আজম খান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান

আজম খান

বাংলা পপগুরু, পপ সম্রাট
আজম খান.jpg
আজম খান
জন্ম
মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান

(১৯৫০-০২-২৮)২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫০
১০নং সরকারি কোয়ার্টার, আজিমপুর কলোনি, ঢাকা
মৃত্যুজুন ৫, ২০১১(2011-06-05) (বয়স ৬১)
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, ঢাকা, বাংলাদেশ
মৃত্যুর কারণক্যান্সার
সমাধিমিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান, মিরপুর, ঢাকা
নাগরিকত্ব পাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে)
 বাংলাদেশ
পেশাসঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, সুরকার
প্রতিষ্ঠানউচ্চারণ ব্যান্ড, ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী
পরিচিতির কারণসক্রিয় মুক্তিযোদ্ধা, বাংলা পপ ও রক সঙ্গীতজ্ঞ, অভিনেতা, ক্রিকেটার
আদি নিবাসঢাকা, বাংলাদেশ
দাম্পত্য সঙ্গীসাহেদা বেগম
সন্তানইমা খান, হৃদয় খান, অরণী খান
পিতা-মাতা
  • মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন খান (পিতা)
  • জোবেদা খাতুন (মাতা)
আত্মীয়আলম খান (ভাই)
টীকা
পুরস্কার
একুশে পদক
২০১৯সংগীত বিভাগ, মরণোত্তর[১][২]
কোকাকোলা গোল্ড বটল
২০০২আজীবন সম্মাননা (হলিউড থেকে ডিসকো রেকর্ডিংয়ের সৌজন্যে)[৩]
উল্ল্যেখ্য পুরস্কার
২০০২টেলিভিশন দর্শক পুরস্কার
১৯৯৩বেস্ট পপ সিঙ্গার অ্যাওয়ার্ড[৪]
অন্যান্য পুরস্কার
বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা (কাউন্সিল অব আরবান গেরিলা ঢাকা ’৭১ ও রেডিও টুডের পক্ষ থেকে)[৫]

মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান (২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৫০[৬] - ৫ জুন ২০১১) একজন বাংলাদেশি মুক্তিযোদ্ধা, সংগীতশিল্পী, অভিনেতা, ক্রিকেটার ও বিজ্ঞাপনের মডেল ছিলেন। তিনি আজম খান নামে সর্বাধিক পরিচিত। তাঁকে বাংলাদেশের পপ ও ব্যান্ড সংগীতের একজন অগ্রপথিক বা গুরু হিসেবে গণ্য করা হয়[৭]। তবে তাঁর অনুজ সংগীতশিল্পী ও সংগীতরসিক মাকসুদুল হক তাঁর ‘পপ সংগীতশিল্পী’ অভিধাকে অপসংজ্ঞায়ন মনে করেন। তিনি তাঁকে বাংলাদেশের রক সংগীতের অগ্রপথিক হিসাবে বিবেচনা করেন।[৮] তাঁর গানের বিশেষত্ব ছিল পশ্চিমা ধাঁচের পপগানে দেশজ বিষয়ের সংযোজন ও পরিবেশনার স্বতন্ত্র রীতি।[৯]। আজম খানের জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ (রেল লাইনের ঐ বস্তিতে), ওরে সালেকা ওরে মালেকা, আলাল ও দুলাল, অনামিকা, অভিমানী, আসি আসি বলে ইত্যাদি। মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকায় সংঘটিত কয়েকটি গেরিলা অভিযানে তিনি অংশ নেন। প্রথম কনসার্ট প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশ টেলিভিশনে ১৯৭২ সালে। সংগীতে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মরণোত্তর দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।[৯][১০][১১]

ছেলেবেলা[সম্পাদনা]

আজম খান ১৯৫০ সালে ঢাকার আজিমপুরে জন্ম গ্রহণ করেন। বাবা সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার সুবাদে তাঁর ছেলেবেলা কাটে আজিমপুরের ১০ নম্বর সরকারি কোয়ার্টারে। ১৯৫৫ সালে তিনি প্রথমে আজিমপুরের ঢাকেশ্বরী স্কুলে শিশু শ্রেণিতে ভর্তি হন। ১৯৫৬ সালে তাঁর বাবা কমলাপুরে বাড়ি বানান। এরপর থেকে সেখানে বসতি তাঁদের। সেখানে তিনি কমলাপুরের প্রভেনশিয়াল স্কুলে প্রাথমিক স্তরে এসে ভর্তি হন। তারপর ১৯৬৫ সালে সিদ্ধেশ্বরী হাইস্কুলে বাণিজ্য বিভাগে ভর্তি হন। এই স্কুল থেকে ১৯৬৮ সালে এসএসসি পাস করেন। ১৯৭০ সালে টি অ্যান্ড টি কলেজ থেকে বাণিজ্য বিভাগে দ্বিতীয় বিভাগে উত্তীর্ণ হন। মুক্তিযুদ্ধের পর পড়ালেখায় আর অগ্রসর হতে পারেননি।[১২]

