বাঁকুড়া-মসাগ্রাম রেলপথ
| বাঁকুড়া-মসাগ্রাম লাইন | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
সোনামুখী রেলওয়ে স্টেশনে বাঁকুড়া-মসাগ্রাম রেলপথের দৃশ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| সংক্ষিপ্ত বিবরণ | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| স্থিতি | সক্রিয় | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| মালিক | ভারতীয় রেল | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| অঞ্চল | পশ্চিমবঙ্গ | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| বিরতিস্থল |
| |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| স্টেশন | ২২ | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| পরিষেবা | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| পরিচালক | দক্ষিণ-পূর্ব রেল | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ইতিহাস | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| চালু | প্রথম সূচনা ১৯১৭ পুনরায় সূচনা ২০০৫ (ব্রডগেজ রেল লাইন) | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| কারিগরি তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| রেলপথের দৈর্ঘ্য | ব্রড গেজ: ১১৬ কিমি (৭২ মা) | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ট্র্যাক গেজ | ১,৬৭৬ মিলিমিটার (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) ব্রড গেজ | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| পুরাতন গেজ | ২ ফুট ৬ ইঞ্চি (৭৬২ মিলিমিটার) ন্যারো গেজ | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
বাঁকুড়া-মসাগ্রাম রেলপথ হল বাঁকুড়া জেলার বাঁকুড়া শহর ও পূর্ব বর্ধমান জেলার মসাগ্রামের মধ্যকার একটি ব্রড-গেজ রেলপথ। এটি ১১৬ কিলোমিটার (৭২ মাইল) দীর্ঘ পথে ২২ টি স্টেশনে রেল পরিষেবা প্রদান করে। বাঁকুড়া ও মসাগ্রামের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে, সেই কারণে লাইনটির এমন নামকরণ করা হয়েছে। রেলপথটি ভারতীয় রেলের দক্ষিণ-পূর্ব রেল অঞ্চলের আদ্রা রেলওয়ে বিভাগের অধীনস্থ রয়েছে। বর্তমানে এই রেলপথ হাওড়া- বর্ধমান কর্ড লাইনের মসাগ্রাম থেকে সরাসরি হাওড়ার সাথে সংযুক্ত হয়েছে । গত ২৮ শে জুন ২০২৫ থেকে এই লাইনে পুরুলিয়া-হাওড়া (ভায়া বাঁকুড়া-মসাগ্রাম) রেল পরিষেবা চালু হয়েছে ।
প্রাক ইতিহাস
[সম্পাদনা]বাঁকুড়া-দামোদর রেলওয়ে (যাকে বাঁকুড়া দামোদর নদী রেলওয়েও বলা হয়) বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া এবং বর্ধমান জেলার বাঁকুড়া এবং রায়নগরকে সংযুক্ত করে ১৫ ডিসেম্বর ১৯১৬ থেকে ৬ জুন ১৯১৭ সালের মধ্যে সেকশনে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছিল। রেলপথটি ২ ফুট ৬ ইঞ্চি (৭৬২ মিমি) গেজে নির্মিত হয়েছিল এবং মোট দৈর্ঘ্য ছিল ৯৭ কিলোমিটার (৬০ মাইল)। রেলওয়েটি বাঁকুড়া দামোদর রেলওয়ে নামে পরিচিত ছিল, কারণ এটি দামোদর নদীর তীরে অবস্থিত রায়নগরে সমাপ্ত হতো। মানুষ ফেরি নিয়ে নদী পার হতেন ওপারে