ড্যানিয়েল র্যাডক্লিফ
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
| ড্যানিয়েল র্যাডক্লিফ | |
ডিসেম্বর বয়েজ চলচ্চিত্রটির যুক্তরাজ্য প্রিমিয়ারে র্যাডক্লিফ, সেপ্টেম্বর, ২০০৭ |
|
| জন্মগত নাম | ড্যানিয়েল জেকব র্যাডক্লিফ |
| জন্ম | জুলাই ২৩, ১৯৮৯ লন্ডন, ইংল্যান্ড |
| কার্যকাল | ১৯৯৯–বর্তমান |
ড্যানিয়েল জেকব র্যাডক্লিফ[১][২] (জন্ম ২৩ জুলাই ১৯৮৯)[৩] একজন ইংরেজ অভিনেতা। হ্যারি পটার ফিল্ম সিরিজে হ্যারি পটারের ভূমিকায় অভিনয়ের জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত। এছাড়াও র্যাডক্লিফ একাধিক মঞ্চ, টিভি ও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এগুলির মধ্যে রয়েছে আইটিভি ফিল্ম মাই বয় জ্যাক ও ইকুয়াস নাটকটি। শেষোক্তটিতে তাঁর অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। তাঁর উপার্জন মোটামুটি কুড়ি মিলিয়ন পাউন্ডের মতো, যা তিনি মূলত আয় করেছেন হ্যারি পটারের ভূমিকায় অভিনয় করে।[৪]
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] জীবনী
[সম্পাদনা] প্রথম জীবন
র্যাডক্লিফের জন্ম হয় ইংল্যান্ডের পশ্চিম লন্ডনের কুইন শার্লটস হসপিটালে।[৩] বাবা অ্যালান জর্জ র্যাডক্লিফ সাহিত্য এজেন্ট এবং মা মার্সিয়া জেনি গ্রেশাম (নি মার্সিয়া গ্রেশাম জেকবসন) ছিলেন একজন কাস্টিং এজেন্ট যিনি যুক্ত ছিলেন দি ইন্সপেক্টর লিনলি মিস্ট্রিজ ও আরও সাম্প্রতিক কালের ওয়াক অ্যাওয়ে অ্যান্ড আই স্টাম্বল-এর মতো বিভিন্ন বিবিসি চলচ্চিত্রের সঙ্গে।[৫][৬] র্যাডক্লিফের মা ছিলেন ইহুদি। তাঁর আদি নিবাস ছিল এসেক্সের ওয়েস্টক্লিফ-অন-সি (তাঁর পরিবারের পদবি গারশোন-এর ইংরেজিকৃত বা অ্যাংলাইজড নাম)[৭][৬][৮] বাবা প্রোটেস্টান্ট ও উত্তর আয়ারল্যান্ডের আদি বাসিন্দা।[৯][১০]
পাঁচ বছর বয়সে র্যাডক্লিফ প্রথম অভিনয় জগতে পা রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।[১১] ১৯৯৯ সালের ডিসেম্বরে, টেলিভিশনের জন্য বিবিসি কর্তৃক দুই পর্বে নির্মিত চার্লস ডিকেন্স রচিত ডেভিড কপারফিল্ড-এ নামভূমিকার ছোট্ট শিশুচরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায় তাঁকে।[১২]
[সম্পাদনা] কর্মজীবন
২০০০ সালে লন্ডনে স্টোনস ইন হিজ পকেট নামে এক নাটক চলাকালীন প্রযোজক ডেভিড হেম্যান প্রথম র্যাডক্লিফকে হ্যারি পটার চরিত্রাভিনয়ের জন্য অডিশনে আমন্ত্রণ জানান।[১৩][১৪] সেই বছরই অগস্টে বেশ কয়েকটি অডিশনের পর, জে কে রাওলিং-এর পুরস্কারজয়ী গ্রন্থসিরিজের বিগ-বাজেট চলচ্চিত্রায়নে তিনি নির্বাচিত হন। স্বয়ং রাওলিং তাঁর এই নির্বাচন সমর্থন করে বলেন : "ড্যান র্যাডক্লিফের স্ক্রিন টেস্ট দেখে আমার মনে হয়েছে ক্রিস কলম্বাস এর চেয়ে ভাল হ্যারি আর কোথাও পাবে না।"[১৫] র্যাডক্লিফের প্রথম ছবি পিয়ার্স ব্রসনানের সঙ্গে দ্য টেলর অফ পানামা ও হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য সর্সারস স্টোন। দুটিই মুক্তি পায় ২০০১ সালে।
