শক্তি চট্টোপাধ্যায়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search
শক্তি চট্টোপাধ্যায়
শক্তি চট্টোপাধ্যায় (১৯৩৪-১৯৯৫).jpg
শক্তি চট্টোপাধ্যায়
জন্ম (১৯৩৩-১১-২৭)২৭ নভেম্বর ১৯৩৩
বাহারু গ্ৰাম, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, বাংলা, ভারত[১]
মৃত্যু ২৩ মার্চ ১৯৯৫(১৯৯৫-০৩-২৩) (৬১ বছর)
কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ ভারত
ছদ্মনাম স্ফুলিঙ্গ সমাদ্দার[২]
পেশা কবি
ভাষা বাংলা
জাতীয়তা ভারতীয়
সময়কাল ১৯৬১-১৯৯৫
উল্লেখযোগ্য রচনাবলি যেতে পারি কিন্তু কেন যাবো
উল্লেখযোগ্য পুরস্কার আনন্দ পুরস্কার[৩]
সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার[৪]

শক্তি চট্টোপাধ্যায় (জন্ম: নভেম্বর ২৫, ১৯৩৪ - মৃত্যু: মার্চ ২৩, ১৯৯৫) জীবনানন্দ-উত্তর যুগের বাংলা সাহিত্যের একজন প্রধান আধুনিক কবি। বাঙালি-ভারতীয় এই কবি বিংশ শতাব্দীর শেষ ভাগে বিশেষভাবে পরিচিত এবং আলোচিত ছিলেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

শক্তি চট্টোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ এর জয়নগর - মজিলপুরের দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম বামানাথ চট্টোপাধ্যায়। কলকাতার কাশিমবাজার স্কুলে পড়তেন। দারিদ্রের কারণে তিনি স্নাতক পাঠ অর্ধসমাপ্ত রেখে প্রেসিডেন্সি কলেজ ছাড়েন এবং সাহিত্যকে জীবিকা করার উদ্দেশ্যে উপন্যাস লেখা আরম্ভ করেন। কলেজজীবনে রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি।

সাহিত্য[সম্পাদনা]

প্রথম উপন্যাস লেখেন কুয়োতলা। কিন্তু কলেজ - জীবনের বন্ধু সমীর রায়চৌধুরীর সঙ্গে তাঁর বনাঞ্চল - কুটির চাইবাসায় আড়াই বছর থাকার সময়ে শক্তি চট্টোপাধ্যায় একজন সফল লিরিকাল কবিতে পরিণত হন। একই দিনে বেশ কয়েকটি কবিতা লিখে ফেলার অভ্যাস গড়ে ফেলেন তিনি। শক্তি নিজের কবিতাকে বলতেন পদ্য। ভারবি প্রকাশনায় কাজ করার সূত্রে তার শ্রেষ্ঠ কবিতার সিরিজ বের হয়। পঞ্চাশের দশকে কবিদের মুখপত্র কৃত্তিবাস পত্রিকার অন্যতম কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। তার উপন্যাস অবনী বাড়ি আছো? দাঁড়াবার জায়গা ইত্যাদি প্রকাশিত হয়। রূপচাঁদ পক্ষী ছদ্মনামে অনেক ফিচার লিখেছেন। তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'হে প্রেম, হে নৈশব্দ' ১৯৬১ সালে প্রকাশিত হয় দেবকুমার বসুর চেষ্টায়। ১৯৭০ - ১৯৯৪ আনন্দবাজার পত্রিকায় চাকরি করেছেন।

হাংরি আন্দোলন[সম্পাদনা]

১৯৬১ সালের নভেম্বরে ইশতাহার প্রকাশের মাধ্যমে যে চারজন কবিকে হাংরি আন্দোলন - এর জনক মনে করা হয় তাঁদের মধ্যে শক্তি চট্টোপাধ্যায় অন্যতম । অন্য তিনজন হলেন সমীর রায়চৌধুরী, দেবী রায় এবং মলয় রায়চৌধুরী। শেষোক্ত তিনজনের সঙ্গে সাহিত্যিক মতান্তরের জন্য ১৯৬৩ সালে তিনি হাংরি আন্দোলন ত্যাগ করে কৃত্তিবাস গোষ্ঠীতে যোগ দেন । তিনি প্রায় ৫০টি হাংরি বুলেটিন প্রকাশ করে ছিলেন। পরবর্তীকালে কৃত্তিবাসের কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ও শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের নাম সাহিত্যিক মহলে একত্রে উচ্চারিত হতো, যদিও সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় হাংরি আন্দোলন এর ঘোর বিরোধী ছিলেন এবং কৃত্তিবাস পত্রিকায় ১৯৬৬ সালে সেই মনোভাব প্রকাশ করে সম্পাদকীয় লিখে ছিলেন।

পুরস্কার[সম্পাদনা]

সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার সহ তিনি একাধিক পুরস্কারে সন্মানিত ।

গ্রন্থতালিকা[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. Sengupta, Samir (২০০৫)। Shakti Chattopadhyay। Makers of Indian Literature (1st সংস্করণ)। New Delhi: Sahitya Akademi। পৃষ্ঠা 5। আইএসবিএন 81-260-2003-2 
  2. Board of Editors, Bangla Akademi (২০০৯) [1999]। Akademi Bidyarthi Bangla Abhidhan [Akademi Students' Bengali Dictionary] (Bengali ভাষায়) (2nd সংস্করণ)। Kolkata: Paschimbanga Bangla Akademi। পৃষ্ঠা 875। আইএসবিএন 81-86908-96-X 
  3. Sengupta, Samir (2005). Shakti Chattopadhyay. p. 93
  4. Sengupta, Samir (2005). Shakti Chattopadhyay. p. 94

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]