মুহাম্মদ বিন সালমান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
মুহাম্মদ বিন সালমান
Crown Prince Mohammad bin Salman Al Saud - 2017.jpg
সৌদি আরবের যুবরাজ
প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী
রাজত্ব ২১ জুন ২০১৭ – বর্তমান
পূর্বসূরী মুহাম্মদ বিন নায়েফ
বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ
সৌদি আরবের উপযুবরাজ
দ্বিতীয় উপপ্রধানমন্ত্রী
দপ্তরকাল ২৯ এপ্রিল ২০১৫ – ২১ জুন ২০১৭
পূর্বসূরী মুহাম্মদ বিন নায়েফ
উত্তরসূরী নেই
বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ
প্রতিরক্ষামন্ত্রী
রাজত্ব ২৩ জুন ২০১৫ – বর্তমান
পূর্বসূরী সালমান বিন আবদুল আজিজ
বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ
জন্ম (১৯৮৫-০৮-৩১) ৩১ আগস্ট ১৯৮৫ (বয়স ৩২)
জেদ্দা, সৌদি আরব
দাম্পত্য সঙ্গী সারা বিনতে মাশুর বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ[১]
পূর্ণ নাম
মুহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ
রাজবংশ আল সৌদ
পিতা সালমান বিন আবদুল আজিজ
মাতা ফাহদা বিনতে ফালাহ বিন সুলতান বিন হাসলিন
ধর্ম ইসলাম (সুন্নি)

মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ (আরবি: محمد بن سلمان بن عبد العزيز آل سعود‎‎; জন্ম ৩১ আগস্ট ১৯৮৫) হলেন সৌদি আরবের যুবরাজ, উপপ্রধানমন্ত্রী[২] এবং পৃথিবীর সবচেয়ে কমবয়সী প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।[৩] তিনি আল সৌদ রাজদরবারের প্রধান এবং অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন বিষয়ক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। তার পিতা বাদশাহ সালমানের পরেই তার ক্ষমতা বিবেচনা করা হয়,[৪] ২০১৭ সালের ২১ জুন মুহাম্মদ বিন নায়েফকে যুবরাজের পদ থেকে অপসারণ করা হয় এবং তার স্থলে মুহাম্মদ বিন সালমানকে যুবরাজ মনোনীত করা হয় একই সাথে রাজকীয় ফরমানের মাধ্যমে নায়েফকে তার সব পদ থেকে অপসারণ করে তার সকল ক্ষমতা মুহাম্মদ বিন সালমানকে দেয়া হয়।[৫][৬][৭]

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

মুহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদ জেদ্দায় ৩১ আগস্ট ১৯৮৫-এ জন্মগ্রহণ করেন।[৮][৯] তিনি বাদশাহ সালমানের তৃতীয় স্ত্রী ফাহদা বিনতে ফালাহ বিন সুলতানের পুত্র,[১০][১১] ফাহদা হচ্ছেন রাকান বিন হিথালায়ানের নাতনী, যিনি ছিলেন আল আজমান গোত্রের

যুবরাজ মুহাম্মদ সালমান হচ্ছেন তার সকল ভাইবোনের বড়[১০] এবং তিনি তুর্কি বিন সালমানের ভাই, যিনি হচ্ছেন দ্য সৌদি রিসার্চ এন্ড মার্কেটিং গ্রুপের প্রাক্তন চেয়ারম্যান।[১২] যুবরাজ মুহাম্মদ সালমান বাদশাহ সৌদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনের উপর স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেছেন[১৩]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর মুহাম্মদ বিন সালমান তার বাবার ব্যক্তিগত সহযোগী হওয়ার আগে বেসরকারি খাতে বেশ কয়েক বছর কাটিয়েছেন। তিনি সৌদি মন্ত্রিপরিষদের জন্য কাজ করে বিশেষজ্ঞ কমিশনের জন্য একটি পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করেন। ১৫ ডিসেম্বর ২০০৯ তারিখে মুহাম্মদ বিন সালমান তার পিতার বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন, যখন তিনি রিয়াদ প্রদেশের গভর্নর ছিলেন। এই সময়ে, যুবরাজ শিরোনাম এবং সিনিয়র পজিশন সংগ্রহ করা শুরু করেন। যেমন- সচিব-মহাব্যবস্থাপক রিয়াদ কম্পিটিটিভ কাউন্সিল, রাজা আব্দুল আজিজ ফাউন্ডেশন ফর রিসার্চ অ্যান্ড আর্কাইভের চেয়ারম্যানের বিশেষ উপদেষ্টা এবং রিয়াদ অঞ্চলের আলবিয়ার সোসাইটির বোর্ডের সদস্য। অক্টোবর ২০১১ সালে, যুবরাজ সুলতান বিন আবদুল আজিজ মারা যান এবং বর্তমান বাদশাহ সালমান ২০১১ সালের নভেম্বরে দ্বিতীয় উপপ্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং তার ব্যক্তিগত উপদেষ্টা মুহাম্মদ বিন সালমানকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেন।

