আকবর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(আকবর (মুঘল সম্রাট) থেকে ঘুরে এসেছে)
আকবর
ভারতের সম্রাট
পূর্ণ নাম আব্দুল-ফথ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর
উপাধি His Majesty Al-Sultan al-'Azam wal Khaqan al-Mukarram, Imam-i-'Adil, Sultan ul-Islam Kaffatt ul-Anam, Amir ul-Mu'minin, Khalifat ul-Muta'ali Sahib-i-Zaman, Padshah Ghazi Zillu'llah ['Arsh-Ashyani], Emperor of India
সমাধিস্থল Bihishtabad Sikandara, Agra
পূর্বসূরি হুমায়ুন
উত্তরসূরি জাহাঙ্গির
সন্তানাদি Jahangir, 5 other sons and 6 daughters
রয়েল হাউস House of Timur
রাজবংশ মুগল
পিতা হুমায়ুন
মাতা Nawab Hamida Banu Begum Sahiba (1530–1604)
জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর

জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর ভারতবর্ষের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক। তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের তৃতীয় সম্রাট। পিতা সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে আকবর ভারতের শাসনভার গ্রহণ করেণ। বৈরাম খানের তত্ত্বাবধানে তিনি সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার সাম্রাজ্য বিস্তার করতে থাকেন। ১৫৬০ সালে বৈরাম খানকে সরিয়ে আকবর নিজে সকল ক্ষমতা দখল করেণ। কিন্তু আকবর ভারতবর্ষআফগানিস্তানে তার সাম্রাজ্য বিস্তার চালিয়ে যান। ১৬০৫ সালে তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায় সমস্ত উত্তর ভারত তার সাম্রাজ্যের অধীনে চলে আসে। আকবরের মৃত্যুর পর তার পুত্র সম্রাট জাহাঙ্গীর ভারতবর্ষের শাসনভার গ্রহণ করেণ।

পারিবারিক জীবন[সম্পাদনা]

যোঁধা বাঈ

সাম্রাজ্যের রাজপুতদের সাথে সুসম্পর্ক রাখার স্বার্থে আকবর বিভিন্ন রাজবংশের রাজকন্যাদের বিয়ে করেণ। তবে তার স্ত্রীদের মধ্যে সবচাইতে আলোচিত হলেন যোঁধা বাঈ[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

আকবরের শাসনকাল[সম্পাদনা]

আমলাতন্ত্র[সম্পাদনা]

রাজ্য শাসনের জন্য আকবর আমলাতন্ত্র চালু করেন এবং প্রদেশগুলোকে স্বায়ত্বশাসন দান করেন। আকবরের আমলাতন্ত্র বিশ্বের সবথেকে ফলপ্রসু আমলাতন্ত্রের মধ্যে অন্যতম। তিনি প্রত্যেক অঞ্চলে সামরিক শাসক নিয়োগ দেন। প্রত্যেক শাসক তার প্রদেশের সেনাবাহিনীর দায়িত্বে ছিল। ক্ষমতার অপব্যবহারের শাস্তি ছিল একমাত্র মৃত্যুদন্ড

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

রাজপুতদের সাথে সম্পর্ক[সম্পাদনা]

আকবর বুঝতে পেরেছিলেন, যে রাজপুতরা শত্রু হিসাবে প্রবল, কিন্তু মিত্র হিসাবে নির্ভরযোগ্য। আকবরের শাসনকালে তিনি রাজপুতদের সাথে সন্ধি করার প্রয়াস করেছিলেন। কিছুটা যুদ্ধের দ্বারা, এবং অনেকটাই বিবাহসূত্রের দ্বারা তিনি এই প্রয়াসে সফল হয়েছিলেন। অম্বরের রাজা ভর মল্লের কন্যা জোধাবাঈ-এর সাথে তার বিবাহ হয়। ভর মল্লের পুত্র রাজা ভগবন দাস আকবরের সভায় নবরত্নের একজন ছিলেন। ভগবন দাসের পুত্র রাজা মান সিংহ আকবরের বিশাল সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন। রাজা টোডর মল্ল ছিলেন আকবরের অর্থমন্ত্রী। আরেক রাজপুত, বীরবল, ছিলেন আকবরের সবচেয়ে কাছের বন্ধু ও প্রিয়পাত্র। বেশিরভাগ রাজপুত রাজ্য যখন আকবরের অধীনে চলে আসছে, তখন একমাত্র মেওয়ারের রাজপুত রাজা মহারানা উদয় সিংহ মুঘলদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। চিতোরের পতনের পর তিনি উদয়পুর থেকে মেওয়ার শাসন করতেন। তার সুযোগ্য পুত্র মহারানা প্রতাপ সিংহ সারা জীবন মুঘলদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গেছিলেন। মেওয়ারের রাজপুতরাই একমাত্র রাজপুত জাত যাদের কে আকবর তার জীবদ্দশায় জয় করে যেতে পারেননি।

বিচার ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

আকবরের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি[সম্পাদনা]

আকবরের ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি[সম্পাদনা]

আকবর তার নিজস্ব ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গী থেকে দীন-ই-ইলাহি নামক ধর্ম চালু করার চেষ্টা করেন।

স্থাপত্য[সম্পাদনা]

আকবরের নবরত্ন সভা[সম্পাদনা]

আকবরের সভাসদ দের মধ্যে নবরত্ন হিসেবে যারা ইতিহাসখ্যাত হয়ে আছেন,

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

পূর্বসূরী:
সম্রাট হুমায়ুন
মুঘল সম্রাট
১৫৫৬১৬০৫
উত্তরসূরী:
সম্রাট জাহাঙ্গীর