ক্লিওপেট্রা
| সপ্তম ক্লিওপেট্রা ফিলোপেটর | |||||
|---|---|---|---|---|---|
সপ্তম ক্লিওপেট্রার আবক্ষ মূর্তি, আল্টিস জাদুঘর, বার্লিন | |||||
| মিশরের টলেমী রানী | |||||
| রাজত্ব | ৫১ খ্রিস্টপূর্ব – ১২ আগস্ট, ৩০ খ্রিস্টপূর্ব (২১ বছর) | ||||
| পূর্বসূরি | দ্বাদশ টলেমি অলেটেস | ||||
| সহ-শাসক | তালিকা দেখুন
| ||||
| জন্ম | ৬৯ খ্রিস্টপূর্ব আলেকজান্দ্রিয়া, মিশর | ||||
| মৃত্যু | ১২ আগস্ট, ৩০ খ্রিস্টপূর্ব (বয়স ৩৯) আলেকজান্দ্রিয়া, মিশর | ||||
| সমাধি | অজানা (সম্ভবত মিশরে) | ||||
| দাম্পত্য সঙ্গী | ত্রয়োদশ টলেমি ফিলোপেটর চতুর্দশ টলেমি মার্ক অ্যান্টনি | ||||
| বংশধর | সিজারিয়ন, পঞ্চদশ টলেমি ফিলোপেটর ফিলোমেটর সিজার আলেকজান্দ্র হিলিয়স ক্লিওপেট্রা সেলিন ষোড়শ টলেমি ফিলাডেলফেস | ||||
| |||||
| প্রাসাদ | টলেমীয় রাজবংশ | ||||
| পিতা | দ্বাদশ টলেমি অলেটেস | ||||
| মাতা | পঞ্চম ক্লিওপেট্রা (খুব সম্ভবত) | ||||
| হায়ারোগ্লিফাসে সপ্তম ক্লিওপেট্রা | |||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
Qlwpdrt | |||||||||||||||||||
Wr(.t)-nb(.t)-nfrw-3ḫ(t)-sḥ পরিপূর্ণতার মহান নারী, মনোহর পরামর্শক | |||||||||||||||||||
Wr.t-twt-n-jt=s মহান একজন, তার পিাতার পূত ভাবর্মর্তি | |||||||||||||||||||
Qlwpdrt nṯrt mr(t) jts দেবী ক্লিওপেট্রা যিনি তার পিতার অত্যন্ত প্রিয় | |||||||||||||||||||
| প্রাচীন রোম এবং প্রজাতন্ত্রের পতন |
|---|
| ধারাবাহিকের একটি অংশ |
সপ্তম ক্লিওপেট্রা ফিলোপেটর (ইংরেজি: Cleopatra VII Philopator, গ্রিক: Κλεοπάτρα Φιλοπάτωρ, ক্লেওপাৎরা ফিলোপাতোর্; ৬৯[১] – আগস্ট ১২, ৩০ খ্রিস্টপূর্ব[২])[দ্রষ্টব্য ১], ইতিহাসে শুধু ক্লিওপেট্রা নামে পরিচিত, ছিলেন টলেমীয় সাম্রাজ্যের রানি এবং হেলেনীয় যুগের সর্বশেষ সক্রিয় ফারাও।[দ্রষ্টব্য ২] তিনি টলেমি বংশের প্রতিষ্ঠাতা প্রথম টলেমি সোটারের বংশধর এবং জানামতে মিশরীয় ভাষায় দীক্ষিত একমাত্র টলেমীয় শাসক। তার রাজত্বের পর, মিশর তৎকালীন সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত রোমান সাম্রাজ্যের একটি প্রদেশে পরিণত হয়। তিনি তার সৌন্দর্য এবং রোমান সেনাপতি এবং একনায়ক জুলিয়াস সিজার এবং মার্ক অ্যান্টনির সাথে তার প্রেমের সম্পর্কের জন্য ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
ব্যুৎপত্তি
[সম্পাদনা]ক্লিওপেট্রার ল্যাটিন রূপটি প্রাচীন গ্রিক Kleopátra (Κλεοπάτρα) থেকে আগত, যার অর্থ "পিতার গৌরব"। Κλεοπάτρα শব্দটি κλέος (kléos, "গৌরব") and πατήρ (patḗr, "পিতা")[৩] এর সমন্বয়ে গঠিত। ক্লিওপেট্রার গৃহীত উপাধি Theā́ Philopátōra (Θεᾱ́ Φιλοπάτωρα), যার অর্থ "দেবী যিনি তার পিতাকে ভালোবাসেন"।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]ক্লিওপেট্রার জন্ম ৬৯ খ্রিস্টপূর্বের শুরুর দিকে তৎকালীন শাসক দ্বাদশ টলেমির ঘরে, যদিও তার মাতৃপরিচয় নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ধারণা করা হয়, তার মা পঞ্চম ক্লিওপেট্রা (তাকে একই সাথে ষষ্ঠ ক্লিওপেট্রা বলেও ধারণা করা হয়) যিনি ছিলেন চতুর্থ বেরেনিসের মা। ক্লিওপেট্রার জন্মের কিছু সময় পর তার মা প্রাতিষ্ঠানিক নথিপত্র থেকে বিলীন হয়ে যায়।
ক্লিওপেট্রা ছিলেন প্রাচীন মিশরীয় টলেমীয় রাজবংশের সদস্য। মহামতি আলেকজান্ডারের একজন সেনাপতি আলেকজান্ডারের মৃত্যুর পর মিশরে কর্তৃত্ব দখল করেন ও টলেমীয় রাজবংশের গোড়াপত্তন করেন। এই বংশের বেশিরভাগ সদস্য গ্রিক ভাষায় কথা বলতেন, এবং তাঁরা মিশরীয় ভাষা শিখতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। ফলে রোসেত্তা স্টোনের সরকারি নথিপত্রেও মিশরীয় ভাষার পাশাপাশি গ্রিক ভাষার প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।[৪] অপরদিকে ব্যতিক্রমী ক্লিওপেট্রা মিশরীয় ভাষা শিখেছিলেন এবং নিজেকে একজন মিশরীয় দেবীর পুনর্জন্ম হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।