এরপর র্যাডক্লিফ হ্যারি পটার সিরিজের নিম্নোক্ত পরবর্তী ছবিগুলিতেও অভিনয় করেন: হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অফ সিক্রেটস (২০০২), হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য প্রিজনার অফ আজকাবান (২০০৪), হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অফ ফায়ার (২০০৫), হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য অর্ডার অফ দ্য ফিনিক্স (২০০৭)। এই সিরিজের শেষ দুই ছবি হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য হাফ ব্লাড প্রিন্স, এবং হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ডেথলি হ্যালোজ ছবিতেও তিনি অভিনয় করছেন বলে জানা গেছে।[১৬] প্রথমোক্ত ছবিটির শ্যুটিং শুরু হয়েছে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে এবং এটি মুক্তি পাবার কথা ছিল ২১ নভেম্বর, ২০০৮ তারিখে। যদিও মুক্তির তারিখ পিছিয়ে ১৭ জুলাই, ২০০৯ করা হয়েছে। শেষ ছবিটি দুটি পর্বে ২০১০ ও ২০১১ সালে মুক্তি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিগুলি সারা বিশ্বের বক্স অফিসে বিপুল সাড়া ফেলে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
২০০২ সালে র্যাডক্লিফ কেনেথ ব্র্যানাঘ (যিনি র্যাডক্লিফের সঙ্গে হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অফ সিক্রেটস ছবিতে অভিনয় করেছিলেন) পরিচালিত ওয়েস্ট এন্ড প্রযোজনার দ্য প্লে হোয়াট আই রোট-এ অভিনয় করেন। [১২] ২০০৬ সালে শিশু অভিনেতা থেকে প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেতায় পরিণত হন তিনি। এই সময়েই টেলিভিশন সিরিজ [এক্সট্রা (টিভি সিরিজ)|এক্সট্রা]]-এ তিনি নিজের প্যারোডি করতে শুরু করেন। সঙ্গে সঙ্গে অভিনয় করেন পৃথক একটি অস্ট্রেলিয়ান ড্রামা ডিসেম্বর বয়েজ ছবিতে। ছয় সপ্তাহে নির্মিত এই ছবিটি[১৭] ওয়ার্নার ব্রাদার কর্তৃক উত্তর আমেরিকায় মুক্তি পায় ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০০৭ তারিখে। এই ছবির প্রয়োজনে ছয়মাস একজন ভাষাশিক্ষকের কাছে অস্ট্রেলিয়ান অ্যাকসেন্টের প্রশিক্ষণ নেন র্যাডক্লিফ।[১৭] এই ছবিতে তিনি এই কারণেই অভিনয় করেন, যাতে কেন্দ্রীয় চরিত্রের বদলে কোনো পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেতে পারেন।[১৮] এরপর ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ তারিখে পিটার শ্যাফার রচিত নাটক ইকুয়াস-এর একটি নতুন মঞ্চাভিনয়ে অ্যালান স্ট্র্যাং নামে এক আস্তাবল পরিচারক কিশোরের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন র্যাডক্লিফ। চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য, অ্যালান ঘোড়ার প্রতি বিশেষ আকর্ষণ বোধ করত। নাটকটি শুরু হবার আগেই এটি মিডিয়ার আগ্রহের কেন্দ্রে চলে আসে এবং দুই মিলিয়ন পাউন্ডের অগ্রিম বুকিং চলে। তার কারণ, একটি দৃশ্যে র্যাডক্লিফ মঞ্চে নগ্ন হয়ে অবতীর্ণ হয়েছিলেন।[১৯] সমালোচকগণ তাঁর সূক্ষ্ম অভিনয়প্রতিভা ও বিপরীত ধরনের চরিত্র-অভিনয়ের গভীরতায় মুগ্ধ হন।[২০] সমালোচনাও হয় প্রশংসাসূচক। [২১] ইকুয়াস নাটকে র্যাডক্লিফ সর্বশেষ অভিনয় করেন ৯ জুন ২০০৭ তারিখে। ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০০৮ তারিখে নিউ ইয়র্কে ব্রডওয়ে থিয়েটার প্রযোজিত ইকুয়াস নাটকে তিনি পুনরায় অ্যালান স্ট্র্যাং-এর চরিত্রে অভিনয় করেন। এই সময় তাঁর সহঅভিনেতা ছিলেন রিচার্ড গ্রিফিথস, যিনি লন্ডনের ইকুয়াস প্রযোজনা, তথা হ্যারি পটার সিরিজে ভারনান ডার্সলে চরিত্রে র্যাডক্লিফের সঙ্গে কাজ করেছিলেন।[২২][২৩] তিনি জানিয়েছিলেন, এই অভিনয়ের সময় তিনি খুবই মানসিক চাপের মধ্যে কাটান। কারণ তাঁর মতে, লন্ডনের দর্শকের তুলনায় মার্কিন দর্শক অনেক বেশি পরিমাণে সূক্ষ্মতার সমালোচক।[২৪]
২০০৭ সালের গ্রীষ্মে রুডইয়ার্ড কিপলিং-এর কবিতা অবলম্বনে নির্মিত আইটিভি ড্রামা মাই বয় জ্যাক ছবিতে অভিনয় করেন র্যাডক্লিফ। ২০০৭ সালের রিমেমব্রেন্স ডে উপলক্ষে এই ছবি যুক্তরাজ্যে সম্প্রচারিত হয় এবং ২০ এপ্রিল, ২০০৮ তারিখে মুক্তি পায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।[১৭][২৫] এই ছবিতে র্যাডক্লিফ বিশিষ্ট লেখক কিপলিং-এর পুত্র ও প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সৈনিক জ্যাক কিপলিং-এর ভূমিকায় অভিনয় করেন।[২৬][২৭] চরিত্রটি সম্পর্কে তিনি বলেন:[২৮]
| “ | আমার বয়সের অনেকের কাছেই প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুধুমাত্র ইতিহাস বইয়ের একটি অধ্যায়। কিন্তু আমি চিরকালই এই বিষয়টির প্রতি বিশেষ আকর্ষণ অনুভব করেছিলাম। আমার মনে হয়, চিরকালের মতো আজও এর গুরুত্ব একটুও হ্রাস পায়নি। | ” |
সতেরো বছর বয়সেই র্যাডক্লিফের ছবি জায়গা করে নেয় ব্রিটেনের ন্যাশানাল পোর্ট্রেট গ্যালারিতে। তিনি রাজবংশ-বহির্ভূত প্রথম ব্যক্তি যিনি এত অল্প বয়সে এই সম্মান অর্জন করেন। ১৩ এপ্রিল, ২০০৬ তারিখে স্টুয়ার্ট পিটারসন রাইট অঙ্কিত তাঁর চিত্রটির লন্ডনের রয়্যাল ন্যাশানাল থিয়েটারের একটু নতুন প্রদর্শনী উদ্বোধনের অংশ হিসেবে। পরে এই ছবিটিই ন্যাশানাল পোর্ট্রেট গ্যালারিতে স্থানান্তরিত হয়।[২৯] ছবিটি অঙ্কনের সময় র্যাডক্লিফের বয়স ছিল চোদ্দো।
৯ জুলাই, ২০০৭ তারিখে র্যাডক্লিফ তাঁর সহকারী হ্যারি পটার সিরিজ অভিনেতা রুপার্ট গ্রিন্ট ও এমা ওয়াটসনের সঙ্গে হলিউডের গ্রৌম্যানস চাইনিজ থিয়েটারের সামনে তাঁদের হাত, পা ও জাদুদণ্ডের ছাপ দেন।[৩০]
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০০৭ তারিখে নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকায় ঘোষণা করা হয়, প্রয়াত চিত্রসাংবাদিক ড্যান এলডনের জীবন অবলম্বনে নির্মিত জার্নি নামে একটি ছবিতে তাঁর ভূমিকায় অভিনয় করবেন ড্যানিয়েল র্যাডক্লিফ।[৩১] এলডনের মা কেথি হিথ লেজার, রায়ান ফিলিপ ও জোকুইন ফিনিক্স প্রমুখ অভিনেতাদের বদলে তাঁকে নির্বাচন করে। তাঁর মতে, র্যাডক্লিফ ছাড়া কারোর মধ্যেই তিনি তাঁর পুত্রের "দুষ্টুমিভরা রসবোধ ও চঞ্চলতা" খুঁজে পাননি।[৩২]
[সম্পাদনা] ব্যক্তিগত জীবন
প্রথম দিকে র্যাডক্লিফ ছেলেদের স্কুল সাসেক্স হাউজ স্কুল-এ পড়াশোনা করেন।[৩৩] পরে এএস লেভেলের জন্য ভর্তি হন সিটি অফ লন্ডন স্কুল-এ।[১৭] ২০০৬ সালে তিনটি এসএ লেভেলে তিনি এ গ্রেড পান। কিন্তু সেখানেই পড়াশোনায় একটি বিরতির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।[৩৪]
