ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সেন্টার
| ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সেন্টার | |
|---|---|
| চট্টগ্রাম সেনানিবাস | |
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের পতাকা | |
| ধরন | পদাতিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র |
| ভবন/স্থাপনা/ক্ষেত্রের তথ্য | |
| নিয়ন্ত্রক | বাংলাদেশ সেনাবাহিনী |
| ভবন/স্থাপনা/ক্ষেত্রের ইতিহাস | |
| যুদ্ধ | বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ |
| রক্ষীসেনা তথ্য | |
| পূর্বের সেনাধিনায়ক | মেজর আব্দুল ওয়াহেদ চৌধুরী (প্রতিষ্ঠাকালীন অধিনায়ক) |
ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সেন্টার বা ইবিআরসি হচ্ছে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে অবস্থিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের পদাতিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।[১][২]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৯৪৭ সালে দেশবিভাগ ও পাকিস্তানের স্বাধীনতা লাভের পর ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর পায়োনিয়ার কর্পসের দুটি কোম্পানী হতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রথম প্রশিক্ষণ কোম্পানী গঠিত হয় উক্ত প্রশিক্ষণ সংস্থাটি ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সেন্টারের মূল ভিত্তি। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ১৯৪৭ সালের নভেম্বর মাসের শেষের দিকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট গঠনের প্রস্তাব আসলে উভয় দেশের বিভাজনকালীন সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল ক্লউডে আচিনলেকের অধীনে পাকিস্তান ও ভারতীয় যৌথ সামরিক কাউন্সিল কর্তৃক ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট গঠনের অনুমোদোন প্রাপ্ত হয়।[৩] সদ্যজাত ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রশিক্ষণ কোম্পানী গঠণ ও প্রশিক্ষণের দায়িত্ব লাভ করেন তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ বাঙালি সেনাকর্মকর্তা মেজর আব্দুল ওয়াহেদ চৌধুরী[৪][৫] তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অফিসার কমান্ডিং হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন তিনি সর্বপ্রথম প্রশিক্ষণ রেজিমেন্টকে গঠন ও কমান্ড করেন এবং ইস্ট বেঙ্গল রেজিেন্টের ১ম ব্যাটালিয়নে উত্থাপন করেন। ১৯৪৮ সালে ১৫ই ফেব্রুয়ারি প্রশিক্ষিত সিনিয়র টাইগার্সকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রথম ব্যাটালিয়নে উত্থাপন করা হয় এবং আনুষ্ঠানিক উদ্ভোধন করা হয়। নব্য গঠিত পদাতিক বাহিনীর প্রশিক্ষণ সংস্থাটি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের নতুন নিয়োগকৃত বাঙালী সেনাদের প্রশিক্ষণের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারের অবস্থান ছিল চট্টগ্রাম সেনানিবাসে এবং কমান্ড্যান্ট ছিলেন ব্রিগেডিয়ার মাহমুদুর রহমান মজুমদার। তিনি ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অমান্য করে "সোয়াত" জাহাজ থেকে অস্ত্র খালাসে বাধা দান করায় নিজের পদ হতে অপসারিত হন।[৬][৭][৮][৯] ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালো রাতে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারের ৮ জন বাঙ্গালী সেনা অফিসার সহ মোট ১৫০০ অন্যান্য র্যাঙ্কের বাঙ্গালী সেনাদের হত্যা করে পাক বাহিনী।[১০]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Play strong role in nation building, PM tells army"। দ্য ডেইলি স্টার। ১২ নভেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৭।
- ↑ "PM to open 'World Trade Centre' in Ctg today"। দ্য ডেইলি স্টার। ৩০ জানুয়ারি ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৭।
- ↑ Khan, Fazal Muqueem (১৯৬৩)। The Story of the Pakistan Army (ইংরেজি ভাষায়)। Pakistan Branch, Oxford University Press।
- ↑ দিগন্ত, Daily Nayadiganta-নয়া। "লড়াকু বাঙালি মেজর এ ডব্লিউ চৌধুরী"। Daily Nayadiganta (নয়া দিগন্ত) : Most Popular Bangla Newspaper। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০২২।
- ↑ আব্দুল হক, কর্ণেল মোহাম্মদ (আগস্ট ২০২২)। সামরিক ইতিহাসের ছয় তারকা। ১০৯,ঋষিকেশ রোড ,ঢাকা ১১০০: খোশরোজ কিতাব মহল লিমিটেড। পৃ. ২৫৮–২৮০। আইএসবিএন ৯৮৪-৪৩৮-২৫০-৫।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থান (লিঙ্ক) উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বছর (লিঙ্ক) - ↑ Sein, Maung Kyaw। "Remembering a Tiger's Last Journey"। Star Weekend Magazine। দ্য ডেইলি স্টার। ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০১৭।
- ↑ "বঙ্গবন্ধুর অনুমতি ছাড়া কিছু করা ঠিক হবে না"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০১৯।
- ↑ "একটি টপ সিক্রেট চিঠি পেলাম"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০১৯।
- ↑ ব্রিগেডিয়ার মজুমদার - মো. মাহমুদুর রহমান। দৈনিক সিলেটের ডাক; ১৯ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে প্রকাশিত
- ↑ Curator (২১ জুন ২০১৯)। "ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট চট্টগ্রামে অবস্থিত সেনার তালিকা"। সংগ্রামের নোটবুক (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ জুন ২০২২।