টিনটোরেটোর যীশু (চলচ্চিত্র)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
টিনটোরেটোর যীশু
পরিচালকসন্দীপ রায়
প্রযোজকটি সরকার প্রডাকশনস
চিত্রনাট্যকারসন্দীপ রায়
উৎসসত্যজিৎ রায় কর্তৃক 
টিনটোরেটোর যীশু
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকারসন্দীপ রায়
চিত্রগ্রাহকশশাঙ্ক পালিত
সম্পাদকসুব্রত রায়
মুক্তি১২ ডিসেম্বর, ২০০৮[১]
দৈর্ঘ্য১০০ মিনিট
দেশভারত
ভাষাবাংলা
নির্মাণব্যয়₹১.২৫ কোটি
আয়₹১.২৫ কোটি

টিনটোরেটোর যীশু সন্দীপ রায় পরিচালিত ২০০৮ সালের বাংলা ভাষার ভারতীয় গোয়েন্দা চলচ্চিত্র[২] সত্যজিৎ রায়ের একই নামের উপন্যাস থেকে ন্রিমিত চলচ্চিত্রটির চিত্রনাট্য লিখেছেন পরিচালক সন্দীপ রায়।[৩] এটি নতুন ফেলুদা চলচ্চিত্র ধারাবাহিকের তৃতীয় চলচ্চিত্র এবং কৈলাসে কেলেঙ্কারির সিক্যুয়াল। এতে ফেলুদা চরিত্রে অভিনয় করেছেন সব্যসাচী চক্রবর্তী[৪] তোপসে চরিত্রে অভিনয় করেছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং জটায়ু চরিত্রে বিভু ভট্টাচার্য[৫]। এছাড়া অন্যান্য ভূমিকায় অভিনয় করেন টোটা রায় চৌধুরী, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।[৬]

কাহিনী সংক্ষেপ[সম্পাদনা]

নিয়োগী পরিবারের কাছে বিখ্যাত ইতালীয় চিত্রকর টিনটোরেটোর আঁকা একটি ছবি ছিল। কিন্তু সেই পরিবারের একজন এর মূল্য জানতে পেরে তা চুরি করে এবং বিদেশী ক্রেতার কাছে উচ্চ মূল্যে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেয়। ছবি চুরির পর তলব পরে ফেলুদার। ফেলুদা তার সঙ্গী তোপসে আর জটায়ুকে নিয়ে সেই পরিবারে যান এবং পরিবারের সবার খোঁজ-খবর নেন। তিনি অপরাধীর পিছু নিয়ে হংকং পর্যন্ত যান এবং সেখানের তার এক আত্মীয়ের সহায়তার অপরাধীকে খুঁজে পান।

কুশীলব[সম্পাদনা]

নির্মাণ[সম্পাদনা]

টিনটোরেটো ছিলেন একজন চিত্রশিল্পী, তার প্রকৃত নাম জ্যাকব রবাস্টি। সত্যজিৎ রায় তার সম্পর্কে জানেন শান্তিনিকেতনে গিয়ে।[১] তিনি সেখানে হেন্ড্রি জেমসের কাছ থেকে টিনটোরেটোর আঁকা ক্রুসিফিক্সন (১৫৬৫) ছবির কথা জানতে পারেন। পরবর্তীতে তিনি তার গোয়েন্দা উপন্যাসে তাকে নিয়ে লিখেন। কিন্তু টিনটোরেটোর সম্পর্কে তেমন কোন তথ্য না পাওয়ায় পরিচালক সন্দীপ রায় টিনটোরেটোর যীশুর ছবি আঁকান ভারতীয় চিত্রশিল্পী সাগর ভৌমিককে দিয়ে।[৭]

হোম ভিডিও[সম্পাদনা]

টিনটোরেটোর যীশু চলচ্চিত্রের ডিভিডি বের হয় ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে।[৭]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. মুখার্জি, চাঁদনী (২২ অক্টোবর ২০০৮)। "I Didn't Get Jesus by Tintoretto - Sandip Ray"গোমোলো। ২৬ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০১৭ 
  2. "ফেলুদা"বাংলাদেশ প্রতিদিন। ৩০ নভেম্বর ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০১৭ 
  3. "'সবদিক থেকে একটা ব্র্যান্ড সত্যজিৎ রায়'"বণিকবার্তা। দেওয়ান হানিফ মাহমুদ। মে ০১, ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০১৭  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  4. মারিয়া, শান্তা (২০১৫-০৫-০২)। "পর্দার ফেলুদা"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০১৭ 
  5. "চলে গেলেন 'জটায়ু'"আনন্দবাজার পত্রিকা। ABP News। ২১ সেপ্টেম্বর ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০১৭ 
  6. "Role call for Ray thriller"টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া। ডিসেম্বর ১২, ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০১৭ 
  7. মুখার্জি, চাঁদনী (৬ অক্টোবর ২০০৯)। "Kolkata's Tintoretto"গোমোলো। ১৪ জুন ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]