বাদশাহী আংটি (উপন্যাস)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(বাদশাহী আংটি (বই) থেকে পুনর্নির্দেশিত)
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
বাদশাহী আংটি
লেখক সত্যজিৎ রায়
দেশ ভারত
ভাষা বাংলা
ধারাবাহিক ফেলুদা
বিষয় গোয়েন্দা কাহিনী
ধরণ শিশু-কিশোর
প্রকাশিত ১৯৬৬-৬৭ (সন্দেশ)
পূর্ববর্তী বই ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি
পরবর্তী বই গ্যাংটকে গন্ডগোল

বাদশাহী আংটি সত্যজিৎ রায় রচিত গোয়েন্দা কাহিনী ফেলুদা সিরিজের একটি উপন্যাস। ১৯৬৯ সালে এটি প্রকাশিত হয়েছিল। উপন্যাসটির উপর চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে।[১]

কাহিনী[সম্পাদনা]

তোপসে ও তোপসের বাবার সাথে ফেলুদা লখনউয়ের বড়া ইমামবাড়ার নিকট বসবাসরত তাদের অ্যাডভোকেট আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে যায়। সেখানে তারা ডা. শ্রীবাস্তবের সাথে দেখা করেন, যার বাড়িতে সম্প্রতি ডাকাতির চেষ্টা করা হয়েছিল। তার বন্ধু পেয়ারেলাল কর্তৃক প্রদত্ত একটি অমূল্য আংটি চুরির উদ্দেশ্যেই চেষ্টাটি করা হয় বলে সকলে ধারণা করে। আংটিটি মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের। আবারও ডাকাতির ভয়ে তিনি এটাকে তার বন্ধুর বাসাতে রেখে যান। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে এখানে থেকেও আংটিটি চুরি যায়। এরমধ্যেই ফেলুদা ডাক্তারের প্রতিবেশী বনবিহারীবাবুর সাথে দেখা করেন, যিনি নিজের বাড়িতে একটি ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানা নির্মাণ করে সেখানে কুমির, আফ্রিকান বাঘ, হায়েনা, র‍্যাটলস্নেক, কাঁকড়াবিছে ও ব্ল্যাক উইডো মাকড়সা পোষেন। ফেলুদা পেয়ারেলালের ছেলে মহাবীরের সাথেও দেখা করেন। মহাবীর একজন চলচ্চিত্র পরিচালক এবং অনেকে মনে করেন তার বাবার মৃত্যুর পিছনে তারও হাত থাকতে পারে। এরমধ্যে তারা লক্ষ্ণণ ঝুলা মন্দির, হরিদ্বার যান।

এরমধ্যেই প্রকাশিত হয়ে যায় যে আংটিটি আসলে নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ফেলুদাই নিজের কাছে রেখেছেন। এক যাত্রাপথে ফেলুদা ও তোপসে বনবিহারীবাবুর গাড়িতে করে যায়, এবং তখনই জানা যায় যে বনবিহারী বাবুই এর পিছনের মূল হোতা। সে ফেলুদা ও তোপসেকে আটকে ফেলে। কিন্তু ফেলুদা তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে মরিচের গুঁড়া অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে বনবিহারীবাবু ও তার সহকারী গণেশ গুপ্তে আটক করে।

তোপসের কমবয়সকালীন সময়ে বাদশাহী আংটির মত আর কোনও রোমাঞ্চকর উপন্যাস নেই।[২]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "বাদশাহি আবির"আনন্দবাজার পত্রিকা। সংগৃহীত ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ 
  2. রায়, সত্যজিৎ। বাদশাহী আংটি। ভারত: আনন্দ প্রকাশনী।