সাইপ্রাসের ইতিহাস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

সাইপ্রাসের মানব বসতি গড়ে উঠে প্যালিওলিথিক যুগে। সাইপ্রাসের ভৌগোলিক অবস্থান সাইপ্রাসকে হাজার বছর ধরে বৈচিত্র্যপূর্ণ পূর্ব ভূমধ্যসাগরীয় সভ্যতার দ্বারা প্রভাবিত করেছে।

মৃৎপাত্রের ফলকে প্রাপ্ত তথ্যানুসারে 1050 খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে সাইপ্রাসের ইতিহাসের সময়কাল নিম্নরূপ অনুসারে নামকরণ করা হয়েছে:

  • সাইপ্রো-জিওমেট্রিক-১ : 1050-950 খ্রিস্টপূর্বাব্দ
  • সাইপ্রো-জিওমেট্রিক-2 : 950-850 খ্রিস্টপূর্বাব্দ
  • সাইপ্রো-জিওমেট্রিক-3 : 850-700 খ্রিস্টপূর্বাব্দ
  • প্রাচীন-সাইপ্রো-১ : 700-600 খ্রিস্টপূর্বাব্দ
  • প্রাচীন-সাইপ্রো-2 : 600-475 খ্রিস্টপূর্বাব্দ
  • প্রাচীন-সাইপ্রো-3 : 475-400 খ্রিস্টপূর্বাব্দ
  • প্রাচীন-সাইপ্রো-4 : 400-323 খ্রিস্টপূর্বাব্দ

প্রাগৈতিহাসিক কালে সাইপ্রাস[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধঃ প্রাগৈতিহাসিক সাইপ্রাস

সাইপ্রিয়ট ধর্মানুষ্ঠান প্রতিমা। ‘লাল পলিশকরা বস্তু’ ২১০০-২০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ। জু আলেরহেইলিগেন যাদুঘর

প্যালিওলিথিক যুগে (পাথর যুগ নামে পরিচিত) প্রথম সাইপ্রাসে স্থায়ী মানব বসতি গড়ে উঠে, তারা বিভিন্ন প্রজাতির বামন প্রানী যেমন বামন হাতি (Elephas cypriotes) এবং বেটে হিপ্পোস (Hippopotamus minor) এর সাথে যুগপতভাবে বাস করত। সাইপ্রাসের দক্ষিণ উপকূলের লিমাসোলের কাছে এটোক্রেমনোসের পুরাতন প্রস্তর যগের হস্তশিল্পের সাথে এই প্রাণীদের সম্পর্ক আছে বলে এসম্পর্কিত একটি সংগঠন দাবি করে। তবে এনিয়ে সবাই একমত যে, ভূমধ্যসাগেরের পূর্বাঞ্চল থেকে আগমনের মাধ্যমে প্রথম উপনিবেশের প্রতিষ্ঠা ঘটে খ্রীষ্টপূর্ব নবম (বা সম্ভবত দশম) সহস্রাব্দে। প্রথম বসতীস্থাপনকারীরা ছিল তথাকথিত পিপিএনবি (প্রি-পটেরি নিওলিথিক বি) যুগের কৃষিজীবি। কিন্তু এখও কোন মৃৎশিল্প উৎপাদন করেনি (এসারমিক নিওলিথিক)।

কুকুর, ভেড়া, ছাগল ও সম্ভাব্য গবাদি পশু এবং শূকর পালন ‍শুরু করা হয়েছিল, পাশাপাশি অনেক বন্যপ্রাণী যেমন- শিয়াল (Vulpes vulpes), পার্সিয়ান লালচে-হলুদ হরিণ (Dama mesopotamica) এর আবির্ভাব ঘটেছিল যা আগে কখনো এই দ্বীপে ছিল না। পিপিএনবি বসতিস্থাপনকারীরা বৃত্তাকার ঘর তৈরি করত যার মেঝে ছিল পোড়া চুনের টেরাজো (terrazzo) দিয়ে নির্মিত (যেমন, ক্যাস্ট্রস, শিলৌরোকাম্বাস) । তারা ইনকর্ণ (এক ধরণের ভূমধ্যসাগরীয় গম) ও এমরি (এক ধরণের ইউরোশিয়ান গম) চাষ করতো। শূকর, ভেড়া, ছাগল এবং গবাদিপশু পালন করতো কিন্তু তাদের বেশির ভাগই ছিল আচরণগতভাবে বন্য। শিলৌরোকাম্বাসে পশুদের থাকার সাপেক্ষে প্রমাণ খুবই বিরল। খ্রীষ্টপূর্ব অষ্টম সহস্রাব্দে যখন তারা দৃশ্যত মারা যায় তাদেরকে সিরামিক নবপ্রস্তর যুগ (ceramic Neolithic) পর্যন্ত আর পুন:প্রতিস্থাপিত করা হয়নি।

