জেমস হোয়াইটমোর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জেমস হোয়াইটমোর
James Whitmore.jpg
১৯৫৫ সালের নভেম্বরে হোয়াইটমোর
স্থানীয় নাম
James Whitmore
জন্ম
জেমস অ্যালেন হোয়াইটমোর জুনিয়র

(১৯২১-১০-০১)১ অক্টোবর ১৯২১
মৃত্যু৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯(2009-02-06) (বয়স ৮৭)
মালিবু, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
মৃত্যুর কারণফুসফুসের ক্যান্সার
জাতীয়তামার্কিন
যেখানের শিক্ষার্থীইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়
পেশাঅভিনেতা
কার্যকাল১৯৪৯-২০০৫

জেমস অ্যালেন হোয়াইটমোর জুনিয়র (ইংরেজি: James Allen Whitmore Jr.; জন্ম: ১ অক্টোবর ১৯২১ - ৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)[১] ছিলেন একজন মার্কিন অভিনেতা। তিনি চলচ্চিত্র, মঞ্চ ও টেলিভিশনে অভিনয় করেছেন। তার পেশাদারিত্ব ও তারকাদের সাথে তার সাদৃশ্যের জন্য তাকে "পার্শ্ব অভিনেতাদের স্পেন্সার ট্রেসি" হিসেবে অভিহিত করা হত।[২] তার কর্মজীবনে তিনি টনি পুরস্কার, এমি পুরস্কারগ্র্যামি পুরস্কার অর্জন করেছেন। এছাড়া তিনি একটি গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার লাভ করেছেন এবং দুটি একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন পেয়েছেন।

নিউ ইয়র্কের হোয়াইট প্লেইন্সে জন্মগ্রহণকারী হোয়াইটমোর আমেরিকান থিয়েটার উইং ও অ্যাক্টরস স্টুডিও থেকে অভিনয়ের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তার প্রথম বড় সাফল্য ছিল ১৯৪৯ সালের যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ব্যাটলগ্রাউন্ড, এই কাজের জন্য তিনি সেরা পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার অর্জন করেন এবং শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার জন্য একাডেমি পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন। এছাড়া তিনি গিভ এম হেল, হ্যারি! (১৯৭৫) ছবিতে অভিনয় করে এবং শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে একাডেমি পুরস্কারসেরা নাট্য চলচ্চিত্র অভিনেতা বিভাগে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কারের মনোনয়ন লাভ করেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

হোয়াইটমোর ১৯২১ সালের ১লা অক্টোবর নিউ ইয়র্কের হোয়াইট প্লেইনসে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা জেমস অ্যালেন হোয়াইটমোর সিনিয়র ছিলেন একজন পার্ক কমিশন কর্মকর্তা এবং মতার ফ্লোরেন্স বেল (জন্মনাম ক্রেন)।[৩] হোয়াইটমোর নিউ ইয়র্কের স্নাইডারের অ্যামহার্স্ট সেন্ট্রাল হাই স্কুলে তিন বছর পড়াশোনা করেন।[৪] পরে তিনি ফুটবল বৃত্তি পেয়ে বদলি হয়ে কানেটিকাটের ওয়ালিংফোর্ডের শোয়াট স্কুলে চলে যান। তিনি ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন, কিন্তু মারাত্মক হাঁটুর আঘাতের কারণে তাকে ফুটবল খেলা ছাড়তে হয়।[৫] ফুটবল ছাড়ার পর তিনি ইয়েল ড্রামাটিক সোসাইটিতে যোগ দেন এবং অভিনয় শুরু করেন।[৬] ইয়েলে থাকাকালীন তিনি গোপন ছাত্র সংগঠন স্কাল অ্যান্ড বোনসের সদস্য ছিলেন,[৭] এবং ইয়েল বেতার স্টেশনের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন ছিলেন।[৮] হোয়াইটমোর আইনজীবী হতে চেয়েছিলেন, এবং ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪৪ সালে সরকার বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন।[৯]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে তিনি ১৯৪২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন কর্পস রিজার্ভে নাম তালিকাভুক্ত করান। মেরিনে তিনি প্যারিস আইল্যান্ড ও ভার্জিনিয়ার কোয়ান্টিকো এবং অফিসার্স ক্যান্ডিডেট স্কুলে প্রশিক্ষণ লাভ করেন এবং সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে কমিশন লাভ করেন। আরও প্রশিক্ষণের পর তিনি ১৯৪৪ সালে জুলাই মাসে সাইপানে ৪র্থ মেরিন ডিভিশনের সাথে যোগ দেন। তিনিয়ানে অবস্থানকালীন তিনি আমাশয়ে আক্রান্ত হন এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ১৯৪৬ সালের মার্চে ছাড়া পাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত পানামা খাল অঞ্চলে গার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[১০][১১]

