ল্যারি গোমস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ল্যারি গোমস
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম হিলারি অ্যাঞ্জেলো গোমস
জন্ম (১৯৫৩-০৭-১৩) ১৩ জুলাই ১৯৫৩ (বয়স ৬১)
অ্যারিমা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো
ব্যাটিংয়ের ধরণ বামহাতি
বোলিংয়ের ধরণ ডানহাতি অফ-ব্রেক
ডানহাতি মিডিয়াম পেস
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক ৩ জুন ১৯৭৬ বনাম ইংল্যান্ড
শেষ টেস্ট ১২ মার্চ ১৯৮৭ বনাম নিউজিল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক ১২ এপ্রিল ১৯৭৮ বনাম অস্ট্রেলিয়া
শেষ ওডিআই ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭ বনাম অস্ট্রেলিয়া
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছর দল
১৯৭১-১৯৮৮ ত্রিনিদাদ ও টোবাগো
১৯৭৩-১৯৭৬ মিডলসেক্স
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই এফসি এলএ
ম্যাচ সংখ্যা ৬০ ৮৩ ২৩১ ১৫৭
রানের সংখ্যা ৩,১৭১ ১,৪১৫ ১২,৯৮২ ৩,১১৫
ব্যাটিং গড় ৩৯.৬৩ ২৮.৮৭ ৪০.৫৬ ২৮.৮৪
১০০/৫০ ৯/১৩ ১/৬ ৩২/৬৩ ২/১৩
সর্বোচ্চ রান ১৪৩ ১০১ ২০০* ১০৩*
বল করেছে ২,৪০১ ১,৩৪৫ ৯,৮০৪ ৩,৫৪৮
উইকেট ১৫ ৪১ ১০৭ ৮৪
বোলিং গড় ৬২.০০ ২৫.৪৮ ৩৯.২৩ ২৮.৪৮
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ২/২০ ৪/৩১ ৪/২২ ৪/৩১
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১৮/– ১৪/– ৭৭/– ৩৪/–
উত্স: Cricket Archive, ৩০ এপ্রিল ২০১৪

হিলারি ল্যারি অ্যাঞ্জেলো গোমস (জন্ম: ১৩ জুলাই, ১৯৫৩) ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর অ্যারিমায় জন্মগ্রহণকারী সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটার। বামহাতি ব্যাটসম্যান গোমস ওয়েস্ট ইন্ডিজ টেস্ট ক্রিকেট দলে খেলেছেন। ডানহাতে অফ-ব্রেক / মিডিয়াম পেস বোলিং করতেন। কাউন্টি ক্রিকেটে মিডলসেক্স ক্রিকেট দলে খেলেন। ত্রিনিদাদ এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের সফলতম তৃতীয় ব্যাটসম্যানের মর্যাদা পান। এছাড়াও তিনি ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ১৯৮৩ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহণকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সদস্য ছিলেন। সাধারণতঃ তিনি ব্যাটকে প্যাডের কাছাকাছি রাখতেন।

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯৬৭ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান স্কুলবয় দলের হয়ে ইংল্যান্ড সফর করেন। ১৯৭১/৭২ মৌসুমে নিউজিল্যান্ডার্স দলের বিপক্ষে ত্রিনিদাদ ও টোবাগো দলের হয়ে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষিক্ত হন তিনি। ১৯৭২, ১৯৭৩-১৯৭৬ মৌসুমে মিডলসেক্স কাউন্টি ক্রিকেট দলে যোগ দেন। বেনসন এন্ড হেজেস কাপ গোল্ড পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

প্যাকারের বছরগুলোয় তাঁকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ এনে দেয়। বিদ্রোহী খেলোয়াড়দের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার স্বত্ত্বেও তিনি নিজ স্থান ধরে রাখতে সমর্থ হন। তিনি হাল্কা-পাতলা গড়নের ও ঠাণ্ডা মেজাজের অধিকারী ছিলেন। গড়পড়তা অন্যান্য ক্যারিবিয় ব্যাটসম্যানদের মতো ছিলেন না। নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান হিসেবে প্রয়োজনের মুহুর্তে ঠিকই নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম ছিলেন।

সেঞ্চুরির ৬টিই করেছেন অস্ট্রেলিয়া দলের বিপক্ষে। তন্মধ্যে ১৯৮৪ সালে পার্থের বাউন্সি উইকেটের সেঞ্চুরিটি দলকে ইনিংস বিজয় লাভ করতে সহায়তা করেছিল। তারপরও তিনি ডেনিস লিলি’র উইকেট শিকারের ফলে অস্ট্রেলিয়ায় স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। ১৯৮১ সালে মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত বক্সিং ডে টেস্টে লিলি তাঁকে আউট করে ল্যান্স গিবসের রেকর্ড ভেঙ্গে সর্বাধিক টেস্ট উইকেট লাভের নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়েন।[১][২]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

২০ বছর ক্রিকেট খেলার পর ১৯৮৫ সালে উইজডেন কর্তৃপক্ষ তাঁকে বর্ষসেরা ক্রিকেটারের সম্মাননায় অভিষিক্ত করে। এছাড়াও অ্যারিমা’র মালাবারে তাঁর সম্মানে স্টেডিয়ামের নামকরণ করা হয় ল্যারি গোমস স্টেডিয়াম

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Cave, Jason (১৩ নভেম্বর ২০১০)। "Looking back at the 1981 Boxing Day Test"The Roar website। The Roar। সংগৃহীত ২১ নভেম্বর ২০১৩ 
  2. "Boxing Day Test Memorable Moments #3 - Last ball Lillee gets Viv"Cricket Victoria website। Cricket Victoria। ২০ ডিসেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ২১ নভেম্বর ২০১৩ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

পূর্বসূরী
হ্যারল্ড গিবসন
নেলসন ক্রিকেট ক্লাব
পেশাদার

১৯৭৭–১৯৭৮
উত্তরসূরী
স্টিফেন হাওয়ার্ড