বাবা দ্বাদশ টলেমি অলেটেসের সাথে ক্লিওপেট্রা দ্বৈতভাবে ৫২ খ্রিস্টপূর্ব থেকে ৫১ খ্রিস্টপূর্ব অবধি মিশর শাসন করেন। বাবার মৃত্যুর পর তিনি তাঁর ভ্রাতৃদ্বয় ত্রয়োদশ টলেমি ও চতুর্দশ টলেমি সাথে রাজ্য শাসন করতেন। তৎকালীন মিশরীয় ঐতিহ্য অনুসারে তিনি তাঁদেরকে বিয়েও করেছিলেন।
রোমান গৃহযুদ্ধের সূত্র ধরে ক্লিওপেট্রা নিজের অবস্থান সুসংহত করেন। তার শত্রু পথিনাস রোমান গৃহযুদ্ধে পরাজিত পম্পেইকে হত্যা করে জয়ী একনায়ক জুলিয়াস সিজার এর আনূকুল্য লাভ করতে চেয়েছিল।
জুলিয়াস সিজারের সাহচর্য
[সম্পাদনা]ক্লিওপেট্রার এক বিশেষ ক্ষমতা ছিল পুরুষদের আকৃষ্ট করার। ক্লিওপেট্রার শুধু প্রয়োজন ছিল সৈন্যদের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া আর সিজারের সামনে গিয়ে দাঁড়ানো। তাহলে তিনি নিশ্চিত হতে পারবেন যে, তাকে করায়ত্ত্ব করা যাবে কি না। কাজেই সিরিয়া থেকে তিনি নৌযাত্রা করে আলেক্সান্দ্রিয়ার উপকূলে গিয়ে অবতরণ করলেন এবং সেখানে গিয়ে সিজারকে একটি বিশাল কার্পেট উপহার দিলেন (প্রচলিত কাহিনী অনুসারে)। পথিনাসের এবং সৈন্যবাহিনীরা এই উপহার প্রদানে আপত্তিকর কিছু দেখলো না, কারণ তারা জানতই না এই কার্পেটের মধ্যে জড়িয়ে রয়েছেন খোদ ক্লিওপেট্রা।
ক্লিওপেট্রার কৌশল পুরোপুরি কাজে লাগে। কার্পেট খোলা হলে সিজার মুগ্ধ বিস্ময়ে সেই সুন্দরী যুবতীর দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে রইলেন। ক্লিওপেট্রা তার আগমনের কারণ বোঝাতে সক্ষম হলেন। তাই তিনি আগের ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন করতে আদেশ দিলেন। অর্থাৎ ক্লিওপেট্রা এবং তার বালক ভ্রাতা একত্রে শাসক হবেন। পথিনাস এ সিদ্ধান্তে ক্ষিপ্ত হয়ে সিজার ও তার সৈন্যদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে এবং পরবর্তীতে সিজার পথিনাসকে হত্যা করেন।
সিজার স্বল্পকালীন সময় মিশরে অবস্থান করেন এবং ৪৭ খ্রিস্টপূর্বে রোমে ফিরে আসেন।সিজারের প্রত্যাবর্তনের অল্প দিনের মধ্যেই ক্লিওপেট্রার এক পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করে এবং তার নাম রাখা হয় সিজারিয়ন।




মার্ক এন্টনির সাহচর্য
[সম্পাদনা]৪৪ খ্রিস্টপূর্বে সিজার নিহত হলে তিনি নিজের ভাইকে হত্যা করান এবং নিজের পুত্র সিজারিয়নের সাথে যৌথ ভাবে শাসনকার্য শুরু করেন।
সিজারের মৃত্যুর পর মার্ক এন্টনি(সিজারের বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা) ও অক্টাভিয়ান সিজার (সিজারের নাতি,পরবর্তীতে সম্রাট অগাস্টাস) রোম শাসন করছিলেন। সিজারকে হত্যা করেছিল যে গোষ্ঠী, ৪২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মেসিডনের যুদ্ধে তারা এন্টনির কাছে পরাজিত হয়। মার্ক এন্টনির শাসনকাজের প্রয়োজনীয় অর্থ যোগাতেন ক্লিওপেট্রা।
তাই তিনি রাজকীয় ভঙ্গিতে মাঝে মাঝে ক্লিওপেট্রাকে তাসার্সে (এন্টনির অধিকৃত নগরী) আসার আমন্ত্রণ জানাতেন। মার্ক এন্টনিও সিজারের মতো ক্লিওপেট্রার মোহে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন।যার ফল,৪১-৪০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে ক্লিওপেট্রা তার ঔরসে যমজ সন্তানের জন্ম দেন,যাদের নাম রাখা হয় আলেক্সান্ডার হেলিওস এবং ক্লিওপেট্রা সেলিনি।
ক্লিওপেট্রা চেয়েছিলেন তার পূর্বপুরুষের বিস্তৃত সাম্রাজ্য ধরে রাখতে। এন্টনি তাকে সাইরেনি ও সাইপ্রাস ফিরিয়ে দিয়েছিলেন (যেটা করার তার কোনো অধিকার ছিল না)।এশিয়া মাইনরের উপকূলীয় অঞ্চলের বিস্তৃত এলাকা যা, এক সময় তৃতীয় টলেমীর অধিকারে ছিল সেটাও ক্লিওপেট্রাকে উপহার দেন। এটাও প্রবাদ আছে, তিনি ক্লিওপেট্রাকে “পার্গে” নামের লাইব্রেরি (পশ্চিম এশিয়া মাইনরের একটি শহর যেখানকার গ্রন্থ-সংগ্রহ আলেক্সান্দ্রিয়ার কাছাকাছি ছিল) দান করেছিলেন।
অক্টেভিয়ানের জন্য এ সবকিছুই অপপ্রচারের কাজে লেগেছিল। তিনি জনগণকে বোঝাতে পেরেছিলেন যে এন্টনিও তার প্রেমিকার জন্য সব কিছুই বিলিয়ে দিতে পারেন।এন্টনি অক্টাভিয়ানের বোনের সাথে দাম্পত্য সম্পর্ক ছেদ করে ক্লিওপেট্রাকে বিয়ে করায় অক্টাভিয়ান আরো ক্ষেপে যান। এমনও গুজব আছে যে সমগ্র প্রাচ্য অঞ্চল এন্টনি ক্লিওপেট্রাকে এবং তার উত্তরাধিকারী হিসেবে তার ছেলেমেয়েদের নামে উইল করে যান। এতে রোমানরা ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে উঠে যে একজন মেসিডোনীয় রানি সবকিছু গ্রাস করছে শুধু তার সৌন্দর্যের আকর্ষণে। রোমান জনগণের ঘৃণা ও ক্রোধকে পুঁজি করে অক্টেভিয়ান সমর্থ হয়েছিলেন মিশরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণায় সিনেটের সমর্থন আদায় করতে। যে যুদ্ধটি ছিল মার্ক এন্টনির বিপক্ষে।