পুরস্কার ও মনোনয়ন[সম্পাদনা]

বছর পুরস্কার বিভাগ মনোনীত কর্ম ফলাফল সূত্র.
১৯৪৮ টনি পুরস্কার শ্রেষ্ঠ নবাগত কমান্ড ডিসিশন
(যৌথভাবে ফর লাভ অর মানি-এর জন্য জুন লকহার্টের সাথে)
বিজয়ী [১২]
১৯৪৯ একাডেমি পুরস্কার শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা ব্যাটলগ্রাউন্ড মনোনীত [১৩]
গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিজয়ী [১৪]
১৯৭৫ একাডেমি পুরস্কার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা গিভ এম হেল, হ্যারি! মনোনীত [১৫]
গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার সেরা নাট্য চলচ্চিত্র অভিনেতা [১৬]
গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ড শ্রেষ্ঠ কথ্য শব্দের অ্যালবাম বিজয়ী [১৭]
১৯৮৯ ক্যাবলএস পুরস্কার সেরা পার্শ্ব অভিনেতা - চলচ্চিত্র বা মিনি ধারাবাহিক গ্লোরি! গ্লোরি! [১৮]
১৯৯৯ প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার নাট্য ধারাবাহিকে সেরা অতিথি অভিনেতা দ্য প্র্যাকটিস
(রেমন্ড অজ, ২ পর্ব)
[১৯]
২০০০ জিনি পুরস্কার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হেয়ারস টু লাইফ! মনোনীত [২০]
২০০৩ প্রাইমটাইম এমি পুরস্কার নাট্য ধারাবাহিকে সেরা অতিথি অভিনেতা মিস্টার স্টার্লিং
(বিল স্টার্লিং সিনিয়র, ৪ পর্ব)
[২১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ম্যাকলিলেন, ডেনিস। "James Whitmore dies at 87; veteran award-winning actor brought American icons to life - Los Angeles Times"লস অ্যাঞ্জেলেস টাইমস। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১৮ 
  2. বার্গেন, রোনাল্ড (১০ ফেব্রুয়ারি ২০০৯)। "Obituary: James Whitmore"দ্য গার্ডিয়ান (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১৮ 
  3. "James Whitmore Biography" (ইংরেজি ভাষায়)। ফিল্ম রেফারেন্স। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১৯ 
  4. "Actor James Whitmore, attended Amherst High School" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৪-১০-০৬ তারিখে. Amherst Bee, February 11, 2009
  5. "James Whitmore dies at 87" by Dennis McLellan. Los Angeles Times, February 7, 2009.
  6. Biography on James Whitmore in Playbill for Will Rogers' USA, May 1974 – online at www.playbillvault.com.
  7. "Powerful Secrets" by Alexandra Robbins. Vanity Fair, July 2004, p. 116.
  8. Article on James Whitmore in The Film Encyclopedia by Ephraim Katz. Harper Perennial, 1994 ed., p. 1454.
  9. "Who's Been Blue"ইয়েল অ্যালামনাই ম্যাগাজিন (ইংরেজি ভাষায়)। মার্চ ২০০১। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১৯ 
  10. "Whitmore Went to War to Win Prized Antoinette Perry Award"দ্য ব্রুকলিন ডেইলি ঈগল (ইংরেজি ভাষায়)। ২৫ এপ্রিল ১৯৪৮। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১৯ – নিউজপেপারস.কম-এর মাধ্যমে। 
  11. Playbill, May 1974.
  12. Command Decision at tonyawards.com[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  13. Battleground at awardsdatabase.oscars.org[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  14. Battleground at goldenglobes.com
  15. Give 'em Hell, Harry! at awardsdatabase.oscars.org[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  16. Give 'em Hell, Harry! at goldenglobes.com
  17. Give 'em Hell, Harry! at grammy.com
  18. HBO Leads the Way for Cable's ACE Awards
  19. The Practice Emmy wins at emmys.com
  20. "Here's To Life! at academy.ca"। মে ৭, ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ অক্টোবর ১, ২০১৯ 
  21. Mister Sterling at emmys.com

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]