বিষয়বস্তুতে চলুন

বৈশ্বিক নগরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(বৈশ্বিক শহর থেকে পুনর্নির্দেশিত)
নিউ ইয়র্ক নগরী (উপরে) এবং লন্ডন (নিচে) গ্লোবালাইজেশন অ্যান্ড ওয়ার্ল্ড সিটিজ রিসার্চ নেটওয়ার্ক সংগঠনের প্রস্তুতকৃত বৈশ্বিক নগরীগুলির মর্যাদাক্রমে সর্বোচ্চ আলফা++ শ্রেণীতে স্থানপ্রাপ্ত দুইটি মাত্র নগরী। উভয় নগরীকে বিশ্বের ব্যবসা, বাণিজ্য, অর্থসংস্থান ও সংস্কৃতির নেতৃত্বদানকারী নগরী হিসেবে গণ্য করা হয়।

বৈশ্বিক নগরী (বিশ্ব নগরী, ক্ষমতাশালী নগরী, আলফা নগরী বা বিশ্ব কেন্দ্র নামেও পরিচিত) বলতে এমন একটি নগরীকে বোঝায়, যা বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা রাখে। বিশ্বনগরীর ধারণাটি ভূগোলপৌরবিদ্যা থেকে এসেছে, যেখানে ধরে নেয়া হয় যে বিশ্বায়নের ফলে বিশ্বে এমন কিছু ভৌগোলিক অবস্থানের স্তরক্রম তৈরি হয়েছে, যেগুলি বিশ্বব্যাপী অর্থসংস্থান, বাণিজ্যসংস্কৃতির উপর বিভিন্ন মাত্রায় প্রভাব ফেলে।[][][] একটি বৈশ্বিক নগরী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার অভ্যন্তরে সবচেয়ে জটিল ও তাৎপর্যপূর্ণ বিনিময়কেন্দ্র (হাব), কেননা চারিত্রিকভাবে এটির সাথে অন্যান্য নগরীর সাথে এর এমন সব সংযোগ থাকে যেসব নগরী বৈশ্বিক সামাজিক অর্থনৈতিক ঘটনাবলীর উপরে প্রত্যক্ষ ও মূর্ত প্রভাব ফেলে।[]

বৈশ্বিক নগরীর মানদণ্ড গবেষণার উৎসভেদে ভিন্ন হয়।[] বিশ্ব নগরীর সাধারণ কিছু বৈশিষ্ট্যের মধ্যে উচ্চমাত্রায় পৌর উন্নয়ন, বৃহৎ জনসংখ্যা, প্রধান বহুজাতিক কোম্পানিগুলির উপস্থতি, একটি তাৎপর্যপূর্ণ ও বিশ্বায়িত আর্থিক খাত, একটি সুবিকিশতি ও আন্তর্জাতিকভাবে সংযুক্ত পরিবহন অবকাঠামো, স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে আধিপত্য, উচ্চমানের শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের উপস্থিতি, এবং বৈশ্বিকভাবে প্রভাবশালী ধারণা, উদ্ভাবন বা সাংস্কৃতিক পণ্য উৎপাদন অন্তর্ভুক্ত। বৈশ্বিক নগরীগুলির বহুসংখ্যক মর্যাদাক্রম আছে।[] বেশিরভাগ মর্যাদাক্রমেই নিউ ইয়র্ক নগরী, লন্ডন, টোকিওপ্যারিসকে বিশ্বনগরী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।[][]


পারিভাষিক উৎস

[সম্পাদনা]