মৃত্যু এবং পরবর্তী
[সম্পাদনা]যুদ্ধে এন্টনি নিজের নির্বুদ্ধিতায় পরাজিত হন এবং অক্টাভিয়ান আলেক্সান্দ্রিয়ায় প্রবেশ করলে তিনি আত্মহত্যা করেন। ক্লিওপেট্রা এবার শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে অক্টাভিয়ানকে আকৃষ্ট করতে চাইলেন কিন্তু ব্যর্থ হলেন। অবমাননার হাত থেকে বাঁচতে ক্লিওপেট্রা আত্মহত্যা করেন। (প্রচলিত আছে -এস্প নামক এক ক্ষুদ্র বিষধর সাপের দংশনে তিনি নিজের মৃত্যু ঘটান।)
অক্টাভিয়ান ক্লিওপেট্রার দুই পুত্রকে হত্যা করেন এবং তার দশ বছর বয়সী কন্যাকে বিয়ে দিয়ে অনেক দূরে পাঠিয়ে দেন।
পূর্বপুরুষগণ
[সম্পাদনা]ক্লিওপেট্রা সপ্তম থিয়া ফিলোপটর (কোইনে গ্রীক: Κλεοπάτρα Θεά Φιλοπάτωρ, অর্থ: 'ক্লিওপেট্রা পিতা-প্রেমী দেবী'; ৭০/৬৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দ - ১০ আগস্ট ৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) ছিলেন ৫১ থেকে ৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত মিশরের টলেমীয় রাজ্যের রানী এবং শেষ সক্রিয় হেলেনিস্টিক ফারাও। টলেমীয় রাজবংশের সদস্য, তিনি এর প্রতিষ্ঠাতা টলেমি প্রথম সোটারের বংশধর ছিলেন, যিনি একজন ম্যাসেডোনীয় গ্রীক সেনাপতি এবং আলেকজান্ডার দ্য গ্রেটের সহচর। তার মাতৃভাষা ছিল কোইন গ্রীক, এবং তিনিই একমাত্র টলেমীয় শাসক যিনি মিশরীয় ভাষা শিখেছিলেন বলে জানা যায়, অন্যান্য বেশ কয়েকটির মধ্যে।তার মৃত্যুর পর, মিশর রোমান সাম্রাজ্যের একটি প্রদেশে পরিণত হয়, যা ভূমধ্যসাগরে হেলেনিস্টিক যুগের সমাপ্তি চিহ্নিত করে, যা আলেকজান্ডারের রাজত্বকালে শুরু হয়েছিল। (খ্রিস্টপূর্ব ৩৩৬-৩২৩)।
আলেকজান্দ্রিয়ায় জন্মগ্রহণকারী ক্লিওপেট্রা ছিলেন টলেমি দ্বাদশ আউলেটেসের কন্যা, যিনি ৫১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মৃত্যুর আগে তাকে তার উত্তরাধিকারী ঘোষণা করেছিলেন। ক্লিওপেট্রা তার ভাই টলেমি দ্বাদশের সাথে তার রাজত্ব শুরু করেছিলেন, কিন্তু তাদের মধ্যে বিরোধের ফলে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। রোমান রাজনীতিবিদ পম্পেই ৪৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিজারের গৃহযুদ্ধে তার প্রতিদ্বন্দ্বী রোমান স্বৈরশাসক জুলিয়াস সিজারের বিরুদ্ধে ফার্সালাসের যুদ্ধে হেরে মিশরে পালিয়ে যান। পম্পেই টলেমি দ্বাদশের রাজনৈতিক মিত্র ছিলেন, কিন্তু সিজার আসার আগে এবং আলেকজান্দ্রিয়া দখল করার আগে টলেমি দ্বাদশ তাকে অতর্কিত আক্রমণ করে হত্যা করেন। সিজার এরপর প্রতিদ্বন্দ্বী টলেমি ভাইবোনদের মধ্যে পুনর্মিলন করার চেষ্টা করেন, কিন্তু টলেমি দ্বাদশের বাহিনী প্রাসাদে ক্লিওপেট্রা এবং সিজারকে অবরোধ করে। শক্তিবৃদ্ধি দ্বারা অবরোধ তুলে নেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই, টলেমি দ্বাদশ নীল নদের যুদ্ধে মারা যান। সিজার ক্লিওপেট্রা এবং তার ভাই টলেমি চতুর্দশকে যৌথ শাসক ঘোষণা করেন এবং ক্লিওপেট্রার সাথে একটি ব্যক্তিগত সম্পর্ক বজায় রাখেন যার ফলে একটি পুত্র সিজারিয়ন জন্মগ্রহণ করে। ক্লিওপেট্রা ৪৬ এবং ৪৪ খ্রিস্টপূর্বাব্দে একজন মক্কেল রানী হিসেবে রোমে ভ্রমণ করেন, যেখানে তিনি সিজারের ভিলায় থাকতেন। সিজারের হত্যার পর, টলেমি চতুর্দশের আকস্মিক মৃত্যুর পর (সম্ভবত ক্লিওপেট্রার আদেশে খুন হন), তিনি সিজারিয়নকে টলেমি চতুর্দশের সহ-শাসক হিসেবে মনোনীত করেন।