যাওয়ার জন্য। BDR-এর জন্য স্ট্যান্ডার্ড লোকোমোটিভ ছিল স্টাফোর্ডের W. G. Bagnall-এর থেকে একটি শক্তিশালী ০-৬-৪টি ডিজাইন, কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় কিছু ২-৬-২T ইঞ্জিনও Bagnall থেকে পাওয়া গিয়েছিল, যেমনটি মিশরীয় ডেল্টা লাইট রেলওয়ের জন্য অর্ডার দেওয়া হয়েছিল ( এবং তাই ডেল্টা শ্রেণী নামে পরিচিত)। ১৯৫৩ সংযোজনগুলিও এই ধরণের ছিল। দুটি সেন্টিনেল লোকোমোটিভ ছিল; একটি এখন ন্যাশনাল রেল মিউজিয়াম, নিউ দিল্লিতে সংরক্ষিত আছে। বাঁকুড়ার একটি স্টিম লোকো শেড ন্যারোগেজ লাইনে পরিবেশন করেছিল। ১৯৯৫ সালে বিডিআর পরিষেবাগুলি প্রত্যাহার করা হয়েছিল কারণ এটি উচ্চ রক্ষণাবেক্ষণ খরচ, যাত্রী সংখ্যা হ্রাস এবং মালবাহী হ্রাসের কারণে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছিল।
বাঁকুড়া মসাগ্রাম রেলপথের সূচনা
[সম্পাদনা]বাঁকুড়া দামোদর রেলপথের পুরনো মিটার গেজ রেলপথটি ১৯৯৮ সালে ভারতীয় রেলপথের দক্ষিণ পূর্ব রেল কর্তৃক পুনর্বিন্যস্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল একটি বিস্তৃত গেজ লাইন হিসাবে। পরিকল্পনাটি ছিল একটি পুরনো মিটার গেজের রেলপথটিকে ব্রডগেজ রেলপথে রূপান্তর করা এবং মাসগ্রামের কাছে হাওড়া-বর্ধমান কর্ড লাইনের সাথে এটি সংযুক্ত করা। কাজটি তিনটি পর্যায়ে হয়েছে: বাঁকুড়া-সোনামুখী রেলওয়ে স্টেশন, সোনামুখি-রায়নার রেলওয়ে স্টেশন, এবং রায়নগর-মসাগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন।
৪১-কিলোমিটার দীর্ঘ (২৫ মাইল) বাঁকুড়া-সোনামুখী ব্রডগেজ বিভাগটির নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে এবং ২০০৫ সালে জনসাধারণের কাছে খোলা হয়। [৪] ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ (৩৪ মাইল) সোনামুখী-রায়নার ব্রড গেজ রেলপথটি ২০০৮ সালে নির্মাণ সম্পূর্ণ হয় এবং ২০০৮ সালে জনসাধারণের জন্য খোলা হয় [৫] এবং ২০১১ সালে মাথনাশিপুরের একটি স্টপ নির্মাণ সম্পন্ন হয়। ভারতীয় রেলমন্ত্রীর মতে, মাসগ্রাম ২০১৩-১৩ অর্থবছরে খোলা করার পরিকল্পনা রয়েছে। ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ (১২ মাইল) রণগর-মাসগ্রামের নতুন ব্রডগেজ বিভাগের সমাপ্তি পরে হাওড়া ও বাঁকুড়া মধ্যে দূরত্ব ২৩১ কিলোমিটার (১৪৪ মাইল) (খড়গপুরের মাধ্যমে) থেকে কমে ১৮৫ কিলোমিটার (১১৫ মাইল) হবে। শেষ অংশে দামোদর নদী জুড়ে একটি সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। [৫][৬] দামোদরে ৫১০ মিটার দীর্ঘ (১,৬৭০ ফিট) সেতু ইতোমধ্যে নির্মিত হয়েছে এবং মাথনাশিপুর-মাসগাগ্রাম নতুন প্রকল্পে কাজ শুরু হয়েছে চারটি নতুন স্টেশন রয়েছে। যথা - গ্রাম মাসগ্রাম (মুস্তফাকক), হাবাসপুর, দাদাপুর ও বেরুগরাম। [৭]
পুরুলিয়া - হাওড়া রেল পরিষেবার সূচনা
[সম্পাদনা]গত ২৮শে জুন ২০২৫ তারিখে ভারত সরকারের রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই লাইনে পুরুলিয়া হইতে হাওড়া পর্যন্ত নতুন রেল পরিষেবার সূচনা করেন । বর্তমানে একটি হাওড়া - পুরুলিয়া মেমু প্যাসেঞ্জার ট্রেন এই পরিষেবায় উপলব্ধ ।