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে[সম্পাদনা]

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ে আজম খান পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তখন তিনি ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিরুদ্ধে গণসঙ্গীত প্রচার করেন। প্রথম দিকে তিনি আব্দুল লতিফের গাওয়া গণসঙ্গীত গাইতেন।[১৩]। ১৯৭১ সালে আজম খানের বাবা আফতাব উদ্দিন খান সচিবালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর ছিলেন। বাবার অনুপ্রেরণায় যুদ্ধে যাবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন তিনি।[১৪]। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হলে, তিনি পায়ে হেঁটে আগরতলা চলে যান। আগরতলার পথে সঙ্গী হন তাঁর দুই বন্ধু। তিনি প্রাথমিক প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন ভারতের মেলাঘরের শিবিরে। সেখানে তিনি শহিদ জননী জাহানারা ইমামের জ্যেষ্ঠ পুত্র শাফী ইমাম রুমীর কাছে এলএমজি, রাইফেল চালানোসহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।[১৪] এ সময়ে তাঁর লক্ষ্য ছিল সেক্টর ২খালেদ মোশাররফের অধীনে যুদ্ধে যোগদান করা। আজম খান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন ২১ বছর বয়সে। তাঁর গাওয়া গান প্রশিক্ষণ শিবিরে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণা যোগাতো। যুদ্ধ প্রশিক্ষণ শেষে তিনি কুমিল্লায় পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে অংশ নেয়া শুরু করেন। কুমিল্লার সালদায় প্রথম সরাসরি যুদ্ধ করেন।[১৪] এর কিছুদিন পর তিনি পুনরায় আগরতলায় ফিরে আসেন। এরপর তাঁকে পাঠানো হয় ঢাকায় গেরিলা যুদ্ধে অংশ নেয়ার জন্য। আজম খান ছিলেন দুই নম্বর সেক্টরের একটা সেকশনের ইন-চার্জ।[১৪] আর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন কর্নেল খালেদ মোশাররফ। ঢাকায় তিনি সেকশান কমান্ডার হিসেবে ঢাকা ও এর আশেপাশে বেশ কয়েকটি গেরিলা আক্রমণে অংশ নেন। আজম খান মূলত যাত্রাবাড়ি-গুলশান এলাকার গেরিলা অপারেশনগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পান। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল তাঁর নেতৃত্বে সংঘটিত "অপারেশন তিতাস"। তাদের দায়িত্ব ছিল ঢাকার কিছু গ্যাস পাইপলাইন ধ্বংস করার মাধ্যমে বিশেষ করে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, হোটেল পূর্বাণী'র গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটানো। তাঁদের লক্ষ্য, ঐ সকল হোটেলে অবস্থানরত বিদেশিরা যাতে বুঝতে পারে যে দেশে একটা যুদ্ধ চলছে। এই যুদ্ধে তিনি তাঁর বাম কানে আঘাতপ্রাপ্ত হন। যা পরবর্তীকালে তাঁর শ্রবণক্ষমতায় বিঘ্ন ঘটায়। আজম খান তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে পুরোপুরি ঢাকায় প্রবেশ করেন ১৯৭১-এর ডিসেম্বরের মাঝামাঝি। এর আগে তারা মাদারটেকের কাছে ত্রিমোহনীতে সংগঠিত যুদ্ধে পাক সেনাদের পরাজিত করেন।[৭] তার অংশগ্রহণ করা এই গেরিলা দলের নাম ছিল ক্র্যাক প্লাটুন[১৫]

সংগীত জীবন[সম্পাদনা]

একটি অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশনায় আজম খান

প্রারম্ভ ও উচ্চারণ ব্যান্ড[সম্পাদনা]