খুব একটা ধর্মপ্রাণ না হলেও র্যাডক্লিফ বলেন যে তিনি "ইহুদি হতে পারার জন্য গর্বিত"।[১৭][৩৫][১২] গ্যারি ওল্ডম্যান তাঁকে বাস গিটার বাজানো শেখান। এছাড়াও তিনি পাঙ্ক রক সংগীতের বিশেষ অনুরাগী। তিনি বিভিন্ন ধরনের ব্যান্ডের গান পছন্দ করেন, তাঁর এই পছন্দের তালিকায় আছে সেক্স পিস্তলস থেকে আর্কটিক মানকিজ এবং সাম্প্রতিক কালে সংযোজিত হার্ড-ফাই[৩৬] জ্যাক পেনাট ও কেট ন্যাশ-এর মতো ব্যান্ডের নাম।[৩৭] তাঁর প্রিয় ব্যান্ড দ্য হোল্ড স্টেডি।[৩৮] তাঁর পছন্দের ফুটবল ক্লাবটি হল ফুলহ্যাম ফুটবল ক্লাব। সেটে ব্যস্ততার সময় তিনি পছন্দ করেন তাঁর সহকর্মীদের সঙ্গে টেবিল টেনিস ও ভিডিও গেম খেলা। তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা হলেন রুপার্ট গ্রিন্ট, এমা ওয়াটসন, টম ফেলটন ও গ্যারি ওল্ডম্যান।
২০০৬ সালের সানডে টাইমস-এর ধনী তালিকায় উঠে আসে র্যাডক্লিফের নাম। তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তির মূল্য তখন চোদ্দো মিলিয়ন পাউন্ড স্টারলিং। এই তালিকা থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় যে তিনি তখন ইংল্যান্ডের ধনীতম তরুণদের একজন।[৩৯] ২০০৭ সালে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় সতেরো মিলিয়নে। ইংল্যান্ডের তেত্রিশতম ধনী যুবক তখন তিনি।. [৪০] প্রথম হ্যারি পটার ছবিতে অভিনয় করেই তিনি আয় করেছিলেন ২৫,০০,০০০ পাউন্ড, চতুর্থ ছবিতে প্রায় ৫.৬ মিলিয়ন পাউন্ড এবং পঞ্চম ছবিতে আট মিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি। উচ্চ আয় সত্ত্বেও তিনি বিলাসবহুল জীবনযাপন করেন না। তিনি বেশি খরচ করেন বইয়ের পিছনে। কারণ তিনি "পড়েন খুব বেশি"।[৪১] র্যাডক্লিফ বিভিন্ন জনসেবামূলক সংগঠনেরও সাহায্যকারী। এগুলির মধ্যে অন্যতম কেন্টের সিটিংবার্ন শহরের ডেমেলজা হাউজ চিলড্রেন্স হসপাইস। তাঁর জন্মদিনে তিনি এই প্রতিষ্ঠানে তাঁর ভক্তদের দান করতে বলেন।
২০০৫ সালের জানুয়ারি মাসে সুনামি আক্রান্তদের সাহায্যার্থে তাঁর অটোগ্রাফ করা একটি "হগওয়ার্টস ক্রিউ" টি-শার্ট নিলাম করেন। রিবিল্ডিং শ্রীলঙ্কা অর্গানাইজেশনের অর্থসাহায্যে সুনামি সেলিব্রিটি ক্লোদস অকশনের অংশ ছিল এই টি-শার্টটি। হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য গবলেট অফ ফায়ার ছবির শ্যুটিং চলাকালীন শুধুমাত্র ফিল্ম ইউনিট সদস্যদের জন্য ইস্যু করা এই টি-শার্টটি ৫২০ পাউন্ড বা ৮১১.৮০ ডলারে বিক্রি হয়।
তিনি ক্রিকেটের একজন অনুরাগী দর্শক।[৪২] নিজের আঠারোতম জন্মদিন তিনি কাটান প্রথম ইংল্যান্ড বনাম ভারত টেস্ট ম্যাচ দেখে। প্রসিদ্ধ ভারতীয় ক্রিকেটার সচিন তেন্ডুলকরের এবং শেষদিন ইংরেজ ওপেনিং ব্যাটসম্যান অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস-এর অটোগ্রাফ সংগ্রহের জন্য লাইনও দেন।[৪৩] এই বিষয়ে তিনি বলেন:[৪৪]
