বিষয়বস্তুতে চলুন

সৌদি আরবে ধর্মবিশ্বাস: সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।
(সংশোধন)
(বট নিবন্ধ পরিষ্কার করেছে। কোন সমস্যায় এর পরিচালককে জানান।)
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের মতে, শিয়া মুসলিম সংখ্যালঘুরা শিক্ষা, বিচার ব্যবস্থা এবং বিশেষত ধর্মীয় স্বাধীনতায় সৌদি আরব সরকারের কাছ থেকে নিয়মতান্ত্রিক বৈষম্যের সম্মুখীন হয়।<ref>{{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Denied dignity: systematic discrimination and hostility toward Saudi Arabian Shia citizens |শেষাংশ=Human Rights Watch |বছর=2009 |আইএসবিএন=1-56432-535-0 |পাতা=1}}</ref> শিয়াদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হয় এবং [[আশুরা|আশুরার]] মতো শিয়া উৎসব ও শিয়া সাম্প্রদায়িক জনসাধারণের উপাসনায় অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে জনসমাগমের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।<ref>{{বই উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Denied dignity: systematic discrimination and hostility toward Saudi Shia citizens |শেষাংশ=Human Rights Watch |বছর=2009 |আইএসবিএন=1-56432-535-0 |পাতাসমূহ=2, 8–10}}</ref><ref>Islamic Political Culture, Democracy, and Human Rights: A Comparative Study, p 93 Daniel E. Price – 1999</ref>
 
এই দেশে ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন ধর্ম পালনের অনুমতি নেই, যদিও সৌদি আরবে প্রায় এক মিলিয়ন খ্রিস্টান পাশাপাশি হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা - প্রায় সকলেই বিদেশী কর্মী আছে কিন্তু এ দেশে কোনও গীর্জা, মন্দির বা অন্যান্য অমুসলিম উপাসনালয়ের অনুমতি নেই।<ref name="Times">{{সংবাদ উদ্ধৃতি |শিরোনাম=Saudi Arabia extends hand of friendship to Pope |ইউআরএল=http://www.timesonline.co.uk/tol/news/world/europe/article3571835.ece |সংবাদপত্র=The Times |তারিখ=17 March 2008 |সংগ্রহের-তারিখ=27 July 2011 |অবস্থান=London |প্রথমাংশ=Richard |শেষাংশ=Owen}}</ref><ref name="irf2010">{{ওয়েব উদ্ধৃতি|ইউআরএল=https://www.state.gov/g/drl/rls/irf/2010/148843.htm |আর্কাইভের-ইউআরএল=https://web.archive.org/web/20101123103422/http://www.state.gov/g/drl/rls/irf/2010/148843.htm |urlইউআরএল-statusঅবস্থা=dead |আর্কাইভের-তারিখ=23 November 2010 |শিরোনাম=Saudi Arabia: International Religious Freedom Report 2010 |প্রকাশক=U.S. State Department |তারিখ=17 November 2010 |সংগ্রহের-তারিখ =27 July 2011}}</ref> ব্যক্তিগত প্রার্থনা সেবা দমন করা হয় এবং সৌদি আরবের [[নৈতিক উৎকর্ষতা প্রচার ও অনৈতিকতা প্রতিরোধ কমিটি (সৌদি আরব)|ধর্মীয় পুলিশ]] নিয়মিতভাবে খ্রিস্টানদের বাড়িতে অনুসন্ধান করে বলে জানা যায়। বিদেশী কর্মীদের বড়দিন বা ইস্টার উদযাপন করার অনুমতি নেই।<ref name="Times" /> ২০০৭ সালে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আহমদিয়া ধর্মাবলম্বীদের বিদেশী অনুসারীদের গ্রেপ্তার ও বিতাড়িত করার অভিযান বন্ধ করার জন্য বাদশাহ [[আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ|আবদুল্লাহকে]] অনুরোধ করেছিল।<ref>{{ওয়েব উদ্ধৃতি | ইউআরএল=https://www.hrw.org/news/2014/05/15/saudi-arabia-2-years-behind-bars-apostasy-accusation | শিরোনাম=Saudi Arabia: 2 Years Behind Bars on Apostasy Accusation | প্রকাশক=Human Rights Watch| তারিখ=May 15, 2014 | সংগ্রহের-তারিখ=June 4, 2014}}</ref>
 