আজম খানের কর্মজীবনের শুরু প্রকৃতপক্ষে ষাটের দশকের শুরুতে। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের পর ১৯৭২ সালে তিনি তাঁর বন্ধুদের নিয়ে উচ্চারণ ব্যান্ড গঠন করেন[৯]। তাঁর ব্যান্ড উচ্চারণ এবং আখন্দ (লাকী আখন্দহ্যাপী আখন্দ) ভ্রাতৃদ্বয় দেশব্যাপী সংগীতের জগতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। বন্ধু নিলু আর মনসুরকে গিটারে, সাদেক ড্রামে আর নিজেকে প্রধান ভোকালিস্ট করে অনুষ্ঠান করেছেন। ১৯৭২ সালে বিটিভিতে সেই অনুষ্ঠানের এতো সুন্দর দুনিয়ায় কিছুই রবে না রেচার কালেমা সাক্ষী দেবে গান দুটি সরাসরি প্রচারিত হলে ব্যাপক প্রশংসা আর তুমুল জনপ্রিয়তা পান এই গানের দল। [১৪] তাঁর পাড়ার বন্ধু ছিলেন ফিরোজ সাঁই। পরবর্তীকালে তাঁর মাধ্যমে পরিচিত হন ফকির আলমগীর, ফেরদৌস ওয়াহিদ, পিলু মমতাজের সাথে। একসাথে বেশ কয়েকটা জনপ্রিয় গান করেন তাঁরা। এরই মধ্যে আরেক বন্ধু ইশতিয়াকের পরামর্শে সৃষ্টি করেন একটি এসিড-রক ঘরানার গান জীবনে কিছু পাবোনা এ হে হে! তিনি দাবি করেন, এটি বাংলা গানের ইতিহাসে প্রথম হার্ডরক।[১৪]

শাসকশ্রেণির অসন্তোষের শিকার[সম্পাদনা]

১৯৭৪ সালে বিটিভিতে প্রচারিত আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ এক উপস্থাপিত অনুষ্ঠানে ১৯৭৪-এর দুর্ভিক্ষ নিয়ে তিনি রেললাইনের ওই বস্তিতে গানটি পরিবেশন করেন:

রেললাইনের ওই বস্তিতে

জন্মেছিল একটি ছেলে,

মা তাঁর কাঁদে—

ছেলেটি মরে গেছে।

হায় রে হায় বাংলাদেশ!

গানটি এরপর সকলের মুখে মুখে ফিরতে থাকে। এরপর তৎকালীন বঙ্গবন্ধু সরকার বিটিভিতে তাঁর আর কোনো অনুষ্ঠানের ওপর অনানুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে। বঙ্গবন্ধুপুত্র শেখ কামালের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কও তিক্ততায় পর্যবসিত হয়।[৮]

১৯৭৭-র সামরিক অভ্যুত্থানের ফলে জিয়াউর রহমান সরকার নীতিপুলিশগিরির (যেমন: বড়ো চুল রাখায় নিষেধাজ্ঞা, রাস্তায় ধরে নিয়ে চুল কেটে দেওয়া ইত্যাদি) ফলে আজম খানের কনসার্ট ও উপস্থিতি কমতে থাকে; ১৯৮২-এ বাংলাদেশে সামরিক অভ্যুত্থানে এরশাদ জিয়ার অনুসরণ করেন, যা আজমকে শ্রোতৃমণ্ডলী থেকে আরও বিস্মৃত করে ফেলে।[৮]

একক সংগীত শিল্পী[সম্পাদনা]

‘এক যুগ’ নামে তাঁর প্রথম অডিও অ্যালবাম ক্যাসেট প্রকাশিত হয় ১৯৮২ সালে। ১৭টি একক, ডুয়েট ও মিশ্রসহ সব মিলিয়ে তাঁর গানের অ্যালবাম ২৫টি। তাঁর প্রথম সিডি বের হয় ১৯৯৯ সালের ৩ মে ডিস্কো রেকর্ডিংয়ের প্রযোজনায়। আজমের উল্লেখযোগ্য অ্যালবামের মধ্যে আছে দিদি মা, বাংলাদেশ, কেউ নাই আমার, অনামিকা, কিছু চাওয়া, নীল নয়নতা ইত্যাদি[৯][১৬]। মৃত্যুর পর আগস্ট ১১, ২০১১ সালে ইম্প্রেস অডিও ভিশনের ব্যানারে 'গুরু তোমায় সালাম' নামে তাঁর সর্বশেষ অ্যালবাম প্রকাশিত হয়[১৭]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