| “ | সাম্প্রতিক দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে আমি সবাইকে বলছিলাম যে আমি এক স্বপ্ন দেখেছি, যে স্বপ্নে অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস আমাকে একটি ক্রিকেট ব্যাট নিয়ে তাড়া করছে। এটা সেই সময়ের ঘটনা যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে আন্ড্রু ভাল খেলতে পারছিল না। একজন অস্ট্রেলিয়ান যিনি এটি শুনছিলেন, তিনি জোরে জোরে বলে ওঠেন, "স্ট্রাউসকে নিয়ে চিন্তা করছি না। তোমাকে সুইং দিতে গেলেও ও মিস করত। | ” |
নিজের আঠারো বছয় বয়স পূর্তিতে তিনি বলেন,
| “ | আমি নিজেদের সেই সব লোকেদের দলে ফেলতে চাইনা যাঁরা আঠারো বছর বয়স হয়ে গেলেই নিজেদের জন্য বিরাট বিরাট স্পোর্টস কারের সংগ্রহ বা সেইরকম কিছু কিনে ফেলে। মনে হয় না, খুব বেশি বাজে খরচ করব। যা কিনব তার দাম মোটামুটি দশ পাউন্ডের মধ্যেই থাকবে - বই, সিডি আর ডিভিডি। | ” |
এই মন্তব্যের পরই তিনি যখন তাঁর অর্থের উপর দখল পেলেন, নিউ ইয়র্কের ম্যানহ্যাটনে কিনে ফেললেন একটি ২.১ মিলিয়ন পাউন্ডের অ্যাপার্টমেন্ট।[৪৫]
র্যাডক্লিফ জানিয়েছেন যে তিনি স্নায়বিক অসুখ ডিসপ্র্যাক্সিয়ায় সামান্য আচ্ছন্ন।[৪৬].
[সম্পাদনা] অভিনয়
[সম্পাদনা] চলচ্চিত্র
| বছর | নাম | চরিত্র | সবিস্তারে |
|---|---|---|---|
| ২০০১ | দ্য টেলর অফ পানামা | মার্ক পেন্ডেল | পার্শ্বচরিত্র |
| হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফারস স্টোন | হ্যারি পটার | মার্কিন নাম: হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য সর্সাররস স্টোন | |
| ২০০২ | হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অফ সিক্রেটস | ||
| ২০০৪ | হ্যারি পটার এন্ড দ্য প্রিজনার অব আজকাবান | ||
| ২০০৫ | হ্যারি পটার এন্ড দ্য গবলেট অব ফায়ার | ||
| ২০০৭ | হ্যারি পটার এন্ড দ্য অর্ডার অব দ্য ফিনিক্স | ||
| ডিসেম্বর বয়েজ | ম্যাপস | ||
| ২০০৯ | জার্নি | ড্যান এলডন | চিত্রসাংবাদিক ড্যান এলডবের উপর নির্মিত জীবনীচিত্র |
| হ্যারি পটার এন্ড দ্য হাফ ব্লাড প্রিন্স | হ্যারি পটার | ||
| ২০১০ | হ্যারি পটার এন্ড দ্য ডেথলি হ্যালোজ-পর্ব ১ | প্রাক-প্রযোজনা | |
| ২০১১ | হ্যারি পটার এন্ড দ্য ডেথলি হ্যালোজ-পর্ব ২ | প্রাক-প্রযোজনা |
[সম্পাদনা] টেলিভিশন
- ১৯৯৯: ডেভিড কপারফিল্ড - শিশু ডেভিড কপারফিল্ড
- ২০০৫: ফলি অ্যান্ড ম্যাককল:দিস ওয়ে আপ - ট্র্যাফিক ওয়ার্ডেন/নিজে
- ২০০৬: এক্সট্রা - বয় স্কাউট/নিজে
- ২০০৭: মাই বয় জ্যাক - জ্যাক কিপলিং
[সম্পাদনা] মঞ্চ
- ২০০২: দ্য প্লে আই রোট - অতিথি শিল্পী (ওয়েস্ট এন্ড থিয়েটার, উইন্ডহ্যাম থিয়েটার)
- ২০০৭: ইকুয়াস - অ্যালান স্ট্র্যাং ([ওয়েস্ট এন্ড থিয়েটার], [গিলডাগ থিয়েটার])
- ২০০৮: ইকুয়াস - অ্যালান স্ট্র্যাং (ব্রডওয়ে থিয়েটার, ব্রডহার্স্ট থিয়েটার)
[সম্পাদনা] পুরস্কার
[সম্পাদনা] মনোনয়ন
২০০৮
- বেস্ট কিস অ্যাওয়ার্ড ২০০৮ এমটিভি মুভি অ্যাওয়ার্ডস ইউ এস {কেটি লেউং-এর সঙ্গে}
- বেস্ট পারফরম্যান্স বাই ইয়ং অ্যাক্টর (স্যাটার্ন অ্যাওয়ার্ডস)
- বেস্ট অ্যাক্টর (এম্পায়ার অ্যাওয়ার্ডস)
২০০৬
- বেস্ট ইয়াং অ্যাক্টর (ব্রডকাস্ট ফিল্ম ক্রিটিকস অ্যাসোসিয়াশন পুরস্কার)
- অ্যাক্টর অফ দ্য ইয়ার (এওএল মুভিফোন মুভিগোর অ্যাওয়ার্ডস)
