মারকিনয়োস

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
মারকিনয়োস
Brasil conquista primeiro ouro olímpico nos penaltis 1039278-20082016- mg 4916.jpg
২০১৬ সালে মারকিনয়োস
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম মার্কোস আওয়াস কোহেয়া
জন্ম (১৯৯৪-০৫-১৪) ১৪ মে ১৯৯৪ (বয়স ২৪)
জন্ম স্থান সাও পাওলো, ব্রাজিল
উচ্চতা ১.৮৩ মি (৬ ফু ০ ইঞ্চি)[১]
মাঠে অবস্থান রক্ষণভাগের খেলোয়াড়
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই
জার্সি নম্বর
যুব পর্যায়ের খেলোয়াড়ী জীবন
২০০২–২০১১ করিন্থিয়ান্স
জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের খেলোয়াড়ী জীবন*
বছর দল উপস্থিতি (গোল)
২০১১–২০১২ করিন্থিয়ান্স (০)
২০১২–২০১৩ রোমা ২৬ (০)
২০১৩– প্যারিস সেন্ট জার্মেই ১২৬ (৮)
জাতীয় দল
২০১১ ব্রাজিল অনূর্ধ্ব-১৭[২] ১৪ (০)
২০১৪ ব্রাজিল অনূর্ধ্ব-২১[২] (০)
২০১৬ ব্রাজিল অনূর্ধ্ব-২৩[২] (১)
২০১৩– ব্রাজিল ২৪ (০)
  • পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা শুধুমাত্র ঘরোয়া লিগের জন্য গণনা করা হয়েছে এবং ১৫ এপ্রিল ২০১৮ তারিখ অনুযায়ী সঠিক।

† উপস্থিতি(গোল সংখ্যা)।

‡ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সংখ্যা এবং গোল ২৩ মার্চ ২০১৮ তারিখ অনুযায়ী সঠিক।

মার্কোস আওয়াস কোহেয়া (জন্ম: ১৪ মে ১৯৯৪), সাধারণভাবে মারকিনয়োস নামে পরিচিত (ব্রাজিলীয় পর্তুগিজ: [maʁˈkĩj̃us]), হলেন একজন ব্রাজিলীয় পেশাদার ফুটবলার, যিনি লীগ ১-এর ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে একজন রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। যদিও তিনি মূলত হচ্ছেন একজন সেন্টার-ব্যাক, তবুও তিনি মাঝেমধ্যে একজন ফুল-ব্যাক হিসেবেও খেলে থাকেন।

তিনি ২০১১ সালে ব্রাজিলীয় ক্লাব করিন্থিয়ান্সের হয়ে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন, এবং ২০১২ সালে কোপা লিবের্তাদোরেস জয়ের পর ইতালীয় ক্লাব রোমার সাথে ৩ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে যোগদান করেন। সেখানে তিনি ২০১৩ সালের কোপা ইতালিয়া ট্রফি জয়লাভ করেন। তিনি উক্ত মৌসুমে রোমার হয়ে নিয়মিত খেলা একজন খেলোয়াড় ছিলেন। ২০১৩ সালের জুলাই মাসে, তিনি ৩১.৪ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে ৫ বছরের জন্য লীগ ১-এর ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে যোগদান করেন; এর মাধ্যমে তিনি সেসময় ২০ বছর বয়সী সবচেয়ে দামি খেলোয়াড়ে পরিণত হয়েছিলেন।[৩][৪][৫] তিনি সেখানে ১৪টি ট্রফি জয়লাভ করেছে, যার মধ্যে তার প্রথম ৩ মৌসুমে ৩টি লীগ ১ ট্রফি রয়েছে। ২০১৪ সালে দাভিদ লুইজ প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ে যোগদান করার পর তিনি একজন অনিয়মিত খেলোয়াড়ে পরিণত হয়ে যান, কিন্তু ২০১৬ সালে লুইজ দলটি ছেড়ে দেওয়ার পর তিনি পুনরায় তার ভূমিকায় চলে আসেন।[৬][৭][৮]

মারকিনয়োস ২০১৩ সাল আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক করেন। এরপূর্বে, তিনি ব্রাজিলের অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-২১ এবং অনূর্ধ্ব-২৩ দলের সদস্য ছিলেন। তিনি অনূর্ধ্ব-২১ দলের হয়ে খেলার সময় ২০১৪ তুলোন টুর্নামেন্ট জয়লাভ করেছেন। তিনি ২০১৫ কোপা আমেরিকা এবং ২০১৬ কোপা আমেরিকার মতো প্রতিযোগিতায় ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। এছাড়াও তিনি ২০১৬ সালের অলিম্পিকে স্বর্ণ পদকজয়ী একজন খেলোয়াড়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Marquinhos"Paris Saint-Germain F.C.। সংগ্রহের তারিখ ১২ মার্চ ২০১৫ 
  2. "Marquinhos"। Soccerway। সংগ্রহের তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৪ 
  3. "Anthony Martial: Man Utd sign Monaco forward for £36m"। BBC Sport। ২ সেপ্টেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  4. "The 10 most expensive teenagers in football history"। Sky Sports। ২ সেপ্টেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৬ 
  5. "Mercato – PSG : Marquinhos, 3 e joueur de moins de 20 ans le plus cher !" [Transfer market – PSG: Marquinhos, 3rd most expensive under-20 player!] (French ভাষায়)। Le 10 Sport। ৭ অক্টোবর ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৬ 
  6. "Alex advises Marquinhos to leave Paris Saint-Germain"FourFourTwo। ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০১৫ 
  7. "Thiago Silva criticises Marquinhos' agents and confirms Barcelona interest in defender"Sport। ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৩ মার্চ ২০১৬ 
  8. Johnson, Jonathan (১ সেপ্টেম্বর ২০১৬)। "Marquinhos to get PSG chance with Unai Emery right to sell David Luiz"। ESPN। সংগ্রহের তারিখ ৩ মার্চ ২০১৭ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]