhorn, Chris (27 December 2007)। "Viewers sold on Old Curiosity Shop"। London: The Guardian। সংগৃহীত 1 January 2008 
  60. Wollaston, Sam (27 December 2007)। "Last Night's TV"। London: The Guardian। সংগৃহীত 1 January 2008 
  61. Teeman, Tim (27 December 2007)। "Last Night's TV"। London: The Times। সংগৃহীত 1 January 2008 
  62. Walton, James (27 December 2007)। "Ballet Shoes"। London: The Daily Telegraph। সংগৃহীত 1 January 2008 
  63. Watson, Emma। "Filmography"। Official website। সংগৃহীত 16 April 2010 
  64. "Emma Watson in Napoleon and Betsy"। Empire Movies। 18 April 2008। সংগৃহীত 12 April 2009 
  65. "Harry Potter's Emma Watson to play Napoleon's lover"The Daily Mirror। 19 April 2008। সংগৃহীত 12 April 2009 
  66. "Life & Emma"। Official website। সংগৃহীত 17 April 2010 
  67. ৬৭.০ ৬৭.১ Long, Camilla (7 December 2008)। "What next in life for Emma Watson"Times Online (London)। সংগৃহীত 10 December 2008 
  68. McNary, Dave (19 May 2010)। "Watson, Lerman in talks for 'Perks'"। Variety। সংগৃহীত 16 July 2010 
  69. Jones, Miss (5 May 2010)। "Harry Potter star debuts new image for One Night Only single."। News Of The World। সংগৃহীত 27 June 2010 
  70. "Say You Don't Want It" 
  71. ৭১.০ ৭১.১ "Emma Watson's Other Options"Teen Vogue। 18 September 2008। সংগৃহীত 12 April 2009 
  72. Neate, Rupert (19 June 2008)। "Chanel: 'No contract' for Harry Potter's Emma Watson"। London: The Daily Telegraph। সংগৃহীত 18 April 2009 
  73. Kay, Nathan (15 June 2008)। "Chanel casts a £3million spell on Mademoiselle Hermione"। London: The Daily Mail। সংগৃহীত 18 April 2009 
  74. Nicholl, Kate (12 April 2009)। "That's magic – Potter star Emma Watson makes her competition vanish"Daily Mail (London)। সংগৃহীত 12 April 2009 
  75. "Burberry and Hermione photos"। Emma Watson official website news। 13 June 2009। সংগৃহীত 17 April 2010 
  76. Craik, Laura (9 June 2009)। "Harry Potter star Emma Watson charms Burberry"The Evening Standard। সংগৃহীত 28 June 2009 
  77. Alexander, Hilary (5 January 2010)। "Emma Watson is Burberry's spring/summer 2010 poster girl"। London: The Daily Telegraph। সংগৃহীত 17 April 2010 
  78. ৭৮.০ ৭৮.১ "Thanks, big sis! It's a Watson double act as Emma recruits her brother for Burberry"। London: The Daily Mail। 7 January 2010। সংগৃহীত 17 April 2010 
  79. ৭৯.০ ৭৯.১ Holmes, Rachael (17 September 2009)। "Emma Watson launches ethical fashion range with People Tree"। London: The Guardian। সংগৃহীত 17 April 2010 
  80. ৮০.০ ৮০.১ "People Tree"। Official website। সংগৃহীত 17 April 2010 
  81. "People Tree collaborates with Emma Watson"। Peopletreeyouth.co.uk। সংগৃহীত 8 March 2010 
  82. ৮২.০ ৮২.১ Olins, Alice (13 January 2010)। "Emma Watson burnishes her ethical fashion credentials"। London: The Times। সংগৃহীত 17 April 2010 
  83. Milligan, Lauren (1 February 2010)। "Ethical Emma"Teen Vogue। সংগৃহীত 17 April 2010 
  84. Alexander, Hilary (29 January 2010)। "Emma Watson models her range for People Tree"। London: The Daily Telegraph। সংগৃহীত 17 April 2010 
  85. Williams, Amy (5 February 2010)। "Emma Watson weaves fashion magic as she unveils her new fair-trade clothing range"। London: The Daily Mail। সংগৃহীত 17 April 2010 
  86. "News"। সংগৃহীত 2 September 2010 
  87. ৮৭.০ ৮৭.১ Emma Watson. Herald Sun. 11 November 2007. Archived from the original on 15 November 2007. http://video.the-leaky-cauldron.org/video/901। সংগৃহীত হয়েছে 16 April 2010.