৪৩-৪২ খ্রিস্টপূর্বাব্দের লিবারেটরদের গৃহযুদ্ধে, ক্লিওপেট্রা সিজারের উত্তরাধিকারী অক্টাভিয়ান, মার্ক অ্যান্টনি এবং মার্কাস এমিলিয়াস লেপিডাস দ্বারা গঠিত রোমান দ্বিতীয় ট্রায়ামভিরেটের পক্ষে ছিলেন। ৪১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে টারসোসে তাদের সাক্ষাতের পর, রাণী অ্যান্টনির সাথে একটি সম্পর্ক গড়ে তোলেন যার ফলে তিনটি সন্তান জন্ম নেয়। পার্থিয়ান সাম্রাজ্য এবং আর্মেনিয়া রাজ্যে আক্রমণের সময় অ্যান্টনি তহবিল এবং সামরিক সহায়তার জন্য ক্লিওপেট্রার উপর ক্রমশ নির্ভরশীল হয়ে ওঠেন। আলেকজান্দ্রিয়ার ডোনেসরা তাদের সন্তানদের অ্যান্টনির কর্তৃত্বাধীন বিভিন্ন অঞ্চলের শাসক ঘোষণা করে। অক্টাভিয়ান এই ঘটনাকে বিশ্বাসঘাতকতার কাজ হিসেবে চিত্রিত করেন, খ্রিস্টপূর্ব ৩২ সালে রোমান সিনেটে অ্যান্টনির মিত্রদের রোম থেকে পালাতে বাধ্য করেন এবং ক্লিওপেট্রার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেন। ৩১ খ্রিস্টপূর্বাব্দে অ্যাক্টিয়ামের যুদ্ধে অ্যান্টনি এবং ক্লিওপেট্রার নৌবহরকে পরাজিত করার পর, অক্টাভিয়ানের বাহিনী ৩০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মিশর আক্রমণ করে এবং অ্যান্টনিকে পরাজিত করে, যার ফলে অ্যান্টনির আত্মহত্যা হয়। যখন ক্লিওপেট্রা জানতে পারেন যে অক্টাভিয়ান তাকে তার রোমান বিজয় মিছিলে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তখন তিনি বিষ প্রয়োগ করে আত্মহত্যা করেন (জনপ্রিয় বিশ্বাসের বিপরীতে যে তাকে একটি অ্যাস্প কামড়েছিল)।
প্রাচীন এবং আধুনিক শিল্পকর্মে ক্লিওপেট্রার উত্তরাধিকার টিকে আছে। রোমান ইতিহাস রচনা এবং ল্যাটিন কবিতা রাণীর একটি সাধারণভাবে সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে যা পরবর্তী মধ্যযুগীয় এবং রেনেসাঁ সাহিত্যে ছড়িয়ে পড়ে। দৃশ্য শিল্পে, তার প্রাচীন চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে রোমান আবক্ষ মূর্তি, চিত্রকর্ম এবং ভাস্কর্য, ক্যামিও খোদাই এবং কাচ, টলেমিক এবং রোমান মুদ্রা এবং ত্রাণ। রেনেসাঁ এবং বারোক শিল্পে, তিনি অপেরা, চিত্রকলা, কবিতা, ভাস্কর্য এবং নাট্যনাট্য সহ অনেক কাজের বিষয়বস্তু ছিলেন। ভিক্টোরিয়ান যুগ থেকে তিনি মিশরীয়দের পপ সংস্কৃতির একজন আইকন হয়ে উঠেছেন এবং আধুনিক সময়ে, ক্লিওপেট্রা প্রয়োগ ও চারুকলা, বার্লেস্ক ব্যঙ্গ, হলিউড চলচ্চিত্র এবং বাণিজ্যিক পণ্যের ব্র্যান্ড ছবিতে আবির্ভূত হয়েছেন।
ব্যুৎপত্তি
[সম্পাদনা]ক্লিওপেট্রার ল্যাটিন রূপটি প্রাচীন গ্রীক ক্লিওপেট্রা (Κλεοπάτρα) থেকে এসেছে, যার অর্থ "তার পিতার গৌরব", κλέος (kléos, "গৌরব") এবং πατήρ (patḗr, "পিতা") থেকে এসেছে। পুংলিঙ্গ রূপটি হয় Kleópatros (Κλεόπατρος) অথবা Pátroklos (Πάτροκλος) হিসাবে লেখা হত। ক্লিওপেট্রা ছিল ম্যাসেডোনিয়ার আলেকজান্ডারের বোন ক্লিওপেট্রার নাম, এবং গ্রীক পুরাণে মেলাগারের স্ত্রী ক্লিওপেট্রা অ্যালসিওনের নাম। টলেমি পঞ্চম এপিফেনেস এবং ক্লিওপেট্রা প্রথম সাইরা (একজন সেলুসিড রাজকন্যা) এর বিবাহের মাধ্যমে, নামটি টলেমীয় রাজবংশের অন্তর্ভুক্ত হয়।[8][9] ক্লিওপেট্রার গৃহীত উপাধি Theā́ Philopátōra (Θεᾱ́ Φιλοπάτωρα) এর অর্থ "দেবী যিনি তার পিতাকে ভালোবাসেন"।
পটভূমি
[সম্পাদনা]
প্যারিসের লুভরে ক্লিওপেট্রার পিতা টলেমি দ্বাদশ আউলেটেসের হেলেনিস্টিক প্রতিকৃতি
টলেমিয়িক ফারাওদের মেমফিসে পাতাহের মিশরীয় মহাযাজক দ্বারা মুকুট পরানো হয়েছিল, কিন্তু তারা আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বহুসংস্কৃতির এবং মূলত গ্রীক শহর আলেকজান্দ্রিয়ায় বসবাস করত। তারা গ্রীক ভাষায় কথা বলত এবং হেলেনিস্টিক গ্রীক রাজা হিসেবে মিশর শাসন করত, স্থানীয় মিশরীয় ভাষা শিখতে অস্বীকার করত। বিপরীতে, ক্লিওপেট্রা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর একাধিক ভাষা বলতে পারতেন এবং মিশর শিখতে পরিচিত প্রথম টলেমিয়িক শাসক ছিলেন।}}
|}
দ্রষ্টব্য
[সম্পাদনা]- ↑ Theodore Cressy Skeat, in Skeat (1953, pp. 98–100), uses historical data to calculate the death of Cleopatra as having occurred on 12 August 30 BC. Burstein (2004, p. 31) provides the same date as Skeat, while Dodson & Hilton (2004, p. 277) tepidly supports this, saying it occurred circa that date. Those in favor of claiming her death occurred on 10 August 30 BC include Roller (2010, pp. 147–148), Fletcher (2008, p. 3), and Anderson (2003, p. 56).
