ডেভিড ক্যাপেল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
ডেভিড ক্যাপেল
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামডেভিড জেমস ক্যাপেল
জন্ম (1963-02-06) ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৩ (বয়স ৫৬)
নর্দাম্পটন, ইংরেজ
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি মিডিয়াম-ফাস্ট
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই
ম্যাচ সংখ্যা ১৫ ২৩
রানের সংখ্যা ৩৭৪ ৩২৭
ব্যাটিং গড় ১৫.৫৮ ১৯.২৩
১০০/৫০ -/২ -/১
সর্বোচ্চ রান ৯৮ ৫০*
বল করেছে ২০০০ ১০৩৮
উইকেট ২১ ১৭
বোলিং গড় ৫০.৬৬ ৪৭.৩৫
ইনিংসে ৫ উইকেট - -
ম্যাচে ১০ উইকেট - -
সেরা বোলিং ৩/৮৮ ৩/৩৮
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ৬/- ৬/-
উৎস: ক্রিকইনফো, ১৮ অক্টোবর ২০১৬

ডেভিড জন ক্যাপেল (ইংরেজি: David Capel; জন্ম: ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৩) নর্দাম্পটনে জন্মগ্রহণকারী ইংল্যান্ডের সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।[১] বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের কোচের দায়িত্ব পালন করছেন। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের পক্ষে টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশগ্রহণ করেছেন। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর কাউন্টি ক্রিকেটে নর্দাম্পটনশায়ারের সদস্য ছিলেন। ৬ ফুট দীর্ঘদেহী ও ‘ক্যাপস’ নামে পরিচিত ডেভিড ক্যাপেল ইস্টার্ন প্রভিন্সের পক্ষেও খেলেছেন।

দলে তিনি মূলতঃ অল-রাউন্ডার ছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ডানহাতে মিডিয়াম-ফাস্ট বোলিং করতেন। ক্রিকেট লেখক কলিন ব্যাটম্যানের মতে, ডেভিড ক্যাপেল দূর্ভাগ্যজনকভাবে অল-রাউন্ডার ইয়ান বোথামের শূন্যস্থান পূরণ করতে পারেননি।[১]

খেলোয়াড়ী জীবন[সম্পাদনা]

১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অংশ নিয়ে ২৯.৬৮ গড়ে ১২,২০২ রান তোলেন। তন্মধ্যে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ করেন ১৭৫। এছাড়াও, ৩২.১৮ গড়ে ৫/৪৬ উইকেট সংগ্রহ করেন। সেরা বোলিং পরিসংখ্যান করেন ৭/৪৪।

ব্যাটসম্যান হিসেবে তিনি দ্বৈত ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ফলশ্রুতিতে তাঁকে নীচের সারিতে ব্যাটিং করতে হতো।[১] ইংল্যান্ডের পক্ষে পনের টেস্ট ও তেইশটি একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নিতে পেরেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে উভয় স্তরের ক্রিকেটে তাঁর ব্যাটিং গড় ২০-এর নীচে ও বোলিং গড় ৫০ ঊর্ধ্ব ছিল। তাস্বত্ত্বেও ১৯৮৭-৮৮ মৌসুমে করাচীতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৯৮ তুলেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী ২৫ ইনিংসে ১৩বার ৬ বা তার কম রান তুলেছিলেন। ১৯৮৯-৯০ মৌসুমে ভিভ রিচার্ডসকে তিনবার আউট করেছিলেন। পাশাপাশি গ্রাহাম গুচের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ড দলের জ্যামাইকা টেস্ট জয়ী হওয়া খেলায় চারজন পেসারের একজনরূপে আবির্ভূত হয়েছিলেন।

কোচিং[সম্পাদনা]

২০০৬ সালে ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন। ঐ বছরের শেষদিকে নর্দাম্পটনশায়ারে একটি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। নিজ কাউন্টি দলের প্রধান কোচ মনোনীত হন। দলটিকে তিনি ২০০৯ সালের টুয়েন্টি২০ ফাইনালে প্রথমবারের মতো উপনীত করতে প্রভূতঃ সহায়তা করেন। এরপর ২০১১ সালে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপে দলকে প্রথমবিভাগে উত্তরণ ঘটান। ২ জুলাই, ২০১২ তারিখে নর্দান্টস ক্রিকেট ঘোষণা করে যে, ক্যাপেল প্রধান কোচ/ম্যানেজার হিসেবে দল থেকে পদত্যাগ করেছেন।[২] দ্বিতীয় একাদশের কোচ ডেভিড রিপলে তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন। ২০১৩ সালে ক্যাপেলকে ইংল্যান্ড মহিলা দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পান।

১৫ অক্টোবর, ২০১৬ তারিখে বিসিবি তাঁকে বাংলাদেশ মহিলা ক্রিকেট দলের প্রধান কোচরূপে চারমাসের জন্য নিযুক্ত করে।[৩] পরের মাসে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য দলের এশিয়া কাপে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিবেন। সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার মমতা মাবেন, সাবেক শ্রীলঙ্কান পেস বোলার জনক গামাগে ও সাবেক অস্ট্রেলীয় উইকেট-কিপার-ব্যাটসম্যান শেন ডিৎজের পর চতুর্থ বিদেশী কোচ হিসেবে মনোনীত হলেন। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ড দলের সহকারী কোচের দায়িত্বে ছিলেন। ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য মহিলা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশ দলের পাশে থাকবেন। ওডিআই মর্যাদা পাওয়ায় বাংলাদেশ ও আয়ারল্যান্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে দশ-জাতির প্রতিযোগিতায় অংশ নিবে। শীর্ষ চার দল জুন, ২০১৭ সালে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে অনুষ্ঠিতব্য প্রধান প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগ পাবে।

রোড কম্প্রিহেনসিভে অধ্যয়ন করেন তিনি। জেডি ক্যাপেল নামে তাঁর সন্তান রয়েছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Bateman, Colin (১৯৯৩)। If The Cap Fits। Tony Williams Publications। পৃষ্ঠা 36। আইএসবিএন 1-869833-21-X 
  2. "head-coach-david-capel-to-leave-northants"। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০১৬ 
  3. Bangladesh news October 15, 2016, Bangladesh appoint Capel as women's coach

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]