  88. ৮৮.০ ৮৮.১ ৮৮.২ Gordon, Jane (13 August 2007)। "Touched by magic: Harry Potter's Hermione"। সংগৃহীত 18 April 2009 
  89. Muir, Kate (15 May 2004)। "Cast Interviews"। London: The Times। সংগৃহীত 12 January 2008 
  90. "Pupils "sitting too many GCSEs""। BBC News। 24 August 2006। সংগৃহীত 27 May 2007 
  91. ৯১.০ ৯১.১ Tibbetts, Graham (14 August 2008)। "A-levels: Harry Potter actress Emma Watson gets straight As"। London: The Daily Telegraph। সংগৃহীত 10 December 2008 
  92. Walker, Tim (22 January 2009)। "Emma Watson chooses Cambridge rather than America"। London: The Daily Telegraph। সংগৃহীত 30 January 2009 
  93. Nocera, Kate (29 June 2009)। "Life after 'Harry Potter': Emma Watson is heading to Columbia University in the fall"। NYDailyNews। সংগৃহীত 3 July 2009 
  94. Smith, Lizzie (29 June 2009)। "'I'm hoping to fade into the background,' says cover girl Emma Watson on life after Harry Potter"। London: Daily Mail UK। সংগৃহীত 3 July 2009 
  95. "Emma Watson: life will be "over" after Potter | Celebla | TV ´s hottest gossip"। Celebla। সংগৃহীত 8 March 2010 
  96. "University 'nerd' Emma Watson"। The Boston Globe। 25 April 2009। সংগৃহীত 2 May 2009 
  97. Watson, Emma (15 April 2009)। "19th Birthday!"। Emma Watson's official website। সংগৃহীত 15 April 2009 
  98. Wootten, Dan (11 April 2009)। "Potter's girl leaves Hogwarts: Brainy Harry Potter star Emma Watson is flying off-to uni"News of the World 
  99. Ford, James (14 July 2009)। "Catching up with Emma Watson"Paste। সংগৃহীত 15 July 2009 
  100. ১০০.০ ১০০.১ "Emma Watson, of Potter fame, heading for Brown"The Providence Journal। 7 July 2009। 
  101. Watson, Emma (8 September 2009)। "Hi everyone"। Emma Watson's official website। সংগৃহীত 13 September 2009 
  102. Burman, John (10 March 2009)। "In Pictures: Hollywood's Most Valuable Young Stars"Forbes। সংগৃহীত 18 April 2009 
  103. "Harry Potter star Emma Watson is top-earning actress"BBC News (BBC)। 5 February 2010। সংগৃহীত 5 February 2010 
  104. Cawthorne, Alec (7 November 2007)। "Rupert Grint and Emma Watson"। BBC। সংগৃহীত 3 August 2007  লেখা "/rupert_grint_emma_watson_2001_interview.shtml " উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  105. "Harry Potter star plays in twinning event"। ThisIsOxfordshire। 11 April 2006। সংগৃহীত 16 April 2010 
  106. "Emma Watson donates items for WTT auction"Harry Potter Automatic News Aggregator। সংগৃহীত 19 May 2008 
  107. "Emma Watson donates items for WTT auction again"। Harry Potter Automatic News Aggregator। সংগৃহীত 19 May 2008 
  108. "The Wild Trout Trust – Internet & Postal Auction 2008" (PDF)। Wild Trout Trust। সংগৃহীত 19 May 2008 
  109. Watson, Emma। "emma-faq"। Emma Watson's Official Website। সংগৃহীত 3 August 2007 
  110. "2002 Saturn Awards"IMDB। সংগৃহীত 13 September 2007 
  111. "2002 Empire Awards"IMDB। সংগৃহীত 13 September 2007 
  112. "American Moviegoer Award nominations"Time Warner। সংগৃহীত 13 September 2007 
  113. "Prisoner of Azkaban awards"Broadcast Film Critics Associationআসল থেকে 29 December 2007-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 13 September 2007 
  114. Akers, Shelley (20 October 2007)। "Emma Watson Is Named Nickelodeon's Best Actress"People। সংগৃহীত 24 October 2007 
  115. "Six Nominations for "Order of the Phoenix" at Empire Awards"The Leaky Cauldron। 3 February 2008। সংগৃহীত 3 February 2008 
  116. "Will Smith, Emma Watson & “Transformers” Win Canadian Film/TV Awards"। marketwire। July 2008। সংগৃহীত 15 July 2008  |month= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  117. "Dan and Emma won Otto Awards"। Bravo Germany। May 2008। সংগৃহীত 6 May 2008  |month= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  118. "'Battlestar Galactica' Leads Way With 11 SyFy Genre Awards Nods"। SyFy Portal। August 2008। সংগৃহীত 15 April 2009  |month= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  119. "Emma Watson Nominated for Glamour Awards"The Leaky Cauldron। 11 February 2008। সংগৃহীত 18 April 2009 
  120. "Spike TV's SCREAM 2009 Awards Nominees and Winners"। About.com। সংগৃহীত 13 May 2010 
  121. "Latest News & Articles | Emma Watson official"। Emmawatson.com। সংগৃহীত 10 May 2010 
  122. "MTV Movie Awards: When Twilight & Betty White Collide!"। E! Online। 12 May 2010। সংগৃহীত 27 June 2010 
  123. "Teen Choice Awards 2010 - Extras"। Teenchoiceawards.com। সংগৃহীত 27 June 2010 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]