- ↑ তিনি কূটনৈতিক, নৌ কমান্ডার, ভাষাবিদও ছিলেন; দেখুন Roller (2010, p. 1) and Bradford (2000, p. 13).
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Walker, p. 129.
- ↑ T.C. Skeat, "The Last Days of Cleopatra: A Chronological Problem", The Journal of Roman Studies, 43 (1953), pp. 98–100 .
- ↑ Muellner ()।
- ↑ "Radio 4 Programmes - A History of the World in 100 Objects, Empire Builders (300 BC - 1 AD), Rosetta Stone"। BBC। সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০১০।
উৎস
[সম্পাদনা]অনলাইন
[সম্পাদনা]- Brown, Chip (জুলাই ২০১১), "The Search for Cleopatra", National Geographic, সংগ্রহের তারিখ ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮.
- Grout, James (১ এপ্রিল ২০১৭a), "Basalt Statue of Cleopatra", Encyclopaedia Romana, University of Chicago, সংগ্রহের তারিখ ৭ মার্চ ২০১৮.
- Grout, James (১ এপ্রিল ২০১৭b), "Was Cleopatra Beautiful?", Encyclopaedia Romana, University of Chicago, সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৮.
- Muellner, Leonard, A Poetic Etymology of Pietas in the Aeneid, Center for Hellenic Studies, Harvard University, ৯ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮.
{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অনুলিপি রেফারেন্স ডিফল্ট (লিঙ্ক) - Plutarch (১৯২০), Plutarch's Lives, Bernadotte Perrin কর্তৃক অনূদিত, Cambridge, MA: Harvard University Press (Perseus Digital Library, Tufts University), সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৮.
- Radio 4 Programmes – A History of the World in 100 Objects, Empire Builders (300 BC – 1 AD), Rosetta Stone, BBC, সংগ্রহের তারিখ ৭ জুন ২০১০.
- Raia, Ann R.; Sebesta, Judith Lynn (সেপ্টেম্বর ২০১৭), The World of State, College of New Rochelle, ৬ মার্চ ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৮.
- Reece, Steve (২০১৭), "Cleopatra Couldn't Spell (And Neither Can We!)", Groton, Anne Harmar (সম্পাদক), Ab Omni Parte Beatus: Classical Essays in Honor of James M. May, Mundelein, IL: Bolchazy-Carducci Publishers, পৃ. ২০১–২২০, আইএসবিএন ৯৭৮০৮৬৫১৬৮৪৩৫, এলসিসিএন 2017002236, ওসিএলসি 969973660, সংগ্রহের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮.
- Sabino, Rachel; Gross-Diaz, Theresa (২০১৬), Cat. 22 Tetradrachm Portraying Queen Cleopatra VII, Art Institute of Chicago, ডিওআই:10.13140/RG.2.2.23475.22560, সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৮.
- Tyldesley, Joyce (৬ ডিসেম্বর ২০১৭), "Cleopatra, Queen of Egypt", Encyclopædia Britannica, সংগ্রহের তারিখ ১৮ মে ২০১৮.
- Walker, Susan; Higgs, Peter (২০১৭) [2001], Portrait Head, British Museum, সংগ্রহের তারিখ ৬ মার্চ ২০১৮.
ছাপানো
[সম্পাদনা]- Anderson, Jaynie (২০০৩), Tiepolo's Cleopatra, Melbourne: Macmillan, আইএসবিএন ৯৭৮১৮৭৬৮৩২৪৪৫.
- Ashton, Sally-Ann (২০০১a), "194 Marble head of a Ptolemaic queen with vulture headdress", Walker, Susan; Higgs, Peter (সম্পাদকগণ), Cleopatra of Egypt: from History to Myth, Princeton, NJ: Princeton University Press (British Museum Press), পৃ. ২১৭, আইএসবিএন ৯৭৮০৬৯১০৮৮৩৫৮.
- Ashton, Sally-Ann (২০০১b), "163 Limestone head of Cleopatra VII", Walker, Susan; Higgs, Peter (সম্পাদকগণ), Cleopatra of Egypt: from History to Myth, Princeton, NJ: Princeton University Press (British Museum Press), পৃ. ১৬৪, আইএসবিএন ৯৭৮০৬৯১০৮৮৩৫৮.
- Ashton, Sally-Ann (বসন্ত ২০০২), "Identifying the ROM's 'Cleopatra'", Rotunda: ৩৬–৩৯.
- Ashton, Sally-Ann (২০০৮), Cleopatra and Egypt, Oxford: Blackwell, আইএসবিএন ৯৭৮১৪০৫১১৩৯০৮.
- Bivar, A.D.H. (১৯৮৩), "The Political History of Iran Under the Arsacids", Yarshater, Ehsan (সম্পাদক), Cambridge History of Iran, Volume 3(1): The Seleucid, Parthian, and Sasanian periods, Cambridge: Cambridge University Press, পৃ. ২১–৯৯, আইএসবিএন ৯৭৮০৫২১২০০৯২৯.
