আজম খান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
আজম খান
আজম খান.jpg
আজম খান
জন্ম(১৯৫০-০২-২৮)২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫০
১০নং সরকারি কোয়ার্টার, আজিমপুর কলোনি, ঢাকা
মৃত্যুজুন ৫, ২০১১(2011-06-05) (বয়স ৬১)
পেশাসঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার
যে জন্য পরিচিতপপ সম্রাট,গুরু
আত্মীয়আলম খান (ভাই)
পুরস্কার
একুশে পদক
২০১৯সংগীত বিভাগ, মরণোত্তর [১][২]
কোকাকোলা গোল্ড বটল
২০০২আজীবন সম্মাননা (হলিউড থেকে ডিসকো রেকর্ডিংয়ের সৌজন্যে) [৩]
উল্ল্যেখ্য পুরুষ্কার
২০০২টেলিভিশন দর্শক পুরস্কার
১৯৯৩বেস্ট পপ সিঙ্গার অ্যাওয়ার্ড [৪]

মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান (জন্ম: ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫০[৫]; মৃত্যু: ৫ জুন, ২০১১, ঢাকা) একজন বাংলাদেশী মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী, অভিনেতা, ক্রিকেটার ও বিজ্ঞাপনের মডেল ছিলেন। তিনি আজম খান নামে সর্বাধিক পরিচিত। তাঁকে বাংলাদেশের পপ ও ব্যান্ড সঙ্গীতের একজন অগ্রপথিক বা গুরু হিসেবে গণ্য করা হয় [৬]। তার গানের বিশেষত্ব ছিল পশ্চিমা ধাঁচের পপগানে দেশজ বিষয়ের সংযোজন ও পরিবেশনার স্বতন্ত্র রীতি[৭]। আজম খানের জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে - বাংলাদেশ (রেল লাইনের ঐ বস্তিতে), ওরে সালেকা, ওরে মালেকা, আলাল ও দুলাল, অনামিকা, অভিমানী, আসি আসি বলে ইত্যাদি। সর্বোপরি তিনি একজন ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকায় সংঘটিত কয়েকটি গেরিলা অভিযানে তিনি অংশ নেন। প্রথম কনসার্ট প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশ টেলিভিশনে ১৯৭২ সালে। সঙ্গীতে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে মরণোত্তর দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে[৭] [৮][৯]

ছেলেবেলা[সম্পাদনা]

আজম খান ১৯৫০ সালে ঢাকার আজিমপুরে জন্ম গ্রহণ করেন। বাবা সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে তাঁর ছেলেবেলা কাটে আজিমপুরের ১০ নম্বর সরকারি কোয়ার্টারে। ১৯৫৫ সালে তিনি প্রথমে আজিমপুরের ঢাকেশ্বরী স্কুলে শিশুশ্রেনীতে ভর্তি হন। ১৯৫৬ সালে তাঁর বাবা কমলাপুরে বাড়ি বানান। এরপর থেকে সেখানে বসতি তাদের। সেখানে তিনি কমলাপুরের প্রভেনশিয়াল স্কুলে প্রাইমারিতে এসে ভর্তি হন। তারপর ১৯৬৫ সালে সিদ্ধেশ্বরী হাইস্কুলে বাণিজ্য বিভাগে ভর্তি হন। এই স্কুল থেকে ১৯৬৮ সালে এসএসসি পাস করেন। ১৯৭০ সালে টি অ্যান্ড টি কলেজ থেকে বাণিজ্য বিভাগে দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হন। মুক্তিযুদ্ধের পর পড়ালেখায় আর অগ্রসর হতে পারেননি[১০]

মুক্তিযোদ্ধা আজম খান[সম্পাদনা]