কোর্টের প্রধান[সম্পাদনা]

২০১২ সালের জুন মাসে যুবরাজ নায়েফ বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ মারা গেলে প্রিন্স মুহাম্মদ ক্রমাঙ্কনের দ্বিতীয় অবস্থানে উঠেন, কারণ তার বাবা নতুন যুবরাজ এবং প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। ২ মার্চ ২০১৩ তারিখে, ক্রাউন প্রিন্সের কোর্টের প্রধান প্রিন্স সৌদ বিন নায়েফ পূর্ব প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন এবং সেই পদে প্রিন্স মুহাম্মদ দায়িত্ব পান। তাকে মন্ত্রী পদেও দেওয়া হয়। ২৫ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে প্রিন্স মুহাম্মদকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল।

যুবরাজ[সম্পাদনা]

২০১৭ সালের ২১ জুন মুহাম্মদ বিন নায়েফকে যুবরাজের পদ থেকে অপসারণ করা হয় এবং তার স্থলে মুহাম্মদ বিন সালমানকে যুবরাজ মনোনীত করা হয় একই সাথে রাজকীয় ফরমানের মাধ্যমে নায়েফকে তার সব পদ থেকে অপসারণ করে তার সকল ক্ষমতা মুহাম্মদ বিন সালমানকে দেয়া হয়।[৫][৬][৭] যুবরাজ হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্তির দিন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প মুহাম্মদ সালমানের এই "উচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত হওয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন।"

রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্কার[সম্পাদনা]

২৯শে জানুয়ারী ২০১৫ তারিখে, বিচ্ছিন্ন সুপ্রিম ইকনমিক কমিশনের পরিবর্তে প্রিন্স মুহাম্মদকে অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থার নতুন প্রতিষ্ঠিত কাউন্সিলের চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয়েছিল।[১৪] ডেপুটি ক্রাউন প্রিন্স নিযুক্ত হওয়ার পর ৪৮ ঘণ্টার রাজকীয় ডিক্রি অনুসারে প্রিন্স বিন সালমান সৌদি এরামকোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন।[১৫] প্রিন্স বিন সালমানের ২০১৫-২০১৬ সালের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে সৌদি আরবের অর্থনীতিকে আরও বৈচিত্রপূর্ণ এবং বেসরকারীকরণের কাঠামোর দিকে রূপান্তর করা উচিত। তার সংস্কার পরিকল্পনা, "ভিশন ২০৩০",[১৬] বিভিন্ন ক্ষেত্রগুলিতে অ-তেলের রাজস্ব বৃদ্ধি এবং অর্থনীতির বেসরকারীকরণ এবং ই-গভর্ন্যান্স এবং টেকসই উন্নয়নের বিবরণ।[১৭] আল আরাবিয়ার একটি সাক্ষাৎকারে তিনি অ-সৌদি বিদেশীদের জন্য "গ্রীন কার্ড" এর ধারনা জানান।[১৮] প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের সর্ববৃহৎ বিট ছিল সৌদি সাম্রাজ্যের বিশ্বের তেলের বাজারে নতুন প্রতিযোগিতায় দেউলিয়া হয়ে যাওয়ার কারণে সৌদি সাম্রাজ্যের আধিপত্য পুনরুদ্ধারের পরিকল্পনা, দীর্ঘমেয়াদী সময়ের জন্য তেলের দাম কম রাখা । সৌদি আরবে ওপেককে একই কাজ করতে উৎসাহিত করেছেনন। কয়েকটি ছোট প্রতিযোগী দেউলিয়া হয়ে যায়, কিন্তু আমেরিকান ফ্র্যাকাররা কেবলমাত্র তাদের কম লাভজনক অপারেশনগুলি অস্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয়, এবং তেলের দাম আবার বাড়ানোর জন্য অপেক্ষা করছিল। যাইহোক, সৌদি আরব, যা বছরে ১০০ বিলিয়ন ডলার খরচ করে সেবা এবং ভর্তুকি রাখার জন্য নভেম্বরে ২০১৬ সালে তার পরাজয়ের স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিল। তারপর এটি উল্লেখযোগ্যভাবে উৎপাদন বন্ধ করে দেয় এবং একই সাথে তার ওপেক অংশীদারদের জিজ্ঞাসা করে। প্রিন্স বিন সালমান ধর্মীয় পুলিশি ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে প্রবিধানের জন্য সফল । প্রিন্স বিন সালমান একটি বিনোদন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করেছেন যা কমেডি শো, প্রো কুস্তি ইভেন্ট, এবং মনস্টার ট্রাকের রেসিংয়ের আয়োজন করে । ২০১৫ সালে তিনি € ৫০০ মিলিয়ন ইউরো মূল্যে, রাশিয়ান ভদকা টেকনোর ইউরি শিফ্লার থেকে ইতালীয়-নির্মিত এবং বারমুডা-নিবন্ধিত ইয়ট ক্রয় করেছিলেন যেটি নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকা কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছিল। ২০১৬ সালে প্রিন্স মুহাম্মদ টেকনিক্যালভাবে দেশটির ৩য় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাবান ব্যক্তি হন এবং তার পিতা বাদশাহ সালমানের নামে কাজ করতে থাকেন, বাদশাহ সালমান হালকা আলঝেইমার’স ডিজিজে ভুগেন।[১৯] এপ্রিল ২০১৬ সালে তার গৃহীত প্রথম পদক্ষেপগুলি ভর্তুকি, একটি বৈচিত্রতা পরিকল্পনা, $ ২ ট্রিলিয়নের সৌদি সার্বভৌম সম্পদ তহবিল গঠন এবং জাতীয় রূপান্তর কর্মসূচি নামে পরিচিত কৌশলগত অর্থনৈতিক সংস্কারের একটি ধারা তৈরি করেন।.[২০] প্রিন্স বিন সালমান সৌদি এরামকোর শেয়ার বিক্রি করে সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের পুঁজি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান রাষ্ট্রীয় বাজেটকে হুমকির মুখে ফেলেছিলেন, সরকারী চুক্তি হ্রাস করেছিলেন এবং কঠোর তদারকি পদ্ধতির অংশ হিসেবে সিভিল কর্মীদের বেতন হ্রাস করেছিলেন।[২১]

