তামিল জাতি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
தமிழர்
তামিল
মোট জনসংখ্যা
৭৭,০০০,০০০  [১]
উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার অঞ্চলসমূহ
 ভারত ৬০,৭৯৩,৮১৪ (২০০১)[২]
 শ্রীলঙ্কা ৩,০৯২,৬৭৬ (২০০১)[৩]
 মালয়েশিয়া ২,১০০,০০০ (২০০৭)[৪]
 কানাডা ২০০,০০০ (২০০৭)[৫]
 সিঙ্গাপুর ২৩৬,৫৫০ (২০০৬)
ভাষা
তামিল
ধর্ম
৮৮% হিন্দু, ৬% মুসলমান, ৫.৫% খ্রিষ্টান.
সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠী
দ্রাবিড় • তেলুগু  • কন্নড়গি • তুলুভা  • মালায়লি  • গিরাবরু[৬]  • সিংহলি[৭]

তামিল জাতি (তামিল: தமிழர்; tamiḻar) ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ুশ্রীলঙ্কার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বসবাসকারী একটি জনগোষ্ঠী। এই জাতির মানুষেরা তামিল ভাষায় (তামিল: தமிழ்) কথা বলেন। তামিল জাতির ইতিহাস দুই হাজার বছরের প্রাচীন।[৮] সারা বিশ্বেই এই জাতির অভিবাসনকারী প্রবাসী সদস্যদের দেখা মেলে। তামিলরা মূলত হিন্দু ধর্মাবলম্বী। তবে এই জাতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ইসলাম ও খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বী।

তামিল ভাষা ধ্রুপদি ভাষার মর্যাদা প্রাপ্ত প্রথম ভারতীয় ভাষা। দ্রাবিড় ভাষাগোষ্ঠী মধ্যে এই ভাষার সাহিত্যই প্রাচীনতম।[৯] তামিলদের শিল্প ও স্থাপত্যকলা ভারতীয় তথা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার শিল্পকলার জগতে বিশেষ অবদান রেখেছে। তামিলদের প্রসিদ্ধ নটরাজ স্থাপত্য হিন্দুধর্মের একটি বিশ্বজনীন প্রতীক। প্রাচীন তামিল দেশে সৃষ্ট সংগীতমন্দির স্থাপত্য আজও অধীত ও অনুশীলিত হয়ে থাকে। এই কারণে তামিল সভ্যতাকে বিশ্বের সর্বশেষ বিদ্যমান ধ্রুপদি সভ্যতা বলা হয়।[১০] তামিল পল্লব সাম্রাজ্যে দক্ষিণী ব্রাহ্মীর অন্যতম রূপভেদ পল্লব লিপি ব্যবহৃত হত। এই লিপি বর্মি, খমের, থাই, লাওজাভা লিপির মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রাচীন বর্ণমালাগুলির উৎস।[১১]

ভৌগোলিক বিস্তৃতি[সম্পাদনা]

ভারতীয় তামিল[সম্পাদনা]

অধিকাংশ ভারতীয় তামিল বসবাস করেন তামিল নাড়ু রাজ্যে। প্রাক্তন ফরাসি ঊপনিবেশ, বর্তমানে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে তামিলরাই সংখ্যাগুরু। আন্দামান এবং নিকোবার দ্বীপপুঞ্জের জনসংখ্যার কমপক্ষে এক-ষষ্ঠমাংশ তামিল।

ভারতের অন্যান্য অংশেও তামিল সম্প্রদায়ের বসতী রয়েছে। এদের অধিকাংশই সাম্প্রতিক, ঊপনিবেশিক এবং উত্তর-ঊপনিবেশিক আমলের, বিশেষ করে দক্ষিণ কর্নাটকের হেবার এবং মান্দিয়াম তামিল সম্প্রদায় (২৯ লাখ), পুনে, মহারাষ্ট্র (১৪ লাখ), অন্ধ্র প্রদেশ (১২ লাখ), কেরালার পালাক্কাদ (৬ লাখ) এবং দিল্লীর (১ লাখ) — অন্তত মধ্যযুগ থেকে চলে আসছে।[১২]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. "Top 30 Languages by Number of Native Speakers: sourced from Ethnologue: Languages of the World, 15th ed. (2005)"Vistawide - World Languages & Cultures। সংগৃহীত ২০০৭-০৪-০৩ 
  2. "Indian Census - Abstract of Strength of Mother Tongues"Indian Census, 2001। সংগৃহীত ২০০৮-০১-০৭ 
  3. "Brief Analysis of Population and Housing Characteristics" (PDF)। Sri Lanka census of population and housing 2001। সংগৃহীত ২০০৮-০১-০৭ 
  4. "Ethnologue report for language code tam"Ethnologue: Languages of the World। সংগৃহীত ২০০৭-০৭-৩১ 
  5. "Tamils: Population in Canada (2007)"Ryerson University। সংগৃহীত ২০০৮-০২-১৯ 
  6. Maloney, Clarence। "Maldives People"। সংগৃহীত ২০০৮-০৬-২২ 
  7. Kshatriya, G.K. (১৯৯৫)। "Genetic affinities of Sri Lankan populations"। Human Biology (American Association of Anthropological Genetics) 67 (6): 843–66। পিএমআইডি 8543296 
  8. M. B. Emeneau (Jan-March ১৯৫৬)। "India as a lingustic Area"Language 32 (1): 5। ডিওআই:10.2307/410649। সংগৃহীত ২০০৭-০৫-০৩। "Of the four literary Dravidian languages, Tamil has voluminous records dating back at least two millennia"  |month= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  9. Burton Stein (November ১৯৭৭)। "Circulation and the Historical Geography of Tamil Country"The Journal of Asian Studies 37 (1): 7–26। ডিওআই:10.2307/2053325। সংগৃহীত ২০০৭-০৫-০৩। "Tamil is one of the two longest-surviving classical languages in India."  |month= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য)
  10. Michael Wood, BBC
  11. Daniels, Peter T. (২০০৮)। "Writing systems of major and minor languages"। in Kachru, Braj B.; Kachru, Yamuna; Sridhar, S.N.। Language in South Asia। Cambridge: Cambridge University Press। পৃ: 285–308। আইএসবিএন 0521781418  at p. 291
  12. "Almost 5 million Tamils live outside Tamil Nadu, inside India"। Censusindia.gov.in। সংগৃহীত ১৮ জুলাই ২০১০ 

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

জনপরিসংখ্যান তথ্য[সম্পাদনা]

All population data has been taken from Ethnologue, with the exception of the data for Sri Lanka, which was taken from the CIA World Factbook's Sri Lanka page.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]