সমাজবিজ্ঞানী সাস্কিয়া সাসসেন ১৯৯১ সালে তাঁর দ্য গ্লোবাল সিটি: নিউ ইয়র্ক, লন্ডন, টোকিও গ্রন্থে সর্বপ্রথম মহানগরী পরিভাষাটির বিরোধিতা করে বৈশ্বিক নগরী পরিভাষাটি জনপ্রিয় করে তোলেন।[] তবে এর বহু আগে ১৮৮৬ সালের মে মাসে লিভারপুল নগরীর বর্ণনা করতে গিয়ে দি ইলাস্ট্রেটেড লন্ডন নিউজ নামক সাপ্তাহিক সাময়িকীতে বহুসংখ্যক বৈশ্বিক বাণিজ্যের সাথে সম্পর্কিত নগরীসমূহের ব্যখ্যায় বিশ্ব নগরী পরিভাষাটির ব্যবহার পাওয়া যায়।[১০] এর পরে ১৯১৫ সালে প্যাট্রিক গেডেস-ও বিশ্ব নগরী পরিভাষাটি ব্যবহার করেন।[১১] সাম্প্রতিক সময়ে অন্যান্য বিষয়কে কম গুরুত্ব দিয়ে এই পরিভাষাটিকে একটি নগরীর প্রভাব প্রকাশ করতে ব্যবহার করা হয় এবং এটিকে 'অর্থনৈতিক রাজধানী' ধারণাটির সমার্থক গণ্য করা হয়।[১২][১৩]

বৈশিষ্ট্য

[সম্পাদনা]

এই শ্রেণিবিভাগ থেকে শহরগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে যদি কোন শহর অপেক্ষাকৃত কম বহুজাতিক এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কম পরিচিত হয়। যদিও কি কি উপাদান একটি বৈশ্বিক শহরের সূচনা করে তা নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক আছে, তবুও বৈশ্বিক শহরের কিছু আদর্শ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে:[১৪]

  • বিভিন্ন ধরনের আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সেবা,[১৫] অর্থনীতি, সঞ্চয়, আবাসন, ব্যাংকিং, accountancy এবং মার্কেটিং-এ উল্লেখযোগ্যতা।
  • বেশকিছু বহুজাতিক কর্পোরেশনের সদর দপ্তর।
  • অর্থনৈতিক সদর দপ্তরের অস্তিত্ব, একটি স্টক একচেঞ্জ এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
  • একটি বিশাল এলাকার বাণিজ্য ও অর্থনীতির উপর প্রভাব
  • বন্দর ও কন্টেইনারের সুবিধাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল।
  • বৈশ্বিক পর্যায় নিত্যনৈমিত্তিক সিদ্ধান্ত নেয়ার উল্লেখযোগ্য ক্ষমতা।
  • ব্যবসা, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং রাজনীতিতে নতুন চিন্তাধারা ও উদ্ভাবনের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
  • বৈশ্বিক ত্থ্যজালে গণমাধ্যম ও যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
  • জাতীয় প্রভাবের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক তাৎপর্য।
  • সেবাখাত এবং তথ্যখাতে অধিবাসীদের ব্যাপক কর্মসংস্থান।
  • বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়, আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং গবেষণার সুবিধাদি সহ উন্নত মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।[১৬]
  • বহুমুখী অবকাঠামো যাতে দেশের সেরা আইনি, স্বাস্থ্য এবং বিনোদনের সুবিধা রয়েছে।

মর্যাদাক্রম

[সম্পাদনা]

বৈশ্বিক নগরীর তকমাটিকে লাভজনক এবং আকাঙ্ক্ষিত হিসেবে গণ্য করায়, অসংখ্য সংগঠন বিশ্ব নগরী অথবা ন-বিশ্ব নগরী-র শ্রেণীবিন্যাস ও তালিকা প্রস্তুত করার চেষ্টা করে।[১১] যদিও অগ্রগামী বৈশ্বিক নগরীগুলি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে,[১৭] তবে শ্রেণিবিন্যাসের ক্ষেত্রের উপর ভিত্তি করে অন্যান্য শহরগুলোকেও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়।[১১] নির্বাচনের ক্ষেত্র হতে পারে একটি সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড (যদি উৎপাদন ক্ষমতার ভিত্তিতে ক বৃহত্তম শহর হয় তবে ক একটি বৈশ্বিক শহর)[১১] অথবা কোন বিষয়ে বিশেষ দৃঢ়তা প্রদর্শনের (যদি ক শহরের উৎপাদন বিভাগ খ সংখ্যক শহরের সম্মিলিত উৎপাদন বিভাগের চেয়ে বড় হয় তবে ক একটি বৈশ্বিক শহর) ভিত্তিতে। [১১]