আজম খানের মায়ের নাম জোবেদা খাতুন। তাঁর বাবা মোহাম্মদ আফতাবউদ্দিন খান তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগতভাবে হোমিওপ্যাথির চিকিৎসক ছিলেন। আজমের তিন ভাই ও এক বোন ছিল। বড় ভাই সাইদ খান (সরকারি চাকরিজীবী), মেজো ভাই বাংলা চলচ্চিত্রের প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক আলম খান; আলম খানের তত্ত্বাবধানে আজম খানের প্রথম গান রেকর্ডিং হয়েছিল।[১৮] ছোট ভাই লিয়াকত আলী খান (মুক্তিযোদ্ধা) এবং ছোট বোন শামীমা আক্তার খানম। ১৯৮১ সালের ১৪ই জানুয়ারি ঢাকার মাদারটেকে তিনি সাহেদা বেগমকে বিয়ে করেন। তাঁদের ঘরে জন্ম নেয় এক ছেলে এবং দুই মেয়ে। প্রথম সন্তানের নাম ইমা খান, দ্বিতীয় সন্তান হৃদয় খান এবং তৃতীয় সন্তান অরণী খান। স্ত্রী সাহেদা বেগমর মৃত্যুর পর থেকে একাকী জীবনযাপন করেন তিনি।[১৯]

অন্যান্য ভূমিকায়[সম্পাদনা]

১৯৯১—২০০০ সালে তিনি গোপীবাগ ফ্রেন্ডস ক্লাবের পক্ষ হয়ে প্রথম বিভাগ ক্রিকেট খেলতেন।[২০] তিনি ভালো সাঁতারু ছিলেন এবং নতুন সাঁতারুদেরকে মোশারফ হোসেন জাতীয় সুইমিং পুলে সপ্তাহে ৬ দিন সাঁতার শিখাতেন।[২১][২২] ২০০৩ সালে তিনি গডফাদার নামক একটি বাংলা সিনেমায় অভিনয় করেন[২৩]। এছাড়াও তিনি বেশ কিছু বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হিসেবে কাজ করেন।

মৃত্যু[সম্পাদনা]

পপসম্রাট আজম খান দীর্ঘদিন দুরারোগ্য ক্যান্সার ব্যাধির সাথে লড়াই করে ৫ই জুন, ২০১১ইং তারিখ, রবিবার সকাল ১০টা বেজে ২০ মিনিটে ঢাকাস্থ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।[২৪]

উল্লেখযোগ্য গান[সম্পাদনা]

উচ্চারণ[সম্পাদনা]

  • "অভিমানী"
  • "আলাল ও দুলাল"
  • "দিদিমা"
  • বাংলাদেশ
  • বাংলাদেশ II
  • "ফেলে আসা দিনগুলো পিছু ডাকে"
  • "কেউ নাই আমার"
  • "আর দেখো না"
  • "ব্যস্ত ভবঘুরে"
  • "আর গাইবো‌না গান"
  • "থাকবো না যেদিন"
  • রকস্টার
  • "বর্ষাকাল"
  • "মাটির পৃথিবীতে"
  • "নতুন পুরান"
  • "নীল নয়না"
  • "কিছু চাওয়া"
  • "অনামিকা"
  • "পুড়ে যাচ্ছে"
  • "গুরু তোমায় সালাম"
  • "ওরে সালেকা ওরে মালেকা"
  • পাপড়ি কেন বোঝে না
  • চাঁদকে ভালবেসো না
  • হাইকোর্টের মাজারে

পর্দায় অভিনয়[সম্পাদনা]

সংগীতের পাশাপাশি মিডিয়ার অন্যান্য ক্ষেত্রেও পপগুরু আজম খান কাজ করেছেন। একটি নাটক, একটি চলচ্চিত্র ও বেশ কয়েকটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন তিনি। তাঁর পর্দায় কাজের তালিকা নিম্নোক্ত:

ক্রম নাম বছর ধরন চরিত্র মন্তব্য তথ্যসূত্র
হীরামন: কালা বাউল ১৯৮৬ নাটক কালা বাউল হীরামন নাটক সিরিজের কালা বাউল পর্বে একজন বাউল শিল্পীর চরিত্রে অভিনয় করেন। নাটকটি বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। [২৫]
গডফাদার ২০০৩ চলচ্চিত্র নাম ভূমিকায় খল চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। চলচ্চিত্রটি শাহীন ও ওয়াজেদ আলী সুমন জুটির পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র। [২৬]
ক্রাউন এনার্জি ড্রিংস বিজ্ঞাপন প্রথম বারের মতো বিজ্ঞাপনের মডেল হন। [২৫][২৭][২৮][২৯]
বাংলালিংক ২০০৫ বাংলালিংক'দিন বদল' প্রচারণার বিজ্ঞাপন।
২০০৮ এই বিজ্ঞাপনে কিংবদন্তি সংগীত শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু সঞ্চালকের ভূমিকায় ছিলেন।
কোবরা ড্রিংস ২০১০

