বিষয়বস্তুতে চলুন

মিয়ানমারের ভূগোল

মিয়ানমারের ভূগোল
মহাদেশএশিয়া
অঞ্চলদক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া
স্থানাঙ্ক২২°০০′ উত্তর ৯৮°০০′ পূর্ব / ২২.০০০° উত্তর ৯৮.০০০° পূর্ব / 22.000; 98.000
আয়তন৪০তম
 • মোট৬,৭৬,৫৭৮ কিমি২ (২,৬১,২২৮ মা২)
সীমানাস্থল সীমানা:
৬,৫২২ কিমি (৪,০৫৩ মা)
বাংলাদেশ:
২৭১ কিমি (১৬৮ মা)
চীন:
২,১২৯ কিমি (১,৩২৩ মা)
ভারত:
১,৪৬৮ কিমি (৯১২ মা)
লাওস
২৩৮ কিমি (১৪৮ মা)
থাইল্যান্ড:
২,৪১৬ কিমি (১,৫০১ মা)
সর্বোচ্চ বিন্দুহকাকাব রাজি
সর্বনিম্ন বিন্দুআন্দামান সাগর
দীর্ঘতম নদীইরাবতী নদী
বৃহত্তম হ্রদইন্দাওগি হ্রদ
এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চল৫,৩২,৭৭৫ কিমি২ (২,০৫,৭০৬ মা২)
কোপেন জলবায়ু শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী মিয়ানমারের (বার্মা) মানচিত্র।

মিয়ানমার (বার্মা নামেও পরিচিত) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ডের সবচেয়ে উত্তর-পশ্চিম দেশ। এটি ইন্দোচীন উপদ্বীপে অবস্থিত মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উত্তর-পশ্চিমতম দেশ।[১] ২৬১২২৮ বর্গ মাইল (৬৭৬,৫৭৮ বর্গ কিমি) এলাকা নিয়ে এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ডের বৃহত্তম। ঘুড়ি আকৃতির দেশটি মালয় উপদ্বীপের পশ্চিম উপকূল বরাবর ১২৭৫ মাইল (২০৫০ কিমি) পর্যন্ত ১০' উত্তর থেকে ২০' উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত প্রসারিত।[২] এটি হিমালয়ের দক্ষিণ-পূর্বে, ভারতীয় এবং ইউরেশীয় পাতগুলো বরাবর অবস্থিত। এর পশ্চিমে বঙ্গোপসাগর এবং এর দক্ষিণে আন্দামান সাগর। দেশটি পশ্চিমে আরাকান পর্বতমালা এবং পূর্বে আধিপত্য বিস্তারকারী শান মালভূমি সহ বিভিন্ন পর্বতশ্রেণীর মধ্যে অবস্থিত। কেন্দ্রীয় উপত্যকা অঞ্চলের মাঝে ইরাবতী নদী আছে, এটি দেশের সবচেয়ে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ নদী যার অববাহিকায় বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুন যেখানে ৩৯.৫ মিলিয়ন মানুষ বাস করে।[৩] দেশটিতে ১৩৫টি সরকারীভাবে স্বীকৃত গোষ্ঠী সহ অনেক বৈচিত্র্যময় জাতিগত গোষ্ঠীর আবাসস্থল। এটি কৌশলগতভাবে ভারত মহাসাগরের জাহাজ চলাচলের রুটগুলোর নিকটে অবস্থিত। এর প্রতিবেশী দেশগুলো হলো চীন, ভারত, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড এবং লাওস।

সীমানা

[সম্পাদনা]

মোট স্থল সীমানার দৈর্ঘ্য: ৬,৫২২ কিলোমিটার (৪,০৫৩ বর্গ মাইল)[১]

মোট ভূমির ক্ষেত্রফল: ৬,৬৭,৫৭৮ বর্গ কিলোমিটার (২,৬১,২২৮ বর্গ মাইল)

সীমানা দেশসমূহ:

বাংলাদেশের সাথে ২৭১ কিলোমিটার (১৬৮ মাইল), ভারতের সাথে ১,৪৬৮ কিলোমিটার (৯১২ মাইল), চীনের সাথে ২,১২৯ কিলোমিটার (১,৩২৩ মাইল), লাওসের সাথে ২৩৮ কিলোমিটার (১৪৮ মাইল) এবং থাইল্যান্ডের সাথে ২,৭১৬ কিলোমিটার (১,৫০১ মাইল) সীমানা রয়েছে।