বাঁকুড়া-ছাতনা-মুকুটমণিপুরের ৪৮.২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ (২৯.৯৮ মাইল) নতুন ব্রডগেজ রেললাইন নির্মাণের উদ্বোধন করা হয়েছে। [৮]
পথ
[সম্পাদনা]
বাঁকুড়া কাছাকাছি পূর্ববর্তী মিটার গেজ লাইন একটু ভিন্ন ছিল। সাবেক মিটারগেজ স্টেশনটি ব্রডগেজ স্টেশন থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। এটা সন্নিহিত রাস্তা পরে ছিল, তাই যদি কেউ বর্ডগেজ থেকে মিটারগেজ স্টেশনে পরিবর্তন করতে চান, তাহলে তাকে মিটারগেজ স্টেশনের ট্রেন চড়তে রাস্তা পার হতে হবে। আদ্রা থেকে রাইনগর পর্যন্ত যাত্রা চালিয়ে যাওয়ার জন্য, নতুন ব্রডগেজ লাইনটি বাঁকুড়া জংশনের আগে (খড়গপুর থেকে আদ্রা যেতে), তারপর এটি একটি অর্ধবৃত্তাকার হিসাবে পরিণত হয়, এবং তারপর পুরানো মিটারগেজ লাইনে যুক্ত হয়। বাকি অংশের উপর এটি পুরাতন লাইনের প্রান্তিককরণটি অনুসরণ করে। লাইন সম্পূর্ণরূপে সোনামুখী, প্যাট্রাসেইয়ার, বোউইচান্দি, সিহারাবাজার ও রায়নগর অতিক্রম রয়েছে। এটি লাল মাটি এবং একটি আংশিকভাবে কাটা জঙ্গলের অংশ অতিক্রম করে যায়।
ট্রেন পরিষেবা
[সম্পাদনা]
প্রথমদিকে বাঁকুড়া জংশন থেকে মসাগ্রাম স্টেশনের মধ্যে ডিএমইউ ট্রেন চলাচল করত। ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি থেকে সম্পূর্ণ পথের বিদ্যুদায়ন করা হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ থেকে বাঁকুড়া — মসাগ্রাম মেমু ট্রেন চালু করা হয়। ২৮শে জুন ২০২৫ তারিখ থেকে এই লাইনে পুরুলিয়া - হাওড়া (ভায়া বাঁকুড়া- মসাগ্রাম) ট্রেন চালু হয়েছে ।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Bankura-Masagram DEMU 78052"। India Rail Info।
- ↑ "Adra Division Railway Map"। South Eastern Railway।
- ↑ "South Eastern Railway Pink Book 2017-18" (পিডিএফ)। Indian Railways Pink Book।
- ↑ "S-E Rly opens new line"। The Hindu Business Line, 21 September 2005। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০০৯।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|প্রকাশক=-এ ইটালিক বা গাঢ় লেখা অনুমোদিত নয় (সাহায্য) - 1 2 "BDR resumes service after 13 yrs"। The Statesman, 23 January 2008। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০০৯।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|প্রকাশক=-এ ইটালিক বা গাঢ় লেখা অনুমোদিত নয় (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ] - ↑ "Train to Bankura"। The Telegraph, 12 September 2005। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০০৯।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|প্রকাশক=-এ ইটালিক বা গাঢ় লেখা অনুমোদিত নয় (সাহায্য) - ↑ "SER GM reviews Bankura-Masagram rail project"। Web India 123, 9 February 2012। সংগ্রহের তারিখ ১৩ এপ্রিল ২০১৩।
- ↑ "Opening of Eklakhi – Balurghat new line"। Press Information Bureau। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০০৯।