অমুসলিমদের ধর্ম প্রচার করা অবৈধ,<ref name="irf2010" /> এবং মুসলমানদের অন্য ধর্মে [[ইসলামে ধর্মত্যাগ|ধর্মান্তরিত]] হওয়া ([[ধর্মত্যাগ]]) মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ (যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ধর্মত্যাগের জন্য মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি)।<ref name="irf2010" /> ধর্মীয় বৈষম্য মামলায় আদালতের রায় ক্ষতিপূরণ পর্যন্ত প্রসারিত। অপরাধ প্রমাণীত হলে, একজন মুসলমান নির্ধারিত ক্ষতিপূরণের সম্পূর্ণ পরিমান পান, অপরদিকে একজন ইহুদী বা খ্রিস্টান অর্ধেক এবং অন্য ধর্মাবলম্বীরা ষোল ভাগের এক ভাগ পান।<ref name="Times" /> সৌদি আরব সরকারীভাবে নাস্তিকদের সন্ত্রাসী হিসাবে চিহ্নিত করে থাকে।<ref>[https://www.independent.co.uk/news/world/middle-east/saudi-arabia-declares-all-atheists-are-terrorists-in-new-law-to-crack-down-on-political-dissidents-9228389.html], Saudi Arabia declares all atheists are terrorists in new law to crack down on political dissidents, The Independent, 04 March 2014</ref> সৌদি আরব বা কোন বিদেশী অধিবাসী "এই দেশটি যে ইসলামিক ধর্মের উপর ভিত্তি করে আছে এ সম্পর্কে প্রশ্নবিদ্ধ করলে" এর জন্য কমপক্ষে ২০ বছরের জেল হতে পারে।<ref>[http://www.dailymail.co.uk/news/article-2594139/Saudi-Arabia-declares-atheists-terrorists-new-laws.html], Saudi Arabia declares atheists terrorists under new laws targeting citizens who 'call for secular thought in any form', Main Online, 01 April 2014</ref>
পণ্ডিত [[বার্নার্ড লুইস|বার্নার্ড লুইসের]] মতে, আরব উপদ্বীপে অমুসলিমদের স্থায়ী বাসস্থান থেকে বাদ দেওয়ার সৌদি নীতি একটি পুরনো এবং ব্যাপকভাবে অনুমোদিত মুসলিম নীতির ধারাবাহিকতা:
 
<blockquote>চিরায়ত আরবী ঐতিহাসিকরা আমাদের জানান যে [[হিজরত|হিজরতের]] ([[মুহাম্মদ (সাঃ)]] এর [[মক্কা]] থেকে [[মদিনা|মদিনায়]] গমন) ২০ বছর পর খ্রিস্টিয় ক্যালেন্ডারের ৬৪১ সালে খলিফা [[উমর ইবনুল খাত্তাব|উমর]] মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর মৃত্যুশয্যায় উচ্চারিত আজ্ঞা: "আরবে দুটি ধর্ম বিদ্যমান না থাকুক" পূরণ করার জন্য ইহুদি ও খ্রিস্টানদের আরব থেকে অপসারণ করার আদেশ দেন। প্রশ্নবিদ্ধ লোকেরা ছিল উত্তরের খাইবারের মরূদ্যানের ইহুদী এবং দক্ষিণের নাজরানের খ্রিস্টানরা।
 
[হাদীসটি] সাধারণত খাঁটি হিসাবে গৃহীত হয়েছিল এবং উমর এটি কার্যকর করেছিলেন। ইউরোপীয়দের বহিষ্কারের সাথে তুলনা করলে উমরের হুকুম সীমিত ও সহানুভূতিপূর্ণ উভয়ই ছিল। এটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব আরবকে অন্তর্ভুক্ত করেনি, যা ইসলামের পবিত্র ভূমির অংশ হিসাবে দেখা হয়নি। ... আরবের ইহুদি ও খ্রিস্টানরা তাদের জন্য নির্দিষ্ট ভূমিতে পুনর্বাসিত হয়েছিল - সিরিয়ায় ইহুদী, ইরাকে খ্রিস্টানরা। এই প্রক্রিয়াটি আকস্মিকভাবে না করে ধীরে ধীরে করা হয়েছিল, এবং উমর-এর আদেশের পরেও কিছুকাল [[খাইবার]] ও [[নাজরান|নাজরানে]] ইহুদি ও খ্রিস্টানদের থাকার খবর পাওয়া যায়।
১,৯৬,০১৪টি

সম্পাদনা