মানবপ্রীতি[সম্পাদনা]

মুহাম্মদ বিন সালমান প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন, অন্যথায় এটি মায়সকে নামে পরিচিত, যা লক্ষ্যহীন যুবকদের সাহায্য করার লক্ষ্যে কাজ করে। ফাউন্ডেশনটি ২০১৫ সালের ৯ম ইউনেস্কো যুব ফোরামের পরিবর্তনের অংশীদার ছিল। ফাউন্ডেশনটি দেশের যুবকদের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে এবং প্রতিভা, সৃজনশীল সম্ভাবনার প্রতিযোগিতার বিভিন্ন উপায় এবং শিল্প ও বিজ্ঞান ক্ষেত্রে সুযোগ প্রদান করে এমন সুস্থ পরিবেশ উদ্ভাবন করে। ফাউন্ডেশনটি প্রোগ্রামগুলি প্রতিষ্ঠা করে এবং স্থানীয় এবং বিশ্বব্যাপী সংগঠনের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এই লক্ষ্যগুলি অনুসরণ করে। এটি যুবকদের মধ্যে বুদ্ধিবৃত্তিক দক্ষতা বিকাশে ইচ্ছুক, এবং সকল সৌদি মানুষের সম্ভাব্যতা মুক্ত করে দেয়। বিদেশী প্রতিনিধিদলের সাথে প্রিন্স মুহাম্মদের সাথে সৌদি সাংবাদিকরা ১০০,০০০ ডলারের নগদ অর্থ প্রদান করেছেন।

ওয়াহাবিবাদ বিষয়ে স্বীকারোক্তি[সম্পাদনা]

২০১৮ সালের ২২ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রে সফরে দ্য ওয়াশিংটন পোস্টকে দেওয়া সৌদি প্রিন্স ডিনাইস কুশনার ইজ ইন হিজ পকেট শীর্ষক ৭৫ মিনিটের এক সাক্ষাৎকারে মুহাম্মদ বিন সালমান বলেন, স্নায়ুযুদ্ধের সময় পশ্চিমা দেশগুলোর অনুরোধে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে মোকাবেলায় সৌদি আরব মুসলিম দেশগুলোতে ওয়াহাবি মতবাদ (সালাফি, আহলে হাদীস) বিস্তারে অর্থায়ন করে।এর লক্ষ্য ছিল, মুসলিম বিশ্বে প্রভাব বিস্তারের লড়াইয়ে পশ্চিমাদের জয়লাভ করা। [২২][২৩][২৪][২৫]প্রসঙ্গত, পশ্চিমাদের (ইহুদিখ্রিষ্টান) ইসলামের জাতশত্রু হিসেবে মনে করা হয়।

