ব্রাজিল জাতীয় অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ব্রাজিল অনূর্ধ্ব-২৩
দলের লোগো
ডাকনামসেলেসাও (জাতীয় দল)
কানারিনিয়ো (ছোট ক্যানারি)
ভের্দে-আমারেলা (সবুজ–হলুদ)
এস্কুয়াদ্রাও দে ঔরো (সোনালী দল)
অ্যাসোসিয়েশনব্রাজিলীয় ফুটবল কনফেডারেশন
কনফেডারেশনকনমেবল (দক্ষিণ আমেরিকা)
প্রধান কোচআন্দ্রে জার্দিনে
সর্বাধিক ম্যাচরোনালদিনহো (১৮)
শীর্ষ গোলদাতামাথেউস কুনিয়া (১৫)
মাঠবিভিন্ন
ফিফা কোডBRA
প্রথম জার্সি
দ্বিতীয় জার্সি
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা
 ব্রাজিল ৫–১ নেদারল্যান্ডস 
(তুর্কু, ফিনল্যান্ড; ১৬ জুলাই ১৯৫২)
বৃহত্তম জয়
 ব্রাজিল ১৪–০ নিকারাগুয়া 
(মেক্সিকো সিটি, মেক্সিকো; ১৭ অক্টোবর ১৯৭৫)
বৃহত্তম পরাজয়
 কলম্বিয়া ৫–১ ব্রাজিল 
(কালি, কলম্বিয়া; ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৮০)
গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক
অংশগ্রহণ১৩ (১৯৫২-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যGold medal.svg চ্যাম্পিয়ন (২০১৬)
প্যান আমেরিকান গেমস
অংশগ্রহণ১১ (১৯৫৯-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যGold medal america.svg চ্যাম্পিয়ন (১৯৬৩, ১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৮৭)
কনমেবল প্রাক-অলিম্পিক
অংশগ্রহণ১৩ (১৯৬০-এ প্রথম)
সেরা সাফল্যGold medal southamerica.svg চ্যাম্পিয়ন (১৯৬৮, ১৯৭১, ১৯৭৬, ১৯৮৪, ১৯৮৭, ১৯৯৬, ২০০০)

ব্রাজিল জাতীয় অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল দল (ইংরেজি: Brazil national under-23 football team; যা ব্রাজিল অলিম্পিক ফুটবল দল অথবা ব্রাজিল অনূর্ধ্ব-২৩ নামে পরিচিত) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের অনূর্ধ্ব-২৩ দল, যার সকল কার্যক্রম ব্রাজিলের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ব্রাজিলীয় ফুটবল কনফেডারেশন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। ১৯৫২ সালের ১৬ই জুলাই তারিখে, ব্রাজিল অনূর্ধ্ব-২৩ প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; ফিনল্যান্ডের তুর্কুয় অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে ব্রাজিল নেদারল্যান্ডস অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে ৫–১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করেছে। ব্রাজিল অনূর্ধ্ব-২৩ হচ্ছে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন, যারা ২০১৬ সালে জার্মানি অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে পেনাল্টি শুট-আউটের মাধ্যমে পরাজিত করেছে।

সেলেসাও নামে পরিচিত এই দলটি বেশ কয়েকটি স্টেডিয়ামে তাদের হোম ম্যাচগুলো আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় ব্রাজিলের রিউ দি জানেইরুর আটলান্টিক মহাসাগর তীরবর্তী বরা দা তিজুকা এলাকায় অবস্থিত।[১] বর্তমানে এই দলের ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন আন্দ্রে জার্দিনে। ব্রাজিল অনূর্ধ্ব-২৩ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের ইতিহাসের অন্যতম সফল দল, যারা এপর্যন্ত ১ বার (২০১৬) স্বর্ণ পদক জয়লাভ করেছে।

রোনালদিনহো, পাউলিনিয়ো, মাইকোন, মাথেউস কুনিয়া এবং আন্তোনি মতো খেলোয়াড়গণ ব্রাজিল অনূর্ধ্ব-২৩ দলের জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।

প্রতিযোগিতামূলক তথ্য[সম্পাদনা]

গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক[সম্পাদনা]

গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক
সাল পর্ব অবস্থান ম্যাচ জয় ড্র হার স্বগো বিগো
ফ্রান্স ১৯০০ অংশগ্রহণ করেনি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯০৪
যুক্তরাজ্য ১৯০৮
সুইডেন ১৯১২
বেলজিয়াম ১৯২০
ফ্রান্স ১৯২৪
নেদারল্যান্ডস ১৯২৮
জার্মানি ১৯৩৬
যুক্তরাজ্য ১৯৪৮
ফিনল্যান্ড ১৯৫২ কোয়ার্টার-ফাইনাল ৬ষ্ঠ
অস্ট্রেলিয়া ১৯৫৬ অংশগ্রহণ করেনি
ইতালি ১৯৬০ গ্রুপ পর্ব ৬ষ্ঠ ১০
জাপান ১৯৬৪ গ্রুপ পর্ব ৯ম
মেক্সিকো ১৯৬৮ গ্রুপ পর্ব ১১তম
পশ্চিম জার্মানি ১৯৭২ গ্রুপ পর্ব ১২তম
কানাডা ১৯৭৬ ৩য় স্থান নির্ধারণী ৪র্থ
সোভিয়েত ইউনিয়ন ১৯৮০ উত্তীর্ণ হয়নি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৮৪ ফাইনাল ২য়
দক্ষিণ কোরিয়া ১৯৮৮ ফাইনাল ২য় ১২
স্পেন ১৯৯২ উত্তীর্ণ হয়নি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৬ ৩য় স্থান নির্ধারণী ৩য় ১৬
অস্ট্রেলিয়া ২০০০ কোয়ার্টার-ফাইনাল ৬ষ্ঠ
গ্রিস ২০০৪ উত্তীর্ণ হয়নি
চীন ২০০৮ ৩য় স্থান নির্ধারণী ৩য় ১৪
যুক্তরাজ্য ২০১২ ফাইনাল ২য় ১৬
ব্রাজিল ২০১৬ ফাইনাল ১ম ১৩
জাপান ২০২০ অনির্ধারিত
মোট ১টি স্বর্ণ পদক ১৩/২৬ ৬০ ৩৪ ১০ ১৬ ১২৪ ৬৫

অর্জন[সম্পাদনা]

শিরোপা[সম্পাদনা]

২০১৬ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে স্বর্ণ পদকজয়ী ব্রাজিল অলিম্পিক দল

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Jonathan Watts (২৯ মে ২০১৫)। "Brazil starts congressional inquiry into corruption after Fifa arrests"the guardian। Guardian News and Media। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৫ 
  2. Since 1992, squads for Summer Olympics have been restricted to three players over the age of 23. The achievements of such teams are not usually included in the statistics of the international team.