বর্ধমান-কাটোয়া লাইন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বর্ধমান–কটোয়া লাইন
Katwa railway station IMG 20200212 224729.jpg
কটোয়া জংশন, বর্ধমান-কটোয়া লাইনের একটি স্টেশন
সংক্ষিপ্ত বিবরণ
সিস্টেমবৈদ্যুতিক
অবস্থাচালু
অঞ্চলপশ্চিমবঙ্গ
বিরতিস্থলবর্ধমান জংশন রেলওয়ে স্টেশন
কাটোয়া জংশন রেলওয়ে স্টেশন
স্টেশনসমূহ১৬
ক্রিয়াকলাপ
উদ্বোধন১ ডিসেম্বর ১৯১৫ (ন্যারোগেজ),
১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ (ব্রডগেজ) (বর্ধমান-বলগনা বিভাগ),
১২ জানুয়ারি ২০১৮ (ব্রডগেজ) (বলগনা-কাটোয়া বিভাগ)
বন্ধ১৫ এপ্রিল ২০১০ (বর্ধমান-বলগনা বিভাগ)
১ ডিসেম্বর ২০১৪ (বলগনা-কাটোয়া বিভাগ)
মালিকভারতীয় রেল
পরিচালক১৯১৫-১৯৬৬ ম্যাকলওডেস লাইট রেলওয়ে
১৯৬৬ থেকে বর্তমান পূর্ব রেল
প্রযুক্তিগত
রেলপথের দৈর্ঘ্য৫৩ কিলোমিটার (৩৩ মাইল)
ট্র্যাক গেজ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি (১,৬৭৬ মিলিমিটার) ব্রডগেজ
বিদ্যুতায়ন২৫ কেভি এসি ওভারহেড চালু হয় ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৪ (বর্ধমান-বলগনা বিভাগ), ১২ জানুয়ারি ২০১৮ (বলগনা-কাটোয়া বিভাগ)
পথের মানচিত্র

কিমি
বর্ধমান জংশন
কামরানা
খেতিয়া
১০
চামরদিঘী
১১
করজনা
১২
করজনাগ্রাম
খারি নদী
১৫
আমারুন
১৯
ভাতার
২৫
বলগোনা
৩০
সাওতা
৩২
নিগান
মঙ্গলকোট
(পরিকল্পিত)
৩৬
কৈচর হল্ট
৪১
বনকাপাসী
৪৫
৪৬
Right arrow
৫৩
কাটোয়া জংশন
Down arrow
কিমি
উৎস: [১]

বর্ধমান-কাটোয়া লাইনটি পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান ও কাটোয়াকে সংযুক্তকারী একটি ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি (১,৬৭৬ মিলিমিটার) ব্রডগেজ শাখা লাইন। এটি পূর্ব রেলের আওতাধীন। ২০১০ সালে এর গেজ রূপান্তর শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত লাইনটি ন্যারোগেজ লাইন ছিলো। গেজ রূপান্তরটি বিদ্যুতায়নের পাশাপাশি দুটি পর্যায়ে করা হয় এবং ১২ জানুয়ারি ২০১৮ সালে সম্পূর্ণ ব্রডগেজ লাইনটি আবার জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ম্যাকলিওডের লাইট রেলওয়ে[সম্পাদনা]

ম্যাকলিওডের লাইট রেলওয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ন্যারোগেজ চারটি লাইন নিয়ে গঠিত। রেলওয়ে লাইনগুলি ম্যাকলিওড অ্যান্ড কোম্পানির দ্বারা নির্মিত এবং মালিকানাধীন ছিল। যেটি লন্ডনের একটি কোম্পানির ম্যানেজিং এজেন্ট ম্যাকলিওড রাসেল অ্যান্ড কোং লিমিটেডের সহায়ক কোম্পানি ছিল।

পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান (আগে বর্ধমান নামে পরিচিত) এবং কাটোয়াকে সংযোগকারী বর্ধমান-কাটোয়া রেলওয়ে ১ ডিসেম্বর ১৯১৫ সালে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। রেলপথটি নির্মিত হয় ন্যারোগেজে এবং মোট দৈর্ঘ্য ছিল ৫৩ কিলোমিটার। ইঞ্জিনগুলি ৩০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় সর্বোচ্চ গতিতে চলত।[৩][৪]

গেজ রূপান্তর[সম্পাদনা]

৫৩ কিলোমিটার দীর্ঘ রেল সেকশনকে ব্রডগেজে রূপান্তরিত করা হয়।[৫] যার জন্য কাজ শুরু হয় ১৫ এপ্রিল ২০১০ সালে।[৬] লাইনের বর্ধমান-বালোগনা অংশ, ন্যারোগেজ থেকে বিদ্যুতায়িত ব্রডগেজে রূপান্তরের পর, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৪ সালে তা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।[৭] লাইনের বালোগনা-কাটোয়া অংশ, ন্যারোগেজ থেকে বিদ্যুতায়িত ব্রডগেজে রূপান্তরের পরে, ১২ জানুয়ারী ২০১৮ সালে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Howrah Division System Map"ইআর রেলওয়ে 
  2. সংবাদদাতা, নিজস্ব। "'বড় রেল' কাটোয়ায়, জমল ভিড়"www.anandabazar.com। সংগ্রহের তারিখ ২১ এপ্রিল ২০২২ 
  3. "Narrow gauge gets a new lease of life"দ্য স্টেটসম্যান। ১৪ অক্টোবর ২০০৪। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৮-২২ [অকার্যকর সংযোগ]
  4. Manning, Ian। "The Katwa Railways"From Bengal Towards Nagpur (ইংরেজি ভাষায়)। Indian Railway Fan Club। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৮-২২ 
  5. Siddiqui, Kanchan (১৪ এপ্রিল ২০১০)। "Burdwan bids adieu to vintage narrow gauge trains"। দ্য স্টেটসম্যান। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৩ [স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  6. "Villagers stall rail project in Burdwan"The Times of India (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১৮ 
  7. "Bardhaman-Balogna new EMU service introduced" (ইংরেজি ভাষায়)। Indian Railways। ১৮ জুন ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০১৮