মোট উপকূলরেখার দৈর্ঘ্য: ২,২২৮ কিলোমিটার (১,৩৮৪ মাইল)

মোট জলাঞ্চলের ক্ষেত্রফল: ২৩,০৭০ বর্গ কিলোমিটার (৮,৯১০ বর্গ মাইল)

জলবায়ু

[সম্পাদনা]

১০০০ মিটার (৩,২৮১ ফুট) নীচের নিম্নভূমিতে ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু বিদ্যমান। গ্রীষ্মের সময় মেঘলা, বৃষ্টিপাত, উষ্ণ, আর্দ্র (দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু, জুন থেকে সেপ্টেম্বর); শীতের সময় কম মেঘলা, স্বল্প বৃষ্টিপাত, হালকা তাপমাত্রা, কম আর্দ্রতা (উত্তর-পূর্ব মৌসুমি বায়ু, ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল)।

উচ্চতা অনুসারে জলবায়ু পার্বত্য অঞ্চলে পরিবর্তিত হয়; ২,৫০০ মিটারে (৮,২২২ ফুট) উপক্রান্তীয় মৃদু জলবায়ু, ৩,০০০ মিটারে (৯,৮৮৩ ফুট) মৃদু জলবায়ু, ৩,৫০০ মিটারে (১১,৪৮৩ ফুট) শীতল আল্পাইন জলবায়ু এবং আলপাইন অঞ্চলের উপরে, ঠান্ডা, কনকনে তুন্দ্রা ও আর্কটিক জলবায়ু। উচ্চতর স্থানে ভারী তুষারপাত হয় বিশেষত উত্তরে।

পর্বতমালা

[সম্পাদনা]

মিয়ানমার এর সীতাতং উপত্যকা, সিন্ডউইন উপত্যকা, জিবিউ তুংডান, মিন-উন টুংডান, হমন-কিন তুংডান এবং গাঙ্গা তৌংদনের ছোট পর্বতমালা পাশাপাশি তুলনামূলকভাবে নীচু পাহাড় বাগো ইয়োমা (পেগু রেঞ্জ) দ্বারা চিহ্নিত। বাগো ইয়োমা মধ্য মিয়ানমারে ইরাবতী এবং সিততাং নদীর মধ্যে একটি শৃঙ্খল। মধ্য উপত্যকা অঞ্চলটি উত্তরের খাড়া, উচ্চভূমি দ্বারা সীমাবদ্ধ, যেখানে হেনগডুয়ান সিস্টেমের দক্ষিণ প্রান্তে মিয়ানমার এবং চীনের সীমানা তৈরি হয়েছে।[৪] দেশের উত্তর প্রান্তে ৫,৮৮১ মিটার (১৯,২৯৫ ফুট) হকাকাবো রাজি অবস্থিত যা দেশের সর্বোচ্চ চূড়া। এই পর্বতটি হিমালয়ের পাদদেশ থেকে আসাম, নাগাল্যান্ড এবং মিজোরামের সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোর সমান্তরাল রেঞ্জগুলোর একটি ধারার অংশ।

পশ্চিমে আরাকান পর্বতমালা মণিপুর থেকে দক্ষিণ মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্য হয়ে প্রায় বঙ্গোপসাগরের তীরে কেপ নেগ্রাইস পর্যন্ত প্রবাহিত হয়। আরাকান রেঞ্জের মধ্যে নাগা পাহাড়, চিন পাহাড় এবং পাটকাই রেঞ্জ রয়েছে যার মধ্যে লুশাই পাহাড় রয়েছে।[৫]

পূর্ব মিয়ানমারে শান পাহাড়ের সর্বোচ্চ চূড়াটি হলো ২,৫৬৩ মিটার উঁচু লোই পাঙ্গনাও যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম চূড়ান্ত শিখর।[৬][৭] শান পাহাড় কারেন হিলস, ডভানা রেঞ্জ এবং টেনাসেরিম হিলসের সাথে থাইল্যান্ডের সাথে একটি প্রাকৃতিক সীমানা তৈরি করে। দক্ষিণ মিয়ানমার মূলত বিলিয়াকতংয়ের পশ্চিমা অংশ নিয়ে গঠিত যা তেনাসরিম রেঞ্জের সর্বোচ্চ অংশ। এটি দক্ষিণে প্রসারিত হয়েছে এবং মালয় উপদ্বীপের কেন্দ্রীয় পরিসর তৈরি করে।[৮]