তবে সাক্ষাৎকারের ওয়াহাবিবাদ প্রচার সংক্রান্ত মন্তব্যটি নিয়ে পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো মনোযোগী হয়নি।যদিও রাশিয়াভিত্তিক স্পুটনিক নিউজ, আরটিসহ বিশ্বের আরো কয়েকটি গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হয়। [২৬][২৭][২৮]

বিতর্ক[সম্পাদনা]

২০১৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ হজ্জ পদদলনের ঘটনায় ২ হাজার হাজি নিহত হয়। সূত্র দাবি করে যে এই ভিড়ের মধ্য দিয়ে মুহাম্মদ বিন সালমান নিজেই জোর করে ব্যক্তিগতভাবে কাফেলায় প্রবেশের প্রচেষ্টার পাশাপাশি এলাকায় বেশ কিছু রাস্তা বন্ধ ছিল। লেবানন ভিত্তিক আরবি দৈনিক আদ-দিয়ার একটি রিপোর্টে প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমানের গাড়িবহরের আগমন দায়ী করেছে।[২৯] ২০১১ সালের শুরুতে, জনপ্রিয় শিয়া ধর্মীয় নেতা শেখ নিমর আল-নিমরকে মৃত্যুদণ্ডের জন্য প্রিন্স মুহাম্মদ বিন সালমান ইরানের সাথে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিলেন। ইরানের শিয়া জনগোষ্ঠী তেহরানে সৌদি আরব দূতাবাসে আগুন দিয়েছে তারপর থেকে, দুইদেশ তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে। এই মৃত্যুদণ্ডে ৪৬ জনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়, বেশিরভাগই সুন্নি বা জিহাদ বিরোধী।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

মুহাম্মদ বিন সালমান একজন উপভোগ্য জীবনধারার অধিকারী। কথিত আছে যে, তিনি € ৫০০ মিলিয়ন ইউরো মূল্যে, রাশিয়ান ভদকা টেকনোর ইউরি শিফ্লার থেকে ইতালীয়-নির্মিত এবং বারমুডা-নিবন্ধিত ইয়ট ক্রয় করেছিলেন যেটি নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকা কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছিল।[৩০] মুহাম্মদ রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং সেলিব্রিটিদের সাথে বৈঠক করে সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে ভ্রমণ করেছেন। জুন ২০১৬ সালে, তিনি সিলিকন ভ্যালিতে ভ্রমণ করেন এবং ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ সহ মার্কিন হাই-টেক শিল্পের প্রধান ব্যক্তিদের সাথে দেখা করেন।[৩১]