{{citation}}: অজানা প্যারামিটার|chapterurl=উপেক্ষা করা হয়েছে (|chapter-url=প্রস্তাবিত) (সাহায্য) - Bradford, Ernle (২০০০) [1971], Cleopatra, Penguin Group, আইএসবিএন ৯৭৮০১৪১৩৯০১৪৭.
- Bringmann, Klaus (২০০৭) [2002], A History of the Roman Republic (English ভাষায়), W. J. Smyth কর্তৃক অনূদিত, Cambridge: Polity Press, আইএসবিএন ৯৭৮০৭৪৫৬৩৩৭১৮.
{{citation}}: অবৈধ|ref=harv(সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - Brosius, Maria (২০০৬), The Persians: An Introduction, London & New York: Routledge, আইএসবিএন ৯৭৮০৪১৫৩২০৮৯৪.
- Burstein, Stanley M. (২০০৪), The Reign of Cleopatra, Westport, CT: Greenwood Press, আইএসবিএন ৯৭৮০৩১৩৩২৫২৭৪.
- Caygill, Marjorie (২০০৯), Treasures of the British Museum, London: British Museum Press (Trustees of the British Museum), আইএসবিএন ৯৭৮০৭১৪১৫০৬২৮.
- Chauveau, Michel (২০০০) [1997], Egypt in the Age of Cleopatra: History and Society Under the Ptolemies (English ভাষায়), David Lorton কর্তৃক অনূদিত, Ithaca, NY: Cornell University Press, আইএসবিএন ৯৭৮০৮০১৪৮৫৭৬৩.
{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - Crawford, Michael (১৯৭৪), The Roman Republican Coinage, Cambridge: Cambridge University Press, আইএসবিএন ৯৭৮০৫২১০৭৪৯২৬.
- Curtius, Ludwig (১৯৩৩), "Ikonographische Beitrage zum Portrar der romischen Republik und der Julisch-Claudischen Familie", RM (German ভাষায়), ৪৮: ১৮২–২৪৩, ওসিএলসি 633408511.
{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - DeMaria Smith, Margaret Mary (২০১১), "HRH Cleopatra: the Last of the Ptolemies and the Egyptian Paintings of Sir Lawrence Alma-Tadema", Miles, Margaret M. (সম্পাদক), Cleopatra : a sphinx revisited, Berkeley: University of California Press, পৃ. ১৫০–১৭১, আইএসবিএন ৯৭৮০৫২০২৪৩৬৭৫.
- Dodson, Aidan; Hilton, Dyan (২০০৪), The Complete Royal Families of Ancient Egypt, London: Thames & Hudson, আইএসবিএন ৯৭৮০৫০০০৫১২৮৩.
- Dudley, Donald (১৯৬০), The Civilization of Rome, New York: New American Library, আইএসবিএন ৯৭৮১২৫৮৪৫০৫৪০.
{{citation}}: আইএসবিএন / তারিখের অসামঞ্জস্যতা (সাহায্য) - Elia, Olga (১৯৫৬) [1955], "La tradizione della morte di Cleopatra nella pittura pompeiana", Rendiconti dell'Accademia di Archeologia, Lettere e Belle Arti (Italian ভাষায়), ৩০: ৩–৭, ওসিএলসি 848857115.
{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - Ferroukhi, Mafoud (২০০১a), "197 Marble portrait, perhaps of Cleopatra VII's daughter, Cleopatra Selene, Queen of Mauretania", Walker, Susan; Higgs, Peter (সম্পাদকগণ), Cleopatra of Egypt: from History to Myth, Princeton, NJ: Princeton University Press (British Museum Press), পৃ. ২১৯, আইএসবিএন ৯৭৮০৬৯১০৮৮৩৫৮.
- Ferroukhi, Mafoud (২০০১b), "262 Veiled head from a marble portrait statue", Walker, Susan; Higgs, Peter (সম্পাদকগণ), Cleopatra of Egypt: from History to Myth, Princeton, NJ: Princeton University Press (British Museum Press), পৃ. ২৪২, আইএসবিএন ৯৭৮০৬৯১০৮৮৩৫৮.
- Fletcher, Joann (২০০৮), Cleopatra the Great: The Woman Behind the Legend, New York: Harper, আইএসবিএন ৯৭৮০০৬০৫৮৫৫৮৭.
- Goldsworthy, Adrian Keith (২০১০), Antony and Cleopatra, New Haven, CT: Yale University Press, আইএসবিএন ৯৭৮০৩০০১৬৫৩৪০.
- Grant, Michael (১৯৭২), Cleopatra, London: Weidenfeld and Nicolson; Richard Clay (the Chaucer Press), আইএসবিএন ৯৭৮০২৯৭৯৯৫০২৯.
- Gurval, Robert A. (২০১১), "Dying Like a Queen: the Story of Cleopatra and the Asp(s) in Antiquity", Miles, Margaret M. (সম্পাদক), Cleopatra : a sphinx revisited, Berkeley: University of California Press, পৃ. ৫৪–৭৭, আইএসবিএন ৯৭৮০৫২০২৪৩৬৭৫.
- Higgs, Peter (২০০১), "Searching for Cleopatra's image: classical portraits in stone", Walker, Susan; Higgs, Peter (সম্পাদকগণ), Cleopatra of Egypt: from History to Myth, Princeton, NJ: Princeton University Press (British Museum Press), পৃ. ২০০–২০৯, আইএসবিএন ৯৭৮০৬৯১০৮৮৩৫৮.
- Holt, Frank L. (১৯৮৯), Alexander the Great and Bactria: the Formation of a Greek Frontier in Central Asia, Leiden: E.J. Brill, আইএসবিএন ৯৭৮৯০০৪০৮৬১২৮.
- Hölbl, Günther (২০০১) [1994], A History of the Ptolemaic Empire, Tina Saavedra কর্তৃক অনূদিত, London: Routledge, আইএসবিএন ৯৭৮০৪১৫২০১৪৫২.
