রেমাক্রী ইউনিয়ন
| রেমাক্রী | |
|---|---|
| ইউনিয়ন | |
| বাংলাদেশে রেমাক্রী ইউনিয়নের অবস্থান | |
| স্থানাঙ্ক: ২১°৪০′১৭″ উত্তর ৯২°৩২′০″ পূর্ব / ২১.৬৭১৩৯° উত্তর ৯২.৫৩৩৩৩° পূর্ব | |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| বিভাগ | চট্টগ্রাম বিভাগ |
| জেলা | বান্দরবান জেলা |
| উপজেলা | থানচি উপজেলা |
| সরকার | |
| • চেয়ারম্যান | মুইশৈথুই মার্মা |
| আয়তন | |
| • মোট | ৯৮.৪২ বর্গকিমি (৩৮.০০ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা (২০২২) | |
| • মোট | ৮,১৪৮ |
| • জনঘনত্ব | ৮৩/বর্গকিমি (২১০/বর্গমাইল) |
| সাক্ষরতার হার | |
| • মোট | ১২.২% |
| সময় অঞ্চল | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
| পোস্ট কোড | ৪৬৩০ |
| ওয়েবসাইট | দাপ্তরিক ওয়েবসাইট |

রেমাক্রী বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার অন্তর্গত থানচি উপজেলার একটি ইউনিয়ন।
আয়তন
[সম্পাদনা]রেমাক্রী ইউনিয়নের আয়তন ২৪,৩২১ একর (৯৮.৪২ বর্গ কিলোমিটার)।[১]
জনসংখ্যার উপাত্ত
[সম্পাদনা]২০২২ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ইউনিয়নের জনসংখ্যা ৮,১৪৮জন। এর মধ্যে ৩,২৮০জন বৌদ্ধ, ২,৯৪০জন খ্রিস্টান, ৪৫০জন মুসলিম, ২২জন হিন্দু ও ১,৪৫৬জন অন্যান্য ধর্মের অনুসারী।
নৃতাত্ত্বিকভাবে ৮৫০জন বাঙালি, ২,৭৪৩জন মারমা, ২,০৮৯জন ত্রিপুরা, ১,৬৪৫জন ম্রো ও ৮২১জন অন্যান্য।[৩]
অবস্থান ও সীমানা
[সম্পাদনা]থানচি উপজেলার সর্ব-দক্ষিণে রেমাক্রী ইউনিয়নের অবস্থান। উপজেলা সদর থেকে এ ইউনিয়নের দূরত্ব প্রায় ২২ কিলোমিটার। এ ইউনিয়নের উত্তরে তিন্দু ইউনিয়ন; পশ্চিমে আলীকদম উপজেলার আলীকদম সদর ইউনিয়ন, কুরুকপাতা ইউনিয়ন ও মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ; দক্ষিণে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ এবং পূর্বে মায়ানমারের চিন প্রদেশ অবস্থিত।
প্রশাসনিক কাঠামো
[সম্পাদনা]রেমাক্রী ইউনিয়ন থানচি উপজেলার আওতাধীন ১নং ইউনিয়ন পরিষদ। এ ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম থানচি থানার আওতাধীন। এ ইউনিয়ন জাতীয় সংসদের ৩০০নং নির্বাচনী এলাকা পার্বত্য বান্দরবান এর অংশ। এ ইউনিয়নের গ্রামগুলো হল:
- রেমাক্রী
- দলিয়ান পাড়া
- ইয়াংরাইং
- বড় মোদক
- ছোট মোদক
শিক্ষা ব্যবস্থা
[সম্পাদনা]২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী রেমাক্রী ইউনিয়নের সাক্ষরতার হার ১২.২%।[১] এ ইউনিয়নে ১টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
[সম্পাদনা]- নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়[৫]
- রেমাক্রী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
- প্রাথমিক বিদ্যালয়
- দলিয়ানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- বড় মোদক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
- রেমাক্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
যোগাযোগ ব্যবস্থা
[সম্পাদনা]রেমাক্রী ইউনিয়নে যোগাযোগের প্রধান সড়ক হল থানচি-রেমাক্রী সড়ক। প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম জীপগাড়ি।
খাল ও নদী
[সম্পাদনা]রেমাক্রী ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে বয়ে চলেছে সাঙ্গু নদী। এছাড়া রয়েছে রেমাফং খাল।[৬]
হাট-বাজার
[সম্পাদনা]রেমাক্রী ইউনিয়নের প্রধান ৩টি বাজার হল বড় মোদক বাজার, ছোট মোদক বাজার এবং রেমাক্রী বাজার।[৭]
চলচ্চিত্রে রেমাক্রী
[সম্পাদনা]নিজস্ব গল্প ও চিত্রনাট্যের ভিত্তিতে চলচ্চিত্র নির্মাতা মাকসুদ হোসাইন ২০১৮ সালে রেমাক্রী নামে একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। ১৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই ছায়াচিত্রে একটি পরিবারের বাবা ও ছেলের গল্প চিত্রিত হয়েছে।[৮]
দর্শনীয় স্থান
[সম্পাদনা]জনপ্রতিনিধি
[সম্পাদনা]- বর্তমান চেয়ারম্যান: মুইশৈথুই মার্মা[১০]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "ইউনিয়ন পরিসংখ্যান সংক্রান্ত জাতীয় তথ্য" (পিডিএফ)। web.archive.org। Wayback Machine। ৮ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ নভেম্বর ২০১৯।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: বট: মূল ইউআরএলের অবস্থা অজানা (লিঙ্ক) - ↑ "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ https://bbs.portal.gov.bd/site/page/b432a7e5-8b4d-4dac-a76c-a9be4e85828c
- ↑ "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় - রেমাক্রী ইউনিয়ন - রেমাক্রী ইউনিয়ন"। remakreup.bandarban.gov.bd।
- ↑ "খাল ও নদী - রেমাক্রী ইউনিয়ন - রেমাক্রী ইউনিয়ন"। remakreup.bandarban.gov.bd। ২ মার্চ ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮।
- ↑ "হাট বাজার - রেমাক্রী ইউনিয়ন - রেমাক্রী ইউনিয়ন"। remakreup.bandarban.gov.bd। ২ মার্চ ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮।
- ↑ "Student Oscar winner Maksud Hossain competing in Germany"। ঢাকা ট্রিবিউন। ১৬ মার্চ ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জানুয়ারি ২০২০।
- ↑ "দর্শনীয় স্থান - রেমাক্রী ইউনিয়ন - রেমাক্রী ইউনিয়ন"। remakreup.bandarban.gov.bd। ২ মার্চ ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮।
- ↑ "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৩ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ মার্চ ২০১৮।