- বেস্ট পারফরম্যান্স বাই আ ইয়াং অ্যাক্টর (স্যাটার্ন অ্যাওয়ার্ডস)
- বেস্ট হিরো (এমটিভি মুভি অ্যাওয়ার্ডস)
- বেস্ট অন-স্ক্রিন টিম (এমা ওয়াটসন ও রুপার্ট গ্রিন্টের সঙ্গে ; এমটিভি মুভি অ্যাওয়ার্ডস)
২০০৫
- বেস্ট পারফরম্যান্স বাই আ ইয়াং অ্যাক্টর (স্যাটার্ন অ্যাওয়ার্ডস)
- বেস্ট ইয়াং অ্যাক্টর (ব্রডকাস্ট ফিল্ম ক্রিটিকস অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ডস)
২০০৩'
- বেস্ট পারফরম্যান্স বাই আ ইয়াং অ্যাক্টর (স্যাটার্ন অ্যাওয়ার্ডস)
- বেস্ট অ্যাক্টিং এনসেম্বল (ফিনিক্স ফিল্ম ক্রিটিকস সোসাইটি অ্যাওয়ার্ডস)
- মোস্ট আনফরগটেবল সিন (হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য চেম্বার অফ সিক্রেটস ছবিতে “হ্যারি ও ব্যাসিলিস্ক যুদ্ধ” দৃশ্যটির জন্য) (আমেরিকান মুভিগোয়ার অ্যাওয়ার্ডস)
২০০২
- বেস্ট পারফরম্যান্স বাই আ ইয়াং অ্যাক্টর (স্যাটার্ন অ্যাওয়ার্ডস)
- বেস্ট ইয়াং পারফরমার (ব্রডকাস্ট ফিল্ম ক্রিটিকস অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ডস)
- ব্রেকথ্রু মেল পারফরম্যান্স (এমটিভি মুভি অ্যাওয়ার্ডস)
- বেস্ট নিউকামার (ফিনিক্স ফিল্ম ক্রিটিকস সোসাইটি অ্যাওয়ার্ডস)
- বেস্ট ডেব্যু (এমা ওয়াটসন ও রুপার্ট গ্রিন্ট-এর সঙ্গে ; সোনি এরিকসন এমপায়ার অ্যাওয়ার্ডস)
- আউটস্ট্যান্ডিং অ্যাক্টর (আমেরিকান মুভিগোয়ার অ্যাওয়ার্ডস)
- বেস্ট পারফরম্যান্স ইন আ ফিচার ফিল্ম : লিডিং ইয়াং অ্যাক্টর (ইয়াং আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড)
- বেস্ট এনসেম্বল ইন আ ফিচার ফিল্ম (এমা ওয়াটসন ও রুপার্ট গ্রিন্ট-এর সঙ্গে ; ইয়াং আর্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড)
[সম্পাদনা] জয়
২০০৮
- ডিউইন্টার লন্ডন নিউকামার অফ দ্য ইয়ার (Whatsonstage.com থিয়েটারগোয়ারস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস, যুক্তরাজ্য)
২০০৭
- বেস্ট মেল পারফরম্যান্স (ন্যাশানাল মুভি অ্যাওয়ার্ডস, যুক্তরাজ্য)
২০০৬
- বেস্ট অ্যাক্টর (সিন অ্যাওয়ার্ডস, বেলজিয়াম)
- বেস্ট মেল ফিল্ম স্টার (গোল্ড): অটো অ্যাওয়ার্ডিস, ২০০৬
- বেস্ট অ্যাক্টর/মুভি (সাইফাই পোর্টাল-এর সাইফাই জেনর অ্যাওয়ার্ডস)
২০০৫
- বেস্ট ইয়াং অ্যাক্টর (সাইফাই পোর্টাল-এর সাইফাই জেনর অ্যাওয়ার্ডস)
২০০৪
- টপ ১০ চাইল্ড স্টারস (আরটিএল টেলিভিশন, জার্মানি)
- বেস্ট ব্রেকথ্রু মেল অ্যাক্টর (স্টার চ্যানেল স্টার অ্যাওয়ার্ডস, জাপান)
- বেস্ট জুনিয়র অ্যাচিভার (রেলি অ্যাওয়ার্ডস শো-এ দর্শকদের প্রিয় অনুর্ধ্ব-১৬ অতিথি)
- ইয়াং ট্যালেন্ট অফ দ্য ইয়ার (আইটিভি সেলেব্রিটি অ্যাওয়ার্ডস)
- বেস্ট মুভি অ্যাক্টর, (কে-জোন কিডস অ্যাওয়ার্ডস, ফিলিপিনস)
- বেস্ট ফিল্ম স্টার/অ্যাক্টর (ডাচ কিডস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস)
২০০৩
- বেস্ট ইয়াং অ্যাক্টর (সাইফাই পোর্টাল-এর সাইফাই জেনর অ্যাওয়ার্ডস)
- বেস্ট অ্যাক্টর (রোডশো সিনেমা গ্র্যান্ড প্রিক্স অ্যাওয়ার্ডস, জাপান)
২০০২
- পারসন অফ দ্য ইয়ার (টাইম ফর কিডস)