প্রধান চূড়াসমূহ

[সম্পাদনা]
পর্বতশৃঙ্গের নামউচ্চতা (মিটার)অবস্থান (রাজ্য)মন্তব্য
হকাবক রাজি৫,৮৮১ মিকাচিন রাজ্যমিয়ানমার তথা সমগ্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।[৯]
গামলং রাজি৫,৮৭০ মিকাচিন রাজ্যজিপিএস দ্বারা সুনির্দিষ্টভাবে পরিমাপকৃত মিয়ানমারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।[১০]
মাদওয়ে রাজি৪,৬২৩ মিকাচিন রাজ্যহিমালয় পর্বতশ্রেণীর অন্তর্গত মিয়ানমারের অন্যতম একটি প্রধান তুষারাবৃত পর্বতশৃঙ্গ।[১১]
সারামাতি৩,৮২৬ মিভারত-মিয়ানমার সীমান্ত (মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চল)ভারত এবং মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত চিন পাহাড় পর্বতশ্রেণীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।[১২]
হকারু বাম৩,৬৬২ মিকাচিন রাজ্যমিয়ানমারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি অতি-উচ্চ ভৌগোলিক বিশিষ্টতা সম্পন্ন (আল্ট্রা-প্রমিনেন্ট) পর্বতশৃঙ্গ।[১৩]
বাম্পহা বাম৩,৪১১ মিকাচিন রাজ্যএটি মিয়ানমারের অন্যতম একটি আল্ট্রা-প্রমিনেন্ট পর্বতশৃঙ্গ।[১৪]
হকাংরি বাম৩,৩৮৮ মিকাচিন রাজ্যমিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত হিমালয় পর্বতশ্রেণীর একটি উচ্চ টপোগ্রাফিক বিশিষ্টতা সম্পন্ন পর্বতশৃঙ্গ।[১৫]
শান-নগাও বাম৩,৪৬২ মিকাচিন রাজ্যমিয়ানমারের মিতকিনা জেলায় অবস্থিত একটি উচ্চ টপোগ্রাফিক বিশিষ্টতা সম্পন্ন পর্বতশৃঙ্গ।[১৬]
লাংঘতাম রাজি৩,২২১ মিকাচিন রাজ্যমিয়ানমারের পুতাও জেলায় তিব্বত-মিয়ানমার সীমান্তের কাছে অবস্থিত কাছিন পাহাড়ের একটি উচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।[১৭]
নিন-গান বাম৩,০৬৩ মিকাচিন রাজ্যমিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের কাছিন পাহাড় অববাহিকায় অবস্থিত ৩,০০০ মিটারের অধিক উচ্চতাসম্পন্ন একটি পর্বতশৃঙ্গ।[১৮]
মই লেন৩,০৮৮ মিশান রাজ্যমিয়ানমারের শান রাজ্যে অবস্থিত এবং ৩,০০০ মিটারের অধিক উচ্চতাসম্পন্ন একটি অন্যতম প্রধান পর্বতশৃঙ্গ।[১৯]
আবঅম বাম৩,০৮২ মিকাচিন রাজ্যমিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের কাছিন পাহাড় পর্বতশ্রেণীর অন্তর্গত একটি উচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।[২০]
শাওংশান বাম৩,২৮৭ মিকাচিন রাজ্যমিয়ানমারের মিতকিনা জেলায় অবস্থিত ৩,০০০ মিটারের অধিক উচ্চতাসম্পন্ন একটি অন্যতম পর্বতশৃঙ্গ।[২১]
নাত মা তাওং৩,০৫৩ মিচিন রাজ্যমিয়ানমারের চিন রাজ্যের সর্বোচ্চ এবং সমগ্র শান পাহাড় পর্বতশ্রেণীর অন্যতম প্রধান আল্ট্রা-প্রমিনেন্ট পর্বতশৃঙ্গ।[২২]
কাহতাওং বাম৩,০০৫ মিকাচিন রাজ্যমিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের কাছিন পাহাড় পর্বতশ্রেণীর অন্তর্গত ৩,০০০ মিটারের অধিক উচ্চতাসম্পন্ন একটি অন্যতম পর্বতশৃঙ্গ।[২৩]
হকক বাম৩,৬৭৭ মিকাচিন রাজ্যমিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের কাছিন পাহাড় পর্বতশ্রেণীর অন্তর্গত একটি উচ্চ এবং অতি-উচ্চ টপোগ্রাফিক বিশিষ্টতা সম্পন্ন পর্বতশৃঙ্গ।[২৪]
ওয়াপানাওং বাম২,৬৫০ মিকাচিন রাজ্যমিয়ানমারের মিতকিনা জেলায় কাহতাওং বাম পর্বতের ঠিক দক্ষিণে অবস্থিত একটি উচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।[২৫]