- Hsia, Chih-tsing (২০০৪), C.T. Hsia on Chinese Literature, New York: Columbia University Press, আইএসবিএন ৯৭৮০২৩১১২৯৯০৯.
- Jeffreys, David (১৯৯৯), "Memphis", Bard, Kathryn A. (সম্পাদক), Encyclopedia of the Archaeology of Ancient Egypt, London: Routledge, পৃ. ৪৮৮–৪৯০, আইএসবিএন ৯৭৮০৪১৫১৮৫৮৯৯.
- Johnson, Janet H. (১৯৯৯), "Late and Ptolemaic periods, overview", Bard, Kathryn A. (সম্পাদক), Encyclopedia of the Archaeology of Ancient Egypt, London: Routledge, পৃ. ৬৬–৭২, আইএসবিএন ৯৭৮০৪১৫১৮৫৮৯৯.
- Jones, Prudence J. (২০০৬), Cleopatra: a sourcebook, Norman, OK: University of Oklahoma Press, আইএসবিএন ৯৭৮০৮০৬১৩৭৪১৪.
- Kennedy, David L. (১৯৯৬), "Parthia and Rome: eastern perspectives", Kennedy, David L.; Braund, David (সম্পাদকগণ), The Roman Army in the East, Ann Arbor: Cushing Malloy Inc., Journal of Roman Archaeology: Supplementary Series Number Eighteen, পৃ. ৬৭–৯০, আইএসবিএন ৯৭৮১৮৮৭৮২৯১৮২
- Kleiner, Diana E. E. (২০০৫), Cleopatra and Rome, Cambridge, MA: Belknap Press of Harvard University Press, আইএসবিএন ৯৭৮০৬৭৪০১৯০৫৮.
- Lippold, Georg (১৯৩৬), Die Skulpturen des Vaticanischen Museums (German ভাষায়), খণ্ড ৩, Berlin: Walter de Gruyter & Co., ওসিএলসি 803204281.
{{citation}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - Meadows, Andrew; Ashton, Sally-Ann (২০০১), "186 Bronze coin of Cleopatra VII", Walker, Susan; Higgs, Peter (সম্পাদকগণ), Cleopatra of Egypt: from History to Myth, Princeton, NJ: Princeton University Press (British Museum Press), পৃ. ১৭৮, আইএসবিএন ৯৭৮০৬৯১০৮৮৩৫৮.
- Newman, Robert (১৯৯০), "A Dialogue of Power in the Coinage of Antony and Octavian (44-30 B.C.)", American Journal of Numismatics, ২: ৩৭–৬৩, জেস্টোর 43580166.
- Pfrommer, Michael; Towne-Markus, Elana (২০০১), Greek Gold from Hellenistic Egypt, Getty Museum Studies on Art, Los Angeles: Getty Publications (J. Paul Getty Trust), আইএসবিএন ৯৭৮০৮৯২৩৬৬৩৩০.
- Pina Polo, Francisco (২০১৩), "The Great Seducer: Cleopatra, Queen and Sex Symbol", Knippschild, Silke; García Morcillo, Marta (সম্পাদকগণ), Seduction and Power: Antiquity in the Visual and Performing Arts, London: Bloomsbury Academic, পৃ. ১৮৩–১৯৭, আইএসবিএন ৯৭৮১৪৪১১৯০৬৫৯.
- Pratt, Frances; Fizel, Becca (১৯৪৯), Encaustic Materials and Methods, New York: Lear Publishers, ওসিএলসি 560769.
- Preston, Diana (২০০৯), Cleopatra and Antony: Power, Love, and Politics in the Ancient World, New York: Walker and Company, আইএসবিএন ৯৭৮০৮০২৭১৭৩৮২.
- Pucci, Giuseppe (২০১১), "Every Man's Cleopatra", Miles, Margaret M. (সম্পাদক), Cleopatra : a sphinx revisited, Berkeley: University of California Press, পৃ. ১৯৫–২০৭, আইএসবিএন ৯৭৮০৫২০২৪৩৬৭৫.
- Roller, Duane W. (২০০৩), The World of Juba II and Kleopatra Selene: Royal Scholarship on Rome's African Frontier, New York: Routledge, আইএসবিএন ৯৭৮০৪১৫৩০৫৯৬৯.
- Roller, Duane W. (২০১০), Cleopatra: a biography, Oxford: Oxford University Press, আইএসবিএন ৯৭৮০১৯৫৩৬৫৫৩৫.
- Rowland, Ingrid D. (২০১১), "The Amazing Afterlife of Cleopatra's Love Potions", Miles, Margaret M. (সম্পাদক), Cleopatra : a sphinx revisited, Berkeley: University of California Press, পৃ. ১৩২–১৪৯, আইএসবিএন ৯৭৮০৫২০২৪৩৬৭৫.
- Royster, Francesca T. (২০০৩), Becoming Cleopatra: The Shifting Image of an Icon, New York: Palgrave MacMillan, আইএসবিএন ৯৭৮১৪০৩৯৬১০৯৯
- Sartain, John (১৮৮৫), On the Antique Painting in Encaustic of Cleopatra: Discovered in 1818, Philadelphia: George Gebbie & Co., ওসিএলসি 3806143.
- Schiff, Stacy (২০১১), Cleopatra: A Life, UK: Random House, আইএসবিএন ৯৭৮০৭৫৩৫৩৯৫৬৯.
- Skeat, T. C. (১৯৫৩), "The Last Days of Cleopatra: A Chronological Problem", The Journal of Roman Studies, ৪৩ (1–2): ৯৮–১০০, ডিওআই:10.2307/297786, জেস্টোর 297786.
- Southern, Patricia (২০১৪) [1998], Augustus (2nd সংস্করণ), London: Routledge, আইএসবিএন ৯৭৮০৪১৫৬২৮৩৮৯.