- টারগা ডি’ওরো (“গোল্ড প্লেট” ; ডেভিড ডি ডোনাটেলো অ্যাওয়ার্ডস)
- আউটস্ট্যান্ডিং নিউ ট্যালেন্ট (স্যার জেমস ক্যারেরাস অ্যাওয়ার্ড ফর দ্য ভ্যারাটি ক্লাব শোবিজনেস অ্যাওয়ার্ডস)
২০০১
- মেল ইউথ ডিসকভারি অফ দ্য ইয়ার (হলিউড উইমেনস প্রেস ক্লাব)
[সম্পাদনা] আরও পড়ুন
- Daniel Radcliffe (2004, ISBN 1584152508)
- Daniel Radcliffe: no ordinary wizard (2005, ISBN 1416913904)
[সম্পাদনা] আরও দেখুন
[সম্পাদনা] পাদটীকা
- ↑ Daniel Jacob Radcliffe (actor bio)। HarryPotter.Warnerbros। 2007-06-05 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Daniel Radcliffe, or Daniel Jacob Radcliffe (British actor) - Britannica Online Encyclopedia
- ↑ ৩.০ ৩.১ DanRadcliffe.com: Daniel Radcliffe Biography
- ↑ Griffiths, Peter (2007-07-23), Life's magic as Daniel Radcliffe turns 18, Reuters। 2008-10-29 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ “Top of the form”, The Jewish Chronicle, 1968-12-20, pp. 26। 2007-01-12 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ ৬.০ ৬.১ Kasriel, Alex, Emily Rhodes. “A nice Jewish wizard: Harry Potter is Jewish — and his grandmother is very proud of him”, The Jewish Chronicle, 2006-12-22, pp. 2।
- ↑ 2008-12-01, “Daniel Radcliffe”, Inside the Actors Studio, Bravo; can be viewed at http://www.youtube.com/watch?v=KRbVy-p5_NQ
- ↑ Bloom, Nate. “Young and Rich (bottom of page)”, InterfaithFamily.com। 2007-07-24 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Horn, Steve. “On the Set of Harry Potter and the Prisoner of Azkaban”, RupertGrint.net/IGN Films, 2004-02-13। 2007-06-05 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ 2006-12-06, “Daniel Radcliffe”, The Today Show; can be viewed at http://www.youtube.com/watch?v=qp7IIvZuGdU
- ↑ “Faces of the week: DANIEL RADCLIFFE”, BBC News, 2007-03-02। 2007-09-01 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ ১২.০ ১২.১ ১২.২ Roberts, Sheila. “Daniel Radcliffe Interview, December Boys”, Movies Online, 2007-09-10। 2007-09-10 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ McLean, Craig. “Hobnobs & broomsticks”, Sunday Herald, 2007-07-15। 2007-07-15 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Koltnow, Barry. “One enchanted night at theater, Radcliffe became Harry Potter”, East Valley Tribune, 2007-07-08। 2007-07-15 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Sussman, Paul (2000-08-23)। British child actor 'a splendid Harry Potter'। CNN.com। 2007-10-20 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Report: Daniel Radcliffe signed for final two 'Potter' films HPANA. Retrieved on 2 March 2007.