খ্রীষ্টপূর্ব ষষ্ঠ সহস্রাব্দে, এসিরামিক খিরোকিশিয়া সংস্কৃতিটি বৃত্তাকার ঘর, পাথরের তৈরি বাসনপত্র এবং ভেড়া, ছাগল ও শূকর ভিত্তিক অর্থনীতি দ্বারা চিহ্নিত করা হয়েছে। গবাদিপশু ছিল অপরিচিত এবং পার্সিয়ান লালচে-হলুদ হরিণ শিকার করা হতো। এটি সিরামিক সোতিরা কাল পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। ইনিওলিথিক যুগ চিহ্নিত করা হয় প্রসারিত হাত যুক্ত প্রস্তর মূর্তি দ্বারা।

পশ্চিম সাইপ্রাসে প্রত্নতাত্ত্বিকগণ 9000 থেকে 10500 বছরের পুরাতন প্রস্তর যুগের পানির কূপ আবিস্কার করেছেন। ধারণা করা হয় এগুলোই বিশ্বের প্রাচীনতম কূপ।

2004 সালে সাইপ্রাসের নব-প্রস্তরযুগের প্রত্নতাত্ত্বিক অঞ্চলে 8 মাস বয়সি একটি বিড়ালের দেহাবশেষ আবিষ্কৃত হয়। এটিকে তার মালিক মানুষের সাথে কবরস্থ করা হয়েছিল। ধারণা করা হয় কবরটি 9500 বছরের পুরোনো, মিশরীয় সভ্যতার পূর্বেকার এবং তা প্রাচীনকালে প্রচলিত বিড়াল জাতীয় প্রাণী ও মানুষের সহবস্থানে নিয়ে যায়।

ব্রোঞ্জ যুগ[সম্পাদনা]

ব্রোঞ্জ যুগেই প্রথম নগরগুলো (যেমন, এনকোমি) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তখন পদ্ধতিগত তামার খনির খনন কাজ শুরু হয়েছিল এবং এই সংস্থান ব্যপকভাবে প্রচলিত হয়েছিল। এটি নিঃসন্দেহে বলা যায় ব্রোঞ্জ যুগের শেষ পর্যায় থেকে মাইসেরীয় গ্রিকরা সাইপ্রাসে বসবাস শুরু করে। ইতিমধ্যে দ্বীপটির গ্রিক নাম খ্রীষ্টপূর্ব পঞ্চদশ শতাব্দীর লিনিয়ার বি স্ক্রিপ্টে প্রত্যায়িত হয়েছিল।

শেষ ব্রোঞ্জযুগের (LCIB) প্রথম দিকে সাইপ্রিয়ট বর্ণলিপি প্রথম ব্যবহৃত হয় এবং এটি ক্রমাগতভাবে 500 বছর যাবৎ LC IIIB এর মধ্যে, সম্ভবত খ্রীষ্টপূর্ব একবিংশ শতকের দ্বিতীয়ভাগ পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি একটি স্থানীয় সাইপ্রিয়ট ভাষা (ইটিওসাইপ্রিয়ট) হিসেবে ব্যবহৃত হতো যা খ্রীষ্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দি পর্যন্ত টিকে ছিল, কিন্তু এর স্বপক্ষে বাস্তব প্রমাণ খুবই কম, যেমন ফলকগুলোর লিপির সম্পূর্ণরূপে পাঠোদ্ধার করা এখনো সম্ভব হয়নি।

LCIIC (1300 থেকে 1200 খ্রীষ্টপূর্বাব্দ) সময়কালটি ছিল স্থানীয় সমৃদ্ধ কাল। শহরগুলো (যেমন ,এনকোমি) আয়তাকার গ্রিড পরিকল্পনায় পুননির্মান করা হয়েছিল, যেখানে শহরের প্রবেশদ্বারগুলো গ্রিড অক্ষের সাথে মিলিত হতো। বহু সংখ্যক বিশাল ভবনের সামনে রাস্তার ব্যবস্থা ছিল বা নতুনভাবে নির্মান করা হচ্ছিল। বৃহৎ সরকরি ভবনগুলো চতুষ্কোন পাথর দ্বারা নির্মান করা হয়েছিল যা ছিল সামাজিক আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রণের প্রতিক। এগুলোর মধ্যে কিছু সংখ্যক ভবন যেমন, ক্যালভাসোস-আইয়োস ধিমিত্রিওস এর ভবন এক্স এবং মারোনি-ভর্নস এ অলিভ অয়েল প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা ছিল। মির্টু পিসদেস-এ বড় বর্গাকার পাথর দ্বারা নির্মিত শিংযুক্ত বেদীসহ একটি উপাসনালয় পাওয়া গেছে, অন্যান্য মন্দিরগুলো এনকোমি, কিশন এবং কুকুলিয়ায় (প্যালিপাফোস) অবস্থিত। শহরের নিয়মিত নকশা এবং নতুন স্থাপত্য কৌশল উভয়ই তাদের নিকটতম প্রতিবেশি সিরিয়া বিশেষ করে ইউগারিট (আধুনিক রাস শামারা) সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। আয়তক্ষেত্রকার কোরবেল্ড সমাধিস্থল সিরিয়া এবং ফিলিস্তিনের সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের স্বাক্ষ্যবহণ করে।

