সূকর্ণ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
ডিআর. আইআর.
সূকর্ণ
Presiden Sukarno.jpg
১৯৪৯ সালে সূকর্ণ
ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি
অফিসে
১৮ আগস্ট ১৯৪৫ – ১২ মার্চ ১৯৬৭
প্রধানমন্ত্রী সুতান সাজারির
আমির জারিফুদ্দিন
মোহাম্মদ হাতা
আব্দল হালিম
মুহাম্মদ নাতসির
স্যুকিম্যান
উইলোপো
আলী সাস্ত্রোয়ামিতজুজু
বুরহানুদ্দিন হারাপ
জুয়ান্ডা কার্টাইজাজা
উপরাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ হাতা
উত্তরসূরী সূহার্ত
ইন্দোনেশিয়া সভাপতি হিসেবে ১২তম ইন্দোনেশিয়ার প্রধানমন্ত্রী
অফিসে
৯ জুলাই ১৯৫৯ – ২৫ জুলাই ১৯৬৬
রাষ্ট্রপতি সূকর্ণ
পূর্বসূরী জুয়ান্ডা কার্টাইজাজা
উত্তরসূরী পদ বিলুপ্ত
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম কুসনো সুসরোদিহার্দজু
(১৯০১-০৬-০৬)৬ জুন ১৯০১
সুরাবায়া, ডাচ ইস্ট ইন্ডিজ[১][২]
মৃত্যু ২১ জুন ১৯৭০(১৯৭০-০৬-২১) (৬৯ বছর)
জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
রাজনৈতিক দল ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পার্টি
দাম্পত্য সঙ্গী ওইতারি
ইনজিট গার্নাশিষ
ফাতমাওয়াতি
হারতিনি
কার্তিনি মানুপ্পো
রত্না সারি
হারইয়াতি
ইউরিক সানজের
হেলদি জাফরে
অ্যামিলিয়া দে লা রামা ব্রেলে
প্রাক্তন ছাত্র বান্দাং প্রযুক্তি ইনসটিটিউট
স্বাক্ষর

সূকর্ণ (জন্ম: কুসনো সুসরোদিহার্দজু) (৬ই জুন, ১৯০১ - ২১ জুন ১৯৭০)[৩] ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং নেদারল্যান্ডের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের জন্য সংগঠিত সফল সংগ্রামের নেতৃত্বদানকারী। তিনি ইন্দোনেশিয়ার জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃত। তিনি ১৯৪৫ সাল থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি ছিলেন। সূকর্ণ ওলন্দাজ ঔপনিবেশিক শাসনামলে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রথম সারির নেতা এবং এক দশকেরও বেশি সময় রাজনৈতিক বন্দি হিসেবে ওলন্দাজ কারাগারে আটক ছিলেন। পরবর্তীতে জাপানি বাহিনী ইন্দোনেশিয়ায় অভিযান পরিচালনা করলে তিনি ও তার সঙ্গীরা কারাগার থেকে মুক্তি পান। তিনি ও তার জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকারীরা জাপানিদের যুদ্ধে সাহায্য করার জন্য এক চুক্তিতে আসেন এবং বিনিময়ে জাপানি বাহিনী তাদের জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশের সুযোগ দেয়। জাপানি বাহিনী আত্মসমর্পন করার পর সুকর্ণ ও মোহাম্মদ হাতা ১৭ আগস্ট ১৯৪৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার ঘোষণা করেন, যেখানে সূকর্ণ প্রথম রাষ্ট্রপতি মনোনীত হন। ১৯৪৯ সালে ওলন্দাজরা ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতা স্বীকৃতি প্রদানের পূর্ব পর্যন্ত সূকর্ণ জনগনকে একত্রিত করে কূটনৈতিক ও সামরিক পন্থায় পুনরায় ওলন্দাজ উপনিবেশ স্থাপনের চেষ্ঠাকে ব্যার্থ করেন।

সংসদীয় গণতন্ত্র একটি বিশৃঙ্খল সময় পর করার পর, সূকর্ণ ১৯৫৯ সালে নির্দেশিত গণতন্ত্র নামক একটি স্বৈরাচারী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৬০-এর দশকের গোড়ার দিকে দেখা যায় সূকর্ণ দেশের ব্যাবস্থাপনাকে নতুন একটি দিগন্তে নিয়ে যাচ্ছেন। তিনি যেমন একদিকে ইন্দোনেশিয় কমিউনিস্ট দলকে নিরাপত্তা দিতেন তেমনি ইসলামপন্থী ও সামরিক উপস্থিতিও মেনে নিয়েছিলেন। সূকর্ণ সোভিয়েত ইউনিয়নচীন থেকে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী কিছু উগ্রপন্থী বৈদেশিক নীতি চালো করেছিলেন। ৩০ সেপ্টেম্বর একটি আন্দোলনে ইন্দোনেশিয়ার বামপন্থী দল ভেঙ্গে গিয়েছিল এবং সূহার্ত নামে তার এক জেনারেল তার স্থলাভিষিক্ত হন। ২১ জুন ১৯৭০ সালে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

পদটীকা[সম্পাদনা]

  1. Nadhirianto, Averio। "Menelusuri Jejak Rumah Kelahiran Bung Karno (Indonesian Language)"Yahoo। সংগৃহীত ১২ জুন ২০১১ 
  2. Nadhirianto, Averio। "Gadjah Mada University Antrophologist: "Sukarno Was Born In Surabaya""Tribun News। সংগৃহীত ১২ জুন ২০১১ 
  3. Biografi Presiden Perpustakaan Nasional Republik Indonesia

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]