জিএডব্লিউসি স্টাডি

[সম্পাদনা]
জিএডব্লিউসি-র তালিকাভুক্ত নগরগুলির মানচিত্র (২০১০ সালের তথ্য)

জন বিভারস্টক, রিচার্ড জি. স্মিথ এবং পিটার জে. টেইলর একসাথে গ্লোবালাইজেসন এন্ড ওয়ার্ল্ড সিটিস রিসার্চ নেটওয়ার্ক (জিএডব্লিউসি) প্রতিষ্ঠা করেন। জিএডব্লিউসি রিসার্চ বুলেটিন ৫ এ চারটি উন্নত উৎপাদক সেবা: একাউন্টেন্সি, এডভারটাইজিং, ব্যাংকিং/অর্থনীতি এবং আইন এর সাথে শহর সমূহের সংশ্লিষ্টতার ভিত্তিতে বৈশ্বিক শহরের তালিকা প্রকাশ করে।[১৭] জিএডব্লিউসি এর তালিকায় বৈশ্বিক শহরের তিনটি স্তর এবং বেশকিছু উপস্তর চিহ্নিত করা হয়।[১৮] ২০০৪ সালের তালিকায় কিছু নতুন মানদণ্ড যোগ করা হয়, অর্থনীতিকে রাজনীতি ও সাংস্কৃতিক মানদণ্ডের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। ২০০৮ সালের তালিকাটি ১৯৯৮ সালের অনুরূপ ছিল, যেখানে শহর গুলোকে আলফা বৈশ্বিক শহর (চারটি উপশ্রেণী), বিটা বৈশ্বিক শহর (তিনটি উপশ্রেণী), গামা বৈশ্বিক শহরে (তিনটি উপশ্রেণী) ভাগ করা ছাড়াও কিছু শহরকে উচ্চ সক্ষমতাসক্ষমতা শ্রেণীতে যোগ করা হয়। তালিকার একটি নমুনা নিচে দেয়া হল।[১৮]

গ্লোবাল পাওয়ার সিটি ইনডেক্স

[সম্পাদনা]

টোকিওর মরি মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের ইন্সটিটিউট অফ আরবান স্ট্র্যাটেজিস ২০১৬ সালে বৈশ্বিক শহরের উপর একটি গঠনমূলক অধ্যয়ন প্রকাশ করে। তাদের তালিকায় শহরগুলো ৬টি শ্রেণীতে বিভক্তঃ অর্থনীতি, গবেষণা ও উন্নয়ন, সাংস্কৃতিক বিনিময়, বাসযোগ্যতা, পরিবেশ এবং অধিকার; এদের সাথে ৭০টি পৃথক নির্দেশক ও ছিল। এই তালিকায় সেরা দশ শহরের বিষয়ভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ ও প্রকাশ করা হয় যেমনঃ ব্যবস্থাপক, গবেষক, শিল্পী, পর্যটক ও অধিবাসীর সংখ্যা।[১৯]

গ্লোবাল সিটি ইনডেক্স

[সম্পাদনা]

২০০৮ সালে আমেরিকান জার্নাল Foreign Policy শিকাগো ভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এ.টি. কিয়ারনি এবং শিকাগো কাউন্সিল অন গ্লোবাল এফেয়ারস এর সাথে যৌথভাবে এবং সাসকিয়া সাসসেন, Witold Rybczynski এবং অন্যান্যদের পরামর্শ নিয়ে বৈশ্বিক শহরের একটি তালিকা প্রকাশ করে।[২০] Foreign Policy উল্লেখ করে যে বিশ্বের বৃহত্তম এবং পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষাকারী শহরগুলো বৈশ্বিক লক্ষ নির্ধারণ করে, আবহাওয়া ভিত্তিক ঝুঁকি নির্ণয় করে এবং বৈশ্বিক মৈত্রীর ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে। এই শহরগুলো সেই দেশের উন্নয়নের চালিকাশক্তি এবং তাদের আশেপাশের অঞ্চলের প্রবেশদ্বার।"[২১] ২০১২, ২০১৪ এবং ২০১৫ সালে তালিকাটি পরিমার্জন করা হয়।[২২]

