পশ্চিমবঙ্গ জাতীয় আইনবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়
| পশ্চিমবঙ্গ জাতীয় আইনবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় | |
|---|---|
| Motto | যুক্তি হীনে বিচারে তু ধর্মহানিঃ প্রজায়তে (যুক্তিহীন বিচার ধর্ম ধ্বংস করে) |
| Established | ১৯৯৯ |
| ধরণ | সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় |
| চ্যান্সেলর | জাস্টিস কে. জি. বালকৃষ্ণন, ভারতের প্রধান বিচারপতি |
| ভাইস চ্যান্সেলর | প্রফেসর (ড.) মহেন্দ্র পি সিংহ |
| প্রাকস্নাতক | ৬০০ |
| স্নাতকোত্তর | ১০ |
| অবস্থান | কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত |
| ক্যাম্পাস | শহরাঞ্চলীয়, ৫ একর |
| সম্পৃক্ততা | ভারতের বার কাউন্সিল; বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ভারত) |
| ওয়েবসাইট | www.nujs.edu |
স্থানাঙ্ক: 22°33′N 88°24′E / 22.55°উ 88.4°পূ
পশ্চিমবঙ্গ জাতীয় আইনবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় (ইংরেজি: West Bengal National University of Juridical Sciences, ওয়েস্ট বেঙ্গল ন্যাশানাল ইউনিভার্সিটি অফ জুরিডিক্যাল সায়েন্সেস; সংক্ষেপে ডব্লিউবিএনইউজেএস বা এনইউজেএস) কলকাতার একটি আইনবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়। এটি কলকাতার উপনগরী বিধাননগরে অবস্থিত। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তরে আইনবিজ্ঞানের পাঠ দেওয়া হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি অগ্রণী জাতীয় আইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির অন্যতম।[১] এখানে ভারতের বার কাউন্সিল প্রস্তাবিত ও প্রযুক্ত পাঁচ বছরের আইন ডিগ্রি মডেলে শিক্ষাদান করা হয়।
১৯৯৯ সালে ভারতের বার কাউন্সিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহযোগিতায় এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায় এই বিশ্ববিদ্যালয়কে পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর "মস্তিষ্কপ্রসূত" বলে বর্ণনা করেছিলেন।[২] উল্লেখ্য, জ্যোতি বসু স্বয়ং ছিলেন একজন মিডল টেম্পল ব্যারিস্টার।
উচ্চমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে জাতীয় আইনবিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছে। লেক্সিসনেক্সিস হ্যালবেরি ল মান্থলি হায়দরাবাদের ন্যাশানাল অ্যাকাডেমি অফ লিগাল স্টাডিক অ্যান্ড রিসার্চ ইউনিভার্সিটি এবং বেঙ্গালুরুর ন্যাশানাল ল স্কুল অফ ইন্ডিয়া ইউনিভার্সিটির সঙ্গে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে "টায়ার ওয়ান" আইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি দিয়েছে।[৩] ২০০৯ সালে আউটলুক পত্রিকা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে ভারতের দ্বিতীয় সর্বশ্রেষ্ঠ আইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বলে উল্লেখ করে।[৪] এর আগে ২০০৮ সালে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও মিন্ট ভারতের তৃতীয় সর্বশ্রেষ্ঠ আইন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বলে উল্লেখ করেছিল।[৫] জনপ্রিয় গণমাধ্যমগুলি এই বিশ্ববিদ্যালয়কে "শ্রেষ্ঠ তিন জাতীয় আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম"[৬] (দ্য হিন্দু), "দেশে আইন শিক্ষার ক্ষেত্রে সর্বাপেক্ষা সম্মানজনক প্রতিষ্ঠানগুলির অন্যতম" [৭] (দ্য টেলিগ্রাফ), এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের কৃতিত্ব "তিন বছরের মধ্যে কলকাতাকে বিশ্বমানচিত্রে স্থান করে দেবে"[৮] (দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া) বলে বর্ণনা করে থাকে।
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
- ↑ http://www.lawentrance.com/rankings.htm
- ↑ http://speakerloksabha.nic.in/speech/SpeechDetails.asp?SpeechId=225 Somnath Chatterjee's Address at the Second Annual Convocation of the West Bengal National University of Juridical Sciences, Kolkata, 23 June 2007], accessed 21 June 2008
- ↑ Top Law Schools in India and Abroad, Halsbury's Law Monthly, December 2007, accessed 21 June 2008
- ↑ Top 15 Law Schools, accessed 15 June 2009
- ↑ HT-WSJ Rankings for the TOP 15 LAW COLLEGES IN INDIA 2008, accessed 23 June 2008
- ↑ NLUs, a preferred recruitment destination, accessed 21 June 2008
- ↑ An eye on law January 18, 2007, accessed 21 June 2008
- ↑ By law: NUJS is the world champion. 16 May 2003, accessed 21 June 2008
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
- Official website
- NUJS Law Review
- The NUJS Blogs: A blog run by the students of the NUJS Magazine Committe, contains news and updates about the college
- OUTLAWED: The Annual NUJS Fest - official website
- "The Law School Experience", The Hindu
- "Quota at IIMs, IITs will not help disadvantaged: Narayanamurthy", The Hindu
- "The Society for Global Democracy",
- "Leading law schools of India"
|
||||||||||||||
|
|||||||||||||||||||||||