ক্ষিরোকিশিয়া প্রত্নতাত্ত্বিক অঞ্চল

সাইপ্রিয়ট বর্ণলিপিতে লিখিত ফলক রাস সামারায় (যা ইউগারিট এর ফিনিশিয় শহর) পাওয়া যায়। রাস শামারা থেকে প্রাপ্ত ইউগারিটি গ্রন্থে ‘ইয়া” উল্লেখিত আছে, এটি সাইপ্রাসের আসিরিয় নাম যা ইতিমধ্যে ব্রোঞ্জ যুগের শেষ দিকে ব্যবহার করতে দেখা যায়।

উলু বুরুন, ইরিয়া এবং কেপ গেলিডোনিয়ায় প্রাপ্ত জাহাজের ধ্বংসাবশেষ থেকে তামার পিন্ড উদ্ধার করা হয়েছে, যেটি ব্যাপক ধাতব বানিজ্যের স্বাক্ষ্য দেয়। এনকোমি এবং কালাভ্যাসোসে প্রাণীর আকৃতির বাটখারা পাওয়া যায়, যা সাইরো-ফিলিস্তিন, মেসোপটেমিয়, হিট্টিটি এবং এজিয়ান মানদন্ড অনুসরণ করে। এগুলো বহুদূর বিস্তৃত বানিজ্যের প্রমাণ দেয়।

ব্রোঞ্জ যুগের শেষ দিকে সাইপ্রাস হিট্টিটি সাম্রাজ্যের অংশ ছিল, কিন্তু এটি আগ্রাসনের অংশহিসেবে কেবলমাত্র সাম্রাজ্যের অংশ ছিল এবং ইউগারিট শাসক রাজাদের দ্বারা শাসিত হতো। যেন সাইপ্রাস মূলত “সাইপ্রিয়টদের বিষয়ে সামান্য হস্তক্ষেপ ছাড়া উপেক্ষিত” ছিল। তবে তুধালিয়ার শাসনকালে দ্বীপটি হয় কপার উৎসের নিরাপত্তা রক্ষার স্বার্থে অথবা জলদস্যুতা প্রতিরোধের কারণে সংক্ষিপ্তভাবে আক্রান্ত হয়। এর কিছুদিন পর 1200 খ্রীষ্টপূর্বাব্দের দিকে তাঁর পুত্র পুনর্দখল করে নেয়।

যদিও আকিয়ান গ্রিকরা চতুর্দশ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ থেকে সাইপ্রাসে বাস করছিল তবে তাদের অধিকাংশই ট্রোজান যুদ্ধের পর থেকে দ্বীপে বসবাস করছে। আকিয়ানরা 1210থেকে 1000 খ্রীষ্টপূর্বাব্দে সাইপ্রাসে উপনিবেশ স্থাপন করে। ডোরিয়ান গ্রিকরা 1100 খ্রীষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ সাইপ্রাসে আসে এবং নিদর্শনগুলো থেকে বুঝা যায় গ্রিক মূল ভূ-খন্ডের প্যাটার্নের বিপরীতে তারা সাইপ্রাসে শান্তিপূর্ণ ভাবেই বসবাস করে।

অন্যান্য বিষযগুলোর মধ্যে নতুন ধরণের কবরস্থান (লম্বা ড্রোমাই) দ্বারা, মৃৎশিল্পের নকশায় মাইসেনাইন প্রভাব থেকে বিশ্বাস করা হয় পরবর্তী শতাব্দিতে (LCIIIB, 1100-1050 খ্রীষ্টপূর্বাব্দ) গ্রিক বসতিস্থাপনকারিদের আরেকটি ঢেউ সাইপ্রাসে জায়গা করে নেয়।

মৃত্শিল্প[সম্পাদনা]

