বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের লোগো.jpg
নীতিবাক্যপড়
ধরনবেসরকারি
স্থাপিত১৯৮৯ (1989)
আচার্যবাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
উপাচার্যড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম
শিক্ষার্থী> ১০,০০০[১]
অবস্থান
চট্টগ্রাম
,
বাংলাদেশ
শিক্ষাঙ্গনশহুরে
রঙসমূহবন্য সবুজনীল
সংক্ষিপ্ত নামইউএসটিসি
অধিভুক্তিবিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (বাংলাদেশ)
ওয়েবসাইটwww.ustc.ac.bd
বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রবেশদ্বার

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম হচ্ছে একটি বাংলাদেশী বেসরকারি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।[২] বিশ্ববিদ্যালয়টি ব্যক্তিগত অনুদানের মাধ্যমে ১৯৮৯ সালের ১৩ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।[৩] প্রথমদিকে এটি প্রায়োগিক স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হিসাবে কাজ করে; পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্বিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।[৪]

সংগঠন ও প্রশাসন[সম্পাদনা]

শিক্ষা কার্যক্রম[সম্পাদনা]

  • বিজ্ঞান, ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি অনুষদ
  • চিকিৎসা অনুষদ
  • মৌলিক মেডিকেল ও ফার্মাসিউটিকেল বিজ্ঞান অনুষদ
  • ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ
  • সামাজিক বিজ্ঞান ও মানবিক অনুষদ
  • ইংরেজি শিক্ষা অনুষদ
  • প্রাণরসায়ন ও জীবপ্রযুক্তিবিদ্যা অনুষদ

কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার[সম্পাদনা]

ইউএসটিসিতে আছে ৬ তলা গ্রন্থাগার ভবন।[১] গ্রন্থাগারটিতে ৩টি শাখা আছে যাতে একসাথে ১৫০জন পাঠক পড়তে পারেন। ইউএসটিসি এর সংগ্রহ খুব সমৃদ্ধ। যথা-

  • বই ৬৭৯১ +
  • জার্নাল ৫২২১ +
  • বই ব্রিটিশ কাউন্সিল দ্বারা দীর্ঘমেয়াদী ঋণের মাধ্যমে সরবরাহ করা হয়েছে, চট্টগ্রাম ৫০ কপি নবায়নযোগ্য।
  • অডিও ও ভিডিও ক্যাসেট ১০০ +
  • রেফারেন্স উৎস ১৯০ +

আবাসন[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ছাত্রীদের জন্য গুলমেহের নামে একটি হল রয়েছে। এটি বিদেশী ও দূর থেকে আগত ছাত্রীদের আবাসন সমস্যার সমাধান করে। ছাত্রদের জন্য রয়েছে সায়েদুর রহমান আন্তর্জাতিক হল। ইন্টার্নি করুয়াদের জন্য আলাদা হোস্টেল রয়েছে।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থী[সম্পাদনা]

একাডেমিক ব্লক (বামে) এবং কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার (ডানে), পুরাতন হাসপাতাল ভবন

১৯৮৯ এ ইউএসটিসি শুরুর সময় মাত্র দুইজন অধ্যাপক ও নয়জন প্রভাষক ছিলেন। কিন্তু এখন পূর্ণসময় পাঠদানকারী শিক্ষকের সংখ্যা ১৪৮জন। ইউএসটিসিতে ৫হাজার শিক্ষার্থী আছেন। তার মধ্যে ৮৫%বিদেশী যারা ভারত (প্রধানত কাশ্মীর, আসাম ও মনিপুর), নেপাল, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, জর্দান, যুক্তরাষ্ট্র, মালদ্বীপ (অল্পসংখ্যক) এবং ফিলিস্তিন থেকে এসেছেন।[৫] The average ratio of teacher-student is 1:20.[৬]

মিলনায়তন[সম্পাদনা]

ইউএসটিসির অন্যতম অদ্বিতীয় সুবিধা হচ্ছে এর মিলনায়তন কক্ষটি। কক্ষটি সম্পূর্ণ শীতাতপনিয়ন্ত্রিত এবং এর ধারণক্ষমতা ১হাজার জন। এখানে ১হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার একটি গ্যালারিও আছে। মিলনায়তনটি সাধারণত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কনফারেন্স ও সেমিনারের জন্য ব্যবহৃত হয়।

সহশিক্ষা কার্যক্রম[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয়টি শিক্ষার্থীদের জন্য সহশিক্ষা কার্যক্রমের আয়োজন করে থাকে যেমন- খেলাধুলা, বিতর্ক, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সকল সহশিক্ষা কার্যক্রম "স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল অভ ইউএসটিসি" দ্বারা আয়োজিত হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. About USTC। "Relevant Informations"। ২০০৭-০৩-০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-১২-২৫ 
  2. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২৬ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০১৩ 
  3. http://www.bangladeshdir.com/health/private-medical-college/university-of-science-and-technology-chittagong-ustc/
  4. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ২২ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৫ এপ্রিল ২০১৫ 
  5. Hasan Jahid Tusher, Back from Chittagong (২০০৫-০৪-২৭)। "An institute with a vision"। The Daily Star। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-১২-১৯ 
  6. Background of USTC। "History of USTC"। ২০০৭-০৯-২৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০০৬-১২-২৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

স্থানাঙ্ক: ২২°২১′৪১″ উত্তর ৯১°৪৭′৫০″ পূর্ব / ২২.৩৬১৫° উত্তর ৯১.৭৯৭৩° পূর্ব / 22.3615; 91.7973