ক্লাইড বাটস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ক্লাইড বাটস
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নামক্লাইড গডফ্রে বাটস
জন্ম৮ জুলাই, ১৯৫৭
পার্সেভারেন্স, গায়ানা
ব্যাটিংয়ের ধরনডানহাতি
বোলিংয়ের ধরনডানহাতি অফ ব্রেক
ভূমিকাবোলার, কোচ, প্রশাসক
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক
(ক্যাপ ১৮৪)
৬ এপ্রিল ১৯৮৫ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ টেস্ট১১ জানুয়ারি ১৯৮৮ বনাম ভারত
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট এফসি
ম্যাচ সংখ্যা ৮৭
রানের সংখ্যা ১০৮ ১৪৩১
ব্যাটিং গড় ১৫.৪২ ১৫.৯০
১০০/৫০ -/- -/২
সর্বোচ্চ রান ৩৮ ৫৭*
বল করেছে ১৫৫৪ ২২২৯৫
উইকেট ১০ ৩৪৮
বোলিং গড় ৫৯.৫০ ২৪.১৯
ইনিংসে ৫ উইকেট - ২৩
ম্যাচে ১০ উইকেট -
সেরা বোলিং ৪/৭৩ ৭/২৯
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ২/- ৪২/-
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১১ জুন, ২০২০

ক্লাইড গডফ্রে বাটস (ইংরেজি: Clyde Butts; জন্ম: ৮ জুলাই, ১৯৫৭) গায়ানার পার্সেভারেন্স এলাকায় জন্মগ্রহণকারী কোচ, প্রশাসক ও সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়কালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।

ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান ক্রিকেটে গায়ানা দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি অফ ব্রেক বোলার হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, নিচেরসারিতে ডানহাতে ব্যাটিং করতেন ক্লাইড বাটস

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট[সম্পাদনা]

১৯৮০-৮১ মৌসুম থেকে ১৯৯৩-৯৪ মৌসুম পর্যন্ত ক্লাইড বাটসের প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন চলমান ছিল। ১৪ মৌসুমব্যাপী প্রথম-শ্রেণীর খেলোয়াড়ী জীবন অতিবাহিত করেন। এ পর্যায়ে ৮৭টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নেন। তৎসাথে সাতটি টেস্ট খেলেছিলেন তিনি।

খুব কম সময়েই সতীর্থ অফ স্পিনার রজার হার্পারের কারণে দলে ঠাঁই পেতেন। এছাড়াও, প্রতিপক্ষের ব্যাটিং প্রতিরোধে পেস আক্রমণের নিষ্ক্রিয়তায় বোলিংয়ের সুযোগ লাভ করতেন। প্রতি ১৫৫ বলে বা ২৬ ওভার পর উইকেট পেতেন।

ঘরোয়া পর্যায়ের ক্রিকেটে গায়ানা দলের পক্ষে ৬১টি প্রথম-শ্রেণীর খেলায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে দলের তিনটি শিরোপা লাভে প্রভূতঃ ভূমিকা রাখেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট[সম্পাদনা]

সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে সাতটিমাত্র টেস্টে অংশগ্রহণ করেছেন ক্লাইড বাটস। ৬ এপ্রিল, ১৯৮৫ তারিখে জর্জটাউনে সফরকারী নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ১১ জানুয়ারি, ১৯৮৮ তারিখে চেন্নাইয়ে স্বাগতিক ভারত দলের বিপক্ষে সর্বশেষ টেস্টে অংশ নেন তিনি।

১৯৮৫ থেকে ১৯৮৮ সময়কালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে খেলেন। তবে, এ সময়ে স্পিন বোলারদেরকে খুব কমই দলে ঠাঁই দেয়া হতো। তাসত্ত্বেও, দলের চারজন ফাস্ট বোলারের সাথে অংশ নিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশে পাঁচটি টেস্টে অংশ নেন। উপমহাদেশের স্পিন বান্ধব পিচে তার বোলিং মানানসইয়ের কথা চিন্তে করে দল নির্বাচকমণ্ডলী তাকে দলে রাখেন।

১৯৮৬-৮৭ মৌসুমে পাকিস্তানের বিপক্ষে ব্যক্তিগত সেরা বোলিং পরিসংখ্যান ৪/৭৩ লাভ করেন। তন্মধ্যে, পাকিস্তানের অধিনায়ক ও অল-রাউন্ডার ইমরান খানের উইকেটও তিনি লাভ করেন। খেলায় ৯৫ রান খরচায় ছয় উইকেট পান তিনি। তবে, খেলাটি ড্রয়ের পাশাপাশি সিরিজও ড্রয়ে পরিণত হয়। পরবর্তী মৌসুমে ভারত গমন করেন। তিন টেস্টে অংশ নিয়ে দুই উইকেট পান। এটিই তার শেষ টেস্ট সিরিজের অংশগ্রহণ ছিল।

অবসর[সম্পাদনা]

ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর গ্রহণের পর দল নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্যরূপে মনোনীত হন।[১] জুলাই, ২০০৮ সালে জাতীয় দল নির্বাচক হন ও নির্বাচকমণ্ডলীর সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।

বাটসের ভাই-বোনের সংখ্যা দশজন ছিল। তবে, মাত্র একটি কম রেখে তার পিতামাতা আরেকটি সন্তান জন্ম দেননি। ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত তিনি। এপ্রিল, ১৯৮৫ সালে টেস্ট অভিষেক ঘটা খেলার বিশ্রামদিনে তিনি বিয়ে করেন। তবে, দূর্ধর্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান পেস আক্রমণের দিনগুলোয় অফ স্পিনার হিসেবে তাকে অধিকাংশ দিনেই বিশ্রাম নিতে হতো।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "A princely entrance"ESPN Cricinfo। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০১৭ 
  2. http://content-uk.cricinfo.com/magazine/content/current/story/384085.html

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]