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "অবশেষে একুশে পদক পেলেন আজম খান | banglatribune.com"Bangla Tribune। ২০১৯-০৬-২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  2. "মৃত্যুর আট বছর পর একুশে পদক পেলেন আজম খান | বিনোদন"ittefaq। ২০১৯-০২-০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  3. "মুক্তিযোদ্ধা থেকে পপসম্রাট হয়ে ওঠার গল্প"Somoy TV (ইংরেজি ভাষায়)। ২০১৯-০৬-২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  4. "ভালো থেকো প্রিয় আজম খান"Jugantor। ২০২০-০২-১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  5. "খান, আজম"বাংলাপিডিয়া। ২০২০-০৪-১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৯ 
  6. "জন্মদিনে আজম খান ফাউন্ডেশন"www.prothom-alo.com। ২০১৯-০৭-১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৭-১২ 
  7. The Daily Star ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২৬ জুন ২০০৮ তারিখে, Rock star looks back with nostalgia.
  8. হক, মাকসুদুল হক (২০২০)। History of Bangladesh Rock: The Legacy of Azam Khan। ঢাকা: বুকিশ। ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ 
  9. "আজ গুরুর চলে যাওয়ার দিন"প্রথম আলো। ২০১৯-০৬-০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  10. প্রতিবেদন, মীর সাব্বির বিবিসি বাংলার জন্য বিশেষ। "চলে গেলেন আজম খান"BBC News বাংলা। ২০২০-০৫-০১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  11. "সাধারণ জীবনযাপন করা অসাধারণ কণ্ঠের এক সংগীত জাদুকর"web.archive.org। ২০১৯-০৬-০৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  12. প্রথম আলো ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৫-১১-০৫ তারিখে, গুরুকাহিনী, প্রকাশিত হয়েছে: ০৩-১২-২০০৯
  13. "আজম খুব সাধারণ ছিল : আলম খান"NTV Online। ২০২০-০৪-২৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  14. glitz.bdnews24.com ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১০ আগস্ট ২০০৮ তারিখে, আজম খানের মুক্তিযুদ্ধ।
  15. "আজম খান: এক গেরিলা যোদ্ধার গল্প, বিডিনিউজ টুয়েন্টি ফোর ডটকম, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮"। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ 
  16. Tasnim, Tanha (২০১৯-০১-০৭)। "আজম খান: কিংবদন্তি এক যোদ্ধার গল্প"Musophia (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২০-০২-১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  17. BanglaNews24.com। "পপসম্রাটের শেষ অ্যালবাম 'গুরু তোমায় সালাম'"banglanews24.com (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২০-০২-১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  18. "আমার চাচা আলম খান"banglanews24.com। ২০১১-০৮-০৬। ২০১৯-০৯-২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৩ 
  19. "পপসম্রাট আজম খান: চলে যাওয়ার ১০ বছর, বাংলা ট্রিবিউন, ৫ জুন ২০২১"। ১ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০২২ 
  20. "এক নজরে আজম খান, ঢাকা টাইমস, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০"। ১ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০২২ 
  21. "পপগুরু আযম খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি"blog.bdnews24.com। ২০১৯-০৯-২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৪ 
  22. "মুক্তিযোদ্ধা-পপগুরু আজম খান, ভোলা কি যায়!"চ্যানেল আই অনলাইন। ২০১৮-০২-২৮। ২০২০-০৪-১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৯-২৫ 
  23. রিপোর্ট, বিনোদন। "গডফাদার-২ নির্মাণ করছেন শাহীন সুমন"DailyInqilabOnline (ইংরেজি ভাষায়)। ২০২০-০২-১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  24. প্রথম আলো ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৫ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে, পপসম্রাট আজম খান আর নেই, প্রকাশিত হয়েছে:০৫-০৬-২০১১
  25. "অভিনয় আর মডেলিংয়েও তারা"মানবজমিন। ২০১৮-১১-২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  26. "শাহীন (Shahin)"বাংলা মুভি ডেটাবেজ। ২০১৯-০৬-০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-০৬-১০ 
  27. Banglalink Digital (২০১২-০৬-০৪)। "banglalink's tribute to azam khan" 
  28. Advertising Archive Bangladesh (২০১৩-০৬-০১)। "Cobra Energy Drinks – Azam Khan" 
  29. "পপগুরু আজম খানের ৭০তম জন্মদিন"Bangla Tribune। ২০২০-০২-২৮। ২০২০-০৩-০১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০২০-০৩-০১ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]