উৎপত্তি[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Profile: Saudi crown prince Mohammed bin Salman"www.aljazeera.com 
  2. "وزارة الخارجية 🇸🇦 (@KSAMOFA) – Twitter"twitter.com 
  3. "Mohammed bin Nayef kingpin in new Saudi Arabia: country experts"Middle East Eye। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ 
  4. Transcript: Interview with Muhammad bin Salman The Economist, 6 January 2016.
  5. http://edition.cnn.com/2017/06/21/middleeast/saudi-arabia-crown-prince/
  6. Raghavan, Sudarsan; Fahim, Kareem (জুন ২১, ২০১৭)। "Saudi king names son as new crown prince, upending the royal succession line" (English ভাষায়)। The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১৭ 
  7. "Saudi royal decrees announcing Prince Mohammed BinSalman as the new crown prince"TheNational (English ভাষায়)। Abu Dhabi Media। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১৭ 
  8. "قصة-السعودية-مع-الوزراء-الثلاثينيين"Al Arabiya। ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৮ মার্চ ২০১৫ 
  9. "سموه يُكرم خريجي الثانوية العامة للعام الدراسي 1419 – 1420هـ"Al Jazirah 
  10. David D. Kirkpatrick (৬ জুন ২০১৫)। "Surprising Saudi Rises as a Prince Among Princes"The New York Times। Riyadh। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১৫ 
  11. Mustafa Al Labbad (২৭ জানুয়ারি ২০১৬)। "The new Saudi power triangle"Al Monitor। সংগ্রহের তারিখ ২৪ এপ্রিল ২০১৭ 
  12. "Family Tree of Salman bin Abdulaziz bin Abdul Rahman Al Saud"Datarabia। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১৩ 
  13. "Council of Ministers: Membership"Embassy of Saudi Arabia, Washington DC। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০১৫ 
  14. Simeon Kerr (৩০ জানুয়ারি ২০১৫)। "Saudi king stamps his authority with staff shake-up and handouts"Financial Times। Riyadh। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ 
  15. Waldman, Peter (২১ এপ্রিল ২০১৬)। "Project to Get Saudi Arabia's Economy Off Oil"Bloomberg Businessweek। সংগ্রহের তারিখ ১৭ অক্টোবর ২০১৬ 
  16. Saudi Vision 2030 (১৩ মে ২০১৬)। "Full text of Saudi Arabia's Vision 2030"। Riyadh: Al Arabiya। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৬ 
  17. Ian Black (১৩ মে ২০১৬)। "Mohammed bin Salman: the prince trying to wean Saudi Arabia off oil"The Guardian। United Kingdom। সংগ্রহের তারিখ ২০ মে ২০১৬ 
  18. "Interview of Prince Mohammad bin salman – His vision for the future Saudi Arabia by Turki Al-Dakhil of Al Arabia"Website of Prince Mohammad 
  19. David Ignatius (২৮ জুন ২০১৬)। "A 30-year-old Saudi prince could jump-start the kingdom – or drive it off a cliff"The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ২০ মে ২০১৬ 
  20. Ian Black (২৫ এপ্রিল ২০১৬)। "Saudi Arabia approves ambitious plan to move economy beyond oil"The Guardian। United Kingdom। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৬ 
  21. "Rise of Prince Mohammed bin Salman rattles Saudi Arabia"The Times of India। ১৭ অক্টোবর ২০১৬। 
  22. "ওয়াহাবিবাদ নিয়ে যা বললেন সালমান"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০১৮ 
  23. "পশ্চিমাদের কথায় ওয়াহাবিবাদ প্রচার করে সৌদি"। কালের কণ্ঠ। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০১৮ 
  24. "রুশ প্রভাব ঠেকাতে পশ্চিমাদের কথায় ওয়াহাবিবাদের প্রচার: সৌদি প্রিন্স"। bdnews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০১৮ 
  25. "পশ্চিমাদের কথাতেই ওয়াহাবিবাদ প্রচার করেছে সৌদি :প্রিন্স"। সমকাল। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০১৮ 
  26. "Spread of Wahhabism was done at request of West during Cold War – Saudi crown prince"। RT। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০১৮ 
  27. "Cold War-era Wahhabism used as tool against Soviets on US demand, Saudi Crown Prince Salman confesses"। Daily Sabah। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০১৮ 
  28. "Saudi Arabia spread Wahhabism to counter Soviet influence, says crown prince"। GEO.tv। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০১৮ 
  29. "al-Diyar: Massacre in the ranks of Mecca pilgrims"। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  30. Mazzetti, Mark; Hubbard, Ben (১৫ অক্টোবর ২০১৬)। "Rise of Saudi Prince Shatters Decades of Royal Tradition"The New York Times 
  31. Saudi’s Deputy Crown Prince meets Facebook founder Mark Zuckerberg Al Arabiya. 22 June 2016. Retrieved 23 April 2017.
  32. "Royal Family Directory"www.datarabia.com। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

রাজনৈতিক দপ্তর
পূর্বসূরী
যুবরাজ মুহাম্মদ বিন নায়েফ
প্রথম উপপ্রধানমন্ত্রী
২১ জুন ২০১৭ – বর্তমান
উত্তরসূরী
শায়িত্ব
পূর্বসূরী
যুবরাজ মুহাম্মদ বিন নায়েফ
দ্বিতীয় উপপ্রধানমন্ত্রী
২৯ এপ্রিল ২০১৫ – ২১ জুন ২০১৭
উত্তরসূরী
খালি
পূর্বসূরী
যুবরাজ সালমান বিন আবদুল আজিজ
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
২৩ জানুয়ারি ২০১৫ – বর্তমান
উত্তরসূরী
শায়িত্ব
পূর্বসূরী
খালেদ আল-তুওয়াইজরি
চীফ অব রয়্যাল কোর্ট
২৩ জানুয়ারি ২০১৫ – বর্তমান
উত্তরসূরী
শায়িত্ব
Saudi Arabian royalty
পূর্বসূরী
যুবরাজ মুহাম্মদ বিন নায়েফ
সৌদি আরবের উপযুবরাজ
২৯ এপ্রিল ২০১৫ – ২১ জুন ২০১৭
উত্তরসূরী
খালি
পূর্বসূরী
যুবরাজ মুহাম্মদ বিন নায়েফ
সৌদি আরবের যুবরাজ
২১ জুন ২০১৭ – বর্তমান
উত্তরসূরী
শায়িত্ব