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ে আজম খান পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তখন তিনি ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিরুদ্ধে গণসঙ্গীত প্রচার করেন। প্রথম দিকে তিনি আব্দুল লতিফের গাওয়া গণসঙ্গীত গাইতেন[১১]। ১৯৭১ সালে আজম খানের বাবা আফতাব উদ্দিন খান সচিবালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে ছিলেন। বাবার অণুপ্রেরণায় যুদ্ধে যাবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন তিনি [১২]। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হলে, তিনি পায়ে হেঁটে আগরতলা চলে যান। আগরতলার পথে সঙ্গী হন তার দুই বন্ধু। তিনি প্রাথমিক প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন ভারতের মেলাঘরের শিবিরে। সেখানে তিনি শহীদ জননী জাহানারা ইমামের জ্যেষ্ঠ পুত্র শাফী ইমাম রুমীর কাছে এলএমজি, রাইফেল চালানোসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন[১২]। এসময় তার লক্ষ্য ছিল সেক্টর ২ এ খালেদ মোশাররফের অধীনে যুদ্ধে যোগদান করা। আজম খান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন ২১ বছর বয়সে। তার গাওয়া গান প্রশিক্ষণ শিবিরে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা যোগাতো। যুদ্ধ প্রশিক্ষণ শেষে তিনি কুমিল্লায় পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে অংশ নেয়া শুরু করেন। কুমিল্লার সালদায় প্রথম সরাসরি যুদ্ধ করেন।[১২] এর কিছুদিন পর তিনি পুনরায় আগরতলায় ফিরে আসেন। এরপর তাকে পাঠানো হয় ঢাকায় গেরিলা যুদ্ধে অংশ নেয়ার জন্য। আজম খান ছিলেন দুই নম্বর সেক্টরের একটা সেকশনের ইন-চার্জ।[১২] আর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন কর্নেল খালেদ মোশাররফ। ঢাকায় তিনি সেকশান কমান্ডার হিসেবে ঢাকা ও এর আশেপাশে বেশ কয়েকটি গেরিলা আক্রমণে অংশ নেন। আজম খান মূলত যাত্রাবাড়ি-গুলশান এলাকার গেরিলা অপারেশনগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পান। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল তার নেতৃত্বে সংঘটিত "অপারেশান তিতাস"। তাদের দায়িত্ব ছিল ঢাকার কিছু গ্যাস পাইপলাইন ধ্বংস করার মাধ্যমে বিশেষ করে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল (বর্তমান শেরাটন হোটেল), হোটেল পূর্বাণী'র গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটানো। তাদের লক্ষ্য, ঐ সকল হোটেলে অবস্থানরত বিদেশীরা যাতে বুঝতে পারে যে দেশে একটা যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধে তিনি তার বাম কানে আঘাতপ্রাপ্ত হন। যা পরবর্তীতে তার শ্রবণক্ষমতায় বিঘ্ন ঘটায়। আজম খান তার সঙ্গীদের নিয়ে পুরোপুরি ঢাকায় প্রবেশ করেন ১৯৭১-এর ডিসেম্বরের মাঝামাঝি। এর আগে তারা মাদারটেকের কাছে ত্রিমোহনীতে সংগঠিত যুদ্ধে পাক সেনাদের পরাজিত করেন।[৬]

গায়ক আজম খান[সম্পাদনা]

একটি অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশনায় আজম খান

প্রারম্ভ ও উচ্চারণ ব্যান্ড[সম্পাদনা]

আজম খানের কর্মজীবনের শুরু প্রকৃতপক্ষে ষাটের দশকের শুরুতে। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের পর ১৯৭২ সালে তিনি তাঁর বন্ধুদের নিয়ে ‘উচ্চারণ’ ব্যান্ড গঠন করেন[৭]। তাঁর ব্যান্ড উচ্চারণ এবং আখন্দ (লাকী আখন্দহ্যাপী আখন্দ) ভ্রাতৃদ্বয় দেশব্যাপী সঙ্গীতের জগতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। বন্ধু নিলু আর মনসুরকে গিটারে, সাদেক ড্রামে আর নিজেকে প্রধান ভোকাল করে অনুষ্ঠান করেছেন। ১৯৭২ সালে বিটিভিতে সেই অনুষ্ঠানের এতো সুন্দর দুনিয়ায় কিছুই রবে না রেচার কালেমা সাক্ষী দেবে গান দু'টি সরাসরি প্রচার হলো। ব্যাপক প্রশংসা আর তুমুল জনপ্রিয়তা এনে দিলো এ দু'টো গান। দেশজুড়ে পরিচিতি পেয়ে গেলো তাদের দল।[১২] ১৯৭৪-১৯৭৫ সালের দিকে তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশনে বাংলাদেশ (রেললাইনের ঐ বস্তিতে) শিরোনামের গান গেয়ে হৈ-চৈ ফেলে দেন। তার পাড়ার বন্ধু ছিলেন ফিরোজ সাঁই। পরবর্তীকালে তার মাধ্যমে পরিচিত হন ফকির আলমগীর, ফেরদৌস ওয়াহিদ, পিলু মমতাজের সাথে। এক সাথে বেশ কয়েকটা জনপ্রিয় গান করেন তারা। এরই মধ্যে আরেক বন্ধু ইশতিয়াকের পরামর্শে সৃষ্টি করেন একটি এসিড-রক ঘরানার গান জীবনে কিছু পাবোনা এ হে হে! তিনি দাবী করেন এটি বাংলা গানের ইতিহাসে- প্রথম হার্ডরক।[১২]