- ↑ ১৭.০ ১৭.১ ১৭.২ ১৭.৩ ১৭.৪ Reuven, Shmuel. “Daniel Radcliffe is one of the December Boys”, JewReview.net, 2007-09-13। 2007-09-13 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ “Daniel Radcliffe December Boys Interview”, STV.TV। 2007-10-08 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ “Naked stage role for Potter star”, BBC News, 2006-07-28। 2007-06-05 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Burchell, Kenzie. “Moving the Magic”, MSNBC.com, 2007-02-28। 2007-06-05 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ “RADCLIFFE'S WOMEN NERVES”, Contact Music, 2007-06-05। 2007-06-05 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Vineyard, Jennifer. “Radcliffe To Bare All On Broadway As ‘Equus’ Eyes Late ‘08 Opening”, MTV Movies Blog, 2007-09-04। 2007-09-05 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Nathan, John. “London Equus — Starring Radcliffe and Griffiths — Closes 9 June”, Playbill, 2007-06-09। 2007-06-09 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Nichols, Michelle. “Radcliffe nervous about baring all on Broadway”, Reuters, 2007-09-05। 2007-09-06 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ “100 best autumn arts events”, The Sunday Times, 2007-09-02। 2007-09-01 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ “Radcliffe to star in new ITV drama”, MuggleNet। 2007-06-05 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ “Sexy Samantha will play Harry Potter's mum”, Now, 2007-06-05। 2007-06-05 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ http://www.danradcliffe.us/galleries/MyBoyJack/danradmbj081207.jpg, Daniel Radcliffe.com, retrieved 2007-08-15
- ↑ “Daniel Radcliffe drawing acquired by National Portrait Gallery”, National Portrait Gallery, 2006-04-11। 2007-06-05 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ “Hollywood Blvd Celebrates Potter's 'Wands Of Fame'”, CBS2.com, 2007-07-09। 2007-07-10 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Photographs, Art and Lessons, Taken From a Life Cut Short - New York Times
- ↑ Wizard to play the magician of Somalia | UK news | The Observer
- ↑ SUSSEX HOUSE SCHOOL। Isbi Schools। 2007-06-05 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ “Dan & Emma ace exams”, Hpana, 2006-08-24। 2007-06-05 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Bloom, Nate. “Young and Rich (bottom of page)”, InterfaithFamily.com। 2007-07-24 তারিখে সংগৃহীত। “Radcliffe says he is not religious at all...and while he may not be religious, it appears that he had the procedure that almost all Jewish boys have when they are eight days old.”
- ↑ Hard-Fi on Popworld again video interview with Simon Amstell
- ↑ Radcliffe, Daniel. “Daniel Radcliffe's Playlist (From iTunes)”, HarryPotterTrio.com। 2007-06-05 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ “Harry Potter reveals his favourite band”, NME, 2007-07-20। 2007-07-20 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ “Daniel Radcliffe”, TimesOnline। 2007-06-05 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ “14urllink=http://www.timesonline.co.uk/richlist/person/0,,48353,00.html Young People's Rich List: Daniel Radcliffe”, Times Online। 2007-06-05 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Stead, Andrew. “Daniel Radcliffe richest UK teen, £23.5 million in the bank, more to come”, ABC Money.uk, 2005-11-23। 2007-07-16 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ Pidd, Helen. “'If the script says have sex, I have sex'”, Guardian Unlimited, 2007-09-07। 2007-09-07 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ The Times of India - Quidditch's out, cricket is in, retrieved 2007-07-27
- ↑ http://www.hindu.com/2007/07/25/stories/2007072551451800.htm, The Hindu - Tendulkar casts a spell on Radcliffe, retrieved 2007-07-25
- ↑ “Daniel Radcliffe”, Daily Mail। 2009-01-03 তারিখে সংগৃহীত।
- ↑ http://www.eonline.com/uberblog/b24227_daniel_radcliffes_dyspraxia_diagnosis.html Daniel Radcliffe's Dyspraxia Diagnosis
[সম্পাদনা] বহির্সংযোগ
- Daniel Radcliffe - ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজ
- DanRadcliffe.co.uk Unofficial site; works directly with Warner Bros., Daniel's publicist, and Daniel's family.
- DanRadcliffe.com Unofficial site; works directly with Warner Bros., Daniel's publicist, and Daniel's family.
- Daniel Radcliffe interview for Order of the Phoenix at TheCinemaSource.com
- Interview with WOR Radio's Joan Hamburg