গ্লোবাল ইকোনমিক পাওয়ার ইনডেক্স

[সম্পাদনা]

২০১৫ সালে রিচার্ড ফ্লোরিডা কর্তৃক সংকলিত একটি জরিপের জরিপ ২য় গ্লোবাল ইকোনমিক পাওয়ার ইনডেক্স প্রকাশিত হয় দা আটলান্টিকে ( মার্টিন প্রোস্পারিটি ইন্সটিটিউট কর্তৃক প্রকাশিত একটি নাম্ভিত্তিক জরিপ থেকে আলাদা প্রমাণিত হতে[২৩] ), যেখানে ৫টি ভিন্ন বিষয়ের উপর শহরগুলোর ৫টি ভিন্ন ভিন্ন তালিকা প্রকাশ করা হয়।[২৩][২৪]

দা ওয়েলথ রিপোর্ট

[সম্পাদনা]

"দা ওয়েলথ রিপোর্ট" (মৌলিক অর্থ ও সম্পদের উপর একটি বৈশ্বিক পর্যালোচনা) লন্ডন ভিত্তিক আবাসন প্রতিষ্ঠান নাইট ফ্রাংক এলএলপি এবং সিটি প্রাইভেট ব্যাংক এর যৌথ উদ্যোগে তৈরি। এই রিপোর্টের অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে একটি "বৈশ্বিক শহর জরিপ", যা তৈরি করা হয়েছে এইচএনডব্লিউআই দের (high-net-worth individuals অর্থাৎ উচ্চ-গড় আয়ের অধিকারী ব্যক্তি যাদের কাছে বিনিয়োগযোগ্য পঁচিশ মিলিয়ন ডলার সম্পদ আছে। বৈশ্বিক শহরের জরিপের জন্য সিটি প্রাইভেট ব্যাংকের নিজস্ব অর্থ উপদেষ্টাগণ এবং নাইট ফ্রাংকের বিলাসী সম্পদ বিশেষজ্ঞদের জিজ্ঞেস করা হয় যে তাদের দৃষ্টিতে কোন কোন শহর এইচএনডব্লিউআইদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কার্যকলাপ, রাজনৈতিক ক্ষমতা, জ্ঞান এবং প্রভাবএবং জীবনযাত্রার মান এই দৃষ্টিকোণগুলো থেকে।[২৫][২৬]

গ্লোবাল সিটি কম্পিটিটিভনেস

[সম্পাদনা]

২০১২ সালে ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (দা ইকনমিস্ট গ্রুপ), বৈশ্বিক শরগুলোর অর্থ, ব্যবসা, মেধা এবং পর্যটক আকর্ষণের ভিত্তিতে শহরগুলোর একটি তুলনামূলক শ্রেণিবিভাগ প্রকাশ করে।[২৭]

বৈশ্বিক নগরীগুলির (জিএডব্লিউসি) চিত্রসম্ভার

[সম্পাদনা]

আলফা++ নগরী

[সম্পাদনা]

আলফা+ নগরী

[সম্পাদনা]

আলফা নগরী

[সম্পাদনা]

আলফা– নগরী

[সম্পাদনা]

বিটা+ নগরী

[সম্পাদনা]

বিটা নগরী

[সম্পাদনা]