একক সংগীত শিল্পী[সম্পাদনা]

‘এক যুগ’ নামে তাঁর প্রথম অডিও এলবাম ক্যাসেট প্রকাশিত হয় ১৯৮২ সালে। ১৭টি একক, ডুয়েট ও মিশ্রসহ সব মিলিয়ে তাঁর গানের অ্যালবাম ২৫টি। তার প্রথম সিডি বের হয় ১৯৯৯ সালের ৩ মে ডিস্কো রেকর্ডিংয়ের প্রযোজনায়। তার উল্লেখযোগ্য এ্যালবামগুলোর মধ্যে আছে দিদি মা, বাংলাদেশ, কেউ নাই আমার, অনামিকা, কিছু চাওয়া, নীল নয়না ইত্যাদি[৭][১৩]। মৃত্যুর পর আগস্ট ১১, ২০১১ সালে ইম্প্রেস অডিও ভিশনের ব্যানারে 'গুরু তোমায় সালাম' নামে তাঁর সর্বশেষ এলবাম প্রকাশিত হয়[১৪]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

আজম খানের বাবার নাম মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন খান, মা জোবেদা খাতুন। তাঁর বাবা তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগতভাবে হোমিওপ্যাথির চিকিৎসক ছিলেন। তার তিন ভাই ও এক বোন ছিল। বড় ভাই সাইদ খান (সরকারি চাকরিজীবী), মেজো ভাই আলম খান (সুরকার), ছোট ভাই লিয়াকত আলী খান (মুক্তিযোদ্ধা) এবং ছোট বোন শামীমা আক্তার খানম। ১৯৮১ সালের ১৪ই জানুয়ারি ৩১ বছর ঢাকার মাদারটেকে তিনি সাহেদা বেগমকে বিয়ে করেন। তাঁর এক ছেলে এবং দুই মেয়ে; প্রথম সন্তানের নাম ইমা খান, দ্বিতীয় সন্তান হৃদয় খান এবং তৃতীয় সন্তান অরণী খান। সহধর্মিনী মারা যাবার পর থেকে একাকী জীবনযাপন তার।

অন্যান্য ভূমিকায় আজম খান[সম্পাদনা]

১৯৯১—২০০০ সালে তিনি গোপীবাগ ফ্রেন্ডস ক্লাবের পক্ষ হয়ে প্রথম বিভাগ ক্রিকেট খেলতেন[১০]। ২০০৩ সালে তিনি গডফাদার নামক একটি বাংলা সিনেমায় অভিনয় করেন[১৫]। এ ছাড়াও তিনি বেশ কিছু বিজ্ঞাপন চিত্রে মডেল হিসেবে কাজ করেন।

মৃত্যু[সম্পাদনা]

পপসম্রাট আজম খান দীর্ঘদিন দুরারোগ্য ক্যান্সার ব্যাধির সাথে লড়াই করে ৫ই জুন, ২০১১ইং তারিখ, রবিবার সকাল ১০টা বেজে ২০ মিনিটে ঢাকাস্থ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।[১৬]

উল্লেখযোগ্য গান[সম্পাদনা]

উচ্চারণ[সম্পাদনা]

  • "অভিমানী"
  • "আলাল ও দুলাল"
  • "দিদিমা"
  • বাংলাদেশ
  • বাংলাদেশ II
  • "ফেলে আসা দিনগুলো পিছু ডাকে"
  • "কেউ নাই আমার"
  • "আর দেখো না"
  • "ব্যস্ত ভবঘুরে"
  • "আর গাইবোনা গান"
  • "থাকবো না যেদিন"
  • রকস্টার
  • "বর্ষাকাল"
  • "মাটির পৃথিবীতে"
  • "নতুন পুরান"
  • "নীল নয়না"
  • "কিছু চাওয়া"
  • "অনামিকা"
  • "পুরে যাচ্ছে"
  • "গুরু তোমায় সালাম"
  • "সালেকা মালেকা"
  • পাপড়ি কেন বোঝে না
  • চাঁদকে ভালবেসো না