কানিকানা বাম২,৭৪২ মিকাচিন রাজ্যমিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের কাছিন পাহাড় পর্বতশ্রেণীর অন্তর্গত একটি উচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।[২৬]
কেনেডি চূড়া২,৭০৩ মিচিন রাজ্যমিয়ানমারের চিন রাজ্যের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং বিশ্বের অন্যতম একটি প্রধান আল্ট্রা-প্রমিনেন্ট পর্বতশৃঙ্গ।[২৭]
সাপা বাম২,৭০২ মিকাচিন রাজ্যমিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের কাছিন পাহাড় পর্বতশ্রেণীর অন্তর্গত একটি উচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।[২৮]
সাংপাং বাম২,১৬৫কাচিন রাজ্যমিয়ানমারের মিতকিনা জেলায় সাপা বাম পর্বতের কাছাকাছি অবস্থিত একটি পর্বতশৃঙ্গ।[২৯]
লংগাদাং বাম২,৬৮০ মিকাচিন রাজ্যমিয়ানমারের পুতাও জেলায় খংলানফু টাউনশিপের অববাহিকায় অবস্থিত কাছিন পাহাড়ের একটি উচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।[৩০]
তামিহকাত রাজি২,৬৭৮ মিকাচিন রাজ্যএটি ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তের কাছাকাছি বৃহত্তর হিমালয় পর্বত ব্যবস্থার একটি উপশ্রেণীতে অবস্থিত।[৩১]
লই লেং২,৬৭৩ মিশান রাজ্যস্থানীয় শান জনগোষ্ঠীর কাছে পর্বতটি অত্যন্ত পবিত্র হিসেবে গণ্য হয়।[৩২]
মং লিং শান২,৬৪১ মিশান রাজ্যপর্বতটি চীন সীমান্তের অত্যন্ত কাছাকাছি এবং ওয়া স্টেটের নামতিত বিশেষ জেলায় অবস্থিত।[৩৩]
নাতাউং২,৬২৩ মিকারেন রাজ্যএটি কারেন পাহাড় (Karen Hills) পর্বতশ্রেণীর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।[৩৪]
হকামন বাম২,৫৬৬ মিকাচিন রাজ্যপর্বতটি মিয়ানমারের সর্বোচ্চ পর্বতগুলোর তালিকায় ১৭৩তম অবস্থানে রয়েছে।[৩৫]
লই পাংনাও২,৫৬৩ মিশান রাজ্যপর্বতটি চীন ও লাওস সীমান্তের কাছাকাছি ত্রিদেশীয় অঞ্চলের সন্নিকটে অবস্থিত।[৩৬]
শিনগ্রুপ বাম২,৫৫৫ মিকাচিন রাজ্যএটি মিয়ানমারের কাচিন রাজ্যের পুতাও জেলার খাউংলানফু অঞ্চলে অবস্থিত একটি পর্বতশৃঙ্গ।[৩৭]
সেনাম বাম২,৫৪৩ মিকাচিন রাজ্যএটি মিয়ানমারের কাচিন রাজ্যে অবস্থিত একটি অন্যতম উচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।[৩৮]
পয়েন্ট ২৫১৯২,৫১৯ মিমিয়ানমারএটি একটি অতি-উচ্চ বিশিষ্টতাসম্পন্ন (Ultra-prominent peak) পর্বত হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে তালিকাভুক্ত।
  • জাঙন রাজি, ২,৫১০ মি
  • কায়াংঘাং বাম, ২,৪৯৫ মি
  • নাখতার রাজি, ২,৩৫৩মি
  • নই হকাম, ২,২৪৪ মি
  • কাকমা বাম, ২,২২৫ মি
  • তাংঘকু বাম, ২,১৫০ মি
  • লই লান, ২,১৩১ মি
  • চিকাচি বাম, ২,১২৮ মি
  • মেলা তাউং, ২,০৮০ মি
  • মিইনমলেতকাত তাউং, ২,০৭২ মি
  • মুলাইত তাউং, ২,০০৫ মি
  • লই হকিলেক, ১,৯৭৩ মি
  • নাওাংঘই, ১,৯৩৬ মি
  • মাওপাং বাম, ১,৮৭৪ মি
  • লই-উন আওম, ১,৮১৬ মি
  • নাওপাও পাম, ১,৭৬৭ মি
  • সারং বাম, ১,৭০৩ মি
  • মাউন্ট পোপা, ১,৫১৮ মি
  • মাউন্ট কিয়াক্তিও, ১,০৭৫ মি
  • সাকা হাফং, ১,০৫২ মি
  • যোয়েকাবিম তাওং, ৩৪৩ মি
  • কুপ্রাই তাওং, ১৯৮ মি
মিয়ানমারের নিয়াং-ইউ শহরে প্রবাহিত ইরাবতী নদীর একটি তীরের দৃশ্য।

