সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক
জন্মমোস্তফাপুর, মৌলভীবাজার জেলা, সিলেট বিভাগ, বাংলাদেশ
আনুগত্য বাংলাদেশ
সার্ভিস/শাখা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
পদমর্যাদামেজর

সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক একজন বাংলাদেশ সেনা কর্মকর্তা। বর্তমানে তিনি পলাতক আছেন। তিনি ২০১১ সালের বাংলাদেশ অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার অন্যতম প্রধান ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে অভিযুক্ত। [১] তিনি বর্তমানে আল কায়দার সহযোগী আনসারুল্লাহ বাংলা টীমের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার ও বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছেন যা বাংলাদেশের অইন শৃঙ্খলা বাহিনী দাবি করে আসছে। [২][৩]

জন্ম ও প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার মোস্তফাপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সৈয়দ জিলুল হক একজন ব্যবসায়ী।[৪]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হক বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ৪১ তম দীর্ঘ কোর্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। তিনি মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে পড়াশোনা করেন। তাকে "বুদ্ধিমান" এবং "আইটি দক্ষ" হিসাবে বর্ণনা করা হয়। তিনি ২০১১ সালের বাংলাদেশ অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার মূল ভূমিকা হিসেবে অভিযুক্ত। তিনি বিভিন্ন সেনানিবাসে সেনা কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করেছিলেন যাতে তাদেরকে দেশে ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠার জন্য অভ্যুত্থানে অংশ নিতে বলেন বলে অভিযুক্ত। [৪] এই অভ্যুত্থানকে হিযবুত তাহরীর বাংলাদেশ শাখা সহায়তা দিয়েছিল যা বাংলাদেশের অইন শৃঙ্খলা বাহিনী দাবি করে আসছে।

অভিযোগ আছে তিনি ইঞ্জিনিয়ার্স কর্পোরেশন থেকে শুরু করেছিলেন এবং বিশেষ ক্রিয়াকলাপে প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। [৫] তিনি অভ্যুত্থানের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে পলাতক দাবি বাংলাদেশ সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। তিনি আনসারুল্লাহ বাংলা টীমে যোগ দিয়েছিলেন এবং দ্রুত তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেন যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি। [২] কাশিমপুর কারাগারের অভ্যন্তরে একটি গোপন বৈঠকে জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ ও আনসারুল্লাহ বাংলা টিম একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়। জামায়াত-মুজাহিদিন চাইছিলেন মেজর জিয়া তাদের বোমা তৈরির দক্ষতায় তাদের সহায়তা করেন। [৬] ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সরকার তার উপর ৪০ মিলিয়ন টাকার পুরস্কার ঘোষণা করে। [৭]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Arrest Maj Ziaul, Ishraq"The Daily Star। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৬ 
  2. "Home-grown militants and ex-major behind Bangladesh attacks, police say"Reuters। ২৯ জুন ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৬ 
  3. "Ansarullah Bangla Team reorganised as Ansar al-Islam"Prothom Alo। ৭ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৬ 
  4. "Major Zia used UK mobile SIM to talk to officers"The Daily Star (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ জানুয়ারি ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৬ 
  5. "Who is militant Zia?"Dhaka Tribune। ৩ আগস্ট ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৬ 
  6. "JMB sought military skills from Maj Zia"Dhaka Tribune। ৭ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৬ 
  7. "Tk40 lakh bounty on top 2 militants, details released"Dhaka Tribune। ২ আগস্ট ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৭ নভেম্বর ২০১৬