ফিল্মোগ্রাফি[সম্পাদনা]

সংগীতের পাশাপাশি মিডিয়ার অন্যান্য ক্ষেত্রেও পপগুরু আজম খানের কাজ করেছেন। একটি নাটক, একটি চলচিত্র ও বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন তিনি। তার ফিল্মোগ্রাফি'র তালিকা নিচে দেয়া হলোঃ

ক্রম নাম বছর ধরন চরিত্র মন্তব্য তথ্যসুত্র
হীরামনঃ কালা বাউল ১৯৮৬ নাটক কালা বাউল হীরামন নাটক সিরিজের কালা বাউল পর্বে একজন বাউল শিল্পীর চরিত্রে অভিনয় করেন। নাটকটি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। [১৭]
গডফাদার ২০০৩ চলচিত্র নাম ভূমিকায় খল চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। চলচিত্রটি শাহীন ও ওয়াজেদ আলী সুমন জুটির পরিচালিত প্রথম চলচিত্র। [১৫][১৭][১৮]
ক্রাউন এনার্জি ড্রিংস বিজ্ঞাপন প্রথম বারের মত বিজ্ঞাপনের মডেল হন। [১৭][১৯][২০]
বাংলালিংক ২০০৫ বাংলালিংক'দিন বদল' প্রচারণার বিজ্ঞাপন।
২০০৮ এই বিজ্ঞাপনে কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু সঞ্চালকের ভূমিকায় ছিলেন।
কোবরা ড্রিংস ২০১০


তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "অবশেষে একুশে পদক পেলেন আজম খান | banglatribune.com"Bangla Tribune। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  2. "মৃত্যুর আট বছর পর একুশে পদক পেলেন আজম খান | বিনোদন"ittefaq। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  3. "মুক্তিযোদ্ধা থেকে পপসম্রাট হয়ে ওঠার গল্প"Somoy TV (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  4. "ভালো থেকো প্রিয় আজম খান"Jugantor। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  5. "জন্মদিনে আজম খান ফাউন্ডেশন"www.prothom-alo.com। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-১২ 
  6. The Daily Star, Rock star looks back with nostalgia.
  7. "আজ গুরুর চলে যাওয়ার দিন"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  8. প্রতিবেদন, মীর সাব্বির বিবিসি বাংলার জন্য বিশেষ। "চলে গেলেন আজম খান"BBC News বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  9. "সাধারণ জীবনযাপন করা অসাধারণ কণ্ঠের এক সংগীত জাদুকর"web.archive.org। ২০১৯-০৬-০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  10. প্রথম আলো, গুরুকাহিনী, প্রকাশিত হয়েছে: ০৩-১২-২০০৯
  11. "আজম খুব সাধারণ ছিল : আলম খান"NTV Online। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  12. glitz.bdnews24.com ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ আগস্ট ২০০৮ তারিখে, আজম খানের মুক্তিযুদ্ধ।
  13. Tasnim, Tanha (২০১৯-০১-০৭)। "আজম খান: কিংবদন্তি এক যোদ্ধার গল্প"Musophia (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  14. BanglaNews24.com। "পপসম্রাটের শেষ অ্যালবাম 'গুরু তোমায় সালাম'"banglanews24.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  15. রিপোর্ট, বিনোদন। "গডফাদার-২ নির্মাণ করছেন শাহীন সুমন"DailyInqilabOnline (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  16. প্রথম আলো, পপসম্রাট আজম খান আর নেই, প্রকাশিত হয়েছে:০৫-০৬-২০১১
  17. "অভিনয় আর মডেলিংয়েও তারা"মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  18. "শাহীন (Shahin)"বাংলা মুভি ডেটাবেজ। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  19. Banglalink Digital (২০১২-০৬-০৪)। "banglalink's tribute to azam khan" 
  20. Advertising Archive Bangladesh (২০১৩-০৬-০১)। "Cobra Energy Drinks - Azam Khan"