বার্মার মূল নদী ইরাবতী মধ্য বার্মা অববাহিকা হয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে প্রশস্ত বদ্বীপে শেষ হয়। মেকং নদীটি তিব্বতি মালভূমি থেকে চীনের ইউনান প্রদেশ এবং উত্তর-পূর্ব বার্মা হয়ে লাওস পর্যন্ত প্রবাহিত হয়।

পূর্বে স্যালুইন এবং সিত্তং নদী শান পাহাড়ের পশ্চিম পাশ এবং দাওয়ানা রেঞ্জের উত্তর প্রান্তে বয়ে চলেছে। বার্মার সংকীর্ণ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে, ইয়ে, হেইঞ্জ, দাভেই (তাভয়), গ্রেট তেনাসেরিম (তানিন্থারি) এবং লেনিয়া নদী তুলনামূলকভাবে সংক্ষিপ্ত এবং আন্দামান সাগরে প্রবাহিত হয়েছে। আরও দক্ষিণে ক্রাবুরী নদী থাইল্যান্ড এবং বার্মার দক্ষিণ সীমানা গঠন করে।[৩৯]

সামুদ্রিক দাবি

[সম্পাদনা]

মিয়ানমারের ৫০ তম বৃহত্তম এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে যার ক্ষেত্রফল ৫৩২,৭৭৫ বর্গ কিমি (২০৫,৭০৬ বর্গ মাইল)। এর মধ্যে ১৬টিরও বেশি দ্বীপ এবং মার্গুই দ্বীপপুঞ্জ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সঙ্গতিপূর্ণ অঞ্চল: ২৪ এনএমআই (নটিক্যাল মাইল) (২৭.৬ মাইল; ৪৪.৪ কিমি)

কন্টিনেন্টাল শেল্ফ: ২০০ এনএমআই (২৩০.২ মাইল; ৩৭০.৪ কিমি)

এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চল: ৫৩২,৭৭৫ বর্গ কিমি (২০৫,৭০৬ বর্গ মাইল), ২০০ এনএমআই (২৩০.২ মাইল; ৩৭০.৪ কিমি)

দ্বীপসমূহ

[সম্পাদনা]
  • আপাও য়ে কিউন
  • কালভেন্তুরাস দীপপুঞ্জ
  • চেদুপা দ্বীপ
  • কোকো দীপপুঞ্জ
  • কাইঙ্গাথুয়ান দ্বীপ
  • কালেগাউক দ্বীপ
  • ককুনইয়ে কিউন
  • কিউঙ্গিই দ্বীপ
  • মস্কস দীপপুঞ্জ
  • মিঙ্গান দ্বীপ
  • নান্থা কিউন
  • প্রেপারিস
  • রাম্রি দ্বীপ
  • উঙ্গুয়ান
  • ওয়া কিউন
  • জালাত তাউং
  • মারগুই দীপপুঞ্জ
    • অরিওল দ্বীপ
    • বেনতিক কিউন
    • ক্রিস্টি দ্বীপ, দীপপুঞ্জের দক্ষিণতম দ্বীপ
    • কাদান কিউন, দীপপুঞ্জের সবচেয়ে বড় দ্বীপ
    • লানবি কিউন
    • লেতসক-আউ কিউন
    • মালী কিউন, দীপপুঞ্জের উত্তরতম দ্বীপ
    • সাগান্থিত কিউন
    • থান কিউন

ভূমির ব্যবহার ও প্রাকৃতিক সম্পদ

[সম্পাদনা]

মিয়ানমারের প্রাকৃতিক সম্পদ হলো পেট্রোলিয়াম, কাঠ, টিন, অ্যান্টিমনি, দস্তা, তামা, টাংস্টেন, সীসা, কয়লা, মার্বেল, চুনাপাথর, মূল্যবান পাথর, প্রাকৃতিক গ্যাস এবং জলবিদ্যুৎ।

