চলচ্চিত্রে ফেলুদা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ফেলুদা ভারতীয় উপমহাদেশের একটি জনপ্রিয় চরিত্র। সত্যজিৎ রায় রচিত এই কাহিনীর উপর ভিত্তি করে ভারতে চলচ্চিত্র বা ধারাবাহিক নির্মিত হয়। গোয়েন্দা কাহিনীর উপর ভিত্তি করে নির্মিত এই সব চলচ্চিত্রধারাবাহিকের তালিকা নিচে উল্লেখিত হলঃ


চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

বছর চলচ্চিত্র পরিচালক ফেলুদা তোপ্‌সে জটায়ু বণ্টনকারী তথ্য
১৯৭৪ সোনার কেল্লা সত্যজিৎ রায় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায় সন্তোষ দত্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রথম ফেলুদা চলচ্চিত্র
১৯৭৯ জয় বাবা ফেলুনাথ আর.ডি.বি. এন্ড কোং সত্যজিৎ রায় পরিচালিত শেষ ফেলুদা চলচ্চিত্র
২০০৩ বোম্বাইয়ের বোম্বেটে সন্দীপ রায় সব্যসাচী চক্রবর্তী পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় বিভু ভট্টাচার্য ঊষা কিরণ মুভিজ সোনালী পর্দার জন্য সন্দীপ রায় পরিচালিত প্রথম ফেলুদা চলচ্চিত্র
২০০৭ কৈলাসে কেলেঙ্কারি টি সরকার প্রোডাকশনস এন্ড ভিথ্রিজি ফিল্মস সোনালী পর্দার জন্য সন্দীপ রায় পরিচালিত দ্বিতীয় ফেলুদা চলচ্চিত্র
২০০৮ টিনটোরেটোর যীশু সোনালী পর্দার জন্য সন্দীপ রায় পরিচালিত তৃতীয় ফেলুদা চলচ্চিত্র
২০১০ গোরস্থানে সাবধান সাহেব ভট্টাচার্য ভিথ্রিজি ফিল্মস প্রাইভেট লিমিটেড সোনালী পর্দার জন্য সন্দীপ রায় পরিচালিত চতুর্থ ফেলুদা চলচ্চিত্র
২০১১ রয়েল বেঙ্গল রহস্য শ্রী ভেঙ্কটেশ ফিল্মস, সুরিন্দার ফিল্মস সোনালী পর্দার জন্য সন্দীপ রায় পরিচালিত পঞ্চম ফেলুদা চলচ্চিত্র
২০১৪ বাদশাহী আংটি আবীর চট্টোপাধ্যায়[১] সৌরভ দাস নেই সোনালী পর্দার জন্য সন্দীপ রায় পরিচালিত ষষ্ঠ ফেলুদা চলচ্চিত্র এবং জটায়ুহীন প্রথম ফেলুদা। সত্যিকার গল্পের ন্যায়ই এতে জটায়ু থাকছে না।
২০১৬ ডবল ফেলুদা সব্যসাচী চক্রবর্তী[২] সাহেব ভট্টাচার্য নেই ইরোস ইন্টারন্যাশনাল সোনালী পর্দার জন্য সন্দীপ রায় পরিচালিত সপ্তম ফেলুদা চলচ্চিত্র এবং জটায়ুহীন দ্বিতীয় ফেলুদা। ফেলুদার পঞ্চাশবছর উপলক্ষ্যে দুইটি গল্পের উপর এটি নির্মিত হয়।

টেলিভিশনে চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্র পরিচালক ফেলুদা তোপ্‌সে জটায়ু ধারাবাহিকের নাম প্রচারকারী চ্যানেল তথ্য
ঘুরঘুটিয়ার ঘটনা[৩] বিভাশ চক্রবর্তী সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সিদ্দার্থ চট্টোপাধ্যায় নেই ডিডি বাংলা গল্পানুসারেই জটায়ু এই টেলিফিল্ম অনুপস্থিত ছিল
গোলকধাম রহস্য[৩]
কিস্‌সা কাঠমান্ডু কা[৪] সন্দীপ রায় শশী কাপুর অলঙ্কার মোহান আগাসে সত্যজিৎ রায় প্রেজেন্টস ২[৫] ডিডি ১
বাক্স রহস্য[৬] সব্যসাচী চক্রবর্তী শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় রবি ঘোষ[৭] ফেলুদা ৩০ ডিডি বাংলা প্রথমে ডিডি বাংলায় প্রচারিত হয়। এরপর নন্দন কমপ্লেক্স হতে ডিভিডি ও ভিসিডিতে মুক্তি পায়
গোঁসাইপুর সরগরম[৮] এই টেলিফিল্মে জটায়ু চরিত্রে অভিনয়ের পরপরই রবি ঘোষ মৃত্যুবরণ করেন[৯]
শেয়াল দেবতা রহস্য[১০] নেই গল্পানুসারেই এই টেলিফিল্মে জটায়ু অনুপস্থিত।[১০]
বোসপুকুরে খুনখারাপী[১০] অনুপ কুমার প্রথমবারের মত অনুপ কুমার এই টেলিফিল্মে জটায়ুর চরিত্রে অভিনয় করেন।[১০]
যত কান্ড কাঠমান্ডুতে[১১] এই টেলিফিল্মে জটায়ু চরিত্রে অভিনয়ের পরপরই অনুপ কুমার মৃত্যুবরণ করেন।[১১]
জাহাঙ্গীরের স্বর্ণমুদ্রা [১২] বিভু ভট্টাচার্য সত্যজিতের গপ্পো প্রথমবারের মত বিভু ভট্টাচার্য এই টেলিফিল্মে জটায়ুর চরিত্রে অভিনয় করেন।[১৩]
ঘুরঘুটিয়ার ঘটনা[১২] কেউনা গল্পানুসারেই এই টেলিফিল্মে জটায়ু অনুপস্থিত।.[১২]
গোলাপি মুক্তা রহস্য[১২] বিভু ভট্টাচার্য দ্বিতীয়বারের মত বিভু ভট্টাচার্য এই টেলিফিল্মে জটায়ুর চরিত্রে অভিনয় করেন। মোহান আগাসে মগনলাল মেঘরাজ হিসেবে উপস্থিত হন।
অম্বর সেন অন্তর্ধান রহস্য[১২] তৃতীয়বারের মত বিভু ভট্টাচার্য এই টেলিফিল্মে জটায়ুর চরিত্রে অভিনয় করেন।
ড. মুনসীর ডায়েরী[১২] সত্যজিতের প্রিয় গল্প[১২] ইটিভি বাংলা শেষবারের মত বিভু ভট্টাচার্য এই টেলিফিল্মে জটায়ুর চরিত্রে অভিনয় করেন।