বিটা- নগরী

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Lenormand, Maxime; Gonçalves, Bruno; Tugores, Antònia; Ramasco, José J. (২০১৫)। "Human diffusion and city influence"Journal of the Royal Society Interface১২ (109) 20150473। ডিওআই:10.1098/rsif.2015.0473পিএমসি 4535413পিএমআইডি 26179991
  2. Lin, Jan (২০১২)। "World Cities"। The Wiley-Blackwell Encyclopedia of Globalizationডিওআই:10.1002/9780470670590.wbeog820আইএসবিএন ৯৭৮-০-৪৭০-৬৭০৫৯-০
  3. Pain, Kathy (২০১৭)। "World Cities"। International Encyclopedia of Geography। পৃ. ১–৯। ডিওআই:10.1002/9781118786352.wbieg0525আইএসবিএন ৯৭৮-১-১১৮-৭৮৬৩৫-২
  4. Sassen, Saskia (জুলাই ২০০১)। "The global city: strategic site/new frontier"Seminar Magazine। নং 503। ১৮ অক্টোবর ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত
  5. "global city"Britannica (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ অক্টোবর ২০২২
  6. "Decoding City Performance"Jll.co.uk (ইংরেজি ভাষায়)। ২ এপ্রিল ২০১৯। ১৬ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০১৯
  7. "Struggling Giants" (ইংরেজি ভাষায়)। University of Minnesota Press। ১৭ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২০
  8. Abrahamson, Mark (২০০৪)। Global cities (পিডিএফ) (1st সংস্করণ)। New York: Oxford University Press। পৃ. ৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৫১৪২০৪-৪। ১১ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ৯ জানুয়ারি ২০২১
  9. Sassen, Saskia - The Global City: New York, London, Tokyo. ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৬ মার্চ ২০১৫ তারিখে (1991) - Princeton University Press. আইএসবিএন ০-৬৯১-০৭০৬৩-৬
  10. "UK History"। History.ac.uk। ১৮ ডিসেম্বর ২০০৯। ২৩ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০১২
  11. 1 2 3 4 5 Doel, M. & Hubbard, P., (2002), "Taking World Cities Literally: Marketing the City in a Global Space of flows", City, vol. 6, no. 3, pp. 351–68. Subscription required
  12. "Asian Cities Pay Hidden Price for Global Status"The Diplomat। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫।
  13. "The World's Most Influential Cities"Forbes। ১৪ আগস্ট ২০১৪।
  14. Pashley, Rosemary. "HSC Geography". Pascal Press, 2000, p.164
  15. J.V. Beaverstock, World City Networks 'From Below' ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৮ মার্চ ২০০৬ তারিখে, GaWC, Loughborough University, 29 September 2010
  16. K. O'Connor, International Students and Global Cities ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৬ তারিখে, GaWC, Loughborough University, 17 February 2005
  17. 1 2 GaWC Research Bulletin 5 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে, GaWC, Loughborough University, 28 July 1999
  18. 1 2 "The World According to GaWC". GaWC. Retrieved 21 November 2012.
  19. "Global Power City Index 2016"। Tokyo, Japan: Institute for Urban Strategies at The Mori Memorial Foundation। অক্টোবর ২০১৬। {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  20. "2012 Global Cities Index and Emerging Cities Outlook"। ২০ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ মে ২০১২
  21. মূল মানদণ্ড গুলো হচ্ছে "ব্যবসায়িক কার্যক্রম" (৩০%), "নাগরিকের আয়" (৩০%), "তথ্যের আদানপ্রদান" (১৫%), "সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা" (১৫%) এবং "রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা" (১০%). "The 2008 Global Cities Index"Foreign Policy (November/December 2008)। ২১ অক্টোবর ২০০৮। ৭ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০০৮ {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: -এ বহিঃসংযোগ (সাহায্য); অজানা প্যারামিটার |= উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  22. "2014 Global Cities Index and Emerging Cities Outlook"। ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০১৬
  23. 1 2 Richard Florida (৩ মার্চ ২০১৫)। "Sorry, London: New York Is the World's Most Economically Powerful City"। The Atlantic Monthly Group। ১৪ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মার্চ ২০১৫Our new ranking puts the Big Apple firmly on top.
  24. "The Top 10 most powerful cities in the world"। Yahoo! India Finance। ১১ মে ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুন ২০১৩
  25. "The Wealth Report 2015"Knight Frank LLP। ১৮ জুন ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  26. "Global Cities Survey" (পিডিএফ)
  27. "Benchmarking global city competitiveness" (পিডিএফ)Economist Intelligence Unit। Economist Intelligence Unit। ৯ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত।

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]