আবাদি জমি ১৬.৫৬%
স্থায়ী ফসল ২.২৫%
অন্যান্য জমি ৮১.২০% (২০১২)
সেচ সম্পন্ন ভূমি ২১,১০০ বর্গ কিমি (২০০৪)
মোট নবায়নযোগ্য পানিসম্পদ: ১,১৬৮ কিমি৩ (২৮০ মা৩) (২০১১)
মোট মিঠা পানির উত্তোলন (গার্হস্থ্য/শিল্প/কৃষি) ৩৩.২৩ ঘন মিটার/প্রতি সেকেন্ড
মিঠাপানি উত্তোলন, মাথাপিছু ৭২৮.৬ ঘন মিটার/প্রতি সেকেন্ড (২০০৫)

প্রাকৃতিক দুর্যোগ

[সম্পাদনা]

প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্প এবং ঘূর্ণিঝড়। জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষাকালে বন্যা এবং ভূমিধসের ঘটনা প্রচলিত। পর্যায়কালীন খরাও ঘটে। মিয়ানমারে সবচেয়ে ভয়ানক ঘূর্ণিঝড়টি ছিল ২০০৮ সালের ঘূর্ণিঝড় নার্গিস। চলমান জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মহাসাগরগুলো উষ্ণ হয়ে উঠেছে এবং মিয়ানমারের জন্য ঘূর্ণিঝড় আরও তীব্র এবং ধ্বংসাত্মক হয়ে উঠতে পারে।[৪০]

পরিবেশ

[সম্পাদনা]

পরিবেশগত সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে শিল্প দূষণের ফলে বনভূমি, বায়ু, মাটি এবং পানি দূষণ। অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন এবং নিম্নমানের পানি বিশুদ্ধকরন রোগবিস্তারে অবদান রাখে।

আন্তর্জাতিক চুক্তি

[সম্পাদনা]

গৃহীত: জীববৈচিত্র্য, মরুভূমি, বিপন্ন প্রজাতি, সমুদ্রের আইন, পারমাণবিক পরীক্ষার নিষেধাজ্ঞা, ওজোন স্তর সুরক্ষা, জাহাজ দূষণ, ট্রপিকাল টিম্বার ৮৩ ও ট্রপিকাল টিম্বার ৯৪ (চুক্তির নাম)।

এলাকা এবং সীমানা

[সম্পাদনা]
এলাকা
  • মোট: ৬,৭৬,৫৭৮ কিমি২ (২,৬১,২২৮ মা২)
    • বিশ্বে দেশের স্থান: ৩৯তম
  • জমি: ৬,৫৩,৫০৮ কিমি২ (২,৫২,৩২১ মা২)
  • পানি: ২৩,০৭০ কিমি২ (৮,৯১০ মা২)

সামুদ্রিক সীমানা

[সম্পাদনা]

দক্ষিণ সামুদ্রিক সীমানা ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের সাথে সামুদ্রিক ত্রিবিন্দুর দিকে মায়ানমার এবং থাইল্যান্ড উভয়ের দ্বারা চিহ্নিত স্থানাঙ্ক অনুসরণ করে। ভারত-মিয়ানমার সামুদ্রিক সীমান্ত কোকো দ্বীপপুঞ্জের দক্ষিণে পুনরায় শুরু হয় এবং তারপর আন্তর্জাতিক বঙ্গোপসাগরের জলসীমার সাথে মিয়ানমারের সংকীর্ণ সীমানার দিকে এগিয়ে যায়। মায়ানমারের মোট উপকূলরেখা ১,৩৮৪ মা (২,২২৭ কিমি) এবং এর মধ্যে বেশ কয়েকটি দ্বীপ এবং দ্বীপপুঞ্জ রয়েছে - বিশেষ করে মের্গুই দ্বীপপুঞ্জ । এই কাউন্টির মোট জলভাগ ৮,৯১০ বর্গমাইল (২৩,১০০ বর্গকিলোমিটার) এবং ২,০৫,৭০৬ মা২ (৫,৩২,৭৮০ কিমি২) জুড়ে একটি এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চল । [৪১]

স্থল সীমানা

[সম্পাদনা]

মায়ানমারের মোট স্থল সীমান্ত ৪,০৫৩ মাইল (৬,৫২৩ কিলোমিটার) পাঁচটি দেশের সীমান্তবর্তী এবং মোট ভূমি এলাকা ২,৬১,২২৮ বর্গমাইল (৬,৭৬,৫৮০ বর্গকিলোমিটার) । [৪১]