ওয়েবসিরিজে ফেলুদা[সম্পাদনা]

কাহিনী পরিচালক ফেলুদা তোপ্‌সে জটায়ু ধারাবাহিকের নাম প্রচারকারী চ্যানেল তথ্য
ছিন্নমস্তার অভিশাপ সৃজিত মুখোপাধ্যায় টোটা রায় চৌধুরী অনির্বাণ চক্রবর্তী ফেলুদা ফেরত আড্ডা টাইমস ওয়েবসিরিজে প্রথম ফেলুদা[১৪]
যত কাণ্ড কাঠমাণ্ডুতে

অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

২০১০ সালে ডিকিউই প্রোডাকশনস "ফেলুদা:দ্য কাঠমান্ডু কেপার" নামের এক অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র তৈরি করেন। এই সকল প্রকার স্বত্ত্ব ডিজনি চ্যানেল ভারতের কাছে রয়েছে। অক্টোবরেই এর প্রিমিয়ার হয় এবং প্রায়শই টেলিভিশনে এর প্রচার হয়।[১৫]

তথ্যচিত্র[সম্পাদনা]

২০১৯ সালে ফেলুদার পঞ্চাশ বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে সাগ্নিক চট্টোপাধ্যায় ফেলুদা (তথ্যচিত্র) নির্মান করেন। এতে অভিনয় করেছেন ফেলুদার ভূমিকায় অভিনয় করা সমস্ত অভিনেতা ও অন্যান্যরা, এদের মধ্যে রয়েছেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সব্যসাচী চক্রবর্তী, আবীর চট্টোপাধ্যায়, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ও সত্যজিৎ পুত্র সন্দীপ রায়। ৭ জুন, ২০১৯ সালে এই তথ্যচিত্রটি প্রকাশ হয়।[১৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মার্চ ২০১৪ 
  2. "Sandip Ray's next 'Feluda' film to be made from two stories"Daily News and Analysis। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০১৬ 
  3. http://www.banglatorrents.com/showthread.php?33635-Satyajit-Ray-Presents
  4. "আমি আর ফেলুদা" (২০০৬, সেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত) পৃষ্ঠা ৪-৬
  5. "আমি আর ফেলুদা" পৃষ্ঠা ৩২
  6. "আমি আর ফেলুদা" পৃষ্ঠাঃ ৮-১৪
  7. "আমি আর ফেলুদা" পৃষ্ঠা ১৭ ও ২৩
  8. "আমি আর ফেলুদা" পৃষ্ঠাঃ ১৪-১৭ ও ২৮
  9. "আমি আর ফেলুদা" পৃষ্ঠা-২৯
  10. "আমি আর ফেলুদা পৃষ্ঠা-৩২
  11. "আমি আর ফেলুদা পৃষ্ঠা-৩৩"
  12. গবেষণা এবং তথ্য যোগাড়ের কাজ করেন রূপক ঘোষ
  13. "আমি আর ফেলুদা" পৃষ্ঠা-৩৪
  14. "এ বার ফেলুদাকে নিয়ে ওয়েব সিরিজে আসছেন সৃজিত"আনন্দবাজার পত্রিকা। ঢাকা। ১২ নভেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০১৯ 
  15. "Feluda - Wikipedia, the free encyclopedia"। En.wikipedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-১০-১৪ 
  16. Joshi, Namrata (২০১৭-০৪-২৯)। "Feluda was Ray, Ray was Feluda"The Hindu (ইংরেজি ভাষায়)। আইএসএসএন 0971-751X। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-১৩