- Southern, Patricia (২০০৯) [2007], Antony and Cleopatra: The Doomed Love Affair That United Ancient Rome and Egypt, Stroud, Gloucestershire: Amberley Publishing, আইএসবিএন ৯৭৮১৮৪৮৬৮৩২৪২.
- Varner, Eric R. (২০০৪), Mutilation and Transformation: Damnatio Memoriae and Roman Imperial Portraiture, Leiden: Brill, আইএসবিএন ৯৭৮৯০০৪১৩৫৭৭২.
- Walker, Susan (২০০৪), The Portland Vase, British Museum Objects in Focus, British Museum Press, আইএসবিএন ৯৭৮০৭১৪১৫০২২২.
- Walker, Susan (২০০৮), "Cleopatra in Pompeii?", Papers of the British School at Rome, ৭৬: ৩৫–৪৬, ৩৪৫–৮, ডিওআই:10.1017/S0068246200000404, জেস্টোর 40311128.
- Walker, Susan (২০০১), "324 Gilded silver dish, decorated with a bust perhaps representing Cleopatra Selene", Walker, Susan; Higgs, Peter (সম্পাদকগণ), Cleopatra of Egypt: from History to Myth, Princeton, NJ: Princeton University Press (British Museum Press), পৃ. ৩১২–৩১৩, আইএসবিএন ৯৭৮০৬৯১০৮৮৩৫৮.
- Walker, Susan; Higgs, Peter (২০০১), "325 Painting with a portrait of a woman in profile", Walker, Susan; Higgs, Peter (সম্পাদকগণ), Cleopatra of Egypt: from History to Myth, Princeton, NJ: Princeton University Press (British Museum Press), পৃ. ৩১৪–৩১৫, আইএসবিএন ৯৭৮০৬৯১০৮৮৩৫৮.
- Whitehorne, John (১৯৯৪), Cleopatras, London: Routledge, আইএসবিএন ৯৭৮০৪১৫০৫৮০৬৩
- Woodstra, Chris; Brennan, Gerald; Schrott, Allen (২০০৫), All Music Guide to Classical Music: The Definitive Guide to Classical Music, Ann Arbor, MI: All Media Guide (Backbeat Books), আইএসবিএন ৯৭৮০৮৭৯৩০৮৬৫০.
- Wyke, Maria; Montserrat, Dominic (২০১১), "Glamour Girls: Cleomania in Mass Culture", Miles, Margaret M. (সম্পাদক), Cleopatra : a sphinx revisited, Berkeley: University of California Press, পৃ. ১৭২–১৯৪, আইএসবিএন ৯৭৮০৫২০২৪৩৬৭৫.
আরও পড়ুন
[সম্পাদনা]- Bradford, Ernle Dusgate Selby (২০০০), Cleopatra, Penguin Group, আইএসবিএন ৯৭৮০১৪১৩৯০১৪৭
- Burstein, Stanley M., The Reign of Cleopatra, University of Oklahoma Press
- Flamarion, Edith; Bonfante-Warren, Alexandra (১৯৯৭), Cleopatra: The Life and Death of a Pharoah, Harry Abrams, আইএসবিএন ৯৭৮০৮১০৯২৮০৫৩
- Foss, Michael (১৯৯৯), The Search for Cleopatra, Arcade Publishing, আইএসবিএন ৯৭৮১৫৫৯৭০৫০৩৫
- Nardo, Don (১৯৯৪), Cleopatra, Lucent Books, আইএসবিএন ৯৭৮১৫৬০০৬০২৩৯
- Southern, Pat (২০০০), Cleopatra, Tempus, আইএসবিএন ৯৭৮০৭৫২৪১৪৯৪২
- Schuller, Wolfgang. Cleopatra আইএসবিএন ৩-৪৯৮-০৬৩৬৪-২. scholarly biography
- Roller, Duane W. Cleopatra: A Biography (Oxford University Press; 2010; 252 pages; $24.95). scholarly biography
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- বিবিসির ইন আওয়ার টাইম-এ Cleopatra
- Cleopatra, a Victorian children's book by Jacob Abbott, 1852, Project Gutenberg edition
- "Mysterious Death of Cleopatra" ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১১ আগস্ট ২০০৬ তারিখে at the Discovery Channel ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৩ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে
- Cleopatra VII at BBC History
চিত্রকর্ম
[সম্পাদনা]- Sir Thomas Browne: Of the Picture describing the death of Cleopatra (1672)
- John Sartain: On the Antique Portrait of Cleopatra (1818)
ক্লিওপেট্রা জন্ম: ৬৯ খ্রিস্টপূর্ব মৃত্যু: ৩০ খ্রিস্টপূর্ব | ||
| রাজত্বকাল শিরোনাম | ||
|---|---|---|
| পূর্বসূরী ত্রোয়োদশ টলেমি |
মিশরের রানী ৫১–৩০ খ্রিস্টপূর্ব সহশাসন: দ্বাদশ টলেমি, ত্রোয়োদশ টলেমি, চতুর্দশ টলেমি এবং পঞ্চদশ টলেমি সিজারিয়ন |
কার্যালয় বিলুপ্ত রোমান প্রজাতন্ত্র কর্তৃক মিশর সংযুক্ত |
- ক্লিওপেট্রা
- খ্রিস্টপূর্ব ৬৯-এ জন্ম
- খ্রিস্টপূর্ব ৩০-এ মৃত্যু
- সাপের কামড়ে মৃত্যু
- ধ্রুপদি বিশ্বে রাজকীয় আত্মহত্যা
- নারী আত্মহত্যা
- নারী ফারাও
- শেকসপিয়রের নারী চরিত্র
- জুলিয়াস সিজারের রক্ষিতা
- হেলেনীয় যুগের ব্যক্তি
- মার্ক অ্যান্টনির স্ত্রী
- খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতাব্দীর মিশরীয় নারী
- টলেমীয় রাজবংশের ফারাও
- খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতাব্দীর লেখিকা
- প্রাচীন আত্মহত্যা
- খ্রিস্টপূর্ব ১ম শতাব্দীর ফারাও