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত বঙ্গোপসাগরে নাফ নদীর মোহনা থেকে শুরু হয় এবং মায়ু পর্বতমালার চারপাশে উত্তর দিকে বিস্তৃত বৃত্তাকারে অগ্রসর হয় এবং চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের মধ্য দিয়ে উত্তরে ফিরে যায় এবং তিনমাথার চূড়ায় ভারতের সাথে ত্রিপয়েন্টে পৌঁছায়, মোট ১৬৮ মাইল (২৭০ কিলোমিটার) ।

ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত চিন পাহাড়ের মধ্য দিয়ে উত্তরে তিয়াউ নদীর দিকে এগিয়ে গেছে। এটি এই নদীর উজানে প্রবাহিত হয় এবং তারপর মণিপুরের কাছে বিভিন্ন নদীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং উত্তর-পূর্বে পাটকাই পর্বতমালার মধ্য দিয়ে চৌকান গিরিপথ এবং মিশমি পাহাড় পর্যন্ত মোট ৯১২ মাইল (১,৪৬৮ কিলোমিটার) অতিক্রম করে। [৪২]

চীন-ভারত সীমান্ত বিরোধের কারণে চীন ও ভারতের সাথে ত্রিপয়েন্টটি বিতর্কিত, তবে এটি ডিফু পাসের উত্তরে অবস্থিত। চীন-মিয়ানমার সীমান্ত উত্তর-পূর্বে হাকাকাবো রাজির দিকে এগিয়ে গেছে, এর চূড়া থেকে মাত্র এক মাইল পশ্চিমে। এরপর এটি হেংডুয়ান এবং গাওলিগং পর্বতমালা অনুসরণ করে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মোড় নেয় এবং অনেক অনিয়মিত রেখার মধ্য দিয়ে টেপিং নদী এবং শ্বেলি নদীর দিকে এগিয়ে যায়। এরপর এটি দক্ষিণ-পূর্ব দিকে সুদূর শান পাহাড় পেরিয়ে পাহাড় ও নদী অনুসরণ করে মেকং নদীতে পৌঁছায়। এটি মেকং নদী অনুসরণ করে লাওসের সাথে ত্রিপয়েন্ট পর্যন্ত মোট ১,৩৩৩ মাইল (২,১৪৫ কিলোমিটার) পথ অতিক্রম করে।

লাওস-মিয়ানমার সীমান্ত সম্পূর্ণরূপে মেকং নদীর উপর দিয়ে চীনের সাথে ত্রিপয়েন্ট থেকে থাইল্যান্ডের সাথে কোক এবং মেকন নদীর সঙ্গমস্থলে ১৪৮ মাইল (২৩৮ কিলোমিটার) পর্যন্ত বিস্তৃত।

মায়ানমার-থাইল্যান্ড সীমান্ত কোক নদী এবং সাই নদীকে সংক্ষিপ্তভাবে অনুসরণ করে, তারপর দক্ষিণ-পশ্চিমে সালউইন নদীর দিকে যাওয়ার আগে দেন লাও পর্বতমালার মধ্য দিয়ে দক্ষিণে অনিয়মিত রেখার একটি সিরিজ ধরে স্থলপথে এগিয়ে যায়। সীমান্তটি সালউইন এবং তারপর মোই নদী অনুসরণ করে আবার তেনাসেরিম পাহাড়ের মধ্য দিয়ে মালয় উপদ্বীপের দিকে যাওয়ার আগে স্থলপথে চলে যায়। প্রচুয়াপ খিরি খানের কাছে, সীমান্ত থাইল্যান্ড উপসাগরের ৬.৮১ মা (১০.৯৬ কিমি) দূরত্ব দিয়ে গেছে। এরপর এটি দক্ষিণে ক্রাবুরি নদীর দিকে এগিয়ে যায় এবং তারপর এটি আন্দামান সাগরে শেষ হওয়ার আগে একটি প্রশস্ত মোহনার দিকে এগিয়ে যায়, যা ১,৫০১ মাইল (২,৪১৬ কিলোমিটার) এর মায়ানমারের দীর্ঘতম সীমান্ত তৈরি করে।