আরও দেখুন: প্রাচীন সাইপ্রাসের মৃৎশিল্প

ব্রোঞ্জ যুগের শেষের পর্যায়ে (LCIIIA, ১২০০–১১০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) স্থানীয়ভাবে প্রচুর পরিমাণে 'মাইসেনিয়ান' IIIC: 1B মৃৎশিল্প উত্পাদিত হতো। নতুন স্থাপত্য বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে গ্রীক মূল ভূখণ্ডে পাওয়া সাইক্লোপিয়ান দেয়াল এবং সাইপ্রাসের স্থানীয় একটি নির্দিষ্ট ধরণের আয়তক্ষেত্রাকার সিঁড়িযুক্ত দ্রব্য। সমাধি কক্ষগুলি কবরস্থানের পক্ষে দেওয়া হয়। মধ্যে ফিলিস্তিনেও প্রচুর পরিমাণে এই সময়ের IIIC:1b মৃৎশিল্প পাওয়া যায়। যদিও এটি আগে আক্রমণের প্রমাণ হিসাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল (’সমুদ্রের মানবসম্প্রদায়’), এটিকে আদিবাসী উন্নয়ন হিসাবে আরও বেশি বেশি দেখা যায়, সাইপ্রাস এবং ক্রিটের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানোর জন্য সূত্রপাত করে। প্রাচীন ক্রেটের একটি শক্তিশালী নগর কেন্দ্র সাইডোনিয়া থেকে পাওয়া মৃৎশিল্পের সাইপ্রাসে প্রত্নতাত্ত্বিক পুনরুদ্ধারে ক্রিটের সাথে প্রাথমিক ব্যবসায়ের প্রমাণ পাওয়া যায়।

সাইপ্রিয়ট নগর রাজ্য[সম্পাদনা]

বেশিরভাগ লেখকের দাবি যে, খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দীতে লিখিত উত্সগুলিতে প্রথম বর্ণিত হয় সাইপ্রিয়ট নগর রাজ্যগুলি ইতিমধ্যে খ্রিস্টপূর্ব একাদশ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। অন্যান্য পণ্ডিতরা দেখেন যে দ্বাদশ এবং অষ্টম খ্রিস্টপূর্বাব্দের মধ্যে সরদারদের নেটওয়ার্কের উপর ভিত্তি করে সামাজিক জটিলতা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। অষ্টম খ্রিস্টপূর্বাব্দে (জ্যামিতিক সময়কাল) জনবসতির সংখ্যা তীব্রভাবে বৃদ্ধি পায় এবং প্রথমবারের মতো সালামিসের 'রাজকীয়' সমাধির মতো স্মৃতিচিহ্ন সমাধির উপস্থিতি দেখা যায়। সাইপ্রিয়ট রাজ্যের উপস্থিতির জন্য এটি আরও ভাল ইঙ্গিত হতে পারে।

প্রথম লৌহ যুগ[সম্পাদনা]

সাইপ্রাস আয়রন যুগের প্রথম দিক শেষ ব্রোঞ্জ যুগের সাবমাইসিনিন কাল (খ্রিস্টপূর্ব ১১২৫-১০৫০) অনুসরণ করে। এটি জ্যামিতিক (১০৫০–৭০০), এবং প্রত্নতাত্ত্বিক (৭০০-৫২৫) যুগে বিভক্ত।

ধ্রুপদী লেখকদের লেখা পৌরাণিক ভিত্তিক কাহিনীগুলোতে দেখা যায় ট্রোজান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে অভিবাসী গ্রীক নায়কদের সাথে অসংখ্য সাইপ্রিয়ট নগরগুলির ভিত্তি তৈরিতে যুক্ত। উদাহরণস্বরূপ, আয়াসের ভাই টিউসার সালামিস প্রতিষ্ঠা করেন এবং দেশীয় শাসক কিনারাসের পরিবর্তে তেজিয়’র আর্কিডিয়ান আগাপেনোর রাজা হন এবং পাফোস প্রতিষ্ঠা করেন বলে মনে করা হয়। কিছু বিশেষজ্ মনে করেন এটি একাদশ শতকের মধ্যেই গ্রীকের উপনিবেশে পরিনত হয়। একাদশ শতাব্দীতে প্যালেপাফোস-স্কেলস-এ ৪৯ সালের সমাধিতে সাইপ্রিয়ট বর্ণলিপিতে লেখা তিনটি ব্রোঞ্জ  স্মারকস্তম্ভ পাওয়া গেছে, যার একটিতে ওফেল্টাসের নাম রয়েছে। এটি দ্বীপে গ্রীক ভাষার ব্যবহারের প্রথম নিদর্শন।

ফিনিসিয়[সম্পাদনা]

প্রাচীন সাইপ্রাস[সম্পাদনা]

বাইজেনটাইন সাইপ্রাস[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় ধর্মযুদ্ধ (ক্রুসেড)[সম্পাদনা]

সাইপ্রাস রাজ্য[সম্পাদনা]

অটোমান সাইপ্রাস[সম্পাদনা]

আধুনিক সাইপ্রাস[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]