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "The World Factbook — Central Intelligence Agency"। www.cia.gov (ইংরেজি ভাষায়)। ৪ নভেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০১৮।
  2. ↑ "Myanmar"। britannica.com (ইংরেজি ভাষায়)। Britannica। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০২২।
  3. ↑ "Irrawaddy River Basin"। WLE Great Mekong। WLE Greater Mekong। ১৬ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০২২।
  4. ↑ "Myanmar in brief"। ৪ জুন ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০।
  5. ↑ "Rakhine Mountains" Encyclopædia Britannica
  6. ↑ "Loi Pangnao (mountain) - Region: Shan State, Myanmar"। ২৩ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ ডিসেম্বর ২০১১।
  7. ↑ Peaklist - Burma and Eastern India
  8. ↑ An Introduction to Burma (Myanmar)
  9. ↑ "Hkakabo Razi Landscape" (ইংরেজি ভাষায়)। UNESCO World Heritage Centre। ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  10. ↑ Tyson, Andy (২০১৪)। "Gamlang Razi"। AAC Publications (ইংরেজি ভাষায়)। আমেরিকান আলপাইন ক্লাব। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  11. ↑ Misachi, John (২৫ এপ্রিল ২০১৭)। "Highest Mountains In Myanmar (Burma)"। WorldAtlas (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  12. ↑ The Information Architects of Encyclopaedia Britannica (১৩ জুলাই ২০২৬)। "Mount Saramati"। Encyclopedia Britannica (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  13. ↑ "Hkaru Bum"। PeakVisor (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  14. ↑ "Bumhpa Bum Mountain Information"। Mountain Forecast (ইংরেজি ভাষায়)। Meteo365 Ltd। ২০২৬। ১৮ মে ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  15. ↑ "Myitkyina District Mountains Information"। PeakVisor (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  16. ↑ "Shan-ngaw Bum"। PeakVisor (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  17. ↑ "Gunung Bagging: Climbing the Mountains of Southeast Asia"। Gunung Bagging (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  18. ↑ "Nin-gan Bum Mountain Information"। PeakVisor (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  19. ↑ "Mol Len"। PeakVisor (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  20. ↑ "Abawm Bum Mountain Information"। Peakery (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  21. ↑ Kapadia, Harish (২০১৪)। "Treks to Passes on India – Burma Border"। The Himalayan Club (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  22. ↑ "Natma Taung National Park" (ইংরেজি ভাষায়)। UNESCO World Heritage Centre। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  23. ↑ "Kahtaung Bam (Mountain) near Tsawlaw, Myanmar"। GeoView (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  24. ↑ "Hkaru Bum"। Gunung Bagging (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২৬। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  25. ↑ "Wapawnaung Bum (Mountain) near Tsawlaw, Myanmar"। GeoView (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  26. ↑ "Kanikana Bum Mountain Information"। PeakVisor (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  27. ↑ "Kennedy Peak (Mountain) near Tedim, Myanmar"। GeoView (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  28. ↑ "Sapa Bum (Mountain) near Injangyang, Myanmar"। GeoView (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক)
  29. ↑ "Sanhpong (Populated place/Mountain area) near Injangyang, Myanmar"। GeoView (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  30. ↑ "Longadang Bum (Mountain) near Khaunglanhpu — Map & Info"। mm.geoview.info (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  31. ↑ "Tamihkat Razi (Mountain) near Khaunglanhpu — Map & Info"। mm.geoview.info (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  32. ↑ "Loi Leng (Mountain) near Tangyan, Myanmar — Map & Info"। mm.geoview.info (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  33. ↑ "Möng Ling Shan (Mountain) near Hunan, China — Map & Info"। cn.geoview.info (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  34. ↑ "Nattaung (Mountain) near Hpasawng, Myanmar — Map & Info"। mm.geoview.info (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  35. ↑ "Hkamon Bum (Mountain) near Injangyang, Myanmar — Map & Info"। mm.geoview.info (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  36. ↑ "Loi Pangnao (Mountain) near Mongyawng, Myanmar — Map & Info"। mm.geoview.info (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  37. ↑ "Shingrup Bum (Mountain) near Khaunglanhpu — Map & Info"। mm.geoview.info (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  38. ↑ "Senam Bum (Mountain) near Injangyang, Myanmar — Map & Info"। mm.geoview.info (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
  39. ↑ Avijit Gupta, The Physical Geography of Southeast Asia, Oxford University Press, 2005. আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৯২৪৮০২-৫
  40. ↑ Stokke, Kristian; Vakulchuk, Roman and Indra Overland (2018) Myanmar: A Political Economy Analysis. Norwegian Institute of International Affairs (NUPI). Report commissioned by the Norwegian Ministry of Foreign Affairs.
  41. 1 2 "The World Factbook — Central Intelligence Agency"। www.cia.gov (ইংরেজি ভাষায়)। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ এপ্রিল ২০১৮।
  42. ↑ "International Boundary Study No. 80 Burma – India Boundary" (পিডিএফ)। US Department of State। ১